সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮—আদা - আমদানিকৃত১৬৭—আদা - দেশী১৫৪—আমন চাল - মাঝারি৫৬—আমন চাল - মোটা৪৮—আমন চাল - সরু৭২—আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২—কাঁচা মরিচ২১৮—খামারের মুরগী১৬২—খাসী৯০০—চিনি (দেশী)১৩২—ছোলা - গোটা৮৫—ডিম ফার্ম - লাল৪৭—পেঁয়াজ - দেশী৬০—বোরো চাল - মাঝারি৫৫—বোরো চাল - মোটা৪৭—বোরো চাল - সরু৬৬—মাংসঃ– গরু৭২৯—মুগ ডাল১২২—রসুন - আমদানিকৃত১৯২—রসুন - দেশী১৭৩—সয়াবিন তেল১৬৩—
হালনাগাদ ১৬ অক্টোবর ২০২৬
ঢাকা৩২°আংশিক মেঘলাআর্দ্রতা ৪৭%বাতাস ৬ কিমি/ঘ

২৫ টাকায় লেবুর চারা কিনে বছরে আয় লাখ টাকা

কুড়িগ্রামের রাজারহাটে লেবু চাষ করে স্বাবলম্বী হয়েছেন অধীর চন্দ্র রায় (৫৩)। বাজার থেকে ২৫ টাকার ৪টি লেবুর চারা কেনেন। পরে পর্যায়ক্রমে মোট ৬৫ শতক জমিতে প্রায় ১০০ চারা লাগিয়েছেন। পরিবারের চাহিদা মেটানোর পর বাজারে বিক্রি করে বছরে দেড় থেকে ২ লাখ টাকা আয় করেন তিনি। সফল এ লেবু চাষির বাড়ি কুড়িগ্রাম সদর উপজে

কুড়িগ্রামের রাজারহাটে লেবু চাষ করে স্বাবলম্বী হয়েছেন অধীর চন্দ্র রায় (৫৩)। বাজার থেকে ২৫ টাকার ৪টি লেবুর চারা কেনেন। পরে পর্যায়ক্রমে মোট ৬৫ শতক জমিতে প্রায় ১০০ চারা লাগিয়েছেন। পরিবারের চাহিদা মেটানোর পর বাজারে বিক্রি করে বছরে দেড় থেকে ২ লাখ টাকা আয় করেন তিনি। সফল এ লেবু চাষির বাড়ি কুড়িগ্রাম সদর উপজেলার ছিনাই ইউনিয়নের মীরের বাড়ী খিলপাড়া গ্রামে।

জানা গেছে, অধীর চন্দ্র রায় ১৯৯৬ সালে লালমনিরহাট জেলার বড়বাড়ীহাট থেকে ২৫ টাকা দিয়ে ৪টি গোল কাগজি লেবুর চারা কিনে বাড়ির উঠানে লাগান। দেড় বছর পর চারটি গাছে প্রায় ৮ শতাধিক লেবু উৎপন্ন হয়। ওই সময় অধীর চন্দ্র লেবুগুলো বিক্রি করার চিন্তা করেননি। একদিন এক লেবু ব্যবসায়ী এসে লেবুগুলো দেখে ১৪০০ টাকায় কিনে নেন। এরপর লেবুর প্রতি তার আগ্রহ বাড়ে। পরে প্রতিটি কলম চারা ২০ টাকা দরে কিনে দুই ধাপে ১০০টি চারা ৬৫ শতক জমিতে রোপণ করেন। ৩ বছর পর ওই বাগান থেকে প্রতি বছর প্রায় দেড় থেকে ২ লাখ টাকা আয় করেন।

আরও পড়ুন: রাস্তার পাশে ৪০০ পেঁপে গাছ লাগিয়ে আলতাফের বাজিমাৎ

অধীর চন্দ্র রায় বলেন, 'মাত্র ২৫ টাকার ৪টি লেবু গাছ থেকে আজ এই বাগান। এখানে বিভিন্ন ধরনের কাগজি লেবুর জাত আছে। বাগানে থেকে পরিবারের চাহিদা মেটানোর পর বাজারে বিক্রি করে ভালো আয় হচ্ছে। ধান রোপণের চেয়ে লেবু উৎপাদন করলে কয়েকগুণ লাভ হয়। ৬৫ শতক জমিতে ধান আবাদ করলে প্রতি মৌসুমে ৪০ মণ ধান পাওয়া যেত। সেখানে খরচ বাদে লাভ হতো ৮ থেকে ১০ হাজার টাকা। ধান আবাদে বছরে দুটি মৌসুমে লাভ হবে ২০-৩০ হাজার টাকা। কিন্তু লেবু চাষে খরচ একদম নেই বললেই চলে। কাগজি লেবুর বাগান থেকে বছর শেষে দেড় থেকে ২ লাখ টাকা আয় করি।'

বাগান দেখতে আসা মো. আব্দুল রহমান বলেন, 'অধীর দাদার কাগজি লেবু বাগান দেখে ওনার কাছ থেকে পরামর্শ নিয়ে অনুপ্রাণিত হলাম। আগামী বছর আমিও কাগজি লেবুর বাগান করবো।'

আরও পড়ুন: কিশোর ইমরানের মাসে আয় লাখ টাকা

স্থানীয় সুখরঞ্জন বলেন, 'আমাদের বাড়িতে কেউ অসুস্থ হলে অধীর বাবুর বাগান থেকে বিনা পয়সায় কাগজি লেবু নিয়ে আসি।'

রাজারহাট উপজেলা কৃষি অফিসার সাইফুর নাহার সাথী বলেন, 'অধীর বাবু দীর্ঘদিন ধরে লেবু চাষ করে আসছেন। বর্তমানে তিনি সফল চাষি। লেবু চাষের এমন উদ্যোক্তা তৈরিতে কৃষি বিভাগ সব ধরনের পরামর্শ ও সহযোগিতা করবে।'

ফজলুল করিম ফারাজী/এসইউ/জেআইএম

জাগো নিউজ ২৪সূত্র

এগ্রোবিজ

সম্পর্কিত খবর

ফল

নীলফামারীতে মাচায় অসময়ের রঙিন তরমুজ, তিন বিঘায় ছয় হাজার চারা

নীলফামারী সদরের কৃষক ওমর আলী অনলাইনে দেখে তিন বিঘায় বাঁশের মাচায় কিং সুগার ও সূর্য ডিম জাতের ছয় হাজার তরমুজের চারা লাগিয়েছেন; খরচ প্রায় তিন লাখ, বিক্রির আশা নয় লাখ টাকা।

দিনাজপুর টিভি১৭ অক্টোবর ২০২৬১ মিনিটের পড়া
দৈনন্দিন

টিসিবির পণ্য বিতরণে অনিয়ম কমাতে ডিজিটাল ব্যবস্থায় জোর

চলতি অর্থবছরে টিসিবির সংগ্রহ কর্মসূচি ৮ হাজার কোটি টাকার; উপকারভোগী যাচাই থেকে সরবরাহ পর্যন্ত ডিজিটাল ব্যবস্থাপনার কথা জানাল সংস্থাটি, প্রকৃত উপকারভোগী বাছাইয়ে জোর বিশেষজ্ঞদের।

আমার দেশ১৭ অক্টোবর ২০২৬১ মিনিটের পড়া
ফল

রাঙ্গামাটির পাহাড়ি মাল্টা কেজি ৮০ টাকা, সম্ভাব্য বাজারমূল্য ১২ কোটি

রাঙ্গামাটিতে প্রায় ৩৫০ হেক্টরে মাল্টার আবাদ, চলতি মৌসুমে সম্ভাব্য উৎপাদন ২ হাজার ৫০০ মেট্রিক টন; স্থানীয় বাজারে দেশি মাল্টা মিলছে কেজি ৭০ থেকে ৮০ টাকায়।

জাগো নিউজ ২৪১৭ অক্টোবর ২০২৬১ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

(০)