সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮—আদা - আমদানিকৃত১৬৭—আদা - দেশী১৫৪—আমন চাল - মাঝারি৫৬—আমন চাল - মোটা৪৮—আমন চাল - সরু৭২—আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২—কাঁচা মরিচ২১৮—খামারের মুরগী১৬২—খাসী৯০০—চিনি (দেশী)১৩২—ছোলা - গোটা৮৫—ডিম ফার্ম - লাল৪৭—পেঁয়াজ - দেশী৬০—বোরো চাল - মাঝারি৫৫—বোরো চাল - মোটা৪৭—বোরো চাল - সরু৬৬—মাংসঃ– গরু৭২৯—মুগ ডাল১২২—রসুন - আমদানিকৃত১৯২—রসুন - দেশী১৭৩—সয়াবিন তেল১৬৩—
হালনাগাদ ১৬ অক্টোবর ২০২৬
ঢাকা২৮°পরিষ্কার আকাশআর্দ্রতা ৬২%বাতাস ৫ কিমি/ঘ

অনাবৃষ্টিতে ঝরছে আম

বরেন্দ্র জেলা নওগাঁয় টানা দুই সপ্তাহ ধরে তাপদাহ বিরাজ করছে। ফলে প্রচন্ড গরম ও অনাবৃষ্টিতে জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। আকাশে মেঘের কোনো ছিটেফোটা দেখা মিলছে না। ফলে সবচেয়ে বেশি বিপাকে পড়েছেন চাষীরা। প্রচন্ড রোদের কারণে মাটির রস শুকিয়ে গেছে। বাগানে সেচ দেওয়ার মতো কোনো ব্যবস্থা না থাকায় গাছ থেকে ঝরে পড়ছ

বরেন্দ্র জেলা নওগাঁয় টানা দুই সপ্তাহ ধরে তাপদাহ বিরাজ করছে। ফলে প্রচন্ড গরম ও অনাবৃষ্টিতে জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। আকাশে মেঘের কোনো ছিটেফোটা দেখা মিলছে না। ফলে সবচেয়ে বেশি বিপাকে পড়েছেন চাষীরা। প্রচন্ড রোদের কারণে মাটির রস শুকিয়ে গেছে। বাগানে সেচ দেওয়ার মতো কোনো ব্যবস্থা না থাকায় গাছ থেকে ঝরে পড়ছে আম।

নওগাঁর বদলগাছী কৃষি আবহাওয়া পর্যবেক্ষণাগার কেন্দ্রের তথ্যমতে, জেলায় গত কয়েক দিন সর্বোচ্চ ৩৫ থেকে ৩৯ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা বিরাজ করছে। অনাবৃষ্টির ফলে প্রচন্ড খরায় রস শুকিয়ে বোটা থেকে ঝরে পড়ছে আম। এতে দুশ্চিন্তায় পড়েছেন আম চাষিরা।

জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের তথ্য মতে, জেলায় ৩০ হাজার হেক্টর জমিতে আম বাগান রয়েছে। যা গতবছরের তুলনায় ৫২৫ হেক্টর জমিতে বেশি। প্রতি হেক্টর জমিতে ১২ দশমিক ৫০ মেট্রিক টন হিসেবে তিন লাখ ৭৫ হাজার ৫৩৫ মেট্রিক টন আম উৎপাদনের সম্ভবনা রয়েছে।

উপজেলা ভিত্তিক সদর উপজেলা ৫১০ হেক্টর, রানীনগর ১৩০, আত্রাই ১২০, বদলগাছী ৫৩০, মহাদেবপুর ৬৩০, পত্মীতলায় ৫ হাজার ৮১৫, ধামইরহাটে ৬৭৫, মান্দায় ৪০০, পোরশায় ১০ হাজার ৫৫০, সাপাহারে ৯ হাজার ২৫৫ এবং নিয়ামতপুর উপজেলায় এক হাজার ৩৮৫ দশমিক ৫ হেক্টর জমিতে আম চাষ হয়েছে।

বরেন্দ্র এলাকা হিসেবে পরিচিত নওগাঁর সীমান্তবর্তী উপজেলা সাপাহার, পোরশা, নিয়ামতপুর, পত্মীতলা ও ধামইরহাট উপজেলার আংশিক এলাকায় একসময় বৃষ্টি নির্ভর একটিমাত্র ফসল আমন ধান হতো। তবে এখন ধান ছেড়ে মানুষ আম বাগানে ঝুঁকছেন। এ মৌসুমে খরায় পানির তীব্র সংকট দেখা দিয়েছে। আম বাগানে সেচ দেওয়ার মতো কোনো ব্যবস্থা নেই। ফলে বোটার রস শুকিয়ে আম ঝরে পড়ছে।

সাপাহার উপজেলার তিলনা গ্রামের উদ্যোক্তা মো. নোমান বলেন, এ বছর ১০ বিঘা জমিতে আম্রপালি, বারি-৪ ও ল্যাংড়া জাতের বাগান করেছি। যেখানে চার বিঘার বাগান ইজারা নেওয়া হয়েছে। এ পর্যন্ত প্রতি বিঘাতে খরচ হয়েছে প্রায় ২৫ হাজার করে। আম পাড়া পর্যন্ত প্রায় ৪৫ হাজার টাকা খরচ হবে। অনাবৃষ্টিতে আম ঝরে পড়ছে। পানির সংকট থাকায় বাগানে পানিও দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না। ফলে ঝরে পড়ছে। এভাবে আম ঝরে পড়লে লোকসান গুনতে হবে।

পোরশা সরাইগাছী গ্রামের আম চাষী ইসমাইল হোসেন বলেন, ৫০ বিঘা আম বাগান ইজারা নিয়েছি। যেখানে খিরসাপাত, গোপালভোগ, ল্যাংড়া, বারি-৪ ও আম্রপালি আছে। প্রচন্ড বোটা থেকে আম ঝরে পড়ছে। বেশি সমস্যা ল্যাংড়া ও আম্রপালিতে। এলাকায় পানির ব্যবস্থা নেই। পুকুরে যা পানি ছিল শুকিয়ে গেছে। আর এক মাস পর গোপাল ভোগ আম পাড়া শুরু হবে। তার ১০ দিন পর খিরসাপাত পাড়া হবে। কিন্তু যে হারে আম ঝরে যাচ্ছে তাতে লোকসান গুনতে হবে।

নওগাঁ কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর উপ-পরিচালক মো. আবুল কালাম আজাদ বলেন, জেলায় এবছর ৩০ হাজার হেক্টর জমিতে আম বাগান রয়েছে। শুরুতে গাছে ভালো মুকুল ছিল। কিন্তু তাপদাহের কারণে আমের গুটি ঝরে পড়ছে। গুটি রক্ষায় চাষীদের পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। গাছের গোড়ায় পানি দিতে হবে। যদি সেচ দেওয়া সম্ভব না হয় তাহলে গাছে স্প্রে করতে হবে। ৩-৫ বছর বয়সি গাছের গোড়ায় ২০০ গ্রাম ইউরিয়া ও ১০০ গ্রাম পটাশ দিতে হবে। এছাড়াও গাছের গোড়ায় খড়কুটা বা আর্বজনা দিয়ে ঢেকে দেওয়া যেতে পারে।

আব্বাস আলী/এএইচ/এমএস

জাগো নিউজ ২৪সূত্র

ফল

সম্পর্কিত খবর

ফল

যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি চারটি তাজা আপেলের একটি যায় বিদেশে, রপ্তানি আয় রেকর্ড

২০২৫/২৬ বিপণন বছরে যুক্তরাষ্ট্র ১৮৭ কোটি পাউন্ড তাজা আপেল রপ্তানি করেছে, যা মোট তাজা উৎপাদনের প্রায় ২৬ শতাংশ। রপ্তানি আয় রেকর্ড ১১৬ কোটি ডলারে পৌঁছেছে; বড় ক্রেতা মেক্সিকো ও কানাডা।

ers_usda১৬ অক্টোবর ২০২৬১ মিনিটের পড়া
ফল

রাজবাড়ীর বাজিতপুরে দুই একরে চার হাজার ড্রাগন গাছ, দিনে উঠছে ৫০ মণ ফল

রাজবাড়ী সদরের বসন্তপুর ইউনিয়নের বাজিতপুরে জেলার সবচেয়ে বড় ড্রাগন বাগানে গাছপ্রতি ১০-১২ কেজি ফল ধরেছে; ভরা মৌসুমে দিনে প্রায় দুই হাজার কেজি ফল উঠছে, পাইকারি দর কেজি ১৫০ টাকা।

ঢাকা মেইল১৫ অক্টোবর ২০২৬১ মিনিটের পড়া
ফল

আপেলগাছের গোড়ায় লালচে গুঁড়া? সতর্ক করছে বিরল কাণ্ড ছিদ্রকারী পোকা

কানাডার ম্যানিটোবার কৃষি বিভাগ ফলচাষিদের রাউন্ডহেডেড অ্যাপল ট্রি বোরার নিয়ে সতর্ক থাকতে বলছে। এই লম্বা-শুঙ্গ গুবরে পোকার কীড়া জীবন্ত আপেল ও সাস্কাটুন গাছের ভেতরে তিন বছর পর্যন্ত সুড়ঙ্গ কাটে; কাণ্ডের গোড়ায় লালচে গুঁড়াই সবচেয়ে স্পষ্ট লক্ষণ।

Manitoba Co-operator১৫ অক্টোবর ২০২৬২ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

(০)