সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮—আদা - আমদানিকৃত১৬৭—আদা - দেশী১৫৪—আমন চাল - মাঝারি৫৬—আমন চাল - মোটা৪৮—আমন চাল - সরু৭২—আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২—কাঁচা মরিচ২১৮—খামারের মুরগী১৬২—খাসী৯০০—চিনি (দেশী)১৩২—ছোলা - গোটা৮৫—ডিম ফার্ম - লাল৪৭—পেঁয়াজ - দেশী৬০—বোরো চাল - মাঝারি৫৫—বোরো চাল - মোটা৪৭—বোরো চাল - সরু৬৬—মাংসঃ– গরু৭২৯—মুগ ডাল১২২—রসুন - আমদানিকৃত১৯২—রসুন - দেশী১৭৩—সয়াবিন তেল১৬৩—
হালনাগাদ ১৬ অক্টোবর ২০২৬
ঢাকা২৬°পরিষ্কার আকাশআর্দ্রতা ৭৩%বাতাস ৩ কিমি/ঘ

যেসব লক্ষণে বুঝবেন মুরগির গামবোরো রোগ হয়েছে

খামারের মুরগি ভাইরাসজনিত বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত হয়ে থাকে। এসব রোগের মধ্যে গামবোরো অন্যতম। মুরগির বয়স ২ মাস হলে গামবোরো রোগ হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। সঠিক সময়ে মুরগির গামবোরো রোগের চিকিৎসা না করা হলে খামারের সব মুরগি মারা যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

খামারের মুরগি ভাইরাসজনিত বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত হয়ে থাকে। এসব রোগের মধ্যে গামবোরো অন্যতম। মুরগির বয়স ২ মাস হলে গামবোরো রোগ হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। সঠিক সময়ে মুরগির গামবোরো রোগের চিকিৎসা না করা হলে খামারের সব মুরগি মারা যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

জানা যায়, সর্বপ্রথম আমেরিকার সাসেক্সের গামবোরো নামক স্থানে ১৯৬২ সালে এটি প্রথম শনাক্ত হয়। গামবোরো হলে মুরগির লসিকা গ্রন্থি বারসাকে আক্রান্ত করে বলে একে ইনফেকসাস বারসাল ডিজিজ-ও বলা হয়।

মুরগির গামবোরো রোগ বিরনা নামক ভাইরাসের ফলে হয়ে থাকে। যদিও এর দুটি সেরোটাইপ আছে তবে, একটিই (সেরোটাইপ-১) প্রোল্ট্রির ক্ষতির কারণ। ভাইরাসটি মুরগির 'বারসা ফেব্রিসিয়াস' কে আক্রান্ত করে। এর ফলে মুরগির প্রতিরোধ ক্ষমতা, খাদ্য রূপান্তর দক্ষতা কমে যায়। সাধারণত শতকরা ৩০ ভাগ মুরগির এ রোগ হলে মৃত্যু হয়। মুরগি মারাত্মকভাবে আক্রান্ত হলে সে ক্ষেত্রে এর চেয়েও পরিমাণে মারা যেতে পারে।

সেরোটাইপ-১ শধুমাত্র মুরগিকে আক্রান্ত করে। সেরোটাইপ-২ মুরগী, টার্কি, পেঙ্গুইনসহ বেশ কিছু বন্য পাখির হতে দেখা যায়। তবে এটির তেমন কোনো প্রভাব নেই।

গামবোরো বা ইনফেকসাস বারসাল ডিজিজ একটি মারাত্মক সংক্রামক রোগ। সাধারণত সংক্রামিত বা আক্রান্ত মুরগি থেকে এটি ছড়িয়ে পড়ে। এবং খুব দ্রুতই সমস্ত ফ্লকে এটি বিস্তার লাভ করে। ভাইরাসটি সহজেই একটি শেড বা ফার্ম থেকে অন্য শেডে যেতে পারে। অধিক ঘনত্বে মুরগি পালন, বিভিন্ন বয়সের মুরগি একসঙ্গে রাখা, দুটি ব্যাচের মাঝের সময় শেড খালি না রাখা ও বায়োসিকিউরিটিসহ বেশ কিছু কারণে গামরোরো হতে পারে। প্যারেন্টস থেকে বা দুর্বল রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাও গামবোরো রোগের কারণ হতে পারে।

মুরগির গামবোরো রোগ হলে কিছু লক্ষণ দেখা দেয়। যেমন মুরগি দুর্বল, নিস্তেজ ও ডিহাইড্রেট হয়ে পড়ে। মুরগি পাতলা পায়খানা করে এবং পায়াখানা সাদা চুনের মতো দেখায়। এক জায়গায় বসে থাকে, নড়াচড়ায় অনীহা প্রকাশ করে। মুরগির পালক উস্কোখুস্কো থাকে। মুরগির শরীরের তাপমাত্রা বেড়ে যেতে পারে। হঠাত করেই শুরু হয় ও মৃত্যুহার বেড়ে যায়। ভেজা মলদ্বার দেখা যায়।

এছাড়াও এই রোগ হলে মুরগির অভ্যন্তরীণ কিছু পরিবর্তন দেখা দেয়। যেমন পা ও রানের মাংসের ওপর ছোপ ছোপ রক্তের ছিটা দেখা যায়। মুরগির বারসা ফুলে যায় এবং বার্সা কাটলে ভিতরে রক্তের ছিটা দেখা যায়। কলিজা বেশ বড় ও ফ্যাকাশে হয়ে যায়। কিডনি বড় হয়ে যায়।

গামবোরো হলে মুরগির ডিহাইড্রেশন হয়। ফলে মুরগির প্রচুর ইলেক্ট্রোলাইট ঘাটতি পড়ে। এজন্য স্যালাইন পানি বা অনেকে গুড়ের পানি সরবরাহের কথা বলে থাকেন। দ্বিতীয় পর্যায়ের ব্যাকটেরিয়াল সংক্রমণ ঠেকানোর জন্য এন্টিবায়োটিক দেওয়া যেতে পারে।

সাধারণত ভাইরাসজনিত রোগের কোনো চিকিৎসা নাই। প্রতিরোধই সর্বোত্তম ব্যাবস্থা। এর জন্য টীকা বা ভ্যাকসিন রয়েছে। সঠিক ভাবে ভ্যাকসিন প্রয়োগ ও বায়োসিকিউরিটি মেনে চললে গামবোরো থেকে মুক্ত থাকা যায়।

এমএমএফ/জেআইএম

জাগো নিউজ ২৪সূত্র

লাইভস্টক

সম্পর্কিত খবর

লাইভস্টক

সৌরপ্যানেলের নিচে ভেড়া চরালে বাড়ে মৌমাছি, তবে সংখ্যা রাখতে হবে কম

কর্নেল বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণায় দেখা গেছে, সৌরখামারে হেক্টরপ্রতি দুটি ভেড়া চরালে ঘাস কাটার তুলনায় উপকারী পোকা ৩৮ শতাংশ বাড়ে। খামারিদের জন্য ভেড়ার পাল পরিকল্পনার একটি সহায়ক টুলও তৈরি করেছেন গবেষকেরা।

Farms.com১৬ অক্টোবর ২০২৬২ মিনিটের পড়া
লাইভস্টক

প্রোটিনের চাহিদায় বদলে গেল কানাডার দুধের বাজার, মাখনের উদ্বৃত্ত শেষ

দুগ্ধজাত প্রোটিনের চাহিদা বাড়ায় পাঁচ বছরের মধ্যে কানাডার দুধের বাজারে মাখনচর্বির কাঠামোগত উদ্বৃত্ত মিটে গেছে, দুধের দাম নির্ধারণেও এসেছে পরিবর্তন।

Manitoba Co-operator১৬ অক্টোবর ২০২৬১ মিনিটের পড়া
লাইভস্টক

সিকি হেক্টরে ওটের বীজ চাষ, ইথিওপিয়ার এক কৃষকের পারিবারিক ব্যবসা

ইথিওপিয়ার এক ক্ষুদ্র কৃষক মাত্র শূন্য দশমিক ২৫ হেক্টর জমিতে বীজের জন্য ওট চাষ করে প্রথম ফসল ৪৫ হাজার বির্রে বিক্রি করেন এবং পরের বছর চাষ বাড়ান। আইএলআরআইয়ের পশুখাদ্যের বীজকে ব্যবসায় রূপ দেওয়ার উদ্যোগের অংশ এটি।

ILRI১৬ অক্টোবর ২০২৬২ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

(০)