সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮—আদা - আমদানিকৃত১৬৭—আদা - দেশী১৫৪—আমন চাল - মাঝারি৫৬—আমন চাল - মোটা৪৮—আমন চাল - সরু৭২—আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২—কাঁচা মরিচ২১৮—খামারের মুরগী১৬২—খাসী৯০০—চিনি (দেশী)১৩২—ছোলা - গোটা৮৫—ডিম ফার্ম - লাল৪৭—পেঁয়াজ - দেশী৬০—বোরো চাল - মাঝারি৫৫—বোরো চাল - মোটা৪৭—বোরো চাল - সরু৬৬—মাংসঃ– গরু৭২৯—মুগ ডাল১২২—রসুন - আমদানিকৃত১৯২—রসুন - দেশী১৭৩—সয়াবিন তেল১৬৩—
হালনাগাদ ১৬ অক্টোবর ২০২৬
ঢাকা২৮°পরিষ্কার আকাশআর্দ্রতা ৬২%বাতাস ৫ কিমি/ঘ

জলাতঙ্ক নিয়ন্ত্রণে কুকুরের টিকা, জাতীয় ডেটাবেজ ও সমন্বিত উদ্যোগের আহ্বান

বিশ্ব র‍্যাবিস দিবসে ভেটেরিনারি চিকিৎসক সাহাদাত হোসেন পারভেজ লিখেছেন, প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের নতুন প্রকল্পকে ঘিরে স্বাস্থ্য বিভাগ, স্থানীয় সরকার ও গবেষকদের এক প্ল্যাটফর্মে আনলে ২০৩০ সালের মধ্যে কুকুরবাহিত জলাতঙ্কে মৃত্যু শূন্যে নামানো সম্ভব।

জলাতঙ্ক নিয়ন্ত্রণে কুকুরের টিকা, জাতীয় ডেটাবেজ ও সমন্বিত উদ্যোগের আহ্বান
মতামত

জলাতঙ্ক প্রাণঘাতী কিন্তু সম্পূর্ণ প্রতিরোধযোগ্য রোগ, আর এর বিরুদ্ধে কার্যকর সব উপকরণ বাংলাদেশের হাতে আছে; দরকার সেগুলো একসঙ্গে প্রয়োগ করা। বিশ্ব র‍্যাবিস দিবস (২৮ সেপ্টেম্বর) উপলক্ষে জাগো নিউজ ২৪-এ প্রকাশিত কলামে এ কথা লিখেছেন ভেটেরিনারি ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ভ্যাব) সাংগঠনিক সম্পাদক ও বাংলাদেশ ভেটেরিনারি অ্যাসোসিয়েশনের নির্বাহী সদস্য সাহাদাত হোসেন পারভেজ। এবারের প্রতিপাদ্য 'Stronger Together'। মতামতটি লেখকের নিজস্ব।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) তথ্য উদ্ধৃত করে তিনি লিখেছেন, বিশ্বে প্রতিবছর প্রায় ৫৯ হাজার মানুষ জলাতঙ্কে মারা যান, সংক্রমণের সবচেয়ে বড় উৎস কুকুর। ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় অন্তত ৭০ শতাংশ কুকুরকে ধারাবাহিকভাবে টিকা দিলে কুকুরবাহিত সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণ করা যায়।

লেখক মনে করিয়ে দিয়েছেন, ২০১০ সালের পর বাংলাদেশে কুকুরের গণটিকা, কামড়-পরবর্তী চিকিৎসা ও সচেতনতা মিলিয়ে একটি সমন্বিত কর্মসূচি নেওয়া হয়েছিল, যা ৬৪ জেলার প্রায় সর্বত্র ছড়িয়েছিল। এক হাজারের বেশি প্রশিক্ষিত কর্মী কুকুর ধরে টিকা দিয়ে আবার ছেড়ে দিতেন, আর ২০১৭ সালে ডব্লিউএইচও বাংলাদেশকে একটি উল্লেখযোগ্য উদাহরণ হিসেবে তুলে ধরে।

উদ্বেগের তথ্যও তুলে ধরেছেন তিনি। প্রথম আলোর এপ্রিলের এক প্রতিবেদনের বরাতে মহাখালী সংক্রামক ব্যাধি হাসপাতালে কুকুর ও বিড়ালের আক্রমণে চিকিৎসা নেওয়া মানুষের সংখ্যা ২০২৩ সালের ৯৪ হাজার ৩৮০ থেকে ২০২৫ সালে ১ লাখ ৪৬ হাজার ২৪৩-এ পৌঁছেছে। তবে প্রতিটি কামড় জলাতঙ্কে গড়ায় না, তাই আতঙ্ক নয়, বৈজ্ঞানিক ব্যবস্থাপনা দরকার বলে তাঁর মত।

পথকুকুরের মাধ্যমে জলাতঙ্ক ঠেকাতে প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের নতুন প্রকল্পকে সময়োপযোগী বলেছেন লেখক। কুকুর নিধন নয়, বরং ধরা, বন্ধ্যাকরণ, টিকা দিয়ে ফেরত দেওয়া (সিএনভিআর), নজরদারি ও জনসম্পৃক্ততা কার্যকর পথ। প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর কুকুরের টিকা ও রোগ নজরদারিতে, স্বাস্থ্য অধিদপ্তর কামড়ের পর চিকিৎসায়, আর সিটি করপোরেশন ও পৌরসভা বর্জ্য ও স্থানীয় ব্যবস্থাপনায় নেতৃত্ব দেবে; এটাই 'ওয়ান হেলথ'।

তাঁর প্রস্তাব, প্রতিটি কুকুরের ডিজিটাল রেকর্ড, টিকার তথ্য ও এলাকাভিত্তিক কভারেজ নিয়ে একটি জাতীয় কুকুর ও র‍্যাবিস নজরদারি ডেটাবেজ গড়া, যাতে কোথাও কামড়ের ঘটনা হঠাৎ বাড়লে স্বাস্থ্য ও প্রাণিসম্পদ কর্তৃপক্ষ সঙ্গে সঙ্গে জানতে পারে। সাফল্যের মাপকাঠি হবে কত শতাংশ কুকুর টিকা পেল এবং তা কত ধারাবাহিকভাবে বজায় থাকল। স্কুলে শিশুদের কুকুরের আচরণ ও কামড়ের পর করণীয় শেখানো এবং প্রকল্পের মেয়াদ শেষে কার্যক্রম চালু রাখার ওপরও জোর দিয়েছেন তিনি।

ছবি: U.S. Navy / উইকিমিডিয়া কমন্স (পাবলিক ডোমেইন)

সূত্র: জাগো নিউজ ২৪

জাগো নিউজ ২৪সূত্র

মতামত

সম্পর্কিত খবর

মতামত

মতামত: চীনা বালাইনাশক কোম্পানি মার্কিন কৃষকের দোরগোড়ায়, বিক্রেতারা কী করবেন

ক্রপলাইফে লেখা এক কলামে হুয়া চেং ও ডেভিড লি বলছেন, চীনা ফসল সুরক্ষা কোম্পানিগুলো মার্কিন কৃষকের কাছে পৌঁছানোর নতুন পথ পাচ্ছে, তবে স্থানীয় বিক্রেতাদের এমন কিছু শক্তি আছে যা কনটেইনারে করে পাঠানো যায় না।

ক্রপলাইফ১৫ অক্টোবর ২০২৬২ মিনিটের পড়া
মতামত

শীতে শিশুর রোটাভাইরাস ঝুঁকি, টিকা আছে, তবু সরকারি কর্মসূচিতে নেই: ফারিয়া এজাজের কলাম

আজকের পত্রিকায় ফারিয়া এজাজ লিখেছেন, আইসিডিডিআরবির হিসাবে দেশে বছরে আড়াই থেকে ৩ হাজার শিশু রোটাভাইরাসে মারা যায়; ১৩২টি দেশ টিকাটি জাতীয় কর্মসূচিতে নিলেও বাংলাদেশে এক ডোজের দাম ২,৯৯৩ টাকা, সরকারিভাবে দেওয়া হয় না।

আজকের পত্রিকা১৪ অক্টোবর ২০২৬২ মিনিটের পড়া
মতামত

নিঃসরণ ০.০৫ শতাংশ, ক্ষতি পাহাড়সম: নেপালের শিক্ষায় অনুদানভিত্তিক জলবায়ু অর্থায়ন চান রাকিব হোসেন

খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতির পিএইচডি গবেষক রাকিব হোসেন লিখেছেন, বিশ্বের কার্বন নিঃসরণে মাত্র ০.০৫ শতাংশ অবদানের নেপাল যেমন বারবার দুর্যোগের দাম দিচ্ছে, বাংলাদেশও তেমনি; তাই ঋণ নয়, অনুদানভিত্তিক জলবায়ু অর্থায়ন দরকার।

ঢাকা পোস্ট১৪ অক্টোবর ২০২৬২ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

(০)