সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮—আদা - আমদানিকৃত১৬৭—আদা - দেশী১৫৪—আমন চাল - মাঝারি৫৬—আমন চাল - মোটা৪৮—আমন চাল - সরু৭২—আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২—কাঁচা মরিচ২১৮—খামারের মুরগী১৬২—খাসী৯০০—চিনি (দেশী)১৩২—ছোলা - গোটা৮৫—ডিম ফার্ম - লাল৪৭—পেঁয়াজ - দেশী৬০—বোরো চাল - মাঝারি৫৫—বোরো চাল - মোটা৪৭—বোরো চাল - সরু৬৬—মাংসঃ– গরু৭২৯—মুগ ডাল১২২—রসুন - আমদানিকৃত১৯২—রসুন - দেশী১৭৩—সয়াবিন তেল১৬৩—
হালনাগাদ ১৬ অক্টোবর ২০২৬
ঢাকা২৬°পরিষ্কার আকাশআর্দ্রতা ৭৩%বাতাস ৩ কিমি/ঘ

রাঙ্গামাটির রাজস্থলীতে বন্যহাতির আক্রমণে কলাবাগানের পথে কৃষকের মৃত্যু

২০২৫ সালের ২৭ ফেব্রুয়ারি সকালে রাঙ্গামাটির রাজস্থলী উপজেলার গাইন্দ্যা ইউনিয়নের কাইতাক পাড়ায় কলাবাগানে কাজে যাওয়ার পথে বন্যহাতির আক্রমণে ৪৫ বছর বয়সী এক কৃষক প্রাণ হারান।

রাঙ্গামাটির রাজস্থলীতে বন্যহাতির আক্রমণে কলাবাগানের পথে কৃষকের মৃত্যু
ফসল

রাঙ্গামাটির রাজস্থলী উপজেলায় বন্যহাতির আক্রমণে উসচিং মারমা (৪৫) নামের এক কৃষকের মৃত্যু হয়েছে। ২০২৫ সালের ২৭ ফেব্রুয়ারি, বৃহস্পতিবার সকাল ১০টার দিকে উপজেলার গাইন্দ্যা ইউনিয়নের কাইতাক পাড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। তিনি ওই গ্রামের প্রয়াত ক্যাও মারমার ছেলে। ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেন রাজস্থলী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ইকবাল বাহার চৌধুরী।

বাগানে যাওয়ার পথে হাতির সামনে


ওসি ইকবাল বাহার চৌধুরী জানান, সকালে ঘর থেকে বের হয়ে নিজ এলাকার বাগানে কাজ করতে যাচ্ছিলেন উসচিং মারমা। পথে বন্যহাতি তাঁকে আক্রমণ করে এবং পায়ের নিচে ফেলে পিষ্ট করে। জাগো নিউজের প্রতিবেদন অনুযায়ী, স্থানীয়রা তাঁকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

তাঁর ছেলে মংছাই মারমা জানান, কাইতাক পাড়া এলাকায় তাঁদের কলাবাগানের কাজ চলছিল। সকালে বাসা থেকে বের হয়ে বাগানে যাওয়ার পথে তাঁর বাবা হাতির আক্রমণের শিকার হন এবং ঘটনাস্থলেই মারা যান।

গাইন্দ্যা ইউনিয়ন পরিষদের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য লামুচিং মারমা বলেন, খাদ্যের সন্ধানে বন্যহাতির দল প্রায়ই লোকালয়ে নেমে আসছে। তিনি জানান, সেদিন সকালেও হাতির দল কলাগাছের ক্ষেতে নেমে এসেছিল।

ওপর থেকে দেখা বাংলাদেশের একটি কলাবাগান। ছবি: The Roving Rokibul / উইকিমিডিয়া কমন্স (CC BY-SA 4.0)
ওপর থেকে দেখা বাংলাদেশের একটি কলাবাগান। ছবি: The Roving Rokibul / উইকিমিডিয়া কমন্স (CC BY-SA 4.0)

রাজস্থলী: পাহাড়ি জনপদ


রাজস্থলী রাঙ্গামাটি জেলার একটি পাহাড়ি উপজেলা, আয়তন ১৪৫.০৩ বর্গকিলোমিটার। এর উত্তরে কাপ্তাই উপজেলা, পূর্বে বিলাইছড়ি, দক্ষিণে বান্দরবান জেলা এবং পশ্চিমে চট্টগ্রাম জেলা। উপজেলাটি বাঙালহালিয়া, গাইন্দ্যা ও ঘিলাছড়ি, এই তিনটি ইউনিয়নে বিভক্ত; এতে রয়েছে ৯টি মৌজা ও ১০৬টি গ্রাম। ২০২২ সালের জনশুমারিতে এখানকার জনসংখ্যা ছিল ২৭ হাজার ৮৬৪ জন, যাদের মধ্যে সবচেয়ে বড় অংশ মারমা জনগোষ্ঠীর (৩৬.৬ শতাংশ)।

পার্বত্য চট্টগ্রামের রাঙ্গামাটি জেলার দৃশ্য। ছবি: Taufiquehossain88 / উইকিমিডিয়া কমন্স (CC BY-SA 4.0)
পার্বত্য চট্টগ্রামের রাঙ্গামাটি জেলার দৃশ্য। ছবি: Taufiquehossain88 / উইকিমিডিয়া কমন্স (CC BY-SA 4.0)

খাবারের খোঁজে লোকালয়ে হাতি


বাংলাদেশে যে হাতি দেখা যায় তা এশীয় হাতি। আইইউসিএনের লাল তালিকায় ১৯৮৬ সাল থেকে প্রজাতিটি বিশ্বজুড়ে ‘বিপন্ন’, আর বাংলাদেশে এটি ‘মহাবিপন্ন’ হিসেবে তালিকাভুক্ত। আইইউসিএনের ২০১৬ সালের জরিপে দেশে স্থায়ীভাবে বাস করা হাতির সংখ্যা পাওয়া যায় ২৬৮টি। এরা মূলত দেশের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলে, প্রধানত পার্বত্য চট্টগ্রাম ও কক্সবাজার জেলায় থাকে; শেরপুর, জামালপুর, নেত্রকোনাসহ উত্তর-মধ্যাঞ্চলের সীমান্ত এলাকাতেও হাতি দেখা যায়।

একটি হাতির দিনে ১৫০ কেজির বেশি উদ্ভিদ ও প্রায় ১৪০ লিটার পানি দরকার হয়। বিশেষজ্ঞদের মতে, বসতি, কৃষিজমি ও নানা অবকাঠামোর কারণে বন ও আবাসস্থল নষ্ট হওয়ায় হাতি খাবারের খোঁজে বনের বাইরে আসতে বাধ্য হয়, আর তখনই মানুষ ও হাতির মুখোমুখি সংঘাত বাড়ে। এতে মানুষের প্রাণহানির পাশাপাশি হাতিও মারা পড়ে; বন বিভাগের হিসাবে শুধু ২০২১ সালেই দেশে ৩৪টি হাতি মারা যায়।

ময়মনসিংহ বিভাগের সীমান্তবর্তী বনে বন্য এশীয় হাতি। ছবি: Ayman Nakib Badhan / উইকিমিডিয়া কমন্স (CC BY-SA 4.0)
ময়মনসিংহ বিভাগের সীমান্তবর্তী বনে বন্য এশীয় হাতি। ছবি: Ayman Nakib Badhan / উইকিমিডিয়া কমন্স (CC BY-SA 4.0)

ছবি: Rifatwm / উইকিমিডিয়া কমন্স (CC BY-SA 4.0)

সূত্র: জাগো নিউজ ২৪, পাহাড়বার্তা, মঙ্গাবে, দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড, উইকিপিডিয়া

অনলাইন ডেস্কদা এগ্রো নিউজ

ফসল

সম্পর্কিত খবর

ফসল

ইংল্যান্ডে যবের ফলন ১৪ বছরে সর্বনিম্ন, গম সামান্য বেশি

যুক্তরাজ্যের কৃষি মন্ত্রণালয় ডেফরার প্রাথমিক হিসাবে ইংল্যান্ডে যব উৎপাদন ১১ শতাংশ কমে ৩৭ লাখ টন হয়েছে, গম ০ দশমিক ৮ শতাংশ বেড়ে ১ কোটি ৮ লাখ টন; গমের তুলনায় পশুখাদ্যের যব বিক্রি হচ্ছে অনেক কম দামে।

Farmers Weekly১৬ অক্টোবর ২০২৬২ মিনিটের পড়া
বিশ্ব

ভালো ফসলের বছরেও আফগানিস্তানে শীতে তীব্র খাদ্যসংকটে পড়বে ১ কোটি ৯২ লাখ মানুষ

অনুকূল বৃষ্টি ও ভালো ফসলের পরও নভেম্বর-এপ্রিলে আফগানিস্তানের ৩৮ শতাংশ মানুষ তীব্র খাদ্য নিরাপত্তাহীনতায় পড়বে বলে পূর্বাভাস দিয়েছে এফএও ও ডব্লিউএফপি; গত বছর একই সময়ের পূর্বাভাস ছিল ১ কোটি ৭৪ লাখ।

ডব্লিউএফপি১৬ অক্টোবর ২০২৬২ মিনিটের পড়া
ফসল

জমির সিদ্ধান্তের ভার পেয়ে তুলার ফলন সাত গুণ করলেন মহারাষ্ট্রের সুনীতা

একসময় দিনমজুরি করা, পরিবারের ১২ একর জমি নিয়ে কোনো সিদ্ধান্তের অধিকার না থাকা মহারাষ্ট্রের পাচোদ গ্রামের সুনীতা নেহারে এখন খামার চালান; মাটি ও পানি সংরক্ষণে একরপ্রতি তুলার ফলন প্রায় ১ থেকে বাড়িয়েছেন ৭ দশমিক ১৪ কুইন্টালে।

ডাউন টু আর্থ১৬ অক্টোবর ২০২৬২ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

(০)