সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮—আদা - আমদানিকৃত১৬৭—আদা - দেশী১৫৪—আমন চাল - মাঝারি৫৬—আমন চাল - মোটা৪৮—আমন চাল - সরু৭২—আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২—কাঁচা মরিচ২১৮—খামারের মুরগী১৬২—খাসী৯০০—চিনি (দেশী)১৩২—ছোলা - গোটা৮৫—ডিম ফার্ম - লাল৪৭—পেঁয়াজ - দেশী৬০—বোরো চাল - মাঝারি৫৫—বোরো চাল - মোটা৪৭—বোরো চাল - সরু৬৬—মাংসঃ– গরু৭২৯—মুগ ডাল১২২—রসুন - আমদানিকৃত১৯২—রসুন - দেশী১৭৩—সয়াবিন তেল১৬৩—
হালনাগাদ ১৬ অক্টোবর ২০২৬
ঢাকা২৮°পরিষ্কার আকাশআর্দ্রতা ৬২%বাতাস ৫ কিমি/ঘ

প্রতিদিন কয়টি আম খাওয়া ভালো

গ্রীষ্মকাল মানেই আমের মৌসুম। বাজারজুড়ে নানা জাতের পাকা আমের সমারোহ, আর ফলের রাজা আমের স্বাদে মজে থাকেন প্রায় সবাই। দুপুরের খাবারের শেষে আম না থাকলে যেন গরমকালটাই অসম্পূর্ণ মনে হয়। তবে এই সুস্বাদু ফলটি যতটা পুষ্টিকর, অতিরিক্ত খেলে ততটাই শরীরের জন্য ক্ষতিকর হতে পারে। তাই প্রতিদিন কতটুকু আম খাওয়া উচিত,

গ্রীষ্মকাল মানেই আমের মৌসুম। বাজারজুড়ে নানা জাতের পাকা আমের সমারোহ, আর ফলের রাজা আমের স্বাদে মজে থাকেন প্রায় সবাই। দুপুরের খাবারের শেষে আম না থাকলে যেন গরমকালটাই অসম্পূর্ণ মনে হয়। তবে এই সুস্বাদু ফলটি যতটা পুষ্টিকর, অতিরিক্ত খেলে ততটাই শরীরের জন্য ক্ষতিকর হতে পারে। তাই প্রতিদিন কতটুকু আম খাওয়া উচিত, সে বিষয়ে সচেতন থাকা জরুরি।

আম শুধু স্বাদের জন্য জনপ্রিয় নয়, পুষ্টিগুণেও সমৃদ্ধ। এতে রয়েছে ভিটামিন এ, ভিটামিন সি, পটাশিয়াম, ম্যাগনেশিয়াম, বিটা-ক্যারোটিন এবং বিভিন্ন ধরনের অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট। ভিটামিন এ চোখের স্বাস্থ্য ভালো রাখতে সাহায্য করে এবং দৃষ্টিশক্তি রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। অন্যদিকে ভিটামিন সি রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সহায়ক।

আমে থাকা পেকটিন ও অন্যান্য আঁশজাতীয় উপাদান হজম প্রক্রিয়াকে সহজ করে। এছাড়া এতে থাকা কিছু প্রাকৃতিক এনজাইম খাবারের প্রোটিন ভাঙতে সাহায্য করে, ফলে পরিপাকতন্ত্র ভালোভাবে কাজ করতে পারে। গবেষণায় দেখা গেছে, আমে থাকা অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট শরীরকে ক্ষতিকর ফ্রি র‍্যাডিক্যালের প্রভাব থেকে রক্ষা করতেও ভূমিকা রাখে।

পুষ্টিবিদদের মতে, একজন সুস্থ ও প্রাপ্তবয়স্ক মানুষ দিনে মাঝারি আকারের একটি থেকে দুটি আম খেতে পারেন। তবে এটি ব্যক্তির বয়স, ওজন, শারীরিক অবস্থা এবং জীবনযাপনের ওপর নির্ভর করে।

যাদের শারীরিক পরিশ্রম বেশি, তারা তুলনামূলকভাবে কিছুটা বেশি আম খেতে পারেন। তবে যাদের ওজন বেশি, ডায়াবেটিস আছে বা কিডনির সমস্যা রয়েছে, তাদের ক্ষেত্রে পরিমাণ নিয়ন্ত্রণ করা অত্যন্ত জরুরি।

আমে প্রাকৃতিকভাবে ফ্রুক্টোজ ও অন্যান্য শর্করা থাকে। তাই অতিরিক্ত আম খেলে রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা দ্রুত বেড়ে যেতে পারে। বিশেষ করে ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য এটি ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে। তাই চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী পরিমাণ নির্ধারণ করা উচিত।

অনেকেই মনে করেন ফল খেলে ওজন বাড়ে না। কিন্তু অতিরিক্ত আম খেলে শরীরে বাড়তি ক্যালোরি জমা হতে পারে। এই অতিরিক্ত ক্যালোরি পরবর্তীতে চর্বি হিসেবে সঞ্চিত হয়, যা ওজন বৃদ্ধির কারণ হতে পারে।

অতিরিক্ত আম খেলে বদহজম, পেট ফাঁপা কিংবা ডায়রিয়ার মতো সমস্যা দেখা দিতে পারে। বিশেষ করে একসঙ্গে অনেক বেশি আম খাওয়া পাকস্থলীর ওপর বাড়তি চাপ সৃষ্টি করে।

আমে পটাশিয়ামের পরিমাণ তুলনামূলক বেশি। কিডনি রোগীদের শরীর অনেক সময় অতিরিক্ত পটাশিয়াম স্বাভাবিকভাবে বের করতে পারে না। ফলে তাদের ক্ষেত্রে চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া বেশি আম খাওয়া উচিত নয়।

অতিরিক্ত আম খাওয়ার ফলে শরীরে তাপ বৃদ্ধি পেতে পারে বলে অনেকের ধারণা। এর ফলে কিছু মানুষের ক্ষেত্রে ব্রণ বা ত্বকের অস্বস্তি দেখা দিতে পারে।

বর্তমানে অনেক আম কৃত্রিমভাবে পাকানো হয়। তাই বাজার থেকে আনা আম সরাসরি না খেয়ে ভালোভাবে ধুয়ে কিছু সময় পরিষ্কার পানিতে ভিজিয়ে রাখা ভালো। এতে ফলের গায়ে থাকা রাসায়নিকের কিছুটা প্রভাব কমে যেতে পারে।

আম একটি পুষ্টিকর ও সুস্বাদু ফল। তবে যেকোনো ভালো জিনিসের মতোই এর ক্ষেত্রেও পরিমিতি জরুরি। সুস্থ মানুষের জন্য দিনে একটি থেকে দুটি আম সাধারণত নিরাপদ ধরা হয়। তবে ডায়াবেটিস, কিডনি রোগ বা ওজন নিয়ন্ত্রণের সমস্যা থাকলে অবশ্যই চিকিৎসক বা পুষ্টিবিদের পরামর্শ মেনে আম খাওয়া উচিত।

সূত্র: বিবিসি, হেলথলাইন, ইন্ডিয়া টুডে

জাগো নিউজ ২৪সূত্র

ফল

সম্পর্কিত খবর

ফল

যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি চারটি তাজা আপেলের একটি যায় বিদেশে, রপ্তানি আয় রেকর্ড

২০২৫/২৬ বিপণন বছরে যুক্তরাষ্ট্র ১৮৭ কোটি পাউন্ড তাজা আপেল রপ্তানি করেছে, যা মোট তাজা উৎপাদনের প্রায় ২৬ শতাংশ। রপ্তানি আয় রেকর্ড ১১৬ কোটি ডলারে পৌঁছেছে; বড় ক্রেতা মেক্সিকো ও কানাডা।

ers_usda১৬ অক্টোবর ২০২৬১ মিনিটের পড়া
ফল

রাজবাড়ীর বাজিতপুরে দুই একরে চার হাজার ড্রাগন গাছ, দিনে উঠছে ৫০ মণ ফল

রাজবাড়ী সদরের বসন্তপুর ইউনিয়নের বাজিতপুরে জেলার সবচেয়ে বড় ড্রাগন বাগানে গাছপ্রতি ১০-১২ কেজি ফল ধরেছে; ভরা মৌসুমে দিনে প্রায় দুই হাজার কেজি ফল উঠছে, পাইকারি দর কেজি ১৫০ টাকা।

ঢাকা মেইল১৫ অক্টোবর ২০২৬১ মিনিটের পড়া
ফল

আপেলগাছের গোড়ায় লালচে গুঁড়া? সতর্ক করছে বিরল কাণ্ড ছিদ্রকারী পোকা

কানাডার ম্যানিটোবার কৃষি বিভাগ ফলচাষিদের রাউন্ডহেডেড অ্যাপল ট্রি বোরার নিয়ে সতর্ক থাকতে বলছে। এই লম্বা-শুঙ্গ গুবরে পোকার কীড়া জীবন্ত আপেল ও সাস্কাটুন গাছের ভেতরে তিন বছর পর্যন্ত সুড়ঙ্গ কাটে; কাণ্ডের গোড়ায় লালচে গুঁড়াই সবচেয়ে স্পষ্ট লক্ষণ।

Manitoba Co-operator১৫ অক্টোবর ২০২৬২ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

(০)