সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮—আদা - আমদানিকৃত১৬৭—আদা - দেশী১৫৪—আমন চাল - মাঝারি৫৬—আমন চাল - মোটা৪৮—আমন চাল - সরু৭২—আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২—কাঁচা মরিচ২১৮—খামারের মুরগী১৬২—খাসী৯০০—চিনি (দেশী)১৩২—ছোলা - গোটা৮৫—ডিম ফার্ম - লাল৪৭—পেঁয়াজ - দেশী৬০—বোরো চাল - মাঝারি৫৫—বোরো চাল - মোটা৪৭—বোরো চাল - সরু৬৬—মাংসঃ– গরু৭২৯—মুগ ডাল১২২—রসুন - আমদানিকৃত১৯২—রসুন - দেশী১৭৩—সয়াবিন তেল১৬৩—
হালনাগাদ ১৬ অক্টোবর ২০২৬
ঢাকা২৬°পরিষ্কার আকাশআর্দ্রতা ৭৪%বাতাস ৩ কিমি/ঘ

রাস্তার পাশের শরবত ও ফলের রস কতটা নিরাপদ

ঢাকার গরমে হাঁটতে হাঁটতে হঠাৎ চোখে পড়ে বরফ ঠান্ডা শরবত - লাল, সবুজ, হলুদ রঙের আকর্ষণীয় পানীয়। ক্লান্ত শরীর, শুকনো গলায় এক গ্লাস শরবত যেন মুহূর্তেই স্বস্তি এনে দেয়। অল্প দামে সহজলভ্য হওয়ায় পথচারীদের কাছে এগুলো খুবই জনপ্রিয়। কিন্তু প্রশ্ন হলো, এই শরবত ও ফলের রস কতটা নিরাপদ?

ঢাকার গরমে হাঁটতে হাঁটতে হঠাৎ চোখে পড়ে বরফ ঠান্ডা শরবত - লাল, সবুজ, হলুদ রঙের আকর্ষণীয় পানীয়। ক্লান্ত শরীর, শুকনো গলায় এক গ্লাস শরবত যেন মুহূর্তেই স্বস্তি এনে দেয়। অল্প দামে সহজলভ্য হওয়ায় পথচারীদের কাছে এগুলো খুবই জনপ্রিয়। কিন্তু প্রশ্ন হলো, এই শরবত ও ফলের রস কতটা নিরাপদ?

রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় সাধারণত লেবুর শরবত, বেলের শরবত, আখের রস, তরমুজ বা পেঁপের জুস বেশি দেখা যায়। অনেক বিক্রেতা এগুলোর সঙ্গে চিনি, লবণ, বরফ, তোকমা দানা, কখনো কৃত্রিম রঙ বা ফ্লেভার মিশিয়ে স্বাদ বাড়ান। কিছু ক্ষেত্রে সিরাপ বা মিষ্টি ঘন দ্রবণও ব্যবহার করা হয়, যার মান বা উপাদান সম্পর্কে ক্রেতাদের কোনো ধারণা থাকে না।

এসব শরবতের মূল উপাদান - ফল - স্বাস্থ্যকর হলেও সমস্যা তৈরি হয় প্রস্তুত প্রক্রিয়ায়। বেশিরভাগ সময় ফলগুলো খোলা অবস্থায় রাখা হয়, ফলে সহজেই ধুলোবালি ও দূষণের সংস্পর্শে আসে। অনেক ক্ষেত্রে ফল ভালোভাবে না ধুয়েই কাটা হয়। একই ছুরি বা ব্লেন্ডার বারবার ব্যবহার করা হলেও তা ঠিকমতো পরিষ্কার করা হয় না, যা জীবাণু ছড়ানোর বড় কারণ হতে পারে।

সবচেয়ে বড় উদ্বেগের বিষয় হলো পানির মান। শরবত তৈরিতে যে পানি ব্যবহার করা হয়, তা অধিকাংশ ক্ষেত্রেই ফুটানো বা বিশুদ্ধ করা থাকে না। অনেক সময় রাস্তার কলের পানি বা অজানা উৎসের পানি ব্যবহার করা হয়। একইভাবে ব্যবহৃত বরফও অনেক সময় অপরিষ্কার পানিতে তৈরি হয়। ফলে পানির মাধ্যমেই শরীরে ক্ষতিকর জীবাণু প্রবেশের ঝুঁকি থাকে।

এ ধরনের পানীয় খাওয়ার ফলে ডায়রিয়া, টাইফয়েড, জন্ডিসসহ নানা পানিবাহিত রোগ হতে পারে। বিশেষ করে শিশু, বয়স্ক এবং যাদের রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা কম, তাদের জন্য এই ঝুঁকি আরও বেশি।

তবে সব রাস্তার শরবত যে একেবারেই অস্বাস্থ্যকর, তা নয়। কিছু বিক্রেতা পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার দিকে খেয়াল রাখেন। কিন্তু বাইরে থেকে তা সবসময় বোঝা যায় না। তাই সচেতন থাকাই সবচেয়ে বড় সুরক্ষা।

শরবত খাওয়ার আগে কয়েকটি বিষয় খেয়াল করা জরুরি - পানি ও বরফের উৎস পরিষ্কার কি না, ফল ধোয়া হয়েছে কি না, গ্লাস ও যন্ত্রপাতি পরিষ্কার আছে কি না। এসব বিষয়ে সন্দেহ হলে না খাওয়াই ভালো।

গরমে তৃষ্ণা মেটাতে রাস্তার শরবত সহজ সমাধান মনে হলেও, এর পেছনে লুকিয়ে থাকতে পারে স্বাস্থ্যঝুঁকি। তাই নিরাপদ থাকতে হলে সম্ভব হলে বাসা থেকে পানি বা নিজের তৈরি শরবত সঙ্গে রাখাই সবচেয়ে ভালো অভ্যাস।

সূত্র: বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা, আইসিডিডিআরবি, বাংলাদেশ জনস্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট

জাগো নিউজ ২৪সূত্র

ফল

সম্পর্কিত খবর

ফল

যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি চারটি তাজা আপেলের একটি যায় বিদেশে, রপ্তানি আয় রেকর্ড

২০২৫/২৬ বিপণন বছরে যুক্তরাষ্ট্র ১৮৭ কোটি পাউন্ড তাজা আপেল রপ্তানি করেছে, যা মোট তাজা উৎপাদনের প্রায় ২৬ শতাংশ। রপ্তানি আয় রেকর্ড ১১৬ কোটি ডলারে পৌঁছেছে; বড় ক্রেতা মেক্সিকো ও কানাডা।

ers_usda১৬ অক্টোবর ২০২৬১ মিনিটের পড়া
ফল

রাজবাড়ীর বাজিতপুরে দুই একরে চার হাজার ড্রাগন গাছ, দিনে উঠছে ৫০ মণ ফল

রাজবাড়ী সদরের বসন্তপুর ইউনিয়নের বাজিতপুরে জেলার সবচেয়ে বড় ড্রাগন বাগানে গাছপ্রতি ১০-১২ কেজি ফল ধরেছে; ভরা মৌসুমে দিনে প্রায় দুই হাজার কেজি ফল উঠছে, পাইকারি দর কেজি ১৫০ টাকা।

ঢাকা মেইল১৫ অক্টোবর ২০২৬১ মিনিটের পড়া
ফল

আপেলগাছের গোড়ায় লালচে গুঁড়া? সতর্ক করছে বিরল কাণ্ড ছিদ্রকারী পোকা

কানাডার ম্যানিটোবার কৃষি বিভাগ ফলচাষিদের রাউন্ডহেডেড অ্যাপল ট্রি বোরার নিয়ে সতর্ক থাকতে বলছে। এই লম্বা-শুঙ্গ গুবরে পোকার কীড়া জীবন্ত আপেল ও সাস্কাটুন গাছের ভেতরে তিন বছর পর্যন্ত সুড়ঙ্গ কাটে; কাণ্ডের গোড়ায় লালচে গুঁড়াই সবচেয়ে স্পষ্ট লক্ষণ।

Manitoba Co-operator১৫ অক্টোবর ২০২৬২ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

(০)