সংসদের কৃষি কমিটির সুপারিশ সত্ত্বেও দেশজুড়ে সাতটি কৃষি গবেষণা খামার বন্ধের পরিকল্পনা নিয়ে এগোচ্ছে কানাডার কেন্দ্রীয় সরকার।
কৃষি ও কৃষি-খাদ্যমন্ত্রী হিথ ম্যাকডোনাল্ড (Heath MacDonald) ১৬ সেপ্টেম্বর হাউস কৃষি কমিটির সভাপতি মাইকেল কোটোকে (Michael Coteau) লেখা জবাবে বলেন, গবেষণা ও উন্নয়ন কেন্দ্রগুলো ধাপে ধাপে ও সতর্কভাবে বন্ধ করা হবে। মে মাসে প্রকাশিত কমিটির দলনিরপেক্ষ প্রতিবেদনে ২০টি সুপারিশ ছিল, কেন্দ্র বন্ধের সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনা, কৃষিকে জাতীয় নিরাপত্তার বিষয় হিসেবে দেখা এবং বন্ধ হওয়া কেন্দ্রগুলোর গবেষণা অন্যত্র চালিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা।
মন্ত্রীর দাবি, এগ্রিকালচার অ্যান্ড এগ্রি-ফুড কানাডা (এএএফসি) ১৭টি গবেষণাকেন্দ্র ও সংশ্লিষ্ট খামারজমি নিয়ে দেশের সবচেয়ে বড় কৃষি গবেষণা প্রতিষ্ঠানই থাকবে, আর প্রতিটি প্রদেশে অন্তত একটি গবেষণাকেন্দ্র থাকবে।
বিরোধী কনজারভেটিভ সাংসদেরা সিদ্ধান্তের কড়া সমালোচনা করেছেন। দলের কৃষিবিষয়ক মুখপাত্র জন বারলো ও জ্যাক গুর্দ বলেন, এই বন্ধের ফলে কয়েক দশকের সেই গবেষণা ধ্বংস হবে, যা থেকে ন্যূনতম চাষ, ক্যানোলা ও নির্ভুল কৃষির মতো সাফল্য এসেছে।
২২ সেপ্টেম্বর এক যৌথ বিবৃতিতে এএএফসি ও কানাডিয়ান ফুড ইন্সপেকশন এজেন্সির প্রায় ৭,০০০ কর্মীর সংগঠন এগ্রিকালচার ইউনিয়ন এবং ন্যাশনাল ফারমার্স ইউনিয়ন সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনার আহ্বান জানায়। ইউনিয়নের সভাপতি মিল্টন ডাইক বলেন, খামার ও যন্ত্রপাতি এখনো আছে; ন্যাপান ও লাকোম গবেষণা খামারে এখনো গবাদিপশুও রয়েছে।
সরকার জানুয়ারিতে সাতটি গবেষণাকেন্দ্র বন্ধ ও ৬৬৫টি পদ বিলুপ্তির ঘোষণা দিয়েছিল।
প্রতিবেদনটি লিখেছেন ডিয়েগো ফ্লামিনি।
ছবি: Onasill ~ Bill / উইকিমিডিয়া কমন্স (CC BY-SA 2.0)
সূত্র: Farms.com





মন্তব্য
(০)