সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮—আদা - আমদানিকৃত১৬৭—আদা - দেশী১৫৪—আমন চাল - মাঝারি৫৬—আমন চাল - মোটা৪৮—আমন চাল - সরু৭২—আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২—কাঁচা মরিচ২১৮—খামারের মুরগী১৬২—খাসী৯০০—চিনি (দেশী)১৩২—ছোলা - গোটা৮৫—ডিম ফার্ম - লাল৪৭—পেঁয়াজ - দেশী৬০—বোরো চাল - মাঝারি৫৫—বোরো চাল - মোটা৪৭—বোরো চাল - সরু৬৬—মাংসঃ– গরু৭২৯—মুগ ডাল১২২—রসুন - আমদানিকৃত১৯২—রসুন - দেশী১৭৩—সয়াবিন তেল১৬৩—
হালনাগাদ ১৬ অক্টোবর ২০২৬
ঢাকা২৮°পরিষ্কার আকাশআর্দ্রতা ৬২%বাতাস ৫ কিমি/ঘ

ঝড়ের দিনে আম কুড়ানোর সুখ

মামুনূর রহমান হৃদয়

মামুনূর রহমান হৃদয়

শিশুদের বইয়ে 'মামার বাড়ি' কবিতায় 'ঝড়ের দিনে মামার দেশে, আম কুড়াতে সুখ' কথাটি পড়লেই হারিয়ে যাই শৈশবে। মনে পড়ে ফেলে আসা অতীত। আসলেই দিনগুলো কত সুন্দর ছিল। বৈশাখ মাসে ঝড়ের দিনে আম কুড়ানোর স্মৃতি যেন মনের ভেতরের শত অভিমান ধুয়ে-মুছে দিতো।

ছোটবেলায় বৈশাখ মাসে গ্রামে গিয়েছি কতবার মনে নেই। তবে গ্রামে ঝড় এলেই আশেপাশের বড় বড় আম গাছ ও আম বাগানে ছোটদের উপস্থিতি থাকতোই। চলতো আম কুড়ানোর প্রতিযোগিতা। এছাড়াও রাতের আঁধারে প্রবল ঘূর্ণিঝড়ে টিনের চালে আম পড়ার শব্দ পেলেই সবাই মিলে সেই আম খোঁজা শুরু হতো।

সেই রঙিন স্মৃতি যেন চলে গেছে। কিন্তু ছোটদের দেখলে ইচ্ছে করে ফিরে যাই সেই দিনগুলোয়। তবে গ্রামে গেলে এখনো এই দৃশ্যের দেখা মেলে। কাঁচা আম কুড়িয়ে এনে সে আমের খোসা ছাড়িয়ে কুচিকুচি করে কেটে মরিচ ও লবণ মেখে খাওয়ার কী যে স্বাদ, একদম জিভে জল চলে আসে।

আরও পড়ুন: জাগো নিউজে বিয়ের গল্প লিখে বিজয়ী হলেন ১০ জন

২০০৯ সালের ঘটনা। বৈশাখ মাসে গরমের ছুটিতে মামা বাড়ি গিয়েছি। ওবায়েদ, ফরহাদ, মিরাজ ও আমি। চার মামাতো-ফুফাতো ভাই মিলে এপাড়া-ওপাড়ায় ঘোরাঘুরি। আর দুরন্তপনায় ব্যস্ত সময় কাটানো ছাড়া আর কাজ নেই। মোরগ ডাকা ভোরেই ঘুম ভেঙে যেত তখন।

ঘুম থেকে উঠতে না উঠতেই মাথায় ঘুরপাক খেতো আম বাগানে হানা দিতে হবে। কিন্তু ভয় কাজ করতো ঝড়ের সময় বাগানগুলোয় ভূত-প্রেত ঘুরে বেড়ায়। তা-ও মন মানতো না। চারজনই ছুটে যেতাম আর নির্ভয়ে আম কুড়াতাম। বাদ যেত না জামতলা, কাঁঠালতলা ও লিচুতলা।

আম-লিচুর মৌসুম শেষে রঙিন জামের প্রতিও ছিল নেশা। ছোট সবাই মিলে হই-হুল্লোড় করবো, এটাই ছিল আমাদের উদ্দেশ্য। না ছিল পড়াশোনার চাপ আর না ছিল পারিবারিক চিন্তার ছাপ। সবাই মিলে আনন্দ করবো, এতেই যেন মধুর তৃপ্তি।

আরও পড়ুন: কেউ এখন আর চিঠি দেয় না

এখনো গ্রামে গেলে ছোট শিশুদের দুরন্তপনা দেখে মনে পড়ে, পুরোনো সেই দিনের কথা। তবে সে কি ভোলা যায়! এখনো মনে হয়, ঝড়-বৃষ্টি এলেই দৌড়ে যাই আম গাছের নিচে। কুড়িয়ে আনি কাচা-পাকা রসালো আম।

লেখক: শিক্ষার্থী ও গণমাধ্যমকর্মী।

জাগো নিউজ ২৪সূত্র

ফল

সম্পর্কিত খবর

ফল

যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি চারটি তাজা আপেলের একটি যায় বিদেশে, রপ্তানি আয় রেকর্ড

২০২৫/২৬ বিপণন বছরে যুক্তরাষ্ট্র ১৮৭ কোটি পাউন্ড তাজা আপেল রপ্তানি করেছে, যা মোট তাজা উৎপাদনের প্রায় ২৬ শতাংশ। রপ্তানি আয় রেকর্ড ১১৬ কোটি ডলারে পৌঁছেছে; বড় ক্রেতা মেক্সিকো ও কানাডা।

ers_usda১৬ অক্টোবর ২০২৬১ মিনিটের পড়া
ফল

রাজবাড়ীর বাজিতপুরে দুই একরে চার হাজার ড্রাগন গাছ, দিনে উঠছে ৫০ মণ ফল

রাজবাড়ী সদরের বসন্তপুর ইউনিয়নের বাজিতপুরে জেলার সবচেয়ে বড় ড্রাগন বাগানে গাছপ্রতি ১০-১২ কেজি ফল ধরেছে; ভরা মৌসুমে দিনে প্রায় দুই হাজার কেজি ফল উঠছে, পাইকারি দর কেজি ১৫০ টাকা।

ঢাকা মেইল১৫ অক্টোবর ২০২৬১ মিনিটের পড়া
ফল

আপেলগাছের গোড়ায় লালচে গুঁড়া? সতর্ক করছে বিরল কাণ্ড ছিদ্রকারী পোকা

কানাডার ম্যানিটোবার কৃষি বিভাগ ফলচাষিদের রাউন্ডহেডেড অ্যাপল ট্রি বোরার নিয়ে সতর্ক থাকতে বলছে। এই লম্বা-শুঙ্গ গুবরে পোকার কীড়া জীবন্ত আপেল ও সাস্কাটুন গাছের ভেতরে তিন বছর পর্যন্ত সুড়ঙ্গ কাটে; কাণ্ডের গোড়ায় লালচে গুঁড়াই সবচেয়ে স্পষ্ট লক্ষণ।

Manitoba Co-operator১৫ অক্টোবর ২০২৬২ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

(০)