সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮—আদা - আমদানিকৃত১৬৭—আদা - দেশী১৫৪—আমন চাল - মাঝারি৫৬—আমন চাল - মোটা৪৮—আমন চাল - সরু৭২—আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২—কাঁচা মরিচ২১৮—খামারের মুরগী১৬২—খাসী৯০০—চিনি (দেশী)১৩২—ছোলা - গোটা৮৫—ডিম ফার্ম - লাল৪৭—পেঁয়াজ - দেশী৬০—বোরো চাল - মাঝারি৫৫—বোরো চাল - মোটা৪৭—বোরো চাল - সরু৬৬—মাংসঃ– গরু৭২৯—মুগ ডাল১২২—রসুন - আমদানিকৃত১৯২—রসুন - দেশী১৭৩—সয়াবিন তেল১৬৩—
হালনাগাদ ১৬ অক্টোবর ২০২৬
ঢাকা২৮°পরিষ্কার আকাশআর্দ্রতা ৬২%বাতাস ৫ কিমি/ঘ

হাম, কমছে বুকের দুধ খাওয়ানো: জনস্বাস্থ্যের বার্তা নিয়ে কলাম

২০২৬ সালের হামে আক্রান্তদের প্রায় এক-তৃতীয়াংশের বয়স ছিল নয় মাসের কম; শুধু বুকের দুধ পাওয়া শিশুর হার ৬২.৬ থেকে ৫৬.৬ শতাংশে নেমেছে। লেখকের যুক্তি, টিকার পাশাপাশি নিয়মিত জনস্বাস্থ্য যোগাযোগ দরকার।

হাম, কমছে বুকের দুধ খাওয়ানো: জনস্বাস্থ্যের বার্তা নিয়ে কলাম
মতামত

বাংলা ট্রিবিউনে প্রকাশিত এক কলামে শফিক আর. ভূঁইয়া লিখেছেন, ২০২৬ সালের হামের প্রাদুর্ভাব শুধু টিকাদান নয়, জনস্বাস্থ্য যোগাযোগ নিয়েও ভাবতে বাধ্য করছে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার হিসাবে ১৫ মার্চ থেকে ১৪ এপ্রিলের মধ্যে দেশে ১৮ হাজারের বেশি সন্দেহভাজন হামের রোগী ও ১৬৪টি সন্দেহভাজন মৃত্যু শনাক্ত হয়েছিল, আক্রান্তদের বড় অংশ পাঁচ বছরের কম বয়সী।

লেখকের মতে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য হলো, আক্রান্তদের প্রায় এক-তৃতীয়াংশের বয়স ছিল নয় মাসের কম, অথচ নিয়মিত সূচিতে হাম-রুবেলার প্রথম টিকা দেওয়া হয় নয় মাসে। তাই শুধু ‘টিকা নেয়নি’ বললে পুরো ছবি পাওয়া যায় না। তিনি বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার অবস্থানও উল্লেখ করেছেন: জরুরি টিকাদান বাদ পড়া শিশুদের দ্রুত সুরক্ষা দেয়, কিন্তু দীর্ঘমেয়াদে শক্তিশালী নিয়মিত টিকাদানের বিকল্প নেই।

শিশুর রোগ প্রতিরোধের গল্প টিকাকেন্দ্রে নয়, শুরু হয় গর্ভাবস্থায় মায়ের পুষ্টি, জন্মের পর দ্রুত বুকের দুধ, প্রথম ছয় মাস শুধু বুকের দুধ এবং পরে বয়স উপযোগী বৈচিত্র্যময় খাবার দিয়ে, লিখেছেন তিনি। অপুষ্টি সংক্রমণের সঙ্গে লড়াইয়ের সক্ষমতা দুর্বল করতে পারে।

এসব বার্তায় দেশ পিছিয়ে যাচ্ছে বলে উদ্বেগ জানিয়েছেন লেখক। বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো ও ইউনিসেফের ২০২৫ সালের জাতীয় গৃহস্থালি জরিপে ছয় মাসের কম বয়সী শিশুর মাত্র ৫৬ দশমিক ৬ শতাংশ শুধু বুকের দুধ পাচ্ছে, ২০১৯ সালে যা ছিল ৬২ দশমিক ৬ শতাংশ। জন্মের এক ঘণ্টার মধ্যে বুকের দুধ শুরুর হার ৪৬ দশমিক ৬ থেকে ৩০ দশমিক ৪ শতাংশে নেমেছে। ছয় থেকে ২৩ মাস বয়সী শিশুর মাত্র ৩০ শতাংশ ন্যূনতম গ্রহণযোগ্য খাদ্য পাচ্ছে। আগস্টে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা ও ইউনিসেফ এ প্রবণতা নিয়ে উদ্বেগ জানিয়েছে।

লেখকের প্রশ্ন, মায়েরা কি সন্তানের জন্মের আগেই এসব কথা বারবার শুনছেন, পরিবার কি জানে কোন টিকা কখন দিতে হয় আর বাদ পড়লে কোথায় যেতে হয়? তাঁর মতে জনস্বাস্থ্য শুধু হাসপাতাল ও টিকাকেন্দ্রের বিষয় নয়, যোগাযোগেরও বিষয়; সঠিক সময়ে তথ্য না পৌঁছালে পরে হাসপাতালকে তার পরিণতি সামলাতে হয়। ডেঙ্গুর ক্ষেত্রেও মশা বাড়ার পরে প্রচারণা না করে আগেই নিয়মিত আচরণ বদলের বার্তা পৌঁছানোর কথা বলেছেন তিনি।

মতামত লেখকের নিজস্ব। কলামটি বাংলা ট্রিবিউনে প্রকাশিত।

ছবি: Press Information Department / উইকিমিডিয়া কমন্স (পাবলিক ডোমেইন)

সূত্র: বাংলা ট্রিবিউন

বাংলা ট্রিবিউনসূত্র

মতামত

সম্পর্কিত খবর

মতামত

মতামত: চীনা বালাইনাশক কোম্পানি মার্কিন কৃষকের দোরগোড়ায়, বিক্রেতারা কী করবেন

ক্রপলাইফে লেখা এক কলামে হুয়া চেং ও ডেভিড লি বলছেন, চীনা ফসল সুরক্ষা কোম্পানিগুলো মার্কিন কৃষকের কাছে পৌঁছানোর নতুন পথ পাচ্ছে, তবে স্থানীয় বিক্রেতাদের এমন কিছু শক্তি আছে যা কনটেইনারে করে পাঠানো যায় না।

ক্রপলাইফ১৫ অক্টোবর ২০২৬২ মিনিটের পড়া
মতামত

শীতে শিশুর রোটাভাইরাস ঝুঁকি, টিকা আছে, তবু সরকারি কর্মসূচিতে নেই: ফারিয়া এজাজের কলাম

আজকের পত্রিকায় ফারিয়া এজাজ লিখেছেন, আইসিডিডিআরবির হিসাবে দেশে বছরে আড়াই থেকে ৩ হাজার শিশু রোটাভাইরাসে মারা যায়; ১৩২টি দেশ টিকাটি জাতীয় কর্মসূচিতে নিলেও বাংলাদেশে এক ডোজের দাম ২,৯৯৩ টাকা, সরকারিভাবে দেওয়া হয় না।

আজকের পত্রিকা১৪ অক্টোবর ২০২৬২ মিনিটের পড়া
মতামত

নিঃসরণ ০.০৫ শতাংশ, ক্ষতি পাহাড়সম: নেপালের শিক্ষায় অনুদানভিত্তিক জলবায়ু অর্থায়ন চান রাকিব হোসেন

খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতির পিএইচডি গবেষক রাকিব হোসেন লিখেছেন, বিশ্বের কার্বন নিঃসরণে মাত্র ০.০৫ শতাংশ অবদানের নেপাল যেমন বারবার দুর্যোগের দাম দিচ্ছে, বাংলাদেশও তেমনি; তাই ঋণ নয়, অনুদানভিত্তিক জলবায়ু অর্থায়ন দরকার।

ঢাকা পোস্ট১৪ অক্টোবর ২০২৬২ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

(০)