সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮—আদা - আমদানিকৃত১৬৭—আদা - দেশী১৫৪—আমন চাল - মাঝারি৫৬—আমন চাল - মোটা৪৮—আমন চাল - সরু৭২—আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২—কাঁচা মরিচ২১৮—খামারের মুরগী১৬২—খাসী৯০০—চিনি (দেশী)১৩২—ছোলা - গোটা৮৫—ডিম ফার্ম - লাল৪৭—পেঁয়াজ - দেশী৬০—বোরো চাল - মাঝারি৫৫—বোরো চাল - মোটা৪৭—বোরো চাল - সরু৬৬—মাংসঃ– গরু৭২৯—মুগ ডাল১২২—রসুন - আমদানিকৃত১৯২—রসুন - দেশী১৭৩—সয়াবিন তেল১৬৩—
হালনাগাদ ১৬ অক্টোবর ২০২৬
ঢাকা২৮°পরিষ্কার আকাশআর্দ্রতা ৬২%বাতাস ৫ কিমি/ঘ

দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় পুনরুৎপাদনশীল কৃষির পথে বড় বাধা সমন্বিত ঝুঁকি ব্যবস্থাপনার অভাব

সিঙ্গাপুরের আইসিস-ইউসুফ ইসহাক ইনস্টিটিউটের অধ্যাপক পল টেং বলেছেন, আসিয়ানের পুনরুৎপাদনশীল কৃষির কাঠামো আছে, কিন্তু ১০ কোটি কৃষকের ফসলহানি, বিমা ও অর্থায়ন এক সুতোয় গাঁথার ব্যবস্থা নেই।

দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় পুনরুৎপাদনশীল কৃষির পথে বড় বাধা সমন্বিত ঝুঁকি ব্যবস্থাপনার অভাব
ফসল

দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় পুনরুৎপাদনশীল কৃষির একটি আঞ্চলিক নীতি কাঠামো আছে, কিন্তু খামারের ঝুঁকি সামলানোর কোনো সমন্বিত ব্যবস্থা নেই, আর এই ঘাটতিই পদ্ধতিটির বিস্তার আটকে রাখছে। এ কথা বলেছেন সিঙ্গাপুরের ISEAS-Yusof Ishak Institute (আইসিস-ইউসুফ ইসহাক ইনস্টিটিউট)-এর ভিজিটিং সিনিয়র ফেলো অধ্যাপক Paul Teng (পল টেং)।

সেপ্টেম্বরে বেইজিংয়ের পিংগুতে ওয়ার্ল্ড এগ্রি ফুড ইনোভেশন সম্মেলনের এক ফোরামে অধ্যাপক টেং বলেন, আসিয়ান উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি করেছে; আঞ্চলিক কাঠামো ও বাস্তবায়ন পরিকল্পনাও তৈরি হয়েছে। কিন্তু বিনিয়োগকারী, নিয়ন্ত্রক সংস্থা, বিমাকারী ও কৃষককে এক টেবিলে আনার প্রাতিষ্ঠানিক ব্যবস্থা এখনো অনুপস্থিত।

তাঁর ভাষায়, ফসলহানি, বিমা, এমন আলাদা আলাদা সমস্যার জন্য আলাদা কৌশল আছে, কিন্তু কোনোটিই অন্যটির সঙ্গে যুক্ত নয়, আর এটিই দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার বাস্তব সমস্যা।

বিশ্ববিদ্যালয় ও কোম্পানিগুলোতে প্রচুর গবেষণা চলছে বলে জানান তিনি। এখন দরকার এমন নীতি, যা পরীক্ষামূলক প্রকল্পের বাইরে বড় পরিসরে নিতে অর্থায়ন ও বিনিয়োগের পথ খুলে দেবে।

অঞ্চলটির কৃষির কাঠামো কাজটিকে আরও কঠিন করেছে। টেংয়ের হিসাবে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় প্রায় ১০ কোটি কৃষক, যাঁদের বেশির ভাগই ক্ষুদ্র চাষি। তাঁদের ভূদৃশ্য বা বাস্তুতন্ত্র পর্যায়ে সংগঠিত করাই স্বাভাবিক সমাধান, কিন্তু এর জন্য উপযুক্ত নীতি বা আর্থিক প্রণোদনার উদাহরণ খুব কম।

নিয়মকানুনও বাধা। টেং জানান, অঞ্চলের বেশির ভাগ দেশে জৈব উপকরণ ব্যবহারের কোনো বিধিমালা নেই; জীবন্ত অণুজীব থাকায় কাঁচা গোবর সার পর্যন্ত সীমান্তের এপার-ওপার নেওয়া যায় না। তাঁর মতে, সমস্যা একটি নয়, অনেকগুলোর মিশ্রণ।

উন্নয়নশীল দেশে সরকারকেই প্রথম পদক্ষেপ নিতে হবে, কারণ সরকারের নীতিই বাকি সবকিছুর ভিত্তি তৈরি করে, বলেন টেং। কোটি কোটি ক্ষুদ্র কৃষক, বিচ্ছিন্ন ঝুঁকি-ব্যবস্থা আর জৈব উপকরণ নিয়ে অস্পষ্ট নিয়ম, তাঁর বর্ণিত এই চিত্র দক্ষিণ এশিয়ার কৃষিনীতির সামনেও রয়েছে।

প্রতিবেদনটি এজিনেভিগেটরের জন্য লিখেছেন অ্যামান্ডা লিম।

ছবি: Dragfyre / উইকিমিডিয়া কমন্স (CC BY-SA 3.0)

সূত্র: AgNavigator

AgNavigatorসূত্র

ফসল

সম্পর্কিত খবর

ফসল

ইংল্যান্ডে যবের ফলন ১৪ বছরে সর্বনিম্ন, গম সামান্য বেশি

যুক্তরাজ্যের কৃষি মন্ত্রণালয় ডেফরার প্রাথমিক হিসাবে ইংল্যান্ডে যব উৎপাদন ১১ শতাংশ কমে ৩৭ লাখ টন হয়েছে, গম ০ দশমিক ৮ শতাংশ বেড়ে ১ কোটি ৮ লাখ টন; গমের তুলনায় পশুখাদ্যের যব বিক্রি হচ্ছে অনেক কম দামে।

Farmers Weekly১৬ অক্টোবর ২০২৬২ মিনিটের পড়া
বিশ্ব

ভালো ফসলের বছরেও আফগানিস্তানে শীতে তীব্র খাদ্যসংকটে পড়বে ১ কোটি ৯২ লাখ মানুষ

অনুকূল বৃষ্টি ও ভালো ফসলের পরও নভেম্বর-এপ্রিলে আফগানিস্তানের ৩৮ শতাংশ মানুষ তীব্র খাদ্য নিরাপত্তাহীনতায় পড়বে বলে পূর্বাভাস দিয়েছে এফএও ও ডব্লিউএফপি; গত বছর একই সময়ের পূর্বাভাস ছিল ১ কোটি ৭৪ লাখ।

ডব্লিউএফপি১৬ অক্টোবর ২০২৬২ মিনিটের পড়া
ফসল

জমির সিদ্ধান্তের ভার পেয়ে তুলার ফলন সাত গুণ করলেন মহারাষ্ট্রের সুনীতা

একসময় দিনমজুরি করা, পরিবারের ১২ একর জমি নিয়ে কোনো সিদ্ধান্তের অধিকার না থাকা মহারাষ্ট্রের পাচোদ গ্রামের সুনীতা নেহারে এখন খামার চালান; মাটি ও পানি সংরক্ষণে একরপ্রতি তুলার ফলন প্রায় ১ থেকে বাড়িয়েছেন ৭ দশমিক ১৪ কুইন্টালে।

ডাউন টু আর্থ১৬ অক্টোবর ২০২৬২ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

(০)