সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮—আদা - আমদানিকৃত১৬৭—আদা - দেশী১৫৪—আমন চাল - মাঝারি৫৬—আমন চাল - মোটা৪৮—আমন চাল - সরু৭২—আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২—কাঁচা মরিচ২১৮—খামারের মুরগী১৬২—খাসী৯০০—চিনি (দেশী)১৩২—ছোলা - গোটা৮৫—ডিম ফার্ম - লাল৪৭—পেঁয়াজ - দেশী৬০—বোরো চাল - মাঝারি৫৫—বোরো চাল - মোটা৪৭—বোরো চাল - সরু৬৬—মাংসঃ– গরু৭২৯—মুগ ডাল১২২—রসুন - আমদানিকৃত১৯২—রসুন - দেশী১৭৩—সয়াবিন তেল১৬৩—
হালনাগাদ ১৬ অক্টোবর ২০২৬
ঢাকা২৮°পরিষ্কার আকাশআর্দ্রতা ৬২%বাতাস ৫ কিমি/ঘ

জাপানের পর নেপালেও ভারতীয় আম আমদানিতে বিধিনিষেধ, স্থানীয় আমে ভরছে বাজার

দ্য প্রিন্টের ৯ জুন ২০২৬-এর প্রতিবেদন অনুযায়ী, সীমান্ত পরিদর্শকেরা ভারতীয় আমের চালানে অনুমোদিত মাত্রার বেশি কীটনাশক পাওয়ার পর নেপাল ভারত থেকে আম আমদানিতে বিধিনিষেধ দেয়। মধেশ প্রদেশের এক কর্মকর্তা একে স্থানীয় উৎপাদনের জন্য ইতিবাচক বললেও জনকপুরধামের ব্যবসায়ীরা সরবরাহ ঘাটতির আশঙ্কার কথা জানান।

জাপানের পর নেপালেও ভারতীয় আম আমদানিতে বিধিনিষেধ, স্থানীয় আমে ভরছে বাজার
ফল

২০২৬ সালের ৯ জুন ভারত ও নেপালের সংবাদমাধ্যমে খবর আসে, ভারত থেকে আম আমদানিতে বিধিনিষেধ দিয়েছে নেপাল। সেদিন সকালে খবরটি প্রকাশ করা ভারতীয় সংবাদমাধ্যম দ্য প্রিন্টের তথ্য অনুযায়ী, নেপালের কৃষি ও প্রাণিসম্পদ উন্নয়ন মন্ত্রণালয় এপ্রিল-মে মাস থেকে এই বিধিনিষেধ বহাল রেখেছে। দেশটির সীমান্ত কোয়ারেন্টাইন পরিদর্শকেরা ভারত থেকে আসা আমের চালানে অনুমোদিত মাত্রার চেয়ে বেশি রাসায়নিক কীটনাশকের অবশিষ্টাংশ পাওয়ার পর এই সিদ্ধান্ত আসে বলে প্রতিবেদনে বলা হয়। একই দিন বিকেলে জাগো নিউজ ২৪ খবরটি বাংলায় প্রকাশ করে।

এর দুই দিন আগে, ৭ জুন, নেপাল সরকারের মালিকানাধীন গোরখাপত্র করপোরেশনের ইংরেজি দৈনিক দ্য রাইজিং নেপাল জনকপুরধাম থেকে জানায়, ভারত থেকে আম ও আরও কয়েকটি ফল আমদানিতে কেন্দ্রীয় (ফেডারেল) সরকারের আকস্মিক বিধিনিষেধের পর শহরের বাজার এখন মূলত দেশে উৎপাদিত আমে ভরা। জাপান ভারতের তাজা আম আমদানি স্থগিত করার দুই সপ্তাহও পার হয়নি তখন; জাপানের সিদ্ধান্তের খবর ভারতে প্রকাশিত হয় ২৮ ও ২৯ মে।

ভারতীয় আমের বড় ক্রেতাদের মধ্যে নেপাল নেই। দ্য প্রিন্ট জানায়, ভারতের আম রপ্তানির শীর্ষ পাঁচ বাজার হলো যুক্তরাষ্ট্র, সংযুক্ত আরব আমিরাত, যুক্তরাজ্য, নেদারল্যান্ডস ও সৌদি আরব। তবে দ্য প্রিন্ট ও জাগো নিউজের ভাষ্যে, জাপানের সিদ্ধান্তের অল্প পরেই কীটনাশক নিয়ে এই অভিযোগ ভারতের ফল উৎপাদন ও তদারকি ব্যবস্থাকে নতুন করে প্রশ্নের মুখে ফেলেছে।

মধেশ প্রদেশের কর্মকর্তা যা বলেছেন


মধেশ প্রদেশের ভূমি ব্যবস্থাপনা, কৃষি ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র মনীশ কুমার পাল দ্য রাইজিং নেপালকে বলেন, স্থানীয় উৎপাদনকে উৎসাহ দেওয়া একটি ইতিবাচক দিক। তাঁর ভাষ্য, আগের বছরগুলোতে কীটনাশকযুক্ত আম মাঝেমধ্যে বাজারে ঢুকে পড়ত; এই বিধিনিষেধের ফলে মানুষ এখন দেশে উৎপাদিত ও তুলনামূলক স্বাস্থ্যকর ফল খাওয়ার বেশি সুযোগ পাচ্ছেন।

পাল বলেন, "ফেডারেল সরকারের এই সিদ্ধান্ত স্থানীয় উৎপাদনকে আরও উৎসাহ দেবে, আর নাগরিকেরা আরও স্বাস্থ্যকর ও নিরাপদ পণ্য পাবেন।" তিনি আরও জানান, সরকার বিভিন্ন কর্মসূচি ও ভর্তুকির মাধ্যমে কৃষিকে অগ্রাধিকার দিয়ে আসছে এবং সামনের বছরগুলোতে খাতটিকে আরও শক্তিশালী করতে চায়।

পাল কথা বলেছেন একটি প্রাদেশিক মন্ত্রণালয়ের হয়ে, আর সিদ্ধান্তটিকে বর্ণনা করা হয়েছে ফেডারেল সরকারের সিদ্ধান্ত হিসেবে। নেপালের ফেডারেল কাঠামোয় জাতীয় উদ্ভিদ কোয়ারেন্টাইন ব্যবস্থা ফেডারেল কৃষি ও প্রাণিসম্পদ উন্নয়ন মন্ত্রণালয়ের অধীনে, আর সাতটি প্রদেশের প্রতিটির আলাদা কৃষি মন্ত্রণালয় আছে। ২০১৮ সালে আন্তর্জাতিক উদ্ভিদ সুরক্ষা কনভেনশনে (আইপিপিসি) নেপালের উদ্ভিদ সুরক্ষা সংস্থার উপস্থাপিত দেশীয় প্রতিবেদনে এই কাঠামো তুলে ধরা হয়।

সরবরাহ নিয়ে জনকপুরধামের ব্যবসায়ীদের উদ্বেগ


জনকপুরধামের ব্যবসায়ীরা দ্য রাইজিং নেপালকে বলেন, দেশি পণ্যের প্রসার ভালো উদ্যোগ, কিন্তু পর্যাপ্ত প্রস্তুতি ও দীর্ঘমেয়াদি কৌশল ছাড়া হঠাৎ এই বিধিনিষেধ তাঁদের ব্যবসায় সমস্যা তৈরি করেছে। পত্রিকাটি লেখে, নেপালি আম সুস্বাদু ও মানে ভালো বলে বিবেচিত, কিন্তু এর মৌসুম মাত্র মাস দুয়েকের; তাই বছরের বাকি সময়ের চাহিদা মেটাতে ভারত থেকে আমদানি গুরুত্বপূর্ণ।

জনকপুরধামের ফল ও সবজি ব্যবসায়ী সমিতির সাধারণ সম্পাদক ভুবনেশ্বর পূর্বে বলেন, গ্রীষ্মে আমের চাহিদা অস্বাভাবিক বেশি থাকে, ভারতীয় আমদানি বন্ধ হলে বাজারে ঘাটতি দেখা দিতে পারে। তাঁর হিসাবে, সপ্তরী, সিরাহা, মহোত্তরী, ধনুষা ও সর্লাহির মতো জেলা থেকে প্রতিদিন ৫০ টনের বেশি আম জনকপুরধামে আসে, তবু কেবল স্থানীয় উৎপাদন দিয়ে মোট চাহিদা মেটানো নাও যেতে পারে। পুরোপুরি আমদানি নিষেধের বদলে সরকারের উচিত কোয়ারেন্টাইন ব্যবস্থা শক্তিশালী করে যথাযথ মান পরীক্ষার পর ভারতীয় ফল ঢুকতে দেওয়া, এমন পরামর্শ দেন তিনি।

পূর্বে বলেন, "আমাদের ব্যবসা সারা বছর চলে। ব্যবসা যদি শুধু নেপালি ফলের মৌসুমে সীমিত থাকে আর বছরের বাকি সময় বসে থাকতে হয়, তাহলে আমরা মারাত্মক ক্ষতির মুখে পড়ব।" তিনি আরও জানান, ভারতীয় কলা বরাবরই সস্তা ছিল, কিন্তু সরবরাহে বিঘ্নের কারণে দাম বেড়েছে; শীতে দেশে কলার উৎপাদন কম থাকায় ব্যবসায়ীরা প্রায়ই ভারত থেকে আমদানির ওপর নির্ভর করেন।

শহরের ক্রেতারা পত্রিকাটিকে জানান, মাসখানেক আগে কলার ডজন ৩০০ রুপি পর্যন্ত উঠেছিল এবং তখনো প্রায় ২০০ রুপিতে বিক্রি হচ্ছিল, যা সাধারণ পরিবারের জন্য বেশি দাম। ফল বিক্রেতারা সতর্ক করেন, বিধিনিষেধ দীর্ঘ সময় চললে ক্রেতাদের অনেক বেশি দাম দিতে হতে পারে, ব্যবসায়ীরাও বড় লোকসানে পড়তে পারেন, আর আম, কলা ও অন্যান্য ফলের ঘাটতি জনকপুরধাম ছাড়িয়ে মধেশ প্রদেশের আরও কয়েকটি জেলায় ছড়াতে পারে। কিছু ব্যবসায়ী বিকল্প উৎস খুঁজছিলেন, তবে তাঁদের ভাষ্য, সঙ্গে সঙ্গে পর্যাপ্ত ফল জোগাড় করা কঠিন হবে।

নেপালের জনকপুরের কেন্দ্রীয় বাজার সড়ক ভানু চোক; ২০০৯ সালের ছবি। ছবি: Steffen Gauger / উইকিমিডিয়া কমন্স (CC BY-SA 3.0)
নেপালের জনকপুরের কেন্দ্রীয় বাজার সড়ক ভানু চোক; ২০০৯ সালের ছবি। ছবি: Steffen Gauger / উইকিমিডিয়া কমন্স (CC BY-SA 3.0)

নেপালের ফল আমদানির হিসাব


দেশটি বিদেশ থেকে কত ফল কেনে, তা দেখা যায় নেপালের শুল্ক বিভাগের তথ্যে, যা বাণিজ্য প্রকাশনা ফ্রেশপ্লাজা ২০২৬ সালের ৮ জুন প্রকাশ করে। ২০২৫/২৬ অর্থবছরের প্রথম ১০ মাসে নেপাল ২১ বিলিয়ন রুপির ফল আমদানি করে, যা ২০২৪/২৫ অর্থবছরের একই সময়ের ১৭.৪২ বিলিয়ন রুপির চেয়ে মূল্যে ২০.৩ শতাংশ বেশি। পুরো ২০২৪/২৫ অর্থবছরে ফল আমদানি ছিল ২১.১৭ বিলিয়ন রুপি; ২০২৩/২৪ সালে ১৯.৫৭ বিলিয়ন এবং ২০২২/২৩ সালে ১৬.১৬ বিলিয়ন রুপি।

এই হিসাবে আমের অংশ সামান্য: ১০ মাসে ৭,১২১ টন, দাম ৫০৬ মিলিয়ন রুপি। মোট ফল আমদানির অর্ধেকের বেশি আপেল, ৮৭,৬৪৭ টন, দাম ১১.১৪ বিলিয়ন রুপি; এর মধ্যে চীন থেকে এসেছে ৭০,৯৩২ টন আর ভারত থেকে ১৬,৭১৪ টন। একই সময়ে নেপাল ১৬,৭২৫ টন কমলা, ১৬,৮৯৩ টন তাজা আঙুর এবং ৯,৬১৯ টন ডালিম আমদানি করে।

একই শুল্ক তথ্যে দেখা যায়, সে বছর বিধিনিষেধের মুখে পড়া প্রথম ভারতীয় ফল আম নয়। কলার পানামা রোগ হিসেবে পরিচিত টিআর-৪ ছড়ানো ঠেকাতে ভারত থেকে কলা আমদানিতে সরকারের নিষেধাজ্ঞার পর কলার আমদানি কমে যায়। ২০২৫/২৬ অর্থবছরের প্রথম ১০ মাসে নেপাল ১৯,৪৪১ টন কলা আমদানি করে, দাম ৭৬৫ মিলিয়ন রুপি; আগের বছরের একই সময়ে এসেছিল ৪৬,৫৮৮ টন, দাম ১.৮৯ বিলিয়ন রুপি, আর পুরো ২০২৩/২৪ অর্থবছরে ৬৩,৭১৪ টন। ফ্রেশপ্লাজা জানায়, সরবরাহ কমায় মাসখানেক আগে কাঠমান্ডু উপত্যকায় কলার ডজন ৪০০ রুপিতে উঠেছিল।

নেপালের তরাইয়ে আমের চাষ


নেপালের বাণিজ্যিক আমচাষের জেলাগুলোর বেশির ভাগ তরাইয়ে, অর্থাৎ ভারত সীমান্ত বরাবর দক্ষিণের সমতল অঞ্চলে; আর ২০২৩ সালে কাঠমান্ডুর প্রধান পাইকারি বাজারের সবচেয়ে বড় জোগানদার জেলাগুলো ছিল মধেশ প্রদেশে। প্রদেশটির আয়তন ৯,৬৬১ বর্গকিলোমিটার, নেপালের মোট আয়তনের প্রায় ৬.৫ শতাংশ; ২০২১ সালের আদমশুমারিতে জনসংখ্যা ৬১,১৪,৬০০, যা একে দেশের সবচেয়ে ঘনবসতিপূর্ণ প্রদেশ করেছে। এর দক্ষিণ ও পশ্চিমে ভারতের বিহার রাজ্য; পশ্চিমে পার্সা থেকে পূর্বে সপ্তরী পর্যন্ত আটটি জেলা নিয়ে গঠিত প্রদেশটিতে আবাদযোগ্য জমি ৫,৭৪,৩৬০ হেক্টর, ফলে এটিই দেশের সবচেয়ে কৃষিনির্ভর প্রদেশ। ২০১৫ সালে ‘প্রদেশ নম্বর ২’ নামে গঠিত প্রদেশটি বর্তমান নাম পায় ২০২২ সালের জানুয়ারিতে, যখন জনকপুরকে রাজধানী ঘোষণা করা হয়।

জনকপুর, যার আরেক নাম জনকপুরধাম, কাঠমান্ডু থেকে প্রায় ২২৫ কিলোমিটার দক্ষিণ-পূর্বে এবং ভারত সীমান্তের ভিট্টামোড় থেকে প্রায় ২৩ কিলোমিটার দূরে। শহরটি মৈথিলী ভাষা ও ধর্মীয় পর্যটনের কেন্দ্র; নেপাল রেলওয়ে এখান থেকে ভারতের জয়নগর পর্যন্ত ট্রেন চালায়।

নেপালের কৃষি বিভাগের তথ্য উদ্ধৃত করে দ্য হিমালয়ান টাইমস ২০২৩ সালের জুলাইয়ে জানায়, ২০২০-২১ অর্থবছরে দেশে ৪৩,৬৮৯ হেক্টর জমিতে ৪,৬৬,২৬৭ টন আম উৎপাদিত হয়, আর ২০২১-২২ অর্থবছরে ৩৯,৫৭৯ হেক্টরে ৪,৯৮,৮৫৯ টন। নেপালে ফলচাষের মোট জমির প্রায় ৩৫ শতাংশে আমবাগান, আর বাণিজ্যিক আমচাষ ছড়িয়ে আছে ২৪টি জেলায়; এর মধ্যে ঝাপা, মোরং, সুনসরি, উদয়পুর, সিরাহা, সপ্তরী, মহোত্তরী, সর্লাহি, ধনুষা, বারা, পার্সা, রৌতহট, কপিলবস্তু, রূপন্দেহী, দাং, বাঁকে, বর্দিয়া, কৈলালি ও কাঞ্চনপুর রয়েছে।

একই প্রতিবেদনে দেশি ও ভারতীয় আম কীভাবে বাজার ভাগ করে নেয়, তা উঠে আসে। কাঠমান্ডুর কালীমাটি ফল ও সবজি বাজারে ২০২৩ সালের ১৪ এপ্রিল থেকে ২ জুলাই পর্যন্ত ১,৩৮২ টন আম বিক্রি হয়: এর অর্ধেক, ৭৯৩ টন, এসেছিল সিরাহা থেকে, সপ্তরী থেকে ১১৯ টন ও সর্লাহি থেকে ১৩০ টন; আর ১৬৩ টন, অর্থাৎ ১২ শতাংশ, এসেছিল ভারত থেকে। কালীমাটি বাজার উন্নয়ন কমিটির উপপরিচালক বিনয় শ্রেষ্ঠ বলেন, নিজেদের মৌসুমে, যা নেপালি পঞ্জিকার জ্যৈষ্ঠ ও আষাঢ় মাসে সবচেয়ে জমজমাট, নেপালি আমই বাজারে প্রাধান্য পায়; মৌসুমের শুরু ও শেষে এবং অমৌসুমে ভারতীয় আম বাজারের চাহিদা মেটায়। তাঁর ভাষ্যে, আমের বাজারের ৯০ শতাংশ মালদহ জাতের দখলে। পত্রিকাটির উপসংহার ছিল, দেশীয় উৎপাদন ফলের ক্রমবর্ধমান চাহিদা মেটাতে পারছে না, তাই আমদানি করতে হচ্ছে, যার বেশির ভাগ ভারত থেকে।

জাপানের স্থগিতাদেশ ও রেহমানপুরের কেন্দ্র


নেপালের আগে নেওয়া জাপানের সিদ্ধান্তের বিস্তারিত ঢাকার দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড ২০২৬ সালের ২৯ মে ফার্স্টপোস্ট ও অন্যান্য সংবাদ সংস্থার বরাতে প্রকাশ করে। একটি সরকারি পরিদর্শক দল উত্তর প্রদেশের রেহমানপুরের একটি ভেপার হিট ট্রিটমেন্ট (ভিএইচটি) কেন্দ্রে কাঠামোগত ঘাটতি পাওয়ার পর জাপান ভারত থেকে সব ধরনের তাজা আম আমদানি স্থগিত করে। মার্চে ওই পরিদর্শনের সময় পরিদর্শকেরা ধূমায়ন (ফিউমিগেশন) ও সংশ্লিষ্ট জীবাণুমুক্তকরণ প্রক্রিয়ায় ত্রুটি খুঁজে পান।

এরপর ইয়োকোহামা উদ্ভিদ সুরক্ষা সমিতি নির্দেশনা জারি করে, ২৫ মার্চ বা তার পরে ইস্যু করা ভারতীয় উদ্ভিদস্বাস্থ্য সনদ (ফাইটোস্যানিটারি সার্টিফিকেট) থাকা আমের চালান জাপানের বন্দরে প্রত্যাখ্যান করা হবে, যতক্ষণ না টোকিওর কর্তৃপক্ষ মান উন্নয়নে সন্তুষ্ট হয়। বাজারসংশ্লিষ্টদের মতে, চলতি মৌসুমে বিষয়টির সমাধান হওয়ার সম্ভাবনা কম, ফলে আলফোনসো, কেসর, ল্যাংড়া ও বাঙ্গানাপল্লির মতো দামি জাতের আম জাপানের বাজারের বাইরে থাকছে। ৬ জুন ফুডবিজনেস এমইএ ক্ষতিগ্রস্ত জাতের তালিকায় চৌসাকেও যোগ করে।

ভারতীয় আমের জন্য জাপান ছোট কিন্তু মূল্যবান বাজার। দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ডের হিসাবে ২০২৫ সালে জাপান ১.৫৪ মিলিয়ন মার্কিন ডলারের ভারতীয় আম আমদানি করে। ফুডবিজনেস এমইএ জানায়, জাপানে তাজা ও প্রক্রিয়াজাত আমের রপ্তানি ছিল প্রায় ১.৫৪ মিলিয়ন ডলারের, যার সবচেয়ে বড় অংশ গুজরাটের কেসর; ভারতের মোট আম বাণিজ্যে এর অংশ ছোট হলেও বেশি দাম দেওয়া উচ্চমূল্যের বাজার হিসেবে জাপান গুরুত্বপূর্ণ।

এই স্থগিতাদেশের পেছনে ইতিহাসও আছে। ফলের মাছির উপদ্রবের কারণে ১৯৮৬ সালে জাপান প্রথম ভারতীয় আম নিষিদ্ধ করে; সেই নিষেধাজ্ঞা দুই দশক ধরে চলে, শেষ হয় ২০০৬ সালের জুনের দ্বিপক্ষীয় চুক্তিতে, যখন ভারত জাপানগামী আমের জন্য ভিএইচটি বাধ্যতামূলক করে এবং কোয়ারেন্টাইন অবকাঠামো উন্নত করে। দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড আরও জানায়, পশ্চিম এশিয়ার সংঘাতের কারণে রপ্তানিকারকেরা আগেই রপ্তানির পরিমাণে ২০ থেকে ৩০ শতাংশ পতনের মুখে ছিলেন; হিমায়িত কনটেইনারের সংকট দেখা দেয়, শুধু মার্চেই কনটেইনার ভাড়া ১,০০০ ডলার বাড়ে এবং ৪,০০০ ডলারের যুদ্ধ সারচার্জ যুক্ত হয়, আর ভারতে তাপপ্রবাহে ফলনের ক্ষতি হয়। তখন পর্যন্ত ভারত সরকার আনুষ্ঠানিক বিবৃতি দেয়নি; ভারতের ম্যাঙ্গো গ্রোয়ার অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি এস ইনসরাম আলী জানান, কেন্দ্রীয় সরকার টোকিওর সঙ্গে আনুষ্ঠানিক আলোচনা শুরু করেছে। পাকিস্তান, ভিয়েতনাম, তাইওয়ান, থাইল্যান্ড ও মেক্সিকোর সরবরাহকারীরা জাপানের বাজার ধরতে তৎপর বলে প্রতিবেদনে বলা হয়।

ভারতের একটি রাস্তার দোকানে সাজানো আলফোনসো আম; ২০১৫ সালের ছবি। ছবি: HungryKya / উইকিমিডিয়া কমন্স (CC BY-SA 4.0)
ভারতের একটি রাস্তার দোকানে সাজানো আলফোনসো আম; ২০১৫ সালের ছবি। ছবি: HungryKya / উইকিমিডিয়া কমন্স (CC BY-SA 4.0)

ভেপার হিট ট্রিটমেন্ট ও ফলের মাছি


ভেপার হিট ট্রিটমেন্ট বা বাষ্প-তাপ শোধন একটি কোয়ারেন্টাইন প্রক্রিয়া; ফুডবিজনেস এমইএর ভাষায়, এটি জাহাজে তোলার আগে আমকে ফলের মাছির ডিম ও লার্ভামুক্ত রাখা নিশ্চিত করে। ভারতের পাঁচটি রাজ্যে, অন্ধ্র প্রদেশ, মহারাষ্ট্র, গুজরাট, উত্তর প্রদেশ ও পশ্চিমবঙ্গে, অনুমোদিত ভিএইচটি কেন্দ্র আছে, আর ২০০৬ সালের চুক্তির পর থেকে জাপানগামী আম এসব কেন্দ্রেই শোধন করতে হয়। রেহমানপুরে যে ত্রুটি পাওয়া গেছে, তা এই শোধন প্রক্রিয়ার, অর্থাৎ ধূমায়ন ও জীবাণুমুক্তকরণের; ফলের গায়ে রাসায়নিকের অবশিষ্টাংশ নিয়ে নয়।

এই শোধনের লক্ষ্য ফলের মাছি, যার ডিম ও লার্ভা ফলের ভেতরে থেকে যেতে পারে। এর মধ্যে অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ওরিয়েন্টাল ফ্রুট ফ্লাই বা প্রাচ্যের ফলের মাছি (Bactrocera dorsalis)। প্রজাতিটির আদি নিবাস দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া; নিজ গণের প্রধান ক্ষতিকর প্রজাতিগুলোর একটি এটি, চাষ করা ও বুনো, বহু ধরনের ফলে আক্রমণ করে। এর পুরুষ মাছি মিথাইল ইউজেনল নামের যৌগের প্রতি প্রবলভাবে আকৃষ্ট হয়; মাছির সংখ্যা পর্যবেক্ষণে এবং দমনের উপায় হিসেবে পুরুষ মাছি মারতে এই যৌগ ব্যবহার করা হয়।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, তাই দুই দেশের সিদ্ধান্তের কারণ ভিন্ন। জাপানের সিদ্ধান্ত একটি অনুমোদিত কেন্দ্রের বালাই দমন প্রক্রিয়া নিয়ে। আর দ্য প্রিন্টের তথ্যে নেপালের সিদ্ধান্ত সীমান্ত পরিদর্শকদের পাওয়া কীটনাশকের অবশিষ্টাংশ নিয়ে; মধেশের কর্মকর্তা একে নেপালের বাজারে আগে কীটনাশকযুক্ত আম ঢোকার ঘটনার সঙ্গে যুক্ত করেছেন।

প্রাচ্যের ফলের মাছি (Bactrocera dorsalis), আমের বাষ্প-তাপ শোধন যে ধরনের বালাই মারার জন্য করা হয়; ২০১৪ সালের ছবি। ছবি: Vinayaraj / উইকিমিডিয়া কমন্স (CC BY-SA 4.0)
প্রাচ্যের ফলের মাছি (Bactrocera dorsalis), আমের বাষ্প-তাপ শোধন যে ধরনের বালাই মারার জন্য করা হয়; ২০১৪ সালের ছবি। ছবি: Vinayaraj / উইকিমিডিয়া কমন্স (CC BY-SA 4.0)

ভারত ও আমের বাণিজ্য


আম গ্রীষ্মমণ্ডলীয় গাছ Mangifera indica-র ফল। এর উৎপত্তি দক্ষিণ এশিয়ার উত্তর-পূর্বাঞ্চলে, বর্তমান বাংলাদেশ, উত্তর-পূর্ব ভারত ও মিয়ানমার এলাকায়, এবং প্রাচীনকাল থেকে দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় এর চাষ হয়ে আসছে। আমের কয়েক শ জাত আছে, যেগুলো আকার, গড়ন, মিষ্টতা ও রঙে আলাদা; যেমন আলফোনসোর শাঁস নরম ও রসালো। আম ভারত, পাকিস্তান ও ফিলিপাইনের জাতীয় ফল, আর আমগাছ বাংলাদেশের জাতীয় বৃক্ষ।

বিশ্বের আম উৎপাদনে ভারতের আধিপত্য। জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থা (এফএও) আম, ম্যাঙ্গোস্টিন ও পেয়ারার হিসাব একসঙ্গে রাখে; ২০২৩ সালে এই তিন ফলের বিশ্ব উৎপাদন ছিল ৬১ মিলিয়ন টন, যার ৪৩ শতাংশ ভারতের, এরপর ইন্দোনেশিয়া ও চীন। ভারতের আম রপ্তানি কয়েকটি বাজারে কেন্দ্রীভূত, যার শীর্ষে যুক্তরাষ্ট্র, সংযুক্ত আরব আমিরাত, যুক্তরাজ্য, নেদারল্যান্ডস ও সৌদি আরব; আর এপ্রিল থেকে জুনের ভরা মৌসুমে আলফোনসো ও কেসরের মতো দামি জাতই রপ্তানির বড় অংশ।

নেপালের জন্য ভারতীয় আম একটি ঘাটতি পূরণ করে। দেশটির নিজের ফলন স্বল্পস্থায়ী এবং তরাইকেন্দ্রিক; ২০২৩ সালে কালীমাটি বাজারের হিসাবেও দেখা যায়, নেপালি ফলনের আগে-পরে ও অমৌসুমে ভারতীয় আম বাজার সামলায়। এ কারণেই জনকপুরধামের ব্যবসায়ীরা পুরো বন্ধের বদলে সীমান্তে পরীক্ষার পক্ষে যুক্তি দেন।

নেপালের সীমান্ত কোয়ারেন্টাইন ও ২০১৯ সালের অভিজ্ঞতা


নেপালের সীমান্তে উদ্ভিদস্বাস্থ্য দেখভালের দায়িত্ব কৃষি ও প্রাণিসম্পদ উন্নয়ন মন্ত্রণালয়ের কৃষি বিভাগের অধীন উদ্ভিদ কোয়ারেন্টাইন ও বালাইনাশক ব্যবস্থাপনা কেন্দ্রের। কেন্দ্রটি নেপালের জাতীয় উদ্ভিদ সুরক্ষা সংস্থা (এনপিপিও); এর একটি উদ্ভিদ কোয়ারেন্টাইন শাখা এবং একটি বালাইনাশক নিবন্ধন ও ব্যবস্থাপনা শাখা রয়েছে। আইপিপিসিতে দেওয়া এর ২০১৮ সালের দেশীয় প্রতিবেদনে ১৫টি কোয়ারেন্টাইন চেকপোস্ট, সরাসরি উদ্ভিদ কোয়ারেন্টাইনে কর্মরত ২০০-র বেশি জনবল, এবং সব চেকপোস্ট ও আঞ্চলিক উদ্ভিদ সুরক্ষা পরীক্ষাগারে মৌলিক পরীক্ষাগার সরঞ্জামের কথা বলা হয়। এর কাজের আইনি ভিত্তি উদ্ভিদ সুরক্ষা আইন, ২০০৭ (নেপালি পঞ্জিকায় ২০৬৪), উদ্ভিদ সুরক্ষা প্রবিধান, ২০১০ (২০৬৬) এবং বালাইনাশক ব্যবস্থাপনা আইন, ২০১৯।

ভারতীয় পণ্যে বাধ্যতামূলক কীটনাশক পরীক্ষা নেপাল আগেও একবার চেষ্টা করেছিল। ২০১৯ সালের জুনে সরকার আমদানি করা সবজি ও ফলে কীটনাশকের অবশিষ্টাংশ পরীক্ষার সিদ্ধান্ত সরকারি গেজেটে প্রকাশ করে এবং ১৮ জুন পরীক্ষা শুরু হয়। ৫ জুলাই সিদ্ধান্তটি প্রত্যাহার করা হয়। দ্য হিমালয়ান টাইমস ২০১৯ সালের ৬ জুলাই জানায়, শিল্প, বাণিজ্য ও সরবরাহ মন্ত্রণালয়ের সচিব কেদার বাহাদুর অধিকারী এর কারণ হিসেবে ব্যবসায়ীদের চাপ ও কারিগরি প্রস্তুতির ঘাটতির কথা বলেন; পত্রিকাটি আরও জানায়, সীমান্তের কোয়ারেন্টাইন কেন্দ্রগুলো তখন মাত্র দুই ধরনের রাসায়নিক অবশিষ্টাংশ পরীক্ষা করতে পারত।

২০১৯ সালের ৮ জুলাই অনলাইনখবর জানায়, কাঠমান্ডুর ভারতীয় দূতাবাস ২৯ জুন নেপালকে চিঠি দিয়ে যুক্তি দিয়েছিল, নেপালে রপ্তানি হওয়া ফল ও সবজি ভারতেই পরীক্ষা করা হয়, আবার বাধ্যতামূলক পরীক্ষা অশুল্ক বাধার শামিল, এবং নতুন ব্যবস্থা চালুর আগে নেপালের আগাম নোটিশ দেওয়া উচিত ছিল। প্রধানমন্ত্রী কে পি শর্মা অলি ও তাঁর মন্ত্রিসভার সদস্যরা দূতাবাসের চাপে সিদ্ধান্ত বদলের কথা অস্বীকার করেন।

প্রশ্নটি অবশ্য থেকে যায়। ২০২০ সালের আগস্টে এক সম্পাদকীয়তে দ্য কাঠমান্ডু পোস্ট লেখে, সীমান্তের পরীক্ষাগারগুলো কেবল দুই শ্রেণির কীটনাশক, অর্গানোফসফেট ও কার্বামেট, শনাক্ত করতে পারে; পত্রিকাটি ২০১৯ সালের একটি গবেষণা উদ্ধৃত করে, যাতে বেগুনের নমুনার ৯৩ শতাংশে এবং পরীক্ষা করা সব মরিচ ও টমেটোর নমুনায় কীটনাশকের অবশিষ্টাংশ মেলে। সরকারকে সীমান্তের পরীক্ষাগার উন্নত করে পরীক্ষার পরিসর বাড়াতে হবে, এমন যুক্তি দেয় পত্রিকাটি। ২০১৯ সালের সেই ঘটনার সাত বছর পর জনকপুরধামের পূর্বে ও অন্য ব্যবসায়ীরা আবারও পুরো বন্ধের বদলে শক্তিশালী কোয়ারেন্টাইন পরীক্ষার দাবি তোলেন।

কীটনাশকের অবশিষ্টাংশের সর্বোচ্চ সীমা কী


সর্বোচ্চ অবশিষ্টাংশ সীমা বা এমআরএল হলো লেবেলের নির্দেশনা মেনে কীটনাশক ব্যবহার করলে খাদ্যে যতটুকু অবশিষ্টাংশ থেকে যাওয়ার কথা, তার সর্বোচ্চ পরিমাণ, এমন মাত্রায় যা মানুষের স্বাস্থ্যের জন্য উদ্বেগের নয়। সাধারণত বারবার মাঠ পরীক্ষার মাধ্যমে এমআরএল ঠিক করা হয়, যেখানে উত্তম কৃষি চর্চা মেনে ফসলে কীটনাশক দেওয়া হয় এবং শেষ প্রয়োগ থেকে ফসল তোলা পর্যন্ত নির্ধারিত বিরতি মানা হয়। আন্তর্জাতিক পর্যায়ে এফএও ও বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার কোডেক্স অ্যালিমেন্টারিয়াস এমআরএলের একটি তথ্যভান্ডার রাখে; আর ইউরোপীয় ইউনিয়নের বিধিমালায় তালিকাভুক্ত নয় এমন পদার্থের জন্য সাধারণত প্রতি কেজিতে ০.০১ মিলিগ্রামের একটি ডিফল্ট সীমা প্রযোজ্য।

২০২৬ সালের ৯ জুন পর্যন্ত পাওয়া প্রতিবেদনগুলোতে ভারতীয় আমে কোন কীটনাশক, কী মাত্রায় বা কোন সীমান্ত পয়েন্টে পাওয়া গেছে, তা বলা হয়নি; নেপালের ফেডারেল কোয়ারেন্টাইন কর্তৃপক্ষের কোনো বিবৃতিও সেগুলোতে উদ্ধৃত হয়নি।

ছবি: Bibek shah076 / উইকিমিডিয়া কমন্স (CC BY-SA 4.0)

সূত্র: জাগো নিউজ ২৪ (৯ জুন ২০২৬), দ্য প্রিন্ট (৯ জুন ২০২৬), দ্য রাইজিং নেপাল (৭ জুন ২০২৬), দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড (২৯ মে ২০২৬), ফুডবিজনেস এমইএ (৬ জুন ২০২৬), ফ্রেশপ্লাজা (৮ জুন ২০২৬), দ্য হিমালয়ান টাইমস (১০ জুলাই ২০২৩ ও ৬ জুলাই ২০১৯), অনলাইনখবর (৮ জুলাই ২০১৯), দ্য কাঠমান্ডু পোস্ট (২৪ আগস্ট ২০২০), আইপিপিসিতে নেপালের দেশীয় প্রতিবেদন (২০১৮), উইকিপিডিয়া (আম, মধেশ প্রদেশ, জনকপুর, Bactrocera dorsalis, সর্বোচ্চ অবশিষ্টাংশ সীমা)

অনলাইন ডেস্কদা এগ্রো নিউজ

ফল

সম্পর্কিত খবর

ফল

যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি চারটি তাজা আপেলের একটি যায় বিদেশে, রপ্তানি আয় রেকর্ড

২০২৫/২৬ বিপণন বছরে যুক্তরাষ্ট্র ১৮৭ কোটি পাউন্ড তাজা আপেল রপ্তানি করেছে, যা মোট তাজা উৎপাদনের প্রায় ২৬ শতাংশ। রপ্তানি আয় রেকর্ড ১১৬ কোটি ডলারে পৌঁছেছে; বড় ক্রেতা মেক্সিকো ও কানাডা।

ers_usda১৬ অক্টোবর ২০২৬১ মিনিটের পড়া
ফল

রাজবাড়ীর বাজিতপুরে দুই একরে চার হাজার ড্রাগন গাছ, দিনে উঠছে ৫০ মণ ফল

রাজবাড়ী সদরের বসন্তপুর ইউনিয়নের বাজিতপুরে জেলার সবচেয়ে বড় ড্রাগন বাগানে গাছপ্রতি ১০-১২ কেজি ফল ধরেছে; ভরা মৌসুমে দিনে প্রায় দুই হাজার কেজি ফল উঠছে, পাইকারি দর কেজি ১৫০ টাকা।

ঢাকা মেইল১৫ অক্টোবর ২০২৬১ মিনিটের পড়া
ফল

আপেলগাছের গোড়ায় লালচে গুঁড়া? সতর্ক করছে বিরল কাণ্ড ছিদ্রকারী পোকা

কানাডার ম্যানিটোবার কৃষি বিভাগ ফলচাষিদের রাউন্ডহেডেড অ্যাপল ট্রি বোরার নিয়ে সতর্ক থাকতে বলছে। এই লম্বা-শুঙ্গ গুবরে পোকার কীড়া জীবন্ত আপেল ও সাস্কাটুন গাছের ভেতরে তিন বছর পর্যন্ত সুড়ঙ্গ কাটে; কাণ্ডের গোড়ায় লালচে গুঁড়াই সবচেয়ে স্পষ্ট লক্ষণ।

Manitoba Co-operator১৫ অক্টোবর ২০২৬২ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

(০)