সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮—আদা - আমদানিকৃত১৬৭—আদা - দেশী১৫৪—আমন চাল - মাঝারি৫৬—আমন চাল - মোটা৪৮—আমন চাল - সরু৭২—আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২—কাঁচা মরিচ২১৮—খামারের মুরগী১৬২—খাসী৯০০—চিনি (দেশী)১৩২—ছোলা - গোটা৮৫—ডিম ফার্ম - লাল৪৭—পেঁয়াজ - দেশী৬০—বোরো চাল - মাঝারি৫৫—বোরো চাল - মোটা৪৭—বোরো চাল - সরু৬৬—মাংসঃ– গরু৭২৯—মুগ ডাল১২২—রসুন - আমদানিকৃত১৯২—রসুন - দেশী১৭৩—সয়াবিন তেল১৬৩—
হালনাগাদ ১৬ অক্টোবর ২০২৬
ঢাকা২৬°পরিষ্কার আকাশআর্দ্রতা ৭৫%বাতাস ৪ কিমি/ঘ

সেবা ফাউন্ডেশনে মেছোবাঘের ঘরে নতুন অতিথি

মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলে অবস্থিত বন্যপ্রাণী সেবা ফাউন্ডেশনে রাখা মেছোবাঘটি একটি নতুন শাবকের জন্ম দিয়েছে। শুক্রবার (১৯ নভেম্বর) সকালে মেছোবাঘটি খাঁচার ভেতর নতুন এ শাবকের জন্ম দেয়।

মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলে অবস্থিত বন্যপ্রাণী সেবা ফাউন্ডেশনে রাখা মেছোবাঘটি একটি নতুন শাবকের জন্ম দিয়েছে। শুক্রবার (১৯ নভেম্বর) সকালে মেছোবাঘটি খাঁচার ভেতর নতুন এ শাবকের জন্ম দেয়।

বন্যপ্রাণী সেবা ফাউন্ডেশন, শ্রীমঙ্গল-এর পরিচালক সজল দেব বলেন, সকাল ১০টার দিকে জন্ম হয় শাবকটির। এ নিয়ে চতুর্থবারের মতো বাচ্চা দিলো মেছোবাঘটি। চারবারে মোট ছয়টি বাচ্চা হলো মেছোবাঘটির।

বন্যপ্রাণী বিশেষজ্ঞ ও জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণীবিদ্যা বিভাগের অধ্যাপক মনিরুল এইচ খান বলেন, মেছোবাঘের স্বভাব অনেকটা বন বিড়ালের মতো। তবে আকারে এরা বন বিড়ালের চেয়ে বড়, প্রায় কুকরের কাছাকাছি। মেছোবাঘ বাংলাদেশের সর্বত্রই কমবেশি দেখা যায়। তবে জলাভূমি এলাকায় বেশি থাকে। এরা সাধারণত রাতেই শিকারে বের হয়। মাছ, ব্যাঙ, কাঁকড়া, ইঁদুর, পাখি এদের প্রধান খাদ্য।

আব্দুল আজিজ/ইউএইচ/এএসএম

জাগো নিউজ ২৪সূত্র

পরিবেশ

সম্পর্কিত খবর

মতামত

বায়ুদূষণ শুধু ঢাকার নয়: পোলট্রি খামার আর পাটকাঠির চুল্লির ধোঁয়া

লেখক ও গবেষক গওহার নঈম ওয়ারা লিখেছেন, ঝিনাইদহের মাদ্রাসার পাশে মুরগির খামারের দুর্গন্ধ থেকে পাটকাঠি পোড়ানো চারকোল কারখানা পর্যন্ত, ঢাকার বাইরেও বায়ুদূষণ বাড়ছে।

প্রথম আলো১৭ অক্টোবর ২০২৬১ মিনিটের পড়া
পরিবেশ

ঠাকুরগাঁওয়ে নদীর ধারের জঙ্গলে দেখা মিলল দুর্লভ বনবিড়ালের

ঠাকুরগাঁওয়ে খ্যাঁকশিয়াল দেখতে গিয়ে নদীর ধারের জঙ্গল ও আখখেতের পাশে বনবিড়ালের দেখা পান অধ্যাপক তুহিন ওয়াদুদ; আলোকচিত্রী রেজাউল হাফিজ রাহী প্রথমবার এর ছবি তোলেন।

প্রথম আলো১৭ অক্টোবর ২০২৬১ মিনিটের পড়া
পরিবেশ

২০৩৫ সালের মধ্যে শিশুদের রক্তে সিসার উচ্চমাত্রা ৯৫ শতাংশ কমানোর লক্ষ্য

জাতীয় কৌশলে শিশুদের রক্তে সিসার উচ্চমাত্রার হার ২০৩০ সালে ৫০ ও ২০৩৫ সালে ৯৫ শতাংশ কমানোর লক্ষ্য; ঢাকার সেমিনারে অর্থায়ন, পরীক্ষাগার ও দূষিত স্থান পরিষ্কারে জোর।

প্রথম আলো১৭ অক্টোবর ২০২৬২ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

(০)