সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮—আদা - আমদানিকৃত১৬৭—আদা - দেশী১৫৪—আমন চাল - মাঝারি৫৬—আমন চাল - মোটা৪৮—আমন চাল - সরু৭২—আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২—কাঁচা মরিচ২১৮—খামারের মুরগী১৬২—খাসী৯০০—চিনি (দেশী)১৩২—ছোলা - গোটা৮৫—ডিম ফার্ম - লাল৪৭—পেঁয়াজ - দেশী৬০—বোরো চাল - মাঝারি৫৫—বোরো চাল - মোটা৪৭—বোরো চাল - সরু৬৬—মাংসঃ– গরু৭২৯—মুগ ডাল১২২—রসুন - আমদানিকৃত১৯২—রসুন - দেশী১৭৩—সয়াবিন তেল১৬৩—
হালনাগাদ ১৬ অক্টোবর ২০২৬
ঢাকা২৮°পরিষ্কার আকাশআর্দ্রতা ৬২%বাতাস ৫ কিমি/ঘ

শিলাবৃষ্টিতে পাবনার লিচু ও আম চাষিদের কপালে চিন্তার ভাঁজ

বৃষ্টি মৌসুমের শুরুতেই শিলাবৃষ্টিতে আক্রান্ত উত্তরের জেলা পাবনা। ঝড়ো হাওয়া ও ভারী বৃষ্টির সঙ্গে দীর্ঘ সময় শিলার আঘাতে দুশ্চিন্তায় পড়েছেন জেলার লিচু ও আম চাষিরা। ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা অন্যান্য ফসল নিয়েও। বুধবার (১৮ মার্চ) রাত সাড়ে ৮টায় শুরু হয়ে দীর্ঘ এক ঘণ্টারও বেশি সময় বর্ষিত হয় এ বৃষ্টি।

বৃষ্টি মৌসুমের শুরুতেই শিলাবৃষ্টিতে আক্রান্ত উত্তরের জেলা পাবনা। ঝড়ো হাওয়া ও ভারী বৃষ্টির সঙ্গে দীর্ঘ সময় শিলার আঘাতে দুশ্চিন্তায় পড়েছেন জেলার লিচু ও আম চাষিরা। ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা অন্যান্য ফসল নিয়েও। বুধবার (১৮ মার্চ) রাত সাড়ে ৮টায় শুরু হয়ে দীর্ঘ এক ঘণ্টারও বেশি সময় বর্ষিত হয় এ বৃষ্টি।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, দিনব্যাপী আকাশ পরিষ্কার থাকলেও সন্ধ্যা নামার সঙ্গে সঙ্গে পাবনার আকাশে মেঘের আনাগোনা বাড়তে থাকে। পরে রাতে সেটি বেড়ে ঘন মেঘে রূপ নেয়। কিছুক্ষণ এলোমেলো মাঝারি বাতাসের পর রাত সোয়া ৮টার দিকে ঝড়ো বাতাসের সঙ্গে ভারী বৃষ্টি ও শিলা পড়তে থাকে। প্রায় এক ঘণ্টারও বেশি সময় ধরে চলা বৃষ্টি শুরুতে ১৫ মিনিটের মতো সময় শিলা পড়তে থাকে।

জেলার ভাঙ্গুড়া উপজেলার বিভিন্ন জাগায়াতেও শিলাবৃষ্টি হয়। এ নিয়ে দুশ্চিন্তায় পড়েছেন চাষিরা। তারা বলছেন, এবার লিচুর রাজধানী খ্যাত জেলার ঈশ্বরদী উপজেলার ৩১০০ হেক্টর জমির বাগানসহ বিভিন্ন জায়গায় লিচুর ভালো মুকুল এসেছে। অধিকাংশ জায়গায় এটি গুটিতে রূপ নিয়েছে। এই সময় শিলাবৃষ্টিতো দূরে থাক, ঝড় হলেও অধিকাংশ মুকুল ও গুটি ঝরে বাগানগুলো ক্ষতিগ্রস্ত হবে।

একই অবস্থা আম বাগানগুলোর ক্ষেত্রেও। এবার আমের মুকুল ভালো এসেছে জেলায়। ঝড় বা শিলাবৃষ্টি হলে এটিরও ব্যাপক ক্ষতি হতে পারে বলেও আশঙ্কা তাদের। তবে ডিজেলের অভাবে পর্যাপ্ত সেচ দিতে না পারায় বোরো ধানের জন্য বৃষ্টি প্রয়োজন বলেও জানান কৃষকরা।

ঈশ্বরদীতে বৃষ্টি হলেও শিলা পড়েনি জানিয়ে উপজেলার সাহাপুরের লিচু চাষি আব্দুল মজিদ বলেন, এবার গাছে গাছে ব্যাপক মুকুল এসেছে। বাগানে ১৩৫টি গাছের মধ্যকার ৭-৮ গাছ ব্যতীত প্রত্যেকটি গাছের মুকুলই সন্তোষজনক। এগুলো যেন না ঝরে পড়ে সেজন্য পানি ও কীটনাশক দেওয়াসহ প্রয়োজনীয় পরিচর্যা করছি। এরমধ্যে যদি শিলাবৃষ্টি হয় তাহলে আমাদের খুব ক্ষতি হয়ে যাবে।

সদর উপজেলার দাপুনিয়া এলাকার বাগানি আব্দুল হালিম বলেন, শহর ও এর আশপাশে ব্যাপক শিলাবৃষ্টি হলেও আমাদের এখানে ততোটা হয়নি। তবে এই সময়ে ঝড় বা শিলাবৃষ্টি হলে আমরা ক্ষতিগ্রস্ত হবো। আম ও লিচুর মুকুল ও গুটি অধিকাংশই ঝরে পড়বে।

সদর উপজেলার আশুতোষপুরের চাষি ফারুক বলেন, নিজেদের চাহিদা মেটাতে বাড়িতে একটা আমগাছ রেখেছি। এবার গাছ বোঝাই মুকুলের পর এখন গুটি রয়েছে। আজকের শিলাবৃষ্টিতে কিছু গুটি ঝরে পড়েছে। এভাবে চললেতো বাকিগুলোও থাকবে না। তবে অন্যান্য ফসলের জন্য বৃষ্টি প্রয়োজন বলেও জানান এ কৃষক।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ভাঙ্গুড়া ও চাটমোহরের পর পাবনা শহরেও শিলাবৃষ্টি হয়েছে। অন্যান্য উপজেলা ও গ্রামগুলোতে তেমন শিলাবৃষ্টি দেখা যায়নি। তবে দু'একটি জায়গায় মাঝারি শিলাবৃষ্টি হয়েছে।

আলমগীর হোসাইন নাবিল/এফএ/এমএস

জাগো নিউজ ২৪সূত্র

ফল

সম্পর্কিত খবর

ফল

যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি চারটি তাজা আপেলের একটি যায় বিদেশে, রপ্তানি আয় রেকর্ড

২০২৫/২৬ বিপণন বছরে যুক্তরাষ্ট্র ১৮৭ কোটি পাউন্ড তাজা আপেল রপ্তানি করেছে, যা মোট তাজা উৎপাদনের প্রায় ২৬ শতাংশ। রপ্তানি আয় রেকর্ড ১১৬ কোটি ডলারে পৌঁছেছে; বড় ক্রেতা মেক্সিকো ও কানাডা।

ers_usda১৬ অক্টোবর ২০২৬১ মিনিটের পড়া
ফল

রাজবাড়ীর বাজিতপুরে দুই একরে চার হাজার ড্রাগন গাছ, দিনে উঠছে ৫০ মণ ফল

রাজবাড়ী সদরের বসন্তপুর ইউনিয়নের বাজিতপুরে জেলার সবচেয়ে বড় ড্রাগন বাগানে গাছপ্রতি ১০-১২ কেজি ফল ধরেছে; ভরা মৌসুমে দিনে প্রায় দুই হাজার কেজি ফল উঠছে, পাইকারি দর কেজি ১৫০ টাকা।

ঢাকা মেইল১৫ অক্টোবর ২০২৬১ মিনিটের পড়া
ফল

আপেলগাছের গোড়ায় লালচে গুঁড়া? সতর্ক করছে বিরল কাণ্ড ছিদ্রকারী পোকা

কানাডার ম্যানিটোবার কৃষি বিভাগ ফলচাষিদের রাউন্ডহেডেড অ্যাপল ট্রি বোরার নিয়ে সতর্ক থাকতে বলছে। এই লম্বা-শুঙ্গ গুবরে পোকার কীড়া জীবন্ত আপেল ও সাস্কাটুন গাছের ভেতরে তিন বছর পর্যন্ত সুড়ঙ্গ কাটে; কাণ্ডের গোড়ায় লালচে গুঁড়াই সবচেয়ে স্পষ্ট লক্ষণ।

Manitoba Co-operator১৫ অক্টোবর ২০২৬২ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

(০)