সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮—আদা - আমদানিকৃত১৬৭—আদা - দেশী১৫৪—আমন চাল - মাঝারি৫৬—আমন চাল - মোটা৪৮—আমন চাল - সরু৭২—আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২—কাঁচা মরিচ২১৮—খামারের মুরগী১৬২—খাসী৯০০—চিনি (দেশী)১৩২—ছোলা - গোটা৮৫—ডিম ফার্ম - লাল৪৭—পেঁয়াজ - দেশী৬০—বোরো চাল - মাঝারি৫৫—বোরো চাল - মোটা৪৭—বোরো চাল - সরু৬৬—মাংসঃ– গরু৭২৯—মুগ ডাল১২২—রসুন - আমদানিকৃত১৯২—রসুন - দেশী১৭৩—সয়াবিন তেল১৬৩—
হালনাগাদ ১৬ অক্টোবর ২০২৬
ঢাকা২৬°পরিষ্কার আকাশআর্দ্রতা ৭৪%বাতাস ৩ কিমি/ঘ

একমণ সমান ৫৪ কেজি

চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জের ঐতিহ্যবাহী কানসাট বাজারে আমের ওজন নিয়ে আবারও অভিযোগ উঠেছে। বাজারে প্রচলিত এক মণ ৪০ কেজির পরিবর্তে ৫৪-৫৫ কেজি ধরে ক্রয় করছেন আড়তদাররা।

চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জের ঐতিহ্যবাহী কানসাট বাজারে আমের ওজন নিয়ে আবারও অভিযোগ উঠেছে। বাজারে প্রচলিত এক মণ ৪০ কেজির পরিবর্তে ৫৪-৫৫ কেজি ধরে ক্রয় করছেন আড়তদাররা।

মঙ্গলবার (২ জুন) দুপুরে সরেজমিনে কানসাট বাজার ঘুরে দেখা যায়, ভোর থেকেই বিভিন্ন উপজেলা থেকে কৃষক ও বাগান মালিকরা পিকআপ, ভ্যান ও ছোট ট্রাকে করে আম নিয়ে বাজারে আসছেন। বিক্রি হচ্ছে আগাম জাতের বিভিন্ন আম। পাইকার ও আড়তদারদের হাঁকডাকে মুখর হয়ে উঠেছে পুরো বাজার। তবে আম বিক্রি করতে এসে ওজনের হিসাব নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করছেন অধিকাংশ চাষি।

চাষিদের অভিযোগ, দেশে প্রচলিত নিয়ম অনুযায়ী এক মণ সমান ৪০ কেজি হলেও কানসাট বাজারে আড়তদাররা দীর্ঘদিন ধরে ৫৪ কেজিকে এক মণ হিসেবে ধরে আম কিনছেন। অর্থাৎ প্রতি মণে কৃষকদের অতিরিক্ত প্রায় ১৪-১৫ কেজি আম দিতে হচ্ছে। যা তাদের জন্য বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

স্থানীয় আম চাষি আব্দুর রব জানান, বছরের পর বছর ধরে তারা এ নিয়ম মেনে আম বিক্রি করতে বাধ্য হচ্ছেন। বাজারে এসে দরদাম করার পর ওজনের সময় অতিরিক্ত আম দিতে হয়। কেউ প্রতিবাদ করলে সমস্যায় পড়তে হয়। ফলে বাধ্য হয়েই এ অনিয়ম মেনে নিতে হয়।

শফিকুল ইসলাম নামের আরেক চাষি বলেন, চলতি মৌসুমে বাগান পরিচর্যা, সার, কীটনাশক, সেচ, শ্রমিকের মজুরি ও পরিবহন খরচ আগের তুলনায় অনেক বেড়েছে। একটি বাগান পরিচর্যা করতে কয়েক মাস ধরে বিপুল অর্থ ব্যয় করতে হয়। তার ওপর যদি ওজনে অতিরিক্ত দিতে হয়, তাহলে লাভ তো দূরের কথা, মূলধন তুলতেই হিমশিম খেতে হবে।

রিপন আলী নামের এক চাষি বলেন, বাজারে যদি ৪০ কেজির পরিবর্তে ৫৪ কেজিতে এক মণ ধরা হয়, তাহলে প্রতি ট্রাকে কয়েক মণ আম অতিরিক্ত যায়। এতে বড় ধরনের ক্ষতির সম্মুখীন হতে হচ্ছে।

অন্যদিকে কয়েকজন আড়তদার ও ব্যবসায়ী বলছেন, এটি অনেক পুরোনো বাজার ব্যবস্থা। পরিবহন, প্যাকেজিং ও বাজার ব্যবস্থাপনার বিষয় বিবেচনায় রেখেই এ হিসাব চালু হয়েছে।

মামুন রহমান ও শরিফুল নামের দুই আড়তদার বলেন, আম হচ্ছে কাঁচা ফল। রাস্তায় যেতে ওজন কমে যায়। এজন্য ১৪ কেজি বেশি নেওয়া হয়। তবে দাম কম দেওয়া হয় না।

শিবগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মাজহারুল ইসলাম বলেন, কৃষকদের স্বার্থ রক্ষায় সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের সঙ্গে সমন্বয় করে কাজ করা হচ্ছে। এক মণে ৪০ কেজি বেশি নেওয়ার সুযোগ নেই।

চাঁপাইনবাবগঞ্জে কৃষি সম্প্রসারণ অধিপ্তরের উপ-পরিচালক ইয়াসিন আলী বলেন, এখনো কানসাট বাজারে ওজনে বেশি নেওয়া হচ্ছে। এ অভিযোগ পেয়েছি। ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে আলোচনা করা হচ্ছে। দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সোহান মাহমুদ/এএইচ/জেআইএম

জাগো নিউজ ২৪সূত্র

ফল

সম্পর্কিত খবর

ফল

যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি চারটি তাজা আপেলের একটি যায় বিদেশে, রপ্তানি আয় রেকর্ড

২০২৫/২৬ বিপণন বছরে যুক্তরাষ্ট্র ১৮৭ কোটি পাউন্ড তাজা আপেল রপ্তানি করেছে, যা মোট তাজা উৎপাদনের প্রায় ২৬ শতাংশ। রপ্তানি আয় রেকর্ড ১১৬ কোটি ডলারে পৌঁছেছে; বড় ক্রেতা মেক্সিকো ও কানাডা।

ers_usda১৬ অক্টোবর ২০২৬১ মিনিটের পড়া
ফল

রাজবাড়ীর বাজিতপুরে দুই একরে চার হাজার ড্রাগন গাছ, দিনে উঠছে ৫০ মণ ফল

রাজবাড়ী সদরের বসন্তপুর ইউনিয়নের বাজিতপুরে জেলার সবচেয়ে বড় ড্রাগন বাগানে গাছপ্রতি ১০-১২ কেজি ফল ধরেছে; ভরা মৌসুমে দিনে প্রায় দুই হাজার কেজি ফল উঠছে, পাইকারি দর কেজি ১৫০ টাকা।

ঢাকা মেইল১৫ অক্টোবর ২০২৬১ মিনিটের পড়া
ফল

আপেলগাছের গোড়ায় লালচে গুঁড়া? সতর্ক করছে বিরল কাণ্ড ছিদ্রকারী পোকা

কানাডার ম্যানিটোবার কৃষি বিভাগ ফলচাষিদের রাউন্ডহেডেড অ্যাপল ট্রি বোরার নিয়ে সতর্ক থাকতে বলছে। এই লম্বা-শুঙ্গ গুবরে পোকার কীড়া জীবন্ত আপেল ও সাস্কাটুন গাছের ভেতরে তিন বছর পর্যন্ত সুড়ঙ্গ কাটে; কাণ্ডের গোড়ায় লালচে গুঁড়াই সবচেয়ে স্পষ্ট লক্ষণ।

Manitoba Co-operator১৫ অক্টোবর ২০২৬২ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

(০)