সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮—আদা - আমদানিকৃত১৬৭—আদা - দেশী১৫৪—আমন চাল - মাঝারি৫৬—আমন চাল - মোটা৪৮—আমন চাল - সরু৭২—আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২—কাঁচা মরিচ২১৮—খামারের মুরগী১৬২—খাসী৯০০—চিনি (দেশী)১৩২—ছোলা - গোটা৮৫—ডিম ফার্ম - লাল৪৭—পেঁয়াজ - দেশী৬০—বোরো চাল - মাঝারি৫৫—বোরো চাল - মোটা৪৭—বোরো চাল - সরু৬৬—মাংসঃ– গরু৭২৯—মুগ ডাল১২২—রসুন - আমদানিকৃত১৯২—রসুন - দেশী১৭৩—সয়াবিন তেল১৬৩—
হালনাগাদ ১৬ অক্টোবর ২০২৬
ঢাকা২৬°পরিষ্কার আকাশআর্দ্রতা ৭৩%বাতাস ৩ কিমি/ঘ

কৃষি বাজেট এবং কৃষকদের দাবি

চলতি অর্থবছরে কৃষিখাতে বরাদ্দ ছিল ৩৩ হাজার ৬৯৮ কোটি টাকা, যা মোট বাজেটের ৪.৯৭ শতাংশ। আগামী অর্থবছরে কৃষিখাতে বরাদ্দ রাখা হয়েছে ৩৫ হাজার ৩৭৪ কোটি টাকা, যা মোট বাজেটের শতকরা ৪.৬৪ শতাংশ। আগামী অর্থবছরের টাকার অঙ্ক বাড়লেও খাতওয়ারি বরাদ্দের হিসাবে কৃষিখাতের বরাদ্দ শতকরা দশমিক ৩৩ ভাগ কমেছে।

চলতি অর্থবছরে কৃষিখাতে বরাদ্দ ছিল ৩৩ হাজার ৬৯৮ কোটি টাকা, যা মোট বাজেটের ৪.৯৭ শতাংশ। আগামী অর্থবছরে কৃষিখাতে বরাদ্দ রাখা হয়েছে ৩৫ হাজার ৩৭৪ কোটি টাকা, যা মোট বাজেটের শতকরা ৪.৬৪ শতাংশ। আগামী অর্থবছরের টাকার অঙ্ক বাড়লেও খাতওয়ারি বরাদ্দের হিসাবে কৃষিখাতের বরাদ্দ শতকরা দশমিক ৩৩ ভাগ কমেছে।

নতুন অর্থবছরে কৃষিখাতে ভর্তুকি বাড়ানো হলেও কৃষি উপকরণ সহায়তা কার্ডের আওতায় ২ কোটি কৃষককে আনার পরিকল্পনা আছে। কৃষকদের স্মার্ট কার্ড দেওয়ার পরিকল্পনাও আছে বাজেটে। এ ছাড়া হাওর এলাকার কৃষকদের জন্য ৭০ ভাগ এবং অন্য এলাকার কৃষকদের জন্য ৫০ ভাগ সহায়তা দিয়ে ৫১ হাজার ৩০০টি কৃষিযন্ত্র সরবরাহ করার বরাদ্দ ধরা হয়েছে।

বাজেট প্রস্তাবনায় সব ধরনের কৃষি যন্ত্রপাতি আমদানির ক্ষেত্রে আগাম কর অব্যাহতির প্রস্তাব করা হয়েছে। বাংলাদেশের পাহাড়ি অঞ্চলে কাজুবাদাম উৎপাদন এবং প্রক্রিয়াজাতকরণের কারখানা গড়ে তোলা হবে। সার, বীজ ও কীটনাশকসহ কৃষি উপকরণ আমদানিতে শুল্কহার অপরিবর্তিত রাখার প্রস্তাব করা হয়েছে।

কৃষি প্রধান বাংলাদেশে কৃষি ও কৃষককে বাঁচাতে উৎপাদন বাড়াতে হবে। এ লক্ষ্যে সুলভ মূল্যে সার, কীটনাশক সরবরাহ, নুতন জাত উদ্ভাবন ও প্রযুক্তির ব্যবহার নিশ্চিত করতে কাজ করে যাচ্ছে সরকার। খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ বাংলাদেশ গড়তে এ খাতকে সর্বাধিক গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে বলে জানান অর্থমন্ত্রী।

বাজেট ঘোষণার পরপরই চড়া নিত্যপণ্যের বাজার! সবজি, মাছ, মাংস, ডিম, চাল ও ডালসহ দাম বেড়েছে নিত্যপণ্যের! সার্বিকভাবে বাজেটে দেখা যাচ্ছে; কৃষিখাতে বাজেট খুবই নিম্নমানের! যে দেশের প্রায় ৭০ থেকে ৮০ শতাংশ মানুষ কৃষির সঙ্গে জড়িত; সে দেশে কৃষির ওপরে বরাদ্দ এত নিম্নমানের কল্পনা করা যায় না। যদি কৃষিতে উন্নয়ন ঘটানো সম্ভব না হয়, তাহলে দেশে খাদ্য দুর্ভিক্ষ দেখার মতো ঘটনা ঘটতে পারে বলে মনে করেন বিশেষজ্ঞরা।

অর্থাৎ কৃষিতে তেমন কোনো বরাদ্দ ধরা হয়নি! কৃষকের অবস্থা খুবই করুণ! দিন দিন খারাপ থেকে খারাপ হয়ে যাচ্ছে! কারণ কৃষিক্ষেত্রের যে ব্যয়গুলো বাড়ছে, তাহলো- ওষুধ, সার, কীটনাশক এগুলোর অনেক টাকা দাম বেড়ে গেছে। আগে ৫০০ টাকার ওষুধ কিনলে হয়ে যেত। এখন দেখা যায় ৫০০ টাকার ওষুধ ৮০০ থেকে ৯০০ টাকা হয়ে গেছে। যে শ্রমিক ৩০০ টাকায় পাওয়া যেত; এখন তা ৫০০ টাকায়ও পাওয়া যায় না।

কৃষক এখন শুরু থেকে শেষ ফসল কাঁটা পর্যন্ত হিসাব করে দেখে, কৃষকের লোকসান হয়ে যাচ্ছে। এ রকম একটি পরিস্থিতিতে সরকার এবারও কৃষিখাতে বাজেট বাড়ায়নি। যদি সরকার কৃষিকাজে বাজেট বৃদ্ধি না করে, তাহলে কৃষকের দুরবস্থা থেকেই যাবে। কৃষকের আর্থিক অবস্থা আরও করুণ থেকে করুণতম হবে। এভাবে চলতে থাকলে কৃষকেরা চরমভাবে বঞ্চিত হবে।

এখনো সময় আছে কৃষিতে বরাদ্দ বাড়িয়ে দিন। না হলে কৃষক চাষাবাদ বাদ দিয়ে অন্য উপায় খোঁজার জন্য উঠেপড়ে লেগে যাবেন। কৃষকদের এখন একটাই দাবি, সরকার কৃষিখাতের বরাদ্দ যেন সন্তোষজনকভাবে বাড়িয়ে দেয়। তাহলে কৃষক এবং কৃষকের স্বার্থ টিকে থাকবে। তাহলেই কৃষিবান্ধব সরকারের সত্যিকারের প্রতিফলন ঘটবে বলে মনে করেন কৃষি সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞরা।

জাগো নিউজ ২৪সূত্র

ফসল

সম্পর্কিত খবর

ফসল

ইংল্যান্ডে যবের ফলন ১৪ বছরে সর্বনিম্ন, গম সামান্য বেশি

যুক্তরাজ্যের কৃষি মন্ত্রণালয় ডেফরার প্রাথমিক হিসাবে ইংল্যান্ডে যব উৎপাদন ১১ শতাংশ কমে ৩৭ লাখ টন হয়েছে, গম ০ দশমিক ৮ শতাংশ বেড়ে ১ কোটি ৮ লাখ টন; গমের তুলনায় পশুখাদ্যের যব বিক্রি হচ্ছে অনেক কম দামে।

Farmers Weekly১৬ অক্টোবর ২০২৬২ মিনিটের পড়া
বিশ্ব

ভালো ফসলের বছরেও আফগানিস্তানে শীতে তীব্র খাদ্যসংকটে পড়বে ১ কোটি ৯২ লাখ মানুষ

অনুকূল বৃষ্টি ও ভালো ফসলের পরও নভেম্বর-এপ্রিলে আফগানিস্তানের ৩৮ শতাংশ মানুষ তীব্র খাদ্য নিরাপত্তাহীনতায় পড়বে বলে পূর্বাভাস দিয়েছে এফএও ও ডব্লিউএফপি; গত বছর একই সময়ের পূর্বাভাস ছিল ১ কোটি ৭৪ লাখ।

ডব্লিউএফপি১৬ অক্টোবর ২০২৬২ মিনিটের পড়া
ফসল

জমির সিদ্ধান্তের ভার পেয়ে তুলার ফলন সাত গুণ করলেন মহারাষ্ট্রের সুনীতা

একসময় দিনমজুরি করা, পরিবারের ১২ একর জমি নিয়ে কোনো সিদ্ধান্তের অধিকার না থাকা মহারাষ্ট্রের পাচোদ গ্রামের সুনীতা নেহারে এখন খামার চালান; মাটি ও পানি সংরক্ষণে একরপ্রতি তুলার ফলন প্রায় ১ থেকে বাড়িয়েছেন ৭ দশমিক ১৪ কুইন্টালে।

ডাউন টু আর্থ১৬ অক্টোবর ২০২৬২ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

(০)