১৪ বছর বিদেশে থেকে দেশে ফিরলেন। করোনার সময় শুরু হলো স্বপ্নের ছাদকৃষি। আজ সেই ছাদে ১০০ জাতের আনার! পাকিস্তানি, ইরানি, অস্ট্রেলিয়ান বিগ, মেক্সিকান সহ বিচিত্র সব জাতের আনারে ভরে উঠেছে ঢাকার এই ছাদ। বিশেষভাবে পাইপ কেটে তৈরি করা ধাতব ড্রামে বেড়ে উঠছে গাছগুলো। ১২ মাস ফল দেওয়া পাকিস্তানি আনার সর্বোচ্চ ৪০০ টাকা কেজি বিক্রি হচ্ছে বাজারে। কলম ও গ্রাফটিং পদ্ধতিতে তৈরি চারা বিক্রি করে বছরে ৪০ থেকে ৫০ হাজার টাকা আয় করছেন শাহ জামান ভুঁইয়া। পাশাপাশি আছে ড্রাগন ফল, কয়েক জাতের আম, সফেদা আর ডুমুর। এখন স্বপ্ন গ্রামে বাণিজ্যিক আনার বাগান করার। ছেলে নাইমের সহযোগিতায় চলছে এই সবুজ অভিযান।
ছাদে ১০০ জাতের আনার! ১৪ বছর বিদেশ থেকে ফিরে শাহ জামানের অবাক ছাদকৃষি
১৪ বছর বিদেশে থেকে দেশে ফিরলেন। করোনার সময় শুরু হলো স্বপ্নের ছাদকৃষি। আজ সেই ছাদে ১০০ জাতের আনার! পাকিস্তানি, ইরানি, অস্ট্রেলিয়ান বিগ, মেক্সিকান সহ বিচিত্র সব জাতের আনারে ভরে উঠেছে ঢাকার এই ছাদ। বিশেষভাবে পাইপ কেটে তৈরি করা ধাতব ড্রামে বেড়ে উঠছে গাছগুলো। ১২ মাস ফল দেওয়া পাকিস্তানি আনার সর্বোচ্চ
ভিডিও
সম্পর্কিত খবর
ভিডিও
মুন্সীগঞ্জে প্রবাসফেরত আকরামের পরিকল্পিত ছাদকৃষি
১৮০০ ফুটের পরিকল্পিত ছাদবাগান!
শাকসবজি
মুন্সিগঞ্জে শীতের সবজি চারার মৌসুম, জলবায়ু আর খরচ নিয়ে দুশ্চিন্তায় চাষিরা
রবি মৌসুমের আগে মুন্সিগঞ্জ সদরের বীজতলা থেকে বছরে ১৫ থেকে ২০ কোটি টাকার শীতকালীন সবজির চারা বিক্রি হয়; জলবায়ু পরিবর্তন আর বাড়তি উৎপাদন খরচে চাষিদের দুশ্চিন্তা নিয়ে শাইখ সিরাজের ভিডিও প্রতিবেদন।
ছাদকৃষিপ্রবাস থেকে ফিরে মুন্সিগঞ্জে ছাদকৃষি গড়লেন এক উদ্যোক্তা
প্রবাসজীবন শেষ করে দেশে ফিরে মুন্সিগঞ্জের এক উদ্যোক্তা নিজের ভবনের ছাদে গড়ে তুলেছেন ফল-ফসলের বাগান; তাঁকে নিয়ে শাইখ সিরাজের ভিডিও প্রতিবেদন।


মন্তব্য
(০)