সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮—আদা - আমদানিকৃত১৬৭—আদা - দেশী১৫৪—আমন চাল - মাঝারি৫৬—আমন চাল - মোটা৪৮—আমন চাল - সরু৭২—আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২—কাঁচা মরিচ২১৮—খামারের মুরগী১৬২—খাসী৯০০—চিনি (দেশী)১৩২—ছোলা - গোটা৮৫—ডিম ফার্ম - লাল৪৭—পেঁয়াজ - দেশী৬০—বোরো চাল - মাঝারি৫৫—বোরো চাল - মোটা৪৭—বোরো চাল - সরু৬৬—মাংসঃ– গরু৭২৯—মুগ ডাল১২২—রসুন - আমদানিকৃত১৯২—রসুন - দেশী১৭৩—সয়াবিন তেল১৬৩—
হালনাগাদ ১৬ অক্টোবর ২০২৬
ঢাকা২৮°আংশিক মেঘলাআর্দ্রতা ৬৪%বাতাস ৪ কিমি/ঘ

স্ট্রবেরি চাষে সফলতার স্বপ্ন দেখছেন শ্রীপুরের কৃষক

স্ট্রবেরি এখন বাংলাদেশেও ব্যাপক চাষ হচ্ছে। ফলটির চাহিদা, ফলন ও দাম ভালো পাওয়ায় স্ট্রবেরি চাষে আগ্রহী হচ্ছেন কৃষকেরা। গাজীপুরের শ্রীপুরে স্ট্রবেরি চাষ করে সফলতার স্বপ্ন দেখছেন স্থানীয় কৃষকেরা। তাদের স্ট্রবেরি চাষ এলাকায় সাড়া ফেলেছে। স্থানীয় চাহিদা মিটিয়েও তা যাচ্ছে রাজধানীসহ বিভিন্ন জেলায়।

স্ট্রবেরি এখন বাংলাদেশেও ব্যাপক চাষ হচ্ছে। ফলটির চাহিদা, ফলন ও দাম ভালো পাওয়ায় স্ট্রবেরি চাষে আগ্রহী হচ্ছেন কৃষকেরা। গাজীপুরের শ্রীপুরে স্ট্রবেরি চাষ করে সফলতার স্বপ্ন দেখছেন স্থানীয় কৃষকেরা। তাদের স্ট্রবেরি চাষ এলাকায় সাড়া ফেলেছে। স্থানীয় চাহিদা মিটিয়েও তা যাচ্ছে রাজধানীসহ বিভিন্ন জেলায়।

শ্রীপুর উপজেলা কৃষি অফিস জানায়, চলতি বছর উপজেলার শ্রীপুর পৌরসভা, বরমী, গাজীপুর, গোসিংগা ও তেলিহাটি ইউনিয়নে স্ট্রবেরি চাষ হচ্ছে। ওই পৌরসভা ও ইউনিয়নের কেওয়া, বরমা, গাড়ারন, মাওনা, পেলাইদ গোদারচালা এলাকায় চাষ একটু বেশি হচ্ছে। এতে অল্প পুঁজি, অল্প শ্রমে লাভ অনেক বেশি। অল্প দিনেই সফলতার মুখ দেখছেন উপজেলার কৃষকেরা।

উপজেলার বরমা গ্রামের কৃষক সাইফুল ইসলাম জানান, ভাদ্র মাসের প্রথমদিকে স্ট্রবেরি চাষ শুরু হয়। পাওয়ার টিলার বা ট্রাক্টর দিয়ে ৫-৬টি চাষে মাটি ঝরঝরে করতে হয়। তারপর সার, গোবর ও ক্যালসিয়ামের অন্য উপাদান ব্যবহার করে জমি প্রস্তুত করতে হয়। বিঘাপ্রতি স্ট্রবেরি চাষে খরচ হয় ৮০-৯০ হাজার টাকা। সব খরচ বাদ দিয়ে লাভ থাকে ৪-৫ লাখ টাকা।

একই গ্রামের কৃষক আশরাফুল জানান, মৌসুমের শুরুতে স্ট্রবেরির সাদা ফুল ফোটে। পরে হলুদ রঙের ফল ধরে। সবশেষে পাকা লাল টুকটুকে রং ধারণ করে। উইন্টারডন জাতের একটি চারা গাছ থেকে মৌসুমে কমপক্ষে ২ কেজি ফল পাওয়া যায়।

আরও পড়ুন• ৪০ লাখ টাকার মাল্টা বিক্রির আশা রুবেলের• শায়েস্তাগঞ্জে বারোমাসি তরমুজে সফল ২ বন্ধু

কৃষক আজিজুল ইসলাম বলেন, 'সাইফুল ভাইয়ের বাগান দেখ আমিও স্ট্রবেরি বাগান করবো বলে ভাবছি। স্ট্রবেরি চাষে বেশি খরচ হয় সেচে। এ পর্যন্ত ২৫-৩০ বার সেচ দিয়েছি। স্ট্রবেরির বাগান দেখতে প্রতিদিনই ভিড় করছে বিভিন্ন এলাকার মানুষ। তারা গাছ থেকে স্ট্রবেরি ছিড়ে খাচ্ছেন। অনেকেই এখন স্ট্রবেরি চাষের কথা ভাবছেন।'

স্ট্রবেরি চাষ করে সফল হওয়া গোদারচালা গ্রামের তোফায়েল আহমেদ বলেন, 'স্ট্রবেরি চাষ করে স্বপ্নপূরণ করেছি। এটি বিশ্বের জনপ্রিয় একটি ফল। দেখতে কিছুটা লিচুর মতো। অনেক কৃষক বাড়ির ছাদে স্ট্রবেরি চাষ করলেও এখন বাণিজ্যিকভাবে চাষ শুরু করেছেন।'

তিনি বলেন, 'টিস্যু কালচার ল্যাব থেকে মাদার গাছ কিনে চারা তৈরি করি। জমিতেও রোপণ করি এবং অন্যদের কাছে চারা বিক্রি করি। মাদার গাছ ৪০ টাকা করে কিনি। যে চারা উৎপাদন হয়, নিজের চাহিদা মিটিয়ে ১৫-২০ টাকা দরে বিক্রি করি। দেড় বিঘা জমিতে ৪৫০টি স্ট্রবেরি গাছ লাগিয়েছি। দৈনিক ১৫-২০ কেজি স্ট্রবেরি তুলি। প্রতি কেজি ৫০০-৭০০ টাকা বিক্রি করি। এ পর্যন্ত দেড় লাখ টাকা বিক্রি করেছি।'

শ্রীপুর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা সুমাইয়া সুলতানা বন্যা বলেন, 'স্ট্রবেরি উচ্চমূল্য এবং পুষ্টিসমৃদ্ধ ফল। এটি রসালো ও পুষ্টিকর। সাধারণত নভেম্বর-ডিসেম্বর মাস পর্যন্ত চারা রোপণ করা যায়। ডিসেম্বরের মাঝামাঝি গাছে ফুল আসতে শুরু করে। ডিসেম্বরের শেষভাগ থেকে এপ্রিল পর্যন্ত ফল আহরণ করা যায়। অল্প বিনিয়োগে বেশি মুনাফা হওয়ায় কৃষকদের আগ্রহ অনেক বেশি।'

আব্দুর রহমান আরমান/এসইউ/এমএস

জাগো নিউজ ২৪সূত্র

এগ্রোবিজ

সম্পর্কিত খবর

দৈনন্দিন

টিসিবির পণ্য বিতরণে অনিয়ম কমাতে ডিজিটাল ব্যবস্থায় জোর

চলতি অর্থবছরে টিসিবির সংগ্রহ কর্মসূচি ৮ হাজার কোটি টাকার; উপকারভোগী যাচাই থেকে সরবরাহ পর্যন্ত ডিজিটাল ব্যবস্থাপনার কথা জানাল সংস্থাটি, প্রকৃত উপকারভোগী বাছাইয়ে জোর বিশেষজ্ঞদের।

আমার দেশ১৭ অক্টোবর ২০২৬১ মিনিটের পড়া
ফল

রাঙ্গামাটির পাহাড়ি মাল্টা কেজি ৮০ টাকা, সম্ভাব্য বাজারমূল্য ১২ কোটি

রাঙ্গামাটিতে প্রায় ৩৫০ হেক্টরে মাল্টার আবাদ, চলতি মৌসুমে সম্ভাব্য উৎপাদন ২ হাজার ৫০০ মেট্রিক টন; স্থানীয় বাজারে দেশি মাল্টা মিলছে কেজি ৭০ থেকে ৮০ টাকায়।

জাগো নিউজ ২৪১৭ অক্টোবর ২০২৬১ মিনিটের পড়া
মতামত

খাদ্য আছে, তবু ক্ষুধা কেন: আয়, দাম আর পুষ্টির প্রশ্ন

বিশ্ব খাদ্য দিবসে ড. হারুন রশীদ তাঁর কলামে লিখেছেন, রেকর্ড বোরো উৎপাদনের মধ্যেও তীব্র খাদ্য অনিরাপত্তা দেখায়, ক্ষুধা এখন উৎপাদনের নয়, আয়, দাম ও ক্রয়ক্ষমতার সংকট।

জাগো নিউজ ২৪১৭ অক্টোবর ২০২৬২ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

(০)