সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮—আদা - আমদানিকৃত১৬৭—আদা - দেশী১৫৪—আমন চাল - মাঝারি৫৬—আমন চাল - মোটা৪৮—আমন চাল - সরু৭২—আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২—কাঁচা মরিচ২১৮—খামারের মুরগী১৬২—খাসী৯০০—চিনি (দেশী)১৩২—ছোলা - গোটা৮৫—ডিম ফার্ম - লাল৪৭—পেঁয়াজ - দেশী৬০—বোরো চাল - মাঝারি৫৫—বোরো চাল - মোটা৪৭—বোরো চাল - সরু৬৬—মাংসঃ– গরু৭২৯—মুগ ডাল১২২—রসুন - আমদানিকৃত১৯২—রসুন - দেশী১৭৩—সয়াবিন তেল১৬৩—
হালনাগাদ ১৬ অক্টোবর ২০২৬
ঢাকা২৮°পরিষ্কার আকাশআর্দ্রতা ৬২%বাতাস ৫ কিমি/ঘ

ভুট্টার গাছ কেন হেলে পড়ে: জিন খুঁজতে ৬০ লাখ ডলারের গবেষণায় ক্লেমসন

যুক্তরাষ্ট্রের ন্যাশনাল সায়েন্স ফাউন্ডেশনের চার বছরের ৬০ লাখ ডলারের প্রকল্পে ক্লেমসন ইউনিভার্সিটি (Clemson University) ২০ লাখ ডলারে ভুট্টার কাণ্ড শক্ত রাখার জিনগত কারণ খুঁজবে, যে সমস্যায় বিশ্বে বছরে ৬০০ কোটি ডলারের বেশি ফলন নষ্ট হয়।

কাটার আগে ভুট্টার গাছ হেলে বা ভেঙে পড়া, কৃষিবিজ্ঞানে যাকে বলে স্টক লজিং, কমাতে যুক্তরাষ্ট্রে একটি জাতীয় গবেষণা প্রকল্প শুরু হচ্ছে, আর তার জিনগত অংশের দায়িত্ব পেয়েছে দক্ষিণ ক্যারোলাইনার ক্লেমসন ইউনিভার্সিটি (Clemson University)। ন্যাশনাল সায়েন্স ফাউন্ডেশনের (National Science Foundation) চার বছরের ৬০ লাখ ডলারের অনুদানে চলা এই প্রকল্পের নেতৃত্বে ইউনিভার্সিটি অব আইডাহো; সঙ্গে আছে ইউনিভার্সিটি অব নেব্রাস্কা মেডিকেল সেন্টার এবং ক্লেমসনের উদ্ভিদ জিনতত্ত্ববিদ, প্রকৌশলী, পরিসংখ্যানবিদ ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার গবেষকেরা।

অনুদানের ২০ লাখ ডলার পাচ্ছে ক্লেমসন। সেখানে প্রকল্পের প্রধান গবেষক জেনেটিকস অ্যান্ড বায়োকেমিস্ট্রি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক রাজনদীপ সেখোঁ (Rajandeep Sekhon)। তিনি দেখবেন, জিনের ভিন্নতা কীভাবে গাছের জৈবিক ও গঠনগত বৈশিষ্ট্য ঠিক করে দেয়, অর্থাৎ কোন কাণ্ড দাঁড়িয়ে থাকবে আর কোনটি নুয়ে পড়বে।

সমস্যাটি ছোট নয়। ক্লেমসন ও সহযোগী গবেষকদের একটি পিয়ার-রিভিউড গবেষণা বলছে, স্টক লজিংয়ে বিশ্বে প্রতিবছর ৬০০ কোটি ডলারের বেশি ভুট্টার ফলন নষ্ট হয়। পরিণত গাছ ঝড়ো বাতাসে বা অন্য চাপে পড়ে গেলে পোকা ও রোগের শিকার হয় সহজে, অনেক সময় কাটাই যায় না; ফলে উৎপাদন ও মানের দুটোই কমে।

গবেষকেরা কাজ করবেন উল্টো দিক থেকে, দাঁড়িয়ে থাকা গাছ থেকে তার ডিএনএ পর্যন্ত। দক্ষিণ ক্যারোলাইনার মাঠে প্রায় এক হাজার ইনব্রেড ভুট্টার লাইন ফলানো হবে; শক্ত ও দুর্বল ইতিহাসের লাইন তুলনা করে মাপা হবে কাণ্ডের শক্তি, দৃঢ়তা, ব্যাস, ছালের পুরুত্ব ও কোষের বৈশিষ্ট্য, আর গাছ বাড়ার সঙ্গে কাণ্ডের রসায়ন কীভাবে বদলায় তা-ও নথিবদ্ধ হবে। সেখোঁর কথায়, শক্ত গাছ আর দুর্বল গাছকে ডিএনএ পর্যন্ত ‘রিভার্স ইঞ্জিনিয়ারিং’ করে বোঝা হবে কোন জিনগত ও জৈবিক কারণে একটি গাছ দাঁড়িয়ে থাকে।

লজিং কোনো একটি জিনের ব্যাপার নয়, তাই প্রকল্পের বড় ভরসা পরিসংখ্যান। ক্লেমসনের স্কুল অব ম্যাথমেটিক্যাল অ্যান্ড স্ট্যাটিস্টিক্যাল সায়েন্সেসের অধ্যাপক ক্রিস ম্যাকমাহান (Chris McMahan) নানা উৎসের তথ্য মেলানোর পরিসংখ্যান ও মেশিন-লার্নিং মডেল তৈরি করবেন এবং নেব্রাস্কার দলের সঙ্গে ঠিক করবেন কোন জিনগত মার্কারগুলো সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। ম্যাকমাহানের তুলনা মানুষের উচ্চতার সঙ্গে, একটি জিন নয়, বহু কারণ মিলে ঠিক হয়। ক্লেমসনের নিশান্ত থারায়িল (Nishanth Tharayil) ও ট্রেভর রাইফ (Trevor Rife) যোগ দিচ্ছেন উদ্ভিদ মেটাবোলমিক্স, কোষপ্রাচীরের রসায়ন ও দ্রুতগতির ফিনোটাইপিং নিয়ে।

ইউনিভার্সিটি অব আইডাহোর দল বানাবে স্বয়ংক্রিয় সেন্সর ব্যবস্থা, যা একদিন প্লট কম্বাইনে বসিয়ে কাটার সময়ই কাণ্ডের যান্ত্রিক তথ্য নেওয়া যাবে, হাতে পরীক্ষার চেয়ে অনেক বেশি গাছে। গবেষকদের মতে, ডিএনএ থেকে মাঠের কর্মক্ষমতা পর্যন্ত এই পদ্ধতি পরে অন্য ফসল ও বৈশিষ্ট্যেও কাজে লাগানো যাবে।

লক্ষ্য প্রায় ৫০০টি যাচাই করা অ্যালিল, যা দিয়ে প্রজননবিদেরা শক্ত কাণ্ডের, লজিং-সহনশীল ভুট্টার জাত বাছাই করতে পারবেন। সেখোঁ বলেন, শেষ পর্যন্ত এর মানে মাঠে কম ক্ষতি, কৃষকের জন্য নির্ভরযোগ্য ফসল আর সহনশীল খাদ্য উৎপাদন। প্রতিবেদনটি প্রকাশ করেছে ক্লেমসন ইউনিভার্সিটি।

সূত্র: Morning Ag Clips

Morning Ag Clipsসূত্র

ফসল

সম্পর্কিত খবর

ফসল

ইংল্যান্ডে যবের ফলন ১৪ বছরে সর্বনিম্ন, গম সামান্য বেশি

যুক্তরাজ্যের কৃষি মন্ত্রণালয় ডেফরার প্রাথমিক হিসাবে ইংল্যান্ডে যব উৎপাদন ১১ শতাংশ কমে ৩৭ লাখ টন হয়েছে, গম ০ দশমিক ৮ শতাংশ বেড়ে ১ কোটি ৮ লাখ টন; গমের তুলনায় পশুখাদ্যের যব বিক্রি হচ্ছে অনেক কম দামে।

Farmers Weekly১৬ অক্টোবর ২০২৬২ মিনিটের পড়া
বিশ্ব

ভালো ফসলের বছরেও আফগানিস্তানে শীতে তীব্র খাদ্যসংকটে পড়বে ১ কোটি ৯২ লাখ মানুষ

অনুকূল বৃষ্টি ও ভালো ফসলের পরও নভেম্বর-এপ্রিলে আফগানিস্তানের ৩৮ শতাংশ মানুষ তীব্র খাদ্য নিরাপত্তাহীনতায় পড়বে বলে পূর্বাভাস দিয়েছে এফএও ও ডব্লিউএফপি; গত বছর একই সময়ের পূর্বাভাস ছিল ১ কোটি ৭৪ লাখ।

ডব্লিউএফপি১৬ অক্টোবর ২০২৬২ মিনিটের পড়া
ফসল

জমির সিদ্ধান্তের ভার পেয়ে তুলার ফলন সাত গুণ করলেন মহারাষ্ট্রের সুনীতা

একসময় দিনমজুরি করা, পরিবারের ১২ একর জমি নিয়ে কোনো সিদ্ধান্তের অধিকার না থাকা মহারাষ্ট্রের পাচোদ গ্রামের সুনীতা নেহারে এখন খামার চালান; মাটি ও পানি সংরক্ষণে একরপ্রতি তুলার ফলন প্রায় ১ থেকে বাড়িয়েছেন ৭ দশমিক ১৪ কুইন্টালে।

ডাউন টু আর্থ১৬ অক্টোবর ২০২৬২ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

(০)