Skip to content
দা এগ্রো নিউজদা এগ্রো নিউজকৃষি ও কৃষকের সংবাদ
সাবস্ক্রাইব

অনলাইনে এলো প্যাকেটবন্দি কাঁঠাল

পারিবারিক রেওয়াজ অনুসারে পূজায় দেবীর নৈবেদ্যের থালায় দিতে হবে কাঁঠাল। কিন্তু এই করোনাকাল আর অসময়ে কাঁঠাল পাওয়া দুষ্কর। উপায় না পেয়ে অনলাইনে অর্ডার দিলেন কাঁঠালের। অবশেষে অর্

সমকাল২১ অক্টোবর ২০২১ · ১ মিনিটের পড়া

পারিবারিক রেওয়াজ অনুসারে পূজায় দেবীর নৈবেদ্যের থালায় দিতে হবে কাঁঠাল। কিন্তু এই করোনাকাল আর অসময়ে কাঁঠাল পাওয়া দুষ্কর। উপায় না পেয়ে অনলাইনে অর্ডার দিলেন কাঁঠালের। অবশেষে অর্ডার করা সেই কাঁঠাল এসে পৌঁছেছে। ঘটনাটি ভারতের পশ্চিমবঙ্গের ঝাড়গ্রাম শহরের। খবর আনন্দবাজারের।

আনন্দবাজার জানায়, ঝাড়গ্রাম শহরের বাছুরডোবায় সেন পরিবার পূজায় নৈবেদ্যের থালায় কাঁঠালের প্রয়োজন হয়। ১৯৪ বছরের পারিবারিক পূজায় অতি প্রয়োজনের কাঁঠাল পাওয়া যাচ্ছিল না। উপায় না পেয়ে অনলাইনে অর্ডার করা হয়। পরে এক বেসরকারি সংস্থার মাধ্যমে প্যাকেটবন্দি হয়ে সেই কাঁঠাল এসে পৌঁছায় সেন পরিবারে।

সেন পরিবার সূত্রে জানা যায়, ১২৩৫ বঙ্গাব্দে পূর্ববঙ্গের ময়মনসিংহে র আকুয়াপাড়ায় পুজাটি শুরু করেছিলেন অনেক সম্পতির মালিক রামরতন সেন শর্মা। পারিবারিক পেশা কবিরাজি হলেও রামরতন ছিলেন ময়মনসিংহের মহারাজা সূর্যকান্ত আচার্য চৌধুরীর দেওয়ান। সেই সময় পারিবারিক পূজায় নৈবেদ্যের থালায় সব সময় কাঁঠাল থাকতো। সেই ঐতিহ্যে ছেদ পড়ে দেশভাগের পর। রামরতনের উত্তরসূরীরা চলে যান ঝাড়গ্রামে। পঞ্চাশের দশকের গোড়ায় ঝাড়গ্রামে পূজা শুরু হয়।

সেন পরিবারের তরুণ সদস্য দেবব্রত সেন জানান, অকাল বোধনের পুজায় অসময়ের ফল কাঁঠাল দেওয়ার রীতি রয়েছে। কিন্তু আশ্বিন মাসে ঝাড়গ্রামের বাজারে কাঁঠাল পাওয়া যায় না। আগে কলকাতা থেকে কাঁঠাল আনানো হত। করোনা কারণে গত বছর কাঁঠাল পেতে খুবই সমস্যা হয়েছিল। তাই এবার আগে ভাগে অনলাইনে বেঙ্গালুরুর একটি সংস্থার কাছ থেকে কাঁঠাল কেনা হয়েছে। অষ্টমীতে দেবীর নৈবেদ্যের থালায় আম ও নবমীতে কাঁঠাল দেওয়া হয়।

ট্যাগ#কাঁঠাল
সমকালদা এগ্রো নিউজ

সম্পর্কিত খবর

মন্তব্য

()