বিপজ্জনক রাসায়নিক ও কীটনাশকের আমদানি, রপ্তানি ও ব্যবস্থাপনায় আন্তর্জাতিক সহযোগিতা বাড়াতে রটারডাম কনভেনশনে যুক্ত হচ্ছে বাংলাদেশ। রোববার (১৮ অক্টোবর) প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে মন্ত্রিসভা বৈঠকে এ প্রস্তাব অনুমোদন পায়। প্রস্তাবটি এনেছিল পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়।
বৈঠক শেষে মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনি বলেন, অনেক বিষাক্ত রাসায়নিক ও কীটনাশকের ক্ষতিকর প্রভাব আগে জানা দরকার। কনভেনশনে যুক্ত হলে সেসব জেনে-বুঝে আমদানি করা হবে কি না, সে সিদ্ধান্ত নেওয়ার সুযোগ তৈরি হবে। বহু দেশ এতে আছে, বাংলাদেশ এত দিন বাইরে ছিল।
কনভেনশনের পুরো নাম ‘আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে নির্দিষ্ট কিছু বিপজ্জনক রাসায়নিক ও কীটনাশকের জন্য পূর্বাবহিত সম্মতি প্রক্রিয়া বিষয়ক রটারডাম কনভেনশন’। এটি গৃহীত হয় ১৯৯৮ সালের ১০ সেপ্টেম্বর, কার্যকর হয় ২০০৪ সালের ২৪ ফেব্রুয়ারি। এখন সদস্য ১৬৭টি দেশ; সার্কভুক্ত দেশগুলোর মধ্যে কেবল বাংলাদেশ ও ভুটান বাইরে ছিল।
মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, সদস্য হলে বিপজ্জনক রাসায়নিক ব্যবস্থাপনায় সক্ষমতা বাড়াতে সহযোগিতা, এ-সংক্রান্ত প্রকল্পে বৈদেশিক অর্থায়ন, বিপজ্জনক রাসায়নিকের ডেটাবেজ তৈরি এবং রাসায়নিকের গতিবিধি অনুসরণে সহায়তা মিলবে। কনভেনশনের তৃতীয় পরিশিষ্টে তালিকাভুক্ত রাসায়নিক নিয়ে আগাম সিদ্ধান্ত নেওয়া এবং আমদানিকারক ও রপ্তানিকারক দেশের যৌথ দায়িত্ব পালনের সুযোগও তৈরি হবে।
কনভেনশনের ১৪ নম্বর অনুচ্ছেদ অনুযায়ী বাংলাদেশ বিপজ্জনক রাসায়নিক ও কীটনাশক নিয়ে বৈজ্ঞানিক, প্রযুক্তিগত, অর্থনৈতিক ও আইনি তথ্য সদস্য দেশগুলোর সঙ্গে বিনিময় করতে পারবে, আর ১৬ নম্বর অনুচ্ছেদ অনুযায়ী রটারডাম সচিবালয় থেকে কারিগরি সহায়তা নিতে পারবে।
কৃষির জন্য এর গুরুত্ব সরাসরি: কীটনাশক আমদানির আগে কোনটি অন্য দেশে নিষিদ্ধ বা কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রিত, সে তথ্য জেনে সিদ্ধান্ত নেওয়ার আন্তর্জাতিক ব্যবস্থায় এখন বাংলাদেশও যুক্ত হচ্ছে।
প্রতিবেদনের তথ্য: স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
ছবি: CDC Global / উইকিমিডিয়া কমন্স (CC BY 2.0)
সূত্র: বার্তা২৪





মন্তব্য
(০)