সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮—আদা - আমদানিকৃত১৬৭—আদা - দেশী১৫৪—আমন চাল - মাঝারি৫৬—আমন চাল - মোটা৪৮—আমন চাল - সরু৭২—আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২—কাঁচা মরিচ২১৮—খামারের মুরগী১৬২—খাসী৯০০—চিনি (দেশী)১৩২—ছোলা - গোটা৮৫—ডিম ফার্ম - লাল৪৭—পেঁয়াজ - দেশী৬০—বোরো চাল - মাঝারি৫৫—বোরো চাল - মোটা৪৭—বোরো চাল - সরু৬৬—মাংসঃ– গরু৭২৯—মুগ ডাল১২২—রসুন - আমদানিকৃত১৯২—রসুন - দেশী১৭৩—সয়াবিন তেল১৬৩—
হালনাগাদ ১৬ অক্টোবর ২০২৬
ঢাকা২৮°পরিষ্কার আকাশআর্দ্রতা ৬২%বাতাস ৫ কিমি/ঘ

এবার গরু কিনতে গুনতে হচ্ছে ২০-৩০ শতাংশ বাড়তি টাকা

কোরবানির ঈদকে সামনে রেখে রাজধানীর পশুর হাটগুলোতে ধীরে ধীরে জমে উঠছে বেচাকেনা। তবে এবার হাটে গরুর দাম শুনেই অনেক ক্রেতার কপালে ভাঁজ পড়ছে। গত বছরের তুলনায় অধিকাংশ গরুর দাম ২০ থেকে ৩০ শতাংশ পর্যন্ত বেশি চাওয়া হচ্ছে। বিশেষ করে মাঝারি ও ছোট আকারের গরুর দাম বেড়েছে তুলনামূলক বেশি। এতে সীমিত আয়ের মানুষের জন

কোরবানির ঈদকে সামনে রেখে রাজধানীর পশুর হাটগুলোতে ধীরে ধীরে জমে উঠছে বেচাকেনা। তবে এবার হাটে গরুর দাম শুনেই অনেক ক্রেতার কপালে ভাঁজ পড়ছে। গত বছরের তুলনায় অধিকাংশ গরুর দাম ২০ থেকে ৩০ শতাংশ পর্যন্ত বেশি চাওয়া হচ্ছে। বিশেষ করে মাঝারি ও ছোট আকারের গরুর দাম বেড়েছে তুলনামূলক বেশি। এতে সীমিত আয়ের মানুষের জন্য কোরবানির পশু কেনা কঠিন হয়ে পড়েছে বলে মনে করছেন অনেকে।

রাজধানীর আফতাবনগর, শাহজাহানপুর ও কমলাপুর এলাকার পশুর হাট ঘুরে ক্রেতা ও ব্যাপারীদের সঙ্গে কথা বলে এমন চিত্র দেখা গেছে।

ঈদকে সামনে রেখে রাজধানীর পশুর হাটগুলোতে এখন উৎসবমুখর পরিবেশ তৈরি হলেও বাড়তি দামের চাপ সাধারণ মানুষের আনন্দে কিছুটা ভাটা ফেলেছে। তারপরও ধর্মীয় আবেগ ও কোরবানির গুরুত্ব বিবেচনায় সামর্থ্য অনুযায়ী পশু কেনার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন নগরবাসী।

হাটে ঘুরে দেখা যায়, বড় গরুর তুলনায় ছোট ও মাঝারি আকারের গরুর সামনে ক্রেতাদের ভিড় বেশি। অধিকাংশ পরিবার দেড় লাখ টাকার মধ্যে গরু কিনতে চাইছেন। কিন্তু সেই বাজেটের মধ্যে পছন্দমতো গরু না পেয়ে হতাশ হচ্ছেন কেউ কেউ।

ব্যবসায়ীরা বলছেন, এখনও অনেক গরু হাটে আসেনি। ঈদের যত কাছে সময় গড়াবে, তত বেশি পশু রাজধানীতে আসবে। তখন বাজার পরিস্থিতির কিছু পরিবর্তন হতে পারে। তবে পরিবহন ও পশুখাদ্যের উচ্চমূল্যের কারণে গত বছরের তুলনায় এবার গরু কিনতে বেশি টাকা গুনতে হবে।

অন্যদিকে, ক্রেতাদের একটি অংশ মনে করছেন, এবার বাজারে পর্যাপ্ত তদারকি নেই। অনেক বিক্রেতা ইচ্ছেমতো দাম হাঁকাচ্ছেন। দরদাম করে কিছুটা কমানো গেলেও শেষ পর্যন্ত আগের বছরের তুলনায় অনেক বেশি টাকা গুনতে হচ্ছে।

আফতাবনগরের বাসিন্দা বেসরকারি চাকরিজীবী রেজাউল করিম বলেন, গত বছর যে গরু ১ লাখ ২০ হাজার টাকার মধ্যে কিনতে পেরেছিলাম, এবার একই ধরনের গরুর দাম ১ লাখ ৫০ থেকে ১ লাখ ৬০ হাজার টাকা চাওয়া হচ্ছে। বাজারে এসে মনে হচ্ছে বাজেট পুরো এলোমেলো হয়ে গেছে।

একই এলাকার আরেক ক্রেতা সোহেল রানা বলেন, গত বছর এক লাখ টাকার নিচে ছোট গরু পাওয়া গিয়েছিল। এবার ছোট গরুর দামই ১ লাখ ১০ হাজার টাকার ওপরে চাচ্ছেন ব্যাপারীরা। দরদাম করেও খুব একটা কমানো যাচ্ছে না।

শাহজাহানপুরের বাসিন্দা ব্যাংক কর্মকর্তা মাহবুব হোসেন বলেন, গত বছর ১ লাখ ৪০ হাজার টাকার মধ্যে যে গরু পাওয়া গেছে এবার সেই গরুর দাম ১ লাখ ৮০ হাজার টাকার ওপরে চাওয়া হচ্ছে। মধ্যবিত্ত মানুষের জন্য এবার কোরবানি অনেক ব্যয়বহুল হয়ে যাচ্ছে।

একই এলাকার গৃহিণী ফারজানা ইয়াসমিন বলেন, আমরা পরিবার মিলে একটি মাঝারি গরু কেনার পরিকল্পনা করেছি। কিন্তু হাটে এসে দেখি প্রত্যেক গরুর দাম আগের চেয়ে অনেক বেশি। পরিস্থিতি দেখে মনে হচ্ছে গরুর জন্য বাজেট আরও ২০-৩০ হাজার বাড়াতে হবে।

কমলাপুরের বাসিন্দা ব্যবসায়ী আলামিন শেখ বলেন, ছোট ও মাঝারি গরুর চাহিদা বেশি হওয়ায় বিক্রেতারাও বেশি দাম হাঁকাচ্ছেন। মানুষ কম বাজেটের মধ্যে গরু খুঁজছে, কিন্তু সেই গরুর দামও নাগালের বাইরে চলে যাচ্ছে।

একই এলাকার আরেক ক্রেতা সুমাইয়া আক্তার বলেন, আমাদের বাজেট ছিল দেড় লাখ টাকা। কিন্তু সেই বাজেটে এখন ভালো গরু পাওয়া কঠিন। পছন্দ মতো গরু কিনতে গেলে ১ লাখ ৮০ হাজার টাকার মতো লাগবে মনে হচ্ছে। এখন কি আর করা বাজার ঘুরে বাজেটের মধ্যে যে গরু পাওয়া যাবে, তাই কিনবো।

ব্যাপারীরা অবশ্য দাম বৃদ্ধির পেছনে পরিবহন খরচ ও গরুর লালন-পালনের ব্যয় বৃদ্ধিকে দায়ী করছেন। তাদের দাবি, এ বছর গ্রামাঞ্চল থেকেই বেশি দামে গরু কিনতে হয়েছে। এর সঙ্গে ট্রাক ভাড়া ও পশুখাদ্যের দাম বেড়ে যাওয়ায় বাধ্য হয়েই বেশি দামে গরু বিক্রি করতে হচ্ছে।

কমলাপুর হাটে গরু নিয়ে আসা কুষ্টিয়ার ব্যাপারী আবুল কালাম বলেন, গত বছর যে ট্রাক ভাড়া ১৭-১৮ হাজার টাকা ছিল এবার সেটি ২৪-২৫ হাজার টাকা গুনতে হচ্ছে। শুধু একটা ট্রাকের মাড়াই ৬-৭ হাজার বেড়ে গেছে। এর সঙ্গে খাবার খরচও বেড়েছে। ফলে গরুর দাম এবার একটু বেশি।

চুয়াডাঙ্গা থেকে গরু নিয়ে আসা আরেক ব্যাপারী মিজানুর রহমান বলেন, খামারিরা এবার গরুর দাম বেশি চেয়েছেন। এছাড়া খড়, ভুসি, গমের ভুসি, ভুট্টা সব ধরনের খাবারের দাম বেড়েছে। সেই সঙ্গে বেড়েছে ট্রাক ভাড়া। ফলে কম দামে বিক্রি করলে লাভ থাকে না।

সিরাজগঞ্জের ব্যাপারী জাকির হোসেন বলেন, মানুষ ভাবছে আমরা বেশি লাভ করছি। কিন্তু হাটে গরু আনতে এখন খরচ অনেক বেশি। ট্রাক ভাড়া, শ্রমিক খরচ, হাটের চাঁদা সব মিলিয়ে আগের চেয়ে অনেক ব্যয় বেড়েছে।

তিনি বলেন, ছোট গরুর চাহিদা এবার বেশি। কারণ অনেকের বাজেট সীমিত। সেই কারণে ছোট গরুর দামও বেড়ে গেছে। নতুন করে হাটে গরু না এলে সামনে দাম আরও বাড়তে পারে।

এমএএস/এমএএইচ/

জাগো নিউজ ২৪সূত্র

লাইভস্টক

সম্পর্কিত খবর

লাইভস্টক

সৌরপ্যানেলের নিচে ভেড়া চরালে বাড়ে মৌমাছি, তবে সংখ্যা রাখতে হবে কম

কর্নেল বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণায় দেখা গেছে, সৌরখামারে হেক্টরপ্রতি দুটি ভেড়া চরালে ঘাস কাটার তুলনায় উপকারী পোকা ৩৮ শতাংশ বাড়ে। খামারিদের জন্য ভেড়ার পাল পরিকল্পনার একটি সহায়ক টুলও তৈরি করেছেন গবেষকেরা।

Farms.com১৬ অক্টোবর ২০২৬২ মিনিটের পড়া
লাইভস্টক

প্রোটিনের চাহিদায় বদলে গেল কানাডার দুধের বাজার, মাখনের উদ্বৃত্ত শেষ

দুগ্ধজাত প্রোটিনের চাহিদা বাড়ায় পাঁচ বছরের মধ্যে কানাডার দুধের বাজারে মাখনচর্বির কাঠামোগত উদ্বৃত্ত মিটে গেছে, দুধের দাম নির্ধারণেও এসেছে পরিবর্তন।

Manitoba Co-operator১৬ অক্টোবর ২০২৬১ মিনিটের পড়া
লাইভস্টক

সিকি হেক্টরে ওটের বীজ চাষ, ইথিওপিয়ার এক কৃষকের পারিবারিক ব্যবসা

ইথিওপিয়ার এক ক্ষুদ্র কৃষক মাত্র শূন্য দশমিক ২৫ হেক্টর জমিতে বীজের জন্য ওট চাষ করে প্রথম ফসল ৪৫ হাজার বির্রে বিক্রি করেন এবং পরের বছর চাষ বাড়ান। আইএলআরআইয়ের পশুখাদ্যের বীজকে ব্যবসায় রূপ দেওয়ার উদ্যোগের অংশ এটি।

ILRI১৬ অক্টোবর ২০২৬২ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

(০)