কুড়িয়ে পাওয়া শাক-সবজিই দুর্গাপুরের আদিবাসী নারীদের জীবিকার উৎস
দূর্গাপুর উপজেলার পাহাড়ী প্রত্যান্ত অঞ্চলের গারো হাজং আদিবাসী সম্প্রদায়ের নারীরা তেলাকচুাঁ, কচুশাক, ঢেঁকি শাক বিক্রি করছেন।
দূর্গাপুর উপজেলার পাহাড়ী প্রত্যান্ত অঞ্চলের গারো হাজং আদিবাসী সম্প্রদায়ের নারীরা তেলাকচুাঁ, কচুশাক, ঢেঁকি শাক বিক্রি করছেন।
[৩] কুড়িয়ে পাওয়া নানা প্রজাতির শাক-সবজি সংগ্রহ করতে নারী আদিবাসীদের পাশাপাশি এখন বাঙ্গালীরাও যোগ দিয়েছেন।
[৪] উত্তর গোপালপুর গ্রামের আদিবাসী মহিলা নিয়তি দ্রুং দাহা পাড়ার শুকরিতি গাখড়া বলেন, সকাল থেকে বিকাল পর্যন্ত পাহাড়ে ঘুরে ঘুরে বিভিন্ন রকমের সব্জি সংগ্রহ করে বিক্রি করি। গারো জাতি পাহাড় টিলার ওপর-ই নির্ভরশীল সেই আদি থেকেই। প্রকৃতির এবং বিষমুক্ত শাক-সবজি খেয়ে থাকি। প্রকৃতিই আমাদের অন্নদাতা অন্নপূর্ণা।
[৫] উপজেলা কৃষি অফিসার মো. মাহবুবুর রহমান বলেন, সার ও কীটনাশক দিয়ে চাষ করা শাক, সবজির চেয়ে তাদের সংগ্রহ করা সবজিতে অনেকি বেশি পুষ্টিগুন। এই সব সবজির দামও একটু বেশি। তবে চাহিদাও রয়েছে অনেক। এনিয়ে কৃষি বিভাগ থেকে আলাদা একটা প্রকল্প করার পরিকল্পনা রয়েছে আমাদের। সরকারি কোন বরাদ্দ পেলেই তা বাস্তবায়ন করা হবে।



