সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮—আদা - আমদানিকৃত১৬৭—আদা - দেশী১৫৪—আমন চাল - মাঝারি৫৬—আমন চাল - মোটা৪৮—আমন চাল - সরু৭২—আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২—কাঁচা মরিচ২১৮—খামারের মুরগী১৬২—খাসী৯০০—চিনি (দেশী)১৩২—ছোলা - গোটা৮৫—ডিম ফার্ম - লাল৪৭—পেঁয়াজ - দেশী৬০—বোরো চাল - মাঝারি৫৫—বোরো চাল - মোটা৪৭—বোরো চাল - সরু৬৬—মাংসঃ– গরু৭২৯—মুগ ডাল১২২—রসুন - আমদানিকৃত১৯২—রসুন - দেশী১৭৩—সয়াবিন তেল১৬৩—
হালনাগাদ ১৬ অক্টোবর ২০২৬
ঢাকা২৬°পরিষ্কার আকাশআর্দ্রতা ৭৪%বাতাস ৩ কিমি/ঘ

সংগ্রহে ৪০ প্রজাতির বিদেশি মুরগি, নাম লেখাতে চান গিনেসে

সেবরাইড, ব্রাহামা, পেনসিল লেগ, সোমাত্রাসহ বিশ্বের দুর্লভ ও বিরল প্রায় ৪০ প্রজাতির মুরগির সংগ্রাহক এখন রাজবাড়ীর কালুখালীর জাহাঙ্গীর হোসেন। ২০১৬ সালে শখের বসে তিন জোড়া বিদেশি মুরগি দিয়ে শুরু করা তার খামারে বিদেশি প্রজাতির প্রায় দেড় শতাধিক মুরগি রয়েছে। বিস্ময়কর হলেও তার খামারের এক জোড়া মুরগি বিক্রি হচ্

সেবরাইড, ব্রাহামা, পেনসিল লেগ, সোমাত্রাসহ বিশ্বের দুর্লভ ও বিরল প্রায় ৪০ প্রজাতির মুরগির সংগ্রাহক এখন রাজবাড়ীর কালুখালীর জাহাঙ্গীর হোসেন। ২০১৬ সালে শখের বসে তিন জোড়া বিদেশি মুরগি দিয়ে শুরু করা তার খামারে বিদেশি প্রজাতির প্রায় দেড় শতাধিক মুরগি রয়েছে। বিস্ময়কর হলেও তার খামারের এক জোড়া মুরগি বিক্রি হচ্ছে প্রায় ২০ হাজার থেকে ১ লাখ টাকা পর্যন্ত।

জাহাঙ্গীরের মাসে মুরগি পালনে ১৫ থেকে ২০ হাজার টাকা খরচ হলেও আয় হয় ২৫ থেকে ৩০ হাজার টাকা। ফলে এটি এখন পেশা হিসেবেই নিয়েছেন তিনি। এদিকে, বিভিন্ন দেশে যাওয়ার ভিসা জটিলতা নিরসনে সরকারের সহযোগিতা পেলে ভবিষতে বিদেশি জাতের আরও মুরগি সংগ্রহ করে সর্বোচ্চ মুরগি সংগ্রাহক হিসেবে গিনেস বুক ওয়ার্ল্ডে নাম লেখাতে চান এই খামারি।

জানা গেছে, কালুখালী বোয়ালিয়ার জাহাঙ্গীর হোসেন ২০১৬ সালে ব্যক্তিগত কাজে ভারতে থাকা অবস্থায় ইন্টারনেট দেখে বিদেশি জাতের মুরগি পালনের শখ জাগে। পরবর্তীতে শখ মেটাতে আছিল, টার্কি ও কাদার নাথ জাত দিয়ে শুরু করেন মুরগি পালন। এরপর বিদেশি মুরগির চাহিদা দেখে ভারত, নেপাল, ভুটান, মালদ্বীপ, ইন্দোনেশিয়া, ভিয়েতনামসহ বিভিন্ন দেশে গিয়ে মুরগি সংগ্রহ করেন। এখন তার খামারে ব্রাহামা, সিল্কি, সিবরা, সিলভার সেবরাইড, গোল্ডেন সেবরাইড, পলিস্কেব, সুলতান, প্যারটলিভ, ইউন্ডডট, সোমাত্রা, সিলভার লেস, কসমো, আছিল, ক্রেস্টেড পলিস্তেব, গোল্ডেন সেবরাইড, মল্টেড জাপানিজ, ব্লুবারলেজ, ব্ল্যাকটেল, ইয়োকামাহাসহ প্রায় ৪০ প্রজাতির দেড় শতাধিক মুরগি রয়েছে। বাহারি জাতের এসব মুরগি দেখতে প্রতিদিন তার খামারে আসেন অনেক সৌখিন মানুষ। এবং তার দেখাদেখি উৎসাহী হচ্ছেন অনেকেই।

জাহাঙ্গীরের খামারে পালন করা ইন্দোনেশিয়ার আইএনচি মানিক এক লাখ টাকা ও ভিয়েতনামের তাউরান ৭০ হাজার টাকা জোড়া বিক্রি হয়েছে। বর্তমানে তার খামারে সুমাত্রা ৫০ হাজার টাকা জোড়া, ইংল্যান্ডের সেবরাইড ১৫ থেকে ২০ হাজার, আমেরিকা ও কলোম্বিয়ার ব্রাহামা ১৫ থেকে ১৬ এবং ইংল্যান্ডের পেনসিল লেগ ২৫ থেকে ৩০ হাজার টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এবং জিরো সাইজের বাচ্চা বিক্রি হচ্ছে এক হাজার টাকা জোড়া। দুর্লভ ও বিরল জাতের এসব মুরগি কিনতে দেশের বিভিন্নস্থান থেকে অনেক শৌখিন মানুষ প্রতিনিয়ত যোগাযোগ করছেন জাহাঙ্গীরের ইত্যাদি এগ্রো অ্যান্ড হ্যাচারি ডটকম ওয়বেসাইটডসহ তার পেজের মাধ্যমে।

স্থানীয় লিটন শেখ ও সোবাহান মোল্লা বলেন, জাহাঙ্গীরের বাড়ি তাদের বাড়ির পাশে। বিদেশি জাতের রং বেরঙের মুরগি তার খামারে আছে শুনে দেখতে এসেছেন। এবং মুরগি দেখে তারা অবাক। মুরগিগুলো দেখতে অনেক সুন্দর। নিজ চোখে না দেখলে কেউ বুঝতে পারবে না। কোনোটার লেজ লম্বা, মাথায় ঝুঁটি, আবার ঠোঁট টিয়া পাখির মতো এবং দেখতেও বাহারি রঙের। এরকম মুরগি এর আগে তারা দেখেননি। যার কারণে তারা নিজেরাও এরকম খামার করতে চান।

খামারি জাহাঙ্গীর হোসেন জানান, ২০১৬ সালের শখের বসে তিন জোড়া মুরগি দিয়ে শুরু করেন। পরবর্তীকালে এসব মুরগির চাহিদা দেখে অন্য বিদেশি জাতের মুরগি সংগ্রহ করতে থাকেন। এখন তার খামারে প্রায় ৪০ প্রজাতির মুরগি রয়েছে। এসব মুরগির ডিম থেকে নিজের তৈরি মেশিনের সাহায্যে বাচ্চা উৎপাদন করে অনলাইনে বিক্রি করছেন। প্রথমে শখের বসে হলেও এখন পেশা হিসেবে নিয়েছেন মুরগিপালন। এতে মাসে ১৫ থেকে ২০ হাজার টাকা খরচ হলেও আয় করেন ২৫ থেকে ৩০ হাজার টাকা।

তিনি আরও জানান, এখন পর্যন্ত মুরগি সংগ্রহ করতে বিশ্বের বেশ কয়েকটি দেশে গিয়েছেন। তবে ভিসা জটিলতায় অনেক দেশে যেতে পারছেন না। তার ইচ্ছা আরও বিভিন্ন দেশে গিয়ে দুর্লভ জাতের মুরগি সংগ্রহ করা। এবং বিদেশি জাতের মুরগির সর্বোচ্চ সংগ্রাহক হিসেবে গিনেস বুক অব ওয়ার্ল্ডে তার নাম লেখানো। এজন্য ভিসা জটিলতা নিরসনে সরকারের সহযোগিতা কামনা করেছেন তিনি।

রাজবাড়ী সদর উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. খায়ের উদ্দিন আহমেদ বলেন, ব্যবসায়িক দিক হিসাব করে এসব মুরগি পালন করা যাবে না। শৌখিনতা হিসেবে এসব মুরগি অনেকে পালন করে থাকেন। তার মধ্যে কালুখালীর জাহাঙ্গীর অন্যতম। তবে এ ধরনের শৌখিন খামারিদের সব ধরনের সাহায্য সহযোগিতা প্রাণিসম্পদ দপ্তর করে থাকে। এই খামারে বিভিন্ন দেশের প্রায় ৩০ জাতের মুরগি রয়েছে। মুরগির ডিম থেকে জাহাঙ্গীর নিজস্ব পদ্ধতিতে উদ্ভাবিত মেশিনের সাহায্যে বাচ্চা ফোটান। তার এরকম কার্যক্রম প্রশংসনীয়।

রুবেলুর রহমান/এমআরআর/জেআইএম

জাগো নিউজ ২৪সূত্র

লাইভস্টক

সম্পর্কিত খবর

লাইভস্টক

সৌরপ্যানেলের নিচে ভেড়া চরালে বাড়ে মৌমাছি, তবে সংখ্যা রাখতে হবে কম

কর্নেল বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণায় দেখা গেছে, সৌরখামারে হেক্টরপ্রতি দুটি ভেড়া চরালে ঘাস কাটার তুলনায় উপকারী পোকা ৩৮ শতাংশ বাড়ে। খামারিদের জন্য ভেড়ার পাল পরিকল্পনার একটি সহায়ক টুলও তৈরি করেছেন গবেষকেরা।

Farms.com১৬ অক্টোবর ২০২৬২ মিনিটের পড়া
লাইভস্টক

প্রোটিনের চাহিদায় বদলে গেল কানাডার দুধের বাজার, মাখনের উদ্বৃত্ত শেষ

দুগ্ধজাত প্রোটিনের চাহিদা বাড়ায় পাঁচ বছরের মধ্যে কানাডার দুধের বাজারে মাখনচর্বির কাঠামোগত উদ্বৃত্ত মিটে গেছে, দুধের দাম নির্ধারণেও এসেছে পরিবর্তন।

Manitoba Co-operator১৬ অক্টোবর ২০২৬১ মিনিটের পড়া
লাইভস্টক

সিকি হেক্টরে ওটের বীজ চাষ, ইথিওপিয়ার এক কৃষকের পারিবারিক ব্যবসা

ইথিওপিয়ার এক ক্ষুদ্র কৃষক মাত্র শূন্য দশমিক ২৫ হেক্টর জমিতে বীজের জন্য ওট চাষ করে প্রথম ফসল ৪৫ হাজার বির্রে বিক্রি করেন এবং পরের বছর চাষ বাড়ান। আইএলআরআইয়ের পশুখাদ্যের বীজকে ব্যবসায় রূপ দেওয়ার উদ্যোগের অংশ এটি।

ILRI১৬ অক্টোবর ২০২৬২ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

(০)