সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮—আদা - আমদানিকৃত১৬৭—আদা - দেশী১৫৪—আমন চাল - মাঝারি৫৬—আমন চাল - মোটা৪৮—আমন চাল - সরু৭২—আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২—কাঁচা মরিচ২১৮—খামারের মুরগী১৬২—খাসী৯০০—চিনি (দেশী)১৩২—ছোলা - গোটা৮৫—ডিম ফার্ম - লাল৪৭—পেঁয়াজ - দেশী৬০—বোরো চাল - মাঝারি৫৫—বোরো চাল - মোটা৪৭—বোরো চাল - সরু৬৬—মাংসঃ– গরু৭২৯—মুগ ডাল১২২—রসুন - আমদানিকৃত১৯২—রসুন - দেশী১৭৩—সয়াবিন তেল১৬৩—
হালনাগাদ ১৬ অক্টোবর ২০২৬
ঢাকা২৬°পরিষ্কার আকাশআর্দ্রতা ৭৪%বাতাস ৩ কিমি/ঘ

শেরপুরের গারো পাহাড়ঘেঁষা গ্রামে ৫০ জাতের বিদেশি আঙুরের চাষ

শেরপুরের শ্রীবরদী উপজেলার পাহাড়ি গ্রাম মেঘাদলে ২০২৫ সালের আগস্টে উদ্যোক্তা মিজানুর রহমানের বাগানে ছিল প্রায় ৫০ জাতের বিদেশি আঙুরের ১৫০টি গাছ; তাঁর ভাষ্যে, সবুজ আঙুর কেজিপ্রতি ২৫০-৩০০ টাকায় স্থানীয়ভাবে বিক্রি হয়েছে।

শেরপুরের গারো পাহাড়ঘেঁষা গ্রামে ৫০ জাতের বিদেশি আঙুরের চাষ
ফল

২০২৫ সালের গ্রীষ্মে দেশের উত্তর সীমান্তের এক পাহাড়ি গ্রামে মানুষ ভিড় করছিলেন এক ভিন্ন ফসল দেখতে। শেরপুর জেলার শ্রীবরদী উপজেলার গারো পাহাড়ের পাদদেশের গ্রাম মেঘাদলে কৃষি উদ্যোক্তা মিজানুর রহমান তাঁর বাড়ির আঙিনায় ৩০ শতাংশ জমিতে লাল, কালো ও সবুজ রঙের প্রায় ৫০ জাতের বিদেশি আঙুর চাষ করছিলেন বলে ২০২৫ সালের ২ আগস্ট জাগো নিউজ জানায়। তাঁর উল্লেখ করা জাতগুলোর মধ্যে ছিল একেলো, ডিকসন, ব্ল্যাক ম্যাজিক, বাইনুকা, ইসাবেলা, পারলেট, গ্রিন লং ও আনাব-এ-শাহী। ফলন ভালো হওয়ায় স্থানীয় মানুষ বাগান দেখতে আসছিলেন, আর জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর (ডিএই) জানায়, তারা তাঁকে নিয়মিত পরামর্শ দিচ্ছে।

এর পাঁচ সপ্তাহ আগে, ২০২৫ সালের ২৯ জুন, প্রথম আলোর নালিতাবাড়ী প্রতিনিধিও একই বাগানের খবর দিয়েছিলেন; সেখানেও গাছের সংখ্যা ১৫০টি এবং বিক্রয়মূল্য একই বলা হয়েছিল। দুই প্রতিবেদনের কয়েকটি সংখ্যায় পার্থক্য আছে, নিচে প্রতিটি পত্রিকা যেভাবে প্রকাশ করেছে সেভাবেই তা দেওয়া হলো। কোনো প্রতিবেদনই জাতগুলোর সরকারি পরীক্ষার ফলের ওপর দাঁড়িয়ে নয়; ফলন, দাম ও খরচের হিসাব চাষির নিজের দেওয়া।

২০২২ সালে ভারত থেকে আনা দশটি চারা


মিজানুর জাগো নিউজকে জানান, তাঁর বাবা আ. জলিল মিয়া ২০২২ সালে ভারতে ঘুরতে গিয়ে শখের বশে দুই জাতের ১০টি আঙুরের চারা নিয়ে আসেন। সেগুলো নিজের জমিতে রোপণ করেন। চারা লাগানোর প্রায় ১০ মাস পর গাছে মিষ্টি ফল আসতে থাকে। প্রথম আলোও শুরুর গল্প একইভাবে লিখেছে: ২০২২ সালে ভারত থেকে শখের বশে আনা দুই জাতের ১০টি চারা, রোপণের প্রায় ১০ মাস পর ফল।

জলিল মিয়া দুই পত্রিকাকেই বলেন, পরে তিনি আরও দুই ধাপে কিছু চারা আনেন। জাগো নিউজকে তিনি বলেন, 'ভারত থেকে শখের বশে আঙুরের চারা এনেছিলাম। পরে দুই ধাপে আরও কিছু চারা আনি। মনে করেছিলাম, চারাগুলো হবে না। কিন্তু আস্তে আস্তে সেগুলো বড় হয় এবং ফলনও আসে।'

বাবার গাছে ফল দেখে মিজানুর নিজেও আঙুর চাষে আগ্রহী হন। তিনি পরীক্ষামূলকভাবে চাষ শুরু করে ৫০ জাতের আঙুরগাছ রোপণ করেন। চারাগুলো কোথা থেকে এসেছে, সে বিষয়ে দুই প্রতিবেদনে ভিন্নতা আছে। জাগো নিউজ তাঁকে উদ্ধৃত করে লিখেছে, 'একেলো, ডিকসন, ব্ল্যাক ম্যাজিক, বাইনুকা, ইসাবেলা, পারলেট, আনাব-এ-শাহীসহ অন্য জাতগুলো আমি অনলাইনের মাধ্যমে রাশিয়া, ইউক্রেন, পাকিস্তান, চীনসহ প্রায় আটটি দেশ থেকে সংগ্রহ করেছি।' প্রথম আলো লিখেছে, প্রথম গাছগুলোতে ফল আসার পর তিনি ইউটিউব দেখে আঙুর চাষ শেখেন এবং ঢাকা থেকে ৫০ জাতের চারা সংগ্রহ করেন। জাতের নামগুলো চাষির নিজের ব্যবহৃত নাম; গাছগুলোর পরিচয় নিশ্চিত করে এমন কোনো নথির কথা কোনো পত্রিকায় নেই।

শেরপুরের ডিএইর উপপরিচালকের ভাষ্যে, আগস্টের প্রতিবেদনের সময় মিজানুর দুই বছর ধরে পরীক্ষামূলকভাবে আঙুর চাষ করছিলেন। প্রথম আলো তাঁকে তরুণ উদ্যোক্তা বলেছে, বয়স উল্লেখ করেনি; আঙুর চাষের আগে তিনি কী করতেন, তা কোনো প্রতিবেদনে নেই।

সংখ্যায় মেঘাদলের বাগান


জাগো নিউজের প্রতিবেদক যখন বাগানে যান, তখন সেখানে ১৫০টি গাছ ছিল, এর মধ্যে ৫০টিতে ফল এসেছিল। ২০টি গাছে ১০ থেকে ১২ কেজি করে ফল ধরেছিল। বাকি গাছগুলোর বয়স কম হওয়ায় সেগুলোতে দেড় থেকে দুই কেজি করে ফল এসেছিল। প্রথম আলোর জুনের প্রতিবেদনে গাছের সংখ্যা একই ১৫০টি বলা হলেও ফল আসা গাছ ৪০টি, ১০ থেকে ১২ কেজি ফল ধরা গাছ ১৫ থেকে ২০টি এবং পরীক্ষামূলক জমি জাগো নিউজের ৩০ শতাংশের বদলে ২০ শতাংশ বলা হয়েছিল।

দুই পত্রিকাই জানায়, মিজানুর সম্প্রতি স্বল্প পরিমাণে সবুজ আঙুর কেজিপ্রতি ২৫০ থেকে ৩০০ টাকায় বিক্রি করেছেন; জাগো নিউজ যোগ করেছে, ক্রেতা ছিলেন স্থানীয়রা। গাছ রোপণ ও পরিচর্যায় তাঁর খরচ হয়েছে প্রায় আড়াই লাখ টাকা। খরচ নিয়ে প্রশ্নের জবাবে তিনি জাগো নিউজকে বলেন, তাঁদের গ্রাম পাহাড়ি এলাকায়, তাই শ্রমিকের খরচ তুলনামূলক কম।

ফলনে তিনি আশাবাদী ছিলেন এবং বাণিজ্যিকভাবে আঙুর চাষের পরিকল্পনা করছিলেন। জাগো নিউজ জানায়, বড় বাগানের জন্য তিনি ভারত সীমান্তঘেঁষা মেঘাদল গ্রামে দেড় একর জমি তৈরি করছিলেন; আর দুই পত্রিকাই জানায়, তিনি ও তাঁর বাবা আঙুরের চারাও উৎপাদন করছিলেন। প্রথম আলোর ভাষায়, তাঁর স্বপ্ন বাগানটিকে বড় পরিসরে গড়ে তোলা।

প্রতিবেশী ও কৃষি কর্মকর্তারা যা বলেছেন


দুই প্রতিবেদনেই বলা হয়, প্রতিদিন বিভিন্ন জায়গা থেকে মানুষ বাগান দেখতে আসতেন এবং কেউ কেউ আঙুর চাষ নিয়ে মিজানুরের পরামর্শ নিতেন। পার্শ্ববর্তী বাবেলাকোনা গ্রামের দালবত মারাক জাগো নিউজকে বলেন, 'মিজানুরের বাগানের আঙুর খেয়েছি, দারুণ মিষ্টি। আমরা বাজারে যে আঙুর পাই, তার চেয়ে এগুলো অনেক মিষ্টি।' শেরপুর শহর থেকে আসা মনির হোসেন পত্রিকাটিকে বলেন, বাজারের আঙুরের চেয়ে ভালো মানের আঙুর দেখে তিনি অবাক হয়েছেন এবং পরিবারের জন্য এক কেজি কিনেছেন। মেঘাদল গ্রামের বাসিন্দা আশিকুর রহমান প্রথম আলোকে বলেন, 'মিজানুরের বাগানের আঙুর খেয়েছি। মিষ্টি। এই বাগানের ফল দেখে অনেক কৃষক আঙুর চাষে আগ্রহ দেখাচ্ছেন।'

এগুলো দর্শনার্থীদের অনুভূতি। কোনো প্রতিবেদনেই চিনির মাত্রার পরিমাপ বা নিয়ন্ত্রিত অবস্থায় করা কোনো তুলনা নেই।

শেরপুর জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক মো. সাখওয়াত হোসেন জাগো নিউজকে বলেন, 'আমরা আঙুর বাগান পরিদর্শন করেছি। মিজানুর রহমান দুই বছর ধরে পরীক্ষামূলকভাবে আঙুর চাষ করছেন। আগামী দিনে নতুন করে আরও বড় আকারে তিনি আঙুর চাষের পরিকল্পনা করছেন। এতে কৃষি কার্যালয় থেকে তাকে নিয়মিত পরামর্শ সেবা দেওয়া হচ্ছে। এ ছাড়া নতুন কোনো উদ্যোক্তা চাইলে তাদের পরামর্শ দিয়ে সহায়তা করবো।'

জুনে শ্রীবরদী উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা সাবরিনা আফরিনও প্রথম আলোকে প্রায় একই কথা বলেন: 'আমি বাগানটা দেখেছি। মিজানুর দুই বছর ধরে পরীক্ষামূলকভাবে আঙুর চাষ করছেন। আগামী দিনে নতুন করে আরও বড় আকারে তিনি আঙুর চাষের পরিকল্পনা করছেন। এতে কৃষি কার্যালয় থেকে তাঁকে সার্বিক সহযোগিতা করা হবে।'

শ্রীবরদী: গারো পাহাড়ের নিচে সীমান্তের উপজেলা


শ্রীবরদী দেশের উত্তরের জেলা শেরপুরের পাঁচ উপজেলার একটি। জাতীয় জ্ঞানকোষ বাংলাপিডিয়ার তথ্যে উপজেলার আয়তন ২৪৮.২৫ বর্গকিলোমিটার, অবস্থান ২৫°০৩' থেকে ২৫°১৮' উত্তর অক্ষাংশের মধ্যে। এর উত্তরে ভারতের মেঘালয় রাজ্য, দক্ষিণে শেরপুর সদর উপজেলা, পূর্বে ঝিনাইগাতী উপজেলা এবং পশ্চিমে বকশীগঞ্জ ও ইসলামপুর উপজেলা। প্রধান নদী সোমেশ্বরী ও মৃগী; কাটাখালী খাল এবং ছাপা, বাসা, ছোটবাসা ও মৃগী বিল উল্লেখযোগ্য জলাশয়। শ্রীবরদী থানা গঠিত হয় ১৯১৮ সালের ৩১ মার্চ, পৌরসভা ২০০৪ সালের ২৪ সেপ্টেম্বর।

বাংলাপিডিয়ায় উদ্ধৃত ২০১১ সালের আদমশুমারিতে উপজেলার জনসংখ্যা ছিল ২ লাখ ৫৯ হাজার ৬৪৮। বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর ২০২২ সালের জনশুমারি ও গৃহগণনায় ৭৪ হাজার ৩৫২টি খানায় জনসংখ্যা দাঁড়ায় ২ লাখ ৭৯ হাজার ১৪২; ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর মানুষ ছিলেন ১ হাজার ৪৮৪ জন, যাঁদের ১ হাজার ১০০ জন গারো।

এখানকার মানুষের প্রধান জীবিকা কৃষি। বাংলাপিডিয়া অনুযায়ী ৬৯.৩৯ শতাংশ খানার আয়ের প্রধান উৎস কৃষি; ভূমির মালিক ৫৭.২৮ শতাংশ, ভূমিহীন ৪২.৭২ শতাংশ। প্রধান ফসল ধান, গম, সরিষা, পাট, আলু ও শাকসবজি; প্রধান ফল আম, কালোজাম, কাঁঠাল ও কলা। এ তালিকায় আঙুর নেই, তাই এলাকায় একটি আঙুরবাগান এত মানুষের নজর কেড়েছে।

বাংলাপিডিয়ার তথ্যে পুরো শেরপুর জেলার আয়তন ১,৩৬৪.৬৭ বর্গকিলোমিটার, আর জেলার ৬৫.৭১ শতাংশ খানার আয়ের প্রধান উৎস কৃষি। শেরপুর ১৯৮৪ সালে জেলা হওয়ার আগে জামালপুরের একটি মহকুমা ছিল। জেলার বার্ষিক বৃষ্টিপাত প্রায় ২,১৭৪ মিলিমিটার; তাপমাত্রা সর্বোচ্চ ৩৩.৩ ডিগ্রি থেকে সর্বনিম্ন ১২ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত ওঠানামা করে।

সীমান্তের ওপারে গারো পাহাড়। এটি মেঘালয়ের গারো-খাসি পর্বতশ্রেণির অংশ, মেঘালয় উপক্রান্তীয় বন অঞ্চলের অন্তর্ভুক্ত এবং পৃথিবীর সবচেয়ে বৃষ্টিবহুল এলাকাগুলোর একটি; এর সর্বোচ্চ চূড়া নকরেক, উচ্চতা ১,৪১২ মিটার। সীমান্তের এপারে শেরপুরের উত্তরের উপজেলাগুলোর টিলা ও পাদদেশ এলাকাও স্থানীয়ভাবে একই নামে পরিচিত। পাহাড়ের নাম এসেছে গারো জনগোষ্ঠী থেকে, যাঁরা নিজেদের বলেন আচিক মান্দি, অর্থাৎ 'পাহাড়ের মানুষ'। গারোদের বেশির ভাগ মেঘালয়ে থাকেন; বাংলাদেশে তাঁদের বড় বসতিগুলোর কয়েকটি শ্রীবরদীর পাশের শেরপুরের নালিতাবাড়ী ও ঝিনাইগাতী উপজেলায়, এ ছাড়া ময়মনসিংহের হালুয়াঘাট ও ধোবাউড়া, নেত্রকোনার দুর্গাপুর ও কলমাকান্দা এবং টাঙ্গাইলের মধুপুরে।

বাংলাদেশের উত্তর সীমান্ত এলাকার গারো পাহাড়, ২০১৯ সালের অক্টোবরে তোলা। ছবি: ImranAvenger / উইকিমিডিয়া কমন্স (CC BY-SA 4.0)
বাংলাদেশের উত্তর সীমান্ত এলাকার গারো পাহাড়, ২০১৯ সালের অক্টোবরে তোলা। ছবি: ImranAvenger / উইকিমিডিয়া কমন্স (CC BY-SA 4.0)

আঙুরলতা ও বাগানের জাতগুলো


খাওয়ার ও রসের আঙুরের বেশির ভাগই ভাইটিস ভিনিফেরা (Vitis vinifera) প্রজাতির, যার আদি নিবাস ভূমধ্যসাগরীয় অঞ্চল, মধ্য ইউরোপ ও দক্ষিণ-পশ্চিম এশিয়া। বীজের আকারের পরিবর্তন থেকে ধারণা করা হয়, খ্রিস্টপূর্ব আনুমানিক ৪১০০ থেকে ৩০০০ সালের মধ্যে দক্ষিণ-পশ্চিম এশিয়া, দক্ষিণ ককেশাস বা কৃষ্ণসাগরের পশ্চিম উপকূলে এটি গৃহপালিত ফসলে পরিণত হয়; জর্জিয়ার গাদাখরিলি গোরায় পাওয়া গৃহপালিত আঙুরের প্রাচীনতম নিদর্শনের বয়স খ্রিস্টপূর্ব প্রায় ৬০০০ সাল। ২০১২ সালের হিসাবে ভিনিফেরার ৫ হাজার থেকে ১০ হাজার জাত ছিল, যদিও বাণিজ্যিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ মাত্র কয়েকটি। আঙুর তাজা খাওয়া হয়, শুকিয়ে কিশমিশ করা হয়, রস করা হয়, আর অনেক দেশে আঙুরপাতা রান্নায় ব্যবহৃত হয়।

মেঘাদলের বাগানের একটি জাত ইসাবেলা খাঁটি ভিনিফেরা নয়। এটি আমেরিকার 'ফক্স গ্রেপ' ভাইটিস ল্যাব্রুস্কা থেকে উদ্ভূত; ডিএনএ গবেষণায় এর পিতৃ-মাতৃজাত হিসেবে আমেরিকার আইভস সিডলিং এবং ফ্রান্সের বিরল সাদা আঙুর পেতি মেসলিয়েকে শনাক্ত করা হয়েছে। পাকা ইসাবেলার খোসা গাঢ় বেগুনি, প্রায় কালো, ভেতরে নরম সবুজাভ-হলুদ শাঁস; খোসা সহজেই শাঁস থেকে আলাদা হয়ে যায়। ফলন বেশি এবং গ্রীষ্মমণ্ডলীয় ও উপক্রান্তীয় আবহাওয়া সইতে পারে বলে জাতটি ব্রাজিল ও কলম্বিয়ায় প্রধান জাত হিসেবে চাষ হয়, পর্তুগাল, বালি ও জাপানেও লাগানো হয়েছে। ভারতে এটি ব্যাঙ্গালোর ব্লু নামে চাষ হয়।

লতায় ঝুলে থাকা ইসাবেলা জাতের আঙুরের থোকা, ২০০৯ সালের আগস্টে তোলা। ছবি: Il cacciatore / উইকিমিডিয়া কমন্স (CC BY-SA 3.0)
লতায় ঝুলে থাকা ইসাবেলা জাতের আঙুরের থোকা, ২০০৯ সালের আগস্টে তোলা। ছবি: Il cacciatore / উইকিমিডিয়া কমন্স (CC BY-SA 3.0)

আনাব-এ-শাহী ও পারলেট ভারতে সুপরিচিত জাত। জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থার (এফএও) ২০০১ সালের প্রকাশনা 'গ্রেপ প্রোডাকশন ইন দ্য এশিয়া-প্যাসিফিক রিজিয়ন'-এর ভারত অধ্যায়ে ভারতীয় কৃষি গবেষণা পরিষদের (আইসিএআর) পুনেভিত্তিক জাতীয় আঙুর গবেষণা কেন্দ্রের তৎকালীন পরিচালক এস ডি শিখামণি দুটিকেই ভারতের প্রধান জাতের তালিকায় রাখেন। তাঁর হিসাবে আনাব-এ-শাহী চাষ হতো প্রায় ৩ হাজার হেক্টরে, উৎপাদন ১ লাখ ৩৫ হাজার টন; গড় ফলন হেক্টরপ্রতি ৪৫ টন, সম্ভাব্য ফলন ৯০ টন, আর হায়দরাবাদ অঞ্চলে হেক্টরপ্রতি ১০০ টন ফলনের রেকর্ড আছে। হেক্টরপ্রতি গড়ে ৪০ টন ফলনের পারলেটকে তিনি ভারতের উপক্রান্তীয় উত্তরাঞ্চলের একমাত্র আগাম পাকা জাত বলেছেন। তিনি লেখেন, আনাব-এ-শাহী, ব্যাঙ্গালোর ব্লু (ইসাবেলা) ও গুলাবির মতো তেজি জাতের জন্য মাথার ওপরের মাচা বা 'বাওয়ার' পদ্ধতি উপযোগী।

একেলো, ডিকসন, ব্ল্যাক ম্যাজিক, বাইনুকা ও গ্রিন লং বাগানের অন্য গাছগুলোর জন্য চাষির দেওয়া নাম। পত্রিকার প্রতিবেদনে এগুলোর বর্ণনা নেই, আর এই প্রতিবেদনের জন্য পড়া সূত্রগুলোতেও এগুলোর উৎস বা ফলাফলের কোনো বিবরণ পাওয়া যায়নি।

গ্রীষ্মমণ্ডলে আঙুর: এশিয়ার চাষিদের অভিজ্ঞতা


গরম ও আর্দ্র আবহাওয়ায় আঙুর চাষের নিজস্ব সমস্যা আছে। ২০০০ সালের ২ থেকে ৪ মে ব্যাংককে অনুষ্ঠিত বিশেষজ্ঞ পরামর্শসভার ভিত্তিতে এফএওর ২০০১ সালের ওই প্রকাশনায় গ্রীষ্মমণ্ডলীয় ও উপক্রান্তীয় এশিয়ার আঙুরচাষিদের অভিজ্ঞতা সংকলিত হয়েছে, যার কয়েকটি পর্যবেক্ষণ শ্রীবরদীর মতো বাগানের সঙ্গে সরাসরি প্রাসঙ্গিক।

শিখামণি লিখেছেন, ভারতে আঙুর চাষ হয় তিনটি জলবায়ু অঞ্চলে। মহারাষ্ট্র, অন্ধ্র প্রদেশ ও উত্তর কর্ণাটকের উষ্ণ গ্রীষ্মমণ্ডলীয় অঞ্চলে, যেখানে দেশের আঙুর-জমির প্রায় ৭০ শতাংশ, গাছ সুপ্তাবস্থায় যায় না; বছরে দুবার ছাঁটাই করে একবার ফসল নেওয়া হয়। ব্যাঙ্গালোর ও তামিলনাড়ুর মৃদু গ্রীষ্মমণ্ডলীয় অঞ্চলে বছরে দুবার ছাঁটাই ও দুবার ফসল তোলা হয়। জুনের শুরুতে বর্ষা নামে এমন উপক্রান্তীয় উত্তরাঞ্চলে ডিসেম্বরে একবার ছাঁটাই করে একটি ফসল নেওয়া হয়। গ্রীষ্মমণ্ডলীয় অঞ্চলে সবচেয়ে ক্ষতিকর রোগ ডাউনি মিলডিউ, এরপর পাউডারি মিলডিউ ও অ্যানথ্রাকনোজ; ফুল আসা ও ফল ধরার সময় অস্বাভাবিক ভারী বৃষ্টি মিলডিউ-সংবেদনশীল ভিনিফেরা জাতের ফলন কমিয়ে দেয়।

থাইল্যান্ডের কাসেটসার্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের সুরাসাক নিলনন্দ লিখেছেন, গ্রীষ্মমণ্ডলীয় জলবায়ু লতার বৃদ্ধি দ্রুত করে, কিন্তু গরম, বৃষ্টি ও আর্দ্রতা ফলের মান সীমিত করে; শুষ্ক মৌসুমে পাকা ফলে চিনি বেশি থাকে, দেখতেও ভালো হয়। থাই চাষিরা সাধারণত বছরে দুবার ছাঁটাই করে দুটি ফসল নিতেন: মে থেকে অক্টোবরের বর্ষা মৌসুমে একটি, নভেম্বর থেকে এপ্রিলের শুষ্ক মৌসুমে আরেকটি; শুষ্ক মৌসুমের ফসলকেই ভালো ধরা হতো। রোপণের ১৪ থেকে ১৬ মাস পর প্রথম ফসল আসত। অ্যানথ্রাকনোজ ও ফল-পচা রোগ বর্ষায় সবচেয়ে বেশি হতো, কিছু চাষি প্লাস্টিকের ছাউনি দিয়ে লতা ঢেকে রাখতেন। লতা তোলা হতো প্রায় দেড় মিটার উঁচু মাচায়, আর মধ্য সমভূমির পানি-নিষ্কাশন-দুর্বল এঁটেল মাটিতে প্রায় ৬ মিটার চওড়া উঁচু বেডে গাছ লাগানো হতো, দুই বেডের মাঝে প্রায় ১ মিটার চওড়া ও ১ মিটার গভীর নালা। ১৯৯৮ সালে থাইল্যান্ডে ২,৭১৭.৯ হেক্টরে আঙুর চাষ হয়, উৎপাদন ছিল ৩১,৬৭৭.১ টন।

মিয়ানমার কৃষি সেবার হ্লা সান লিখেছেন, সে দেশে আঙুর চাষ হয় অত্যন্ত শুষ্ক মধ্যাঞ্চলে। এপ্রিল-মে মাসে ফুল আসার সময় বৃষ্টি হলে ফুল ঝরে যায় এবং বর্ষায় ধরা ফল কম মিষ্টি হয়; তাই ছাঁটাইয়ের সময় এমনভাবে ঠিক করা হয় যাতে ফল ধরে ফেব্রুয়ারি-মার্চের শুকনো সময়ে। বছরে দুবার ভারী ছাঁটাই হয়, অক্টোবরের মাঝামাঝি থেকে নভেম্বরের মাঝামাঝি এবং মার্চের মাঝামাঝি থেকে এপ্রিলের মাঝামাঝি। প্রথম বছরে গাছকে প্রতিষ্ঠিত হতে দিতে বেশির ভাগ ফুলের থোকা ভেঙে ফেলা হয়, বাণিজ্যিক ফসল শুরু হয় দ্বিতীয় বছরে। চিনির মাত্রা বাড়াতে ফসল তোলার এক মাস আগে সেচ বন্ধ রাখা হয়, আর বেশি বৃষ্টি ও আর্দ্রতার এলাকার জন্য নিফিন ও ওয়াই-টাইপ মাচা পদ্ধতির সুপারিশ করা হয়েছে।

এসব অঞ্চল শেরপুরের চেয়ে শুষ্ক। এফএওর প্রকাশনায় বর্ণিত থাইল্যান্ডের আঙুর-এলাকায় বছরে বৃষ্টি হয় প্রায় ১,২০০ থেকে ১,৫০০ মিলিমিটার, শেরপুরে প্রায় ২,১৭৪ মিলিমিটার। মেঘাদলের বাগানে কোন মাচা পদ্ধতি, কোন ছাঁটাই-পঞ্জিকা বা কোন রোগ দমন ব্যবস্থা ব্যবহার হচ্ছিল, জাগো নিউজ বা প্রথম আলো তা জানায়নি। আঙুর চাষ করতে চাইলে জাত, ছাঁটাই ও বালাই দমনের পরামর্শ উপজেলা কৃষি অফিস থেকে নেওয়াই নিয়ম; শেরপুরের ডিএইও নতুন উদ্যোক্তাদের পরামর্শ দেওয়ার কথা জানিয়েছিল।

আমদানিনির্ভর ফল, চাষে আগ্রহী কৃষক


বেশির ভাগ বাংলাদেশির কাছে আঙুর বিদেশ থেকে আসা ফল। বাংলাপিডিয়া কমলা, আপেল, ডালিম, খেজুর ও ম্যান্ডারিনের সঙ্গে আঙুরকে দেশের সাধারণ আমদানি করা ফলের তালিকায় রেখেছে, এবং লিখেছে, শীতপ্রধান অঞ্চলের ফলের চাষ বাংলাদেশে সফল হয়নি, ব্যতিক্রম কিছু জায়গায় আঙুর।

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উদ্ভিদ সংগনিরোধ উইং ও বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য ব্যবহার করে দ্য ডেইলি স্টার ২০১৯ সালের সেপ্টেম্বরে জানায়, ২০১৪-১৫ থেকে ২০১৮-১৯ অর্থবছরের মধ্যে ফল আমদানি ৭২ শতাংশ বেড়ে ৫ লাখ ৯৯ হাজার টনে দাঁড়িয়েছে, আর কমলা, ট্যাঞ্জারিন, আপেল ও আঙুর মিলে আমদানির ৮৫ শতাংশ। বাংলাদেশ ফ্রেশ ফ্রুটস ইমপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের মো. সিরাজুল ইসলাম পত্রিকাটিকে বলেন, দেশে উৎপাদিত ফল বছরের চাহিদার প্রায় ৩০ শতাংশ মেটায়, আর চাহিদা বছরে প্রায় ৫ শতাংশ হারে বাড়ছে।

ঢাকার সদরঘাটের রাস্তার বাজারে বিক্রির জন্য রাখা আঙুর, ২০১৭ সালের নভেম্বরে তোলা। ছবি: Kritzolina / উইকিমিডিয়া কমন্স (CC BY-SA 4.0)
ঢাকার সদরঘাটের রাস্তার বাজারে বিক্রির জন্য রাখা আঙুর, ২০১৭ সালের নভেম্বরে তোলা। ছবি: Kritzolina / উইকিমিডিয়া কমন্স (CC BY-SA 4.0)

শেরপুরের প্রতিবেদনের আগের বছরগুলোতে কুড়িগ্রাম, কুমিল্লা, ফরিদপুর, রাজবাড়ী, চুয়াডাঙ্গা ও চাঁদপুরসহ বিভিন্ন জেলা থেকে একই ধরনের খবর ছাপা হয়েছে। বাংলাদেশ প্রতিদিন ২০২৫ সালের ২৬ এপ্রিল জানায়, চাঁদপুর সদর উপজেলার চাঁদপুর-মতলব সড়কের কালিভাংতি এলাকার উদ্যোক্তা কামরুজ্জামান প্রধানিয়ার সংগ্রহে ১৮ দেশের ৮৫টি জাতের আঙুরগাছ আছে। প্রতিবেদন অনুযায়ী, তিনি ২০১৯ সাল থেকে আঙুর নিয়ে কাজ করছেন, ২০২২-২৩ সালে বেশির ভাগ বিদেশি জাত সংগ্রহ করেন, ২০২৪ সালে ছাদবাগানে ভালো ফলন পান, সে বছরের জুনে মাঠে চাষ শুরু করেন এবং ৫০ কেজি আঙুর বিক্রি করেছেন। প্রতিবেদনে বলা হয়, অক্টোবর-নভেম্বরে ছাঁটাই করলে মার্চ-এপ্রিলে ফল পাওয়া যায়, এরপর শীতে আবার ফলন আসে; আর দোআঁশযুক্ত লালমাটি, জৈব পদার্থসমৃদ্ধ কাঁকরযুক্ত মাটি এবং পাহাড়ের পাললিক মাটিতে আঙুর ভালো হয়।

বিদেশ থেকে চারা আনার আইন


বিদেশ থেকে আসা রোপণসামগ্রী উদ্ভিদ সংগনিরোধ আইন, ২০১১ (২০১১ সনের ৫ নং আইন)-এর আওতায় পড়ে। উদ্ভিদ ও উদ্ভিদজাত দ্রব্যের আন্তর্জাতিক পরিবহনের মাধ্যমে দেশে পোকামাকড় ও রোগবালাইয়ের অনুপ্রবেশ ও বিস্তার রোধে আইনটি ২০১১ সালের ৫ এপ্রিল প্রণীত হয়। আইনের ৩ ধারা অনুযায়ী, আলাদা জাতীয় উদ্ভিদ সংগনিরোধ কর্তৃপক্ষ প্রতিষ্ঠিত না হওয়া পর্যন্ত কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উদ্ভিদ সংরক্ষণ উইংয়ের পরিচালক ওই কর্তৃপক্ষ হিসেবে গণ্য হবেন।

৯ ধারায় বলা আছে, আমদানি অনুমতিপত্র ছাড়া কোনো আমদানিকারক দেশে কোনো উদ্ভিদ বা উদ্ভিদজাত দ্রব্য, উপকারী জীবাণু, মাটি বা প্যাকিং দ্রব্য আমদানি করতে পারবেন না। ১০ ধারা অনুযায়ী, এসব দ্রব্য কেবল নির্দিষ্ট প্রবেশপথ দিয়ে আনা যাবে এবং আমদানি অনুমতিপত্র ও রপ্তানিকারক দেশের জাতীয় উদ্ভিদ সংগনিরোধ কর্তৃপক্ষের দেওয়া উদ্ভিদ স্বাস্থ্য সনদপত্রসহ উদ্ভিদ সংগনিরোধ কর্মকর্তার কাছে পরীক্ষার জন্য দাখিল করতে হবে; কোন শোধন প্রক্রিয়া বা প্রবেশোত্তর সংগনিরোধ লাগবে, তা অনুমতিপত্রেই লেখা থাকবে। ১২ ধারায় বলা হয়েছে, কেউ নিজের সম্মতিতে বা অসম্মতিতে বিদেশ থেকে কোনো উদ্ভিদ বা উদ্ভিদজাত দ্রব্য পেলে তাঁকে নিকটস্থ উদ্ভিদ সংগনিরোধ কর্মকর্তার কাছে ঘোষণা দিতে হবে; কর্মকর্তা পরীক্ষা করে তা ছাড়, শোধন, ধ্বংস বা নিষ্পত্তির ব্যবস্থা নেবেন।

ছবি: Savitr1915 / উইকিমিডিয়া কমন্স (CC BY-SA 4.0)

সূত্র: জাগো নিউজ ২৪, প্রথম আলো, বাংলাপিডিয়া, বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২), জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থা (গ্রেপ প্রোডাকশন ইন দ্য এশিয়া-প্যাসিফিক রিজিয়ন, ২০০১), দ্য ডেইলি স্টার, বাংলাদেশ প্রতিদিন, উদ্ভিদ সংগনিরোধ আইন, ২০১১ (বাংলাদেশ আইন), উইকিপিডিয়া (ভাইটিস ভিনিফেরা, ইসাবেলা আঙুর, গারো পাহাড়, গারো জনগোষ্ঠী, শেরপুর জেলা, শ্রীবরদী উপজেলা)

অনলাইন ডেস্কদা এগ্রো নিউজ

ফল

সম্পর্কিত খবর

ফল

যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি চারটি তাজা আপেলের একটি যায় বিদেশে, রপ্তানি আয় রেকর্ড

২০২৫/২৬ বিপণন বছরে যুক্তরাষ্ট্র ১৮৭ কোটি পাউন্ড তাজা আপেল রপ্তানি করেছে, যা মোট তাজা উৎপাদনের প্রায় ২৬ শতাংশ। রপ্তানি আয় রেকর্ড ১১৬ কোটি ডলারে পৌঁছেছে; বড় ক্রেতা মেক্সিকো ও কানাডা।

ers_usda১৬ অক্টোবর ২০২৬১ মিনিটের পড়া
ফল

রাজবাড়ীর বাজিতপুরে দুই একরে চার হাজার ড্রাগন গাছ, দিনে উঠছে ৫০ মণ ফল

রাজবাড়ী সদরের বসন্তপুর ইউনিয়নের বাজিতপুরে জেলার সবচেয়ে বড় ড্রাগন বাগানে গাছপ্রতি ১০-১২ কেজি ফল ধরেছে; ভরা মৌসুমে দিনে প্রায় দুই হাজার কেজি ফল উঠছে, পাইকারি দর কেজি ১৫০ টাকা।

ঢাকা মেইল১৫ অক্টোবর ২০২৬১ মিনিটের পড়া
ফল

আপেলগাছের গোড়ায় লালচে গুঁড়া? সতর্ক করছে বিরল কাণ্ড ছিদ্রকারী পোকা

কানাডার ম্যানিটোবার কৃষি বিভাগ ফলচাষিদের রাউন্ডহেডেড অ্যাপল ট্রি বোরার নিয়ে সতর্ক থাকতে বলছে। এই লম্বা-শুঙ্গ গুবরে পোকার কীড়া জীবন্ত আপেল ও সাস্কাটুন গাছের ভেতরে তিন বছর পর্যন্ত সুড়ঙ্গ কাটে; কাণ্ডের গোড়ায় লালচে গুঁড়াই সবচেয়ে স্পষ্ট লক্ষণ।

Manitoba Co-operator১৫ অক্টোবর ২০২৬২ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

(০)