সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮—আদা - আমদানিকৃত১৬৭—আদা - দেশী১৫৪—আমন চাল - মাঝারি৫৬—আমন চাল - মোটা৪৮—আমন চাল - সরু৭২—আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২—কাঁচা মরিচ২১৮—খামারের মুরগী১৬২—খাসী৯০০—চিনি (দেশী)১৩২—ছোলা - গোটা৮৫—ডিম ফার্ম - লাল৪৭—পেঁয়াজ - দেশী৬০—বোরো চাল - মাঝারি৫৫—বোরো চাল - মোটা৪৭—বোরো চাল - সরু৬৬—মাংসঃ– গরু৭২৯—মুগ ডাল১২২—রসুন - আমদানিকৃত১৯২—রসুন - দেশী১৭৩—সয়াবিন তেল১৬৩—
হালনাগাদ ১৬ অক্টোবর ২০২৬
ঢাকা২৮°পরিষ্কার আকাশআর্দ্রতা ৬২%বাতাস ৫ কিমি/ঘ

‘খাদ্যের লড়াইয়ে অংশ নিয়েও কৃষক হতে পারেননি নারীরা ’

দেশে কৃষিকাজে নিয়োজিত শ্রমশক্তির সংখ্যা ২ কোটি ৫৬ লাখ। এর মধ্যে নারী ১ কোটি ৫ লাখেরও বেশি। তারপরও রাষ্ট্রীয়ভাবে নারীদের “কৃষক” হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়নি।

দেশে কৃষিকাজে নিয়োজিত শ্রমশক্তির সংখ্যা ২ কোটি ৫৬ লাখ। এর মধ্যে নারী ১ কোটি ৫ লাখেরও বেশি। তারপরও রাষ্ট্রীয়ভাবে নারীদের “কৃষক” হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়নি।

বাংলাদেশ খাদ্য নিরাপত্তা নেটওয়ার্কের (খানি) আয়োজনে ও আন্তর্জাতিক দাতা সংস্থা ব্রেড ফর দ্য ওয়ার্ল্ডের সহযোগিতায় দেশব্যাপী নানা কর্মসূচিতে খাদ্য নিরাপত্তায় নারীদের অবদানের কথা উঠে আসে।

“খাদ্যের লড়াইয়ে নারী”- শ্লোগানকে সামনে রেখে চট্টগ্রামে সংশপ্তক, কিশোরগঞ্জে ফ্যামিলি টাইস অফ উইমেন ডেভেলপমেন্ট, সাতক্ষীরার কালীগঞ্জে বিন্দু নারী উন্নয়ন সংগঠন, রাজশাহীতে প্রান্তজন, নোয়াখালীতে পার্টিসিপেটরি রিসার্চ অ্যাকশান নেটওয়ার্ক-প্রাণ এবং বরিশালে প্রান্তজন পৃথক পৃথক কর্মসূচি পালন করে।

কর্মসূচির মধ্যে খাদ্য সংগ্রহের ক্ষেত্রে নারীদের বৈষম্য অনুধাবন ও খাদ্যের লড়াইয়ে নারীদের অবদান তুলে ধরে মাইম শো’র উপস্থাপনা, “সুষম খাদ্য, নারীর অধিকার” শীর্ষক আলোচনা সভা, সকল পর্যায়ের বাজারে নারী কৃষকদের পণ্য বিক্রয়ের সুব্যবস্থা নিশ্চিত করা এবং নারীবান্ধব পরিবেশ সৃষ্টির উদ্দেশ্যে নারীর উৎপাদিত খাদ্যের স্বাধীন প্রতীকী বাজার স্থাপন, খাদ্য লড়াইয়ে নারীযোদ্ধাদের সংবর্ধনা প্রদান ও নারী অংশগ্রহণে সংস্কৃতি অনুষ্ঠান, এবং মূল স্লোগান নিয়ে শুনানি কার্যক্রম।

প্রতিটি কর্মসূচিতেই কোনো না কোনোভাবে নারী কৃষককে রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি প্রদান, নারীদের উৎপাদিত কৃষিপণ্য বাজারজাত করণের জন্য নারীবান্ধব বাজার সৃষ্টি, কৃষিজমি সুরক্ষা আইনে নারীর মালিকানা ও ভোগদখলের বিষয়ক ধারা সংযুক্তিকরণ এবং নারী কৃষকদের মজুরী বৈষম্য প্রতিরোধ করার দাবি উঠে আসে।

কর্মসূচিগুলোতে বক্তারা জানান, যদিও জাতীয়ভাবে নারী কৃষকদের “কৃষক” হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়নি, তারপরও এই সংখ্যাটা অনেক। কৃষিকাজের ২১টি ধাপের মধ্যে নারীরা ১৭টি ধাপের কাজ করে। তবুও নারীরা কৃষক হতে পারেননি। বাড়ির আঙ্গিনায় শাকসবজির চাষ কিংবা গবাদিপশুর যত্ন থেকে শুরু করে, ক্ষেতের ফসল বোনা, কাটা এবং পরিবহন; সবকিছুতেই নারীদের প্রত্যক্ষ অংশগ্রহণ রয়েছে। এসব নারী কৃষকরা খাদ্য উৎপাদন নিয়ে লড়ছে, দেশের কোটি মানুষের খাদ্যের যোগান দিচ্ছে।

এ সময় বক্তারা নারী কৃষককে রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি প্রদানসহ পুরুষ কৃষকদের মতো সব ধরনের সরকারি সুযোগ-সুবিধা প্রদানের দাবি জানান।

ঢাকা ট্রিবিউনসূত্র

বাংলাদেশ

সম্পর্কিত খবর

এগ্রোবিজ

জুলাইয়ে ভারতের খৈল রপ্তানি কমেছে ৬৫%, বাংলাদেশে সরিষার খৈল গেছে বেশি

সলভেন্ট এক্সট্র্যাক্টরস অ্যাসোসিয়েশনের তথ্যে জুলাইয়ে ভারত ১,৪৮,৬০৯ টন খৈল রপ্তানি করেছে, আগের বছর যা ছিল ৪,২২,৩৮৮ টন। দ্বিতীয় বৃহত্তম ক্রেতা বাংলাদেশ এপ্রিল-জুলাইয়ে নিয়েছে ১,৭২,৮৫২ টন, বেড়েছে ১৭.১৮%।

Rural Voice১৪ অক্টোবর ২০২৬১ মিনিটের পড়া
এগ্রোটেক

লবণাক্ত জমির গম নিয়ে ৫০ লাখ ইউরো পেল ওলসারো, ২০২৭ সালে বাংলাদেশে বাজারে আনার লক্ষ্য

লবণাক্ত মাটিতেও ফলন দেয় এমন গমের জাত উদ্ভাবনে সুইডিশ স্টার্টআপ ওলসারো ৫০ লাখ ইউরোর বীজ তহবিল পেয়েছে। বাংলাদেশের মাঠ পরীক্ষায় এই গম মাঝারি লবণসহিষ্ণু জাতের চেয়ে ৪১% পর্যন্ত বেশি ফলন দিয়েছে; লাল তীর সিডের সঙ্গে ২০২৭ সালে বাজারে আনার প্রস্তুতি চলছে।

এজিফান্ডনিউজ১৪ অক্টোবর ২০২৬২ মিনিটের পড়া
ফসল

আমনখেতে ডাল পুঁতে পাখি ডেকে পোকা দমন, দিনাজপুর সদরে ৬৫ শতাংশ কৃষকের ভরসা পার্চিং

দিনাজপুর সদরে আমনখেতে ডাল, কঞ্চি ও খুঁটি পুঁতে দেওয়ায় দোয়েল, ফিঙে, শালিক বসে পোকা খাচ্ছে; কৃষি বিভাগ বলছে প্রায় ৬৫ শতাংশ কৃষক এই খরচহীন পদ্ধতিতে সুফল পাচ্ছেন।

বাসস১৩ অক্টোবর ২০২৬২ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

(০)