সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮—আদা - আমদানিকৃত১৬৭—আদা - দেশী১৫৪—আমন চাল - মাঝারি৫৬—আমন চাল - মোটা৪৮—আমন চাল - সরু৭২—আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২—কাঁচা মরিচ২১৮—খামারের মুরগী১৬২—খাসী৯০০—চিনি (দেশী)১৩২—ছোলা - গোটা৮৫—ডিম ফার্ম - লাল৪৭—পেঁয়াজ - দেশী৬০—বোরো চাল - মাঝারি৫৫—বোরো চাল - মোটা৪৭—বোরো চাল - সরু৬৬—মাংসঃ– গরু৭২৯—মুগ ডাল১২২—রসুন - আমদানিকৃত১৯২—রসুন - দেশী১৭৩—সয়াবিন তেল১৬৩—
হালনাগাদ ১৬ অক্টোবর ২০২৬
ঢাকা২৬°পরিষ্কার আকাশআর্দ্রতা ৭৪%বাতাস ৩ কিমি/ঘ

শবে বরাতের আয়োজনে ঘরে খেজুরের হালুয়া বানানোর সহজ পদ্ধতি

২০২৬ সালের ৩ ফেব্রুয়ারি শবে বরাতের আগের দিন জাগো নিউজের লাইফস্টাইল ডেস্ক সেদ্ধ ও ব্লেন্ড করা খেজুর, ঘি, এক চামচ চিনি, কিশমিশ, বাদাম আর গোলাপজল দিয়ে নরম খেজুরের হালুয়া বানানোর ঘরোয়া রেসিপি প্রকাশ করে।

শবে বরাতের আয়োজনে ঘরে খেজুরের হালুয়া বানানোর সহজ পদ্ধতি
রান্নাবান্না

২০২৬ সালের ২ ফেব্রুয়ারি, শবে বরাতের আগের দিন, অনলাইন সংবাদমাধ্যম জাগো নিউজ ২৪-এর লাইফস্টাইল ডেস্ক খেজুরের হালুয়া বানানোর একটি ছোট রেসিপি প্রকাশ করে। ঘিয়ে খেজুর জ্বাল দিয়ে বানানো এই নরম মিষ্টির রেসিপিটি ছাপা হয়েছিল সংবাদমাধ্যমটির ‘শবে বরাত স্পেশাল’ আয়োজনে, ছোলার ডালের হালুয়া ও লাউয়ের হালুয়ার রেসিপির পাশাপাশি। রেসিপিতে বলা হয়, এভাবে খেজুরের স্বাদ ও পুষ্টি বজায় রেখে নরম ও মোলায়েম হালুয়া বানানো যায়।

রেসিপিতে লেখা হয়, বাংলাদেশের মিষ্টির রসিকেরা খেজুরের স্বাদ খুবই পছন্দ করেন; সন্ধ্যার আড্ডায় বা উৎসবের দিনে এক কাপ চায়ের সঙ্গে খেজুরের হালুয়া মন ভরিয়ে দেয়। তৈরি করতে লাগে পাঁচটি উপকরণ, একটি পাত্র আর একটি ব্লেন্ডার। নিচে জাগো নিউজের প্রকাশিত রেসিপিটি তুলে ধরা হলো। এরপর রয়েছে যে উৎসব উপলক্ষে রেসিপিটি লেখা, সেই শবে বরাত, হালুয়া নামের মিষ্টি, খেজুরগাছ ও খেজুর ফল, রমজানের আগে খেজুরের বাজার এবং এ ধরনের মিষ্টির চিনি ও চর্বি নিয়ে স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষের পরামর্শ।

উপকরণ


রেসিপিতে পাঁচটি উপকরণের কথা বলা হয়েছে। কতজনের জন্য, তা বলা নেই; বাংলাদেশের ঘরোয়া রান্নার রীতি অনুযায়ী মাপ দেওয়া হয়েছে কাপ ও চামচে।

  • খেজুর: ২ কাপ
  • চিনি: ১ টেবিল চামচ
  • ঘি: ২ টেবিল চামচ
  • কিশমিশ ও বাদাম: ২ টেবিল চামচ
  • গোলাপজল: ১ চা-চামচ

খেজুরের তুলনায় যোগ করা চিনির পরিমাণ সামান্য; পদটির মিষ্টতা আসে মূলত ফল থেকেই। রেসিপিতে খেজুরের কোনো নির্দিষ্ট জাত বা বাদামের ধরন উল্লেখ করা হয়নি, সে পছন্দ রাঁধুনির ওপর ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।

তৈরির পদ্ধতি, ধাপে ধাপে


  • প্রথমে খেজুরের বিচি ফেলে খেজুর সেদ্ধ করে নিন।
  • সেদ্ধ খেজুর ব্লেন্ড করে পেস্ট বানান।
  • এবার সব উপকরণ একসঙ্গে পাত্রে নিয়ে চুলায় নাড়তে থাকুন; খেয়াল রাখুন মিশ্রণ যেন পাত্রের নিচে লেগে না যায়।
  • পানি শুকিয়ে এলে গোলাপজল দিয়ে আরও কয়েক মিনিট নেড়ে চুলার আগুন নিভিয়ে দিন।
  • খেজুরের হালুয়া পরিবেশনের জন্য তৈরি।

খেজুর জ্বাল দিয়ে মিষ্টি পেস্ট বানানোর যে পদ্ধতি দেশের অন্য সংবাদপত্রে ছাপা হয়েছে, তার সঙ্গে এই ধাপগুলো মেলে। যেমন, ২০২৫ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি দেশ রূপান্তরে প্রকাশিত শবে বরাতের মিষ্টির আয়োজনে খেজুরের রোলের রেসিপিতে বলা হয় খেজুর ধুয়ে বিচি ফেলে ব্লেন্ড করতে, ঘিয়ে বাদাম কুচি হালকা ভেজে নিতে, তারপর ব্লেন্ড করা খেজুর দিয়ে ভালো করে নাড়তে থাকতে, যতক্ষণ না মিশ্রণটা শক্ত হয়ে পাত্রের গা থেকে উঠে আসে। পেস্ট যখন আর পাত্রে লেগে থাকে না, সেটিই বোঝার ব্যবহারিক উপায় যে পানি শুকিয়ে গেছে।

ঘন ও মিষ্টি পেস্ট সহজেই পাত্রের তলায় ধরে যায়, তাই অনবরত নাড়া জরুরি; জাগো নিউজের রেসিপিতেও এটিই একমাত্র সতর্কতা। গোলাপজল দেওয়া হয় একেবারে শেষে, পানি শুকিয়ে যাওয়ার পর। গোলাপজল হলো গোলাপের পাপড়ি থেকে তৈরি সুগন্ধি পানি, যা প্রায়ই গোলাপের তেল পাতনের উপজাত হিসেবে পাওয়া যায়। দক্ষিণ এশিয়ার রান্নায় লাড্ডু, গোলাপজাম ও পেড়ার মতো মিষ্টিতে এবং পায়েসের মতো দুধের পদে এটি একটি পরিচিত উপকরণ।

শবে বরাত ও হালুয়া-রুটির রীতি


হিজরি বর্ষপঞ্জির অষ্টম মাস শাবানের ১৫ তারিখের রাতে শবে বরাত পালিত হয়। বাংলাদেশের জাতীয় জ্ঞানকোষ বাংলাপিডিয়া জানায়, ফারসি এই নামটি শব (রাত) ও বরাত (ভাগ্য বা দায়িত্ব নির্ধারণ) শব্দ মিলে তৈরি; আরবিতে রাতটি লাইলাতুল বারাআত নামে পরিচিত। উপমহাদেশে রাতটি সৌভাগ্যের রাত হিসেবে পালিত হয়। অনেক মুসলিম মসজিদে গিয়ে রাতভর ইবাদত করেন, অনেকে দিনে রোজা রাখেন; বাংলাপিডিয়া উল্লেখ করেছে, এই রোজা ঐচ্ছিক।

২০২৬ সালে তারিখটি নির্ভর করছিল চাঁদ দেখার ওপর। প্রথম আলোর প্রতিবেদন অনুযায়ী, ১৯ জানুয়ারি ঢাকায় বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের সভাকক্ষে ধর্ম মন্ত্রণালয়ের সচিবের সভাপতিত্বে জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটির সভায় জানানো হয়, ১৪৪৭ হিজরির শাবান মাসের চাঁদ বাংলাদেশের আকাশে কোথাও দেখা যায়নি। ফলে রজব মাস ৩০ দিন পূর্ণ হয়, শাবান শুরু হয় ২১ জানুয়ারি, আর শবে বরাত নির্ধারিত হয় ৩ ফেব্রুয়ারি মঙ্গলবার দিবাগত রাতে। সব জেলা প্রশাসন, ইসলামিক ফাউন্ডেশনের প্রধান কার্যালয় ও বিভাগীয়-জেলা কার্যালয়, বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর এবং মহাকাশ গবেষণা ও দূর অনুধাবন প্রতিষ্ঠান (স্পারসো) থেকে পাওয়া তথ্য পর্যালোচনা করে কমিটি এই সিদ্ধান্ত নেয়। এর আগে ২০২৫ সালের ৯ নভেম্বর প্রকাশিত ২০২৬ সালের সরকারি ছুটির তালিকায় চাঁদ দেখা সাপেক্ষে ৪ ফেব্রুয়ারি নির্বাহী আদেশে শবে বরাতের ছুটি রাখা হয়েছিল।

বাংলাদেশে রাতটি পালনের বড় অংশ জুড়ে আছে খাবার। বাংলাপিডিয়া লিখেছে, এ উপলক্ষে মানুষ রুটি ও নানা রকম মিষ্টি তৈরি করে প্রতিবেশী ও দরিদ্রদের মধ্যে বিতরণ করেন। ২০১৫ সালের জুনে দ্য ডেইলি স্টারে প্রকাশিত পুরান ঢাকা নিয়ে একটি ফিচারে রুটি ও হালুয়াকে শবে বরাতের ঐতিহ্যবাহী খাবার বলা হয়, যা ঘরে ঘরে প্রতিবেশী ও আত্মীয়দের কাছে পাঠানো হয়, আর প্রচলিত রীতি অনুযায়ী পাঠানো হয় ছেলেমেয়ের শ্বশুরবাড়িতেও। পুরান ঢাকার বেকারিগুলোতে বিক্রি হতো ডিমের, সুজির, বুটের ও নেসেস্তার হালুয়া, সঙ্গে গাজরের হালুয়া; মাছের আকৃতির রুটিকে সেখানে উৎসবের বহু পুরোনো ঐতিহ্য বলা হয়েছে, আর বিক্রি শুরু হতো শবে বরাতের এক দিন আগে থেকেই।

খেজুরের হালুয়াও উৎসবের এই ঘরোয়া মিষ্টিরই একটি, তবে এর ভিত্তি আলাদা। সুজি বা বুটের হালুয়া শুরু হয় শস্য বা ডাল ঘিয়ে ভেজে চিনি দিয়ে মিষ্টি করে; খেজুরের হালুয়া শুরু হয় এমন একটি ফল দিয়ে, যা নিজেই মিষ্টি। সে কারণেই জাগো নিউজের রেসিপিতে চিনি লাগে মাত্র এক টেবিল চামচ।

শবে বরাত উপলক্ষে তৈরি নকশা করা রুটি, ২০১৫ সালের জুনে ঢাকার খিলগাঁওয়ে তোলা। ছবি: FaysaLBinDaruL / উইকিমিডিয়া কমন্স (CC BY-SA 4.0)
শবে বরাত উপলক্ষে তৈরি নকশা করা রুটি, ২০১৫ সালের জুনে ঢাকার খিলগাঁওয়ে তোলা। ছবি: FaysaLBinDaruL / উইকিমিডিয়া কমন্স (CC BY-SA 4.0)

হালুয়া কী


হালুয়া (হালভা বা হালওয়া নামেও লেখা হয়) হলো উত্তর আফ্রিকা ও বলকান অঞ্চল থেকে পশ্চিম ও মধ্য এশিয়া হয়ে দক্ষিণ এশিয়া পর্যন্ত প্রচলিত ঘন মিষ্টির একটি বড় পরিবার। বিশ্বকোষীয় সূত্র অনুযায়ী, শব্দটি ফারসি ও অটোমান তুর্কি হয়ে এসেছে আরবি থেকে; এর মূল ধাতু ‘হ-ল-ও’-র অর্থ মিষ্টি। একই সূত্র জানায়, সপ্তম শতকে আরব উপদ্বীপে শব্দটি দিয়ে বোঝানো হতো দুধে মাখানো খেজুরের পেস্ট; নবম শতকের মধ্যে শব্দটি নানা রকম মিষ্টির ক্ষেত্রে ব্যবহার হতে থাকে, যার মধ্যে আছে আজকের পরিচিত সুজি বা ময়দার রান্না করা পেস্টও। হালুয়ার প্রথম পূর্ণাঙ্গ রেসিপি পাওয়া যায় ত্রয়োদশ শতকের আরবি রান্নার বই ‘কিতাব আল-তাবিখ’-এ (খাবারের বই)।

বেশির ভাগ হালুয়াই তৈরি হয় কোনো একটি ভিত্তি উপাদান চর্বিতে রান্না করে মিষ্টি মিশিয়ে। শস্যভিত্তিক হালুয়ায় ময়দা বা সুজি তেলে বা মাখনে ভেজে তারপর চিনি ও পানি বা দুধ দিয়ে রান্না করা হয়; বিশ্বকোষে বাংলাদেশের উদাহরণ হিসেবে সুজির হালুয়ার নাম আছে। তিলের পেস্ট (তাহিনি) আর চিনি বা মধু দিয়ে তৈরি তিলের হালুয়া ভূমধ্যসাগরীয় অঞ্চলে বেশি পরিচিত; এর গঠন বাংলার নরম, চামচে তোলা হালুয়ার চেয়ে শুকনো ও ঝুরঝুরে।

বাংলায় মিষ্টি বহুকাল ধরে সামাজিক ও ধর্মীয় জীবনের অংশ। বাংলাপিডিয়ার ‘মিষ্টান্ন’ ভুক্তি জানায়, জন্ম, বাগদান, বিয়ে বা পরীক্ষায় সাফল্যের মতো উপলক্ষে বাঙালিরা প্রতিবেশী ও আত্মীয়দের মধ্যে মিষ্টি বিতরণ করেন, আর মিষ্টির স্বাদ ও সাজের জন্য ব্যবহার হয় তেজপাতা, এলাচ গুঁড়া, কিশমিশ ও কাজুবাদাম; খেজুরের হালুয়ার রেসিপিতেও এ ধরনের উপকরণই সাজে লাগে। জ্ঞানকোষটি আরও লিখেছে, আগের দিনে বাঙালিরা অতিথি আপ্যায়ন করতেন আখ, তাল বা খেজুরের রস জ্বাল দিয়ে তৈরি গুড় দিয়ে, আর গুড়ের সঙ্গে নারকেল, চিড়া বা মুড়ি মিশিয়ে ঘরে নানা মিষ্টি বানাতেন।

খেজুরগাছ ও খেজুর ফল


হালুয়ায় যে শুকনো খেজুর ব্যবহার হয়, তা আসে খেজুরগাছের (Phoenix dactylifera) ফল থেকে। জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থা (এফএও) ২০০২ সালে প্রকাশিত ‘ডেট পাম কাল্টিভেশন’ (প্ল্যান্ট প্রোডাকশন অ্যান্ড প্রোটেকশন পেপার ১৫৬) নির্দেশিকায় জানায়, প্রজাতির নামের অংশটি এসেছে গ্রিক ‘দাকতুলোস’ (আঙুল) শব্দ থেকে, যা ফলের আকৃতি বোঝায়। এফএও খেজুরগাছকে সম্ভবত পৃথিবীর সবচেয়ে প্রাচীন চাষ করা গাছ বলেছে: খ্রিস্টপূর্ব ৪০০০ সালেই এর চাষ হতো, তখন দক্ষিণ ইরাকের উর নগরীর কাছে একটি মন্দির নির্মাণে এর কাঠ ব্যবহার হয়েছিল।

ওই প্রকাশনার সময়ে এফএও-র হিসাবে বিশ্বে ৩০টি দেশে প্রায় ১০ কোটি খেজুরগাছ ছিল, যা থেকে বছরে ২৫ লাখ থেকে ৪০ লাখ টন ফল পাওয়া যেত। এশিয়ায় ছিল প্রায় ৬ কোটি গাছ, আফ্রিকায় ৩ কোটি ২৫ লাখ। শীর্ষে ছিল ইরাক, ২ কোটি ২০ লাখ গাছ; এরপর ইরান ২ কোটি ১০ লাখ, সৌদি আরব ১ কোটি ২০ লাখ, আলজেরিয়া ৯০ লাখ, আর মিসর ও লিবিয়া ৭০ লাখ করে। মৃত সাগরের তীরে সমুদ্রপৃষ্ঠের ৩৯২ মিটার নিচ থেকে শুরু করে সমুদ্রপৃষ্ঠের ১,৫০০ মিটার ওপর পর্যন্ত এই গাছ জন্মায়।

মরক্কোর মেরজুগার আর্গ শেব্বিতে একটি খেজুরগাছ (Phoenix dactylifera), ২০০৬ সালের এপ্রিলে তোলা। ছবি: MPF / উইকিমিডিয়া কমন্স (CC BY 2.5)
মরক্কোর মেরজুগার আর্গ শেব্বিতে একটি খেজুরগাছ (Phoenix dactylifera), ২০০৬ সালের এপ্রিলে তোলা। ছবি: MPF / উইকিমিডিয়া কমন্স (CC BY 2.5)

খেজুর পাকার বিভিন্ন পর্যায়ে তোলা হয়, আর কোন পর্যায়ে তোলা হলো, তা ঠিক করে ফলটি কীভাবে বিক্রি হবে। এফএও তিনটি পর্যায়ের কথা বলেছে। ‘খালাল’ পর্যায়ে ফল শারীরবৃত্তীয়ভাবে পরিপক্ব, শক্ত ও কচকচে, উজ্জ্বল হলুদ বা লাল, আর এতে আর্দ্রতা থাকে ৫০ থেকে ৮৫ শতাংশ। ‘রুতাব’ পর্যায়ে ফল আংশিক বাদামি ও নরম, আর্দ্রতা ৩০ থেকে ৪৫ শতাংশ। ‘তামার’ পর্যায়ে রং হয় অ্যাম্বার থেকে গাঢ় বাদামি, আর্দ্রতা নেমে আসে ২৫ শতাংশের নিচে, এমনকি ১০ শতাংশ বা তারও কমে। খালাল ও রুতাব খেজুর দ্রুত নষ্ট হয়। পোকামাকড় থেকে সুরক্ষিত রাখলে তামার খেজুর বিশেষ ব্যবস্থা ছাড়াই দীর্ঘদিন রাখা যায়; তাই সারা বছর বিক্রি হওয়া শুকনো খেজুর এটিই, আর কেক, সস, খেজুরের পেস্টসহ নানা পণ্যে এটিই ব্যবহৃত হয়। দেগলেত নুর ও মেডজুল রুতাব পর্যায়ে তোলা প্রধান বাণিজ্যিক জাত।

এফএও আরও জানায়, ফসলের বড় অংশ, বিশেষ করে তামার খেজুর, সারা বছর ধরে বাজারজাত হয়, কখনো কখনো এক বছর পেরিয়ে যাওয়ার পরও; এর একটি কারণ, মুসলিমদের রোজার মাস রমজান ফসল তোলার সময়ের কাছাকাছি পড়লে চাহিদা বাড়ে। এফএও-র খেজুরজাত পণ্যের তালিকায় আছে বিচি ছাড়ানো আস্ত খেজুর, খেজুরের পেস্ট, জ্যাম ও সংরক্ষিত খেজুর, মিষ্টি এবং খেজুরের ডেজার্ট; ঘরে বানানো খেজুরের হালুয়া এই পরিবারেরই অংশ।

দুটি শুকনো খেজুর: বাঁয়ে মেডজুল, ডানে খাদরাভি জাতের খেজুর। ছবি: J.P.Lon / উইকিমিডিয়া কমন্স (CC BY-SA 4.0)
দুটি শুকনো খেজুর: বাঁয়ে মেডজুল, ডানে খাদরাভি জাতের খেজুর। ছবি: J.P.Lon / উইকিমিডিয়া কমন্স (CC BY-SA 4.0)

দেশি খেজুরগাছ এবং কাঁচা রসের ঝুঁকি


বাংলাদেশের গ্রামের খেজুরগাছ ভিন্ন প্রজাতির। বাংলাপিডিয়া একে বুনো খেজুর (Phoenix sylvestris) বলেছে, যার কদর ফলের চেয়ে রসের জন্য বেশি; জ্ঞানকোষটির ভাষায়, এর ফল গৌণ হলেও জনপ্রিয়। বিশ্বকোষীয় সূত্র অনুযায়ী প্রজাতিটি দক্ষিণ পাকিস্তান, ভারতের বেশির ভাগ অঞ্চল, নেপাল, ভুটান, মিয়ানমার ও বাংলাদেশের স্থানীয় গাছ; উচ্চতা ৪ থেকে ১৫ মিটার, আর এর একবীজী ফল পেকে বেগুনি-লাল রং ধরে।

বাংলাপিডিয়া জানায়, গাছিরা মধ্য নভেম্বর থেকে মধ্য মার্চ পর্যন্ত গাছের মাথার নরম অংশ চেঁছে রস সংগ্রহ করেন; সরু বাঁশের নল দিয়ে সারা রাত রস ঝরে হাঁড়িতে জমে। রস নেওয়া হয় ছয় দিনের চক্রে। প্রথম রাতের রস ‘জিরান’ মিষ্টতা ও পরিমাণে সবচেয়ে ভালো, দ্বিতীয় রাতের রস ‘দোকাট’ তার পরে, তৃতীয় রাতের রস ‘ঝরা’ সবচেয়ে কম মিষ্টি; এরপর গাছকে তিন দিন বিশ্রাম দেওয়া হয়। একটি সুস্থ গাছ দিনে গড়ে প্রায় ৬ লিটার রস দেয়, সবচেয়ে বেশি পাওয়া যায় ডিসেম্বর ও জানুয়ারিতে। রস জ্বাল দিয়ে তৈরি হয় খেজুরের গুড়; যশোরের খেজুর গুড় আর মাদারীপুরের হাজারি গুড় বিখ্যাত। খেজুরগাছে সাধারণত সাত বছরে ফল ধরে এবং ৩০ থেকে ৪০ বছর ধরে চলে, আর এক বিঘা জমিতে প্রায় ১০০টি গাছ লাগানো যায়।

কাঁচা খেজুরের রসে মারাত্মক ঝুঁকি আছে। ২০২৬ সালের ২৯ জানুয়ারি হালনাগাদ করা বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার নিপাহ ভাইরাস বিষয়ক তথ্যপত্রে বলা হয়েছে, আক্রান্ত বাদুড়ের সংস্পর্শে দূষিত ফল বা ফলজাত খাবার, যেমন কাঁচা খেজুরের রস খেয়ে মানুষ সংক্রমিত হতে পারে। ২০০১ সাল থেকে বাংলাদেশে প্রায় প্রতিবছরই নিপাহর প্রাদুর্ভাব দেখা দিয়েছে, আর সংস্থাটির হিসাবে এতে মৃত্যুহার ৪০ থেকে ৭৫ শতাংশ। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা রস সংগ্রহের জায়গা আবরণ দিয়ে ঢেকে বাদুড় দূরে রাখা এবং সদ্য সংগ্রহ করা খেজুরের রস ফুটিয়ে নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছে। কাঁচা খেজুরের রস খাবেন না। এই রেসিপির হালুয়া তৈরি হয় শুকনো খেজুর সেদ্ধ করে রান্না করে, রস দিয়ে নয়।

২০২৬ সালের রমজানের আগে খেজুরের বাজার


২০২৬ সালে শবে বরাত এসেছিল রমজানের প্রায় দুই সপ্তাহ আগে। দ্য ডেইলি স্টার ২০২৬ সালের ২৮ জানুয়ারি প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে জানায়, রমজান শুরু হওয়ার কথা ফেব্রুয়ারির তৃতীয় সপ্তাহে। পত্রিকাটি লিখেছে, রোজার মাসে সাধারণত মসুর ডাল, ভোজ্যতেল, ছোলা, পেঁয়াজ, আদা, খেজুর ও চিনির মতো কয়েকটি খাদ্যপণ্যের চাহিদা বাড়ে।

জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের তথ্য উদ্ধৃত করে প্রতিবেদনে বলা হয়, ২০২৫-২৬ অর্থবছরের প্রথম ছয় মাসে ব্যবসায়ীরা আগের বছরের একই সময়ের চেয়ে রমজানের এসব পণ্য বেশি আমদানি করেছেন। ঢাকার এক ফল আমদানিকারক পত্রিকাটিকে বলেন, আগের বছরের তুলনায় কম আমদানি শুল্ক ও ডলারের ভালো সরবরাহের কারণে খেজুর আমদানি স্বাভাবিকভাবে এগোচ্ছে। তাঁর ভাষ্য, ঋণপত্র খুলতে বড় কোনো সমস্যা হয়নি, যদিও ডলার-সংক্রান্ত বাড়তি খরচ আমদানি বিলে প্রভাব ফেলছে; তিনি আশা করেন, বিভিন্ন জাতের খেজুরের দাম কেজিপ্রতি গড়ে ৩০ থেকে ৩৫ টাকা কমবে। একই প্রতিবেদনে বাণিজ্য মন্ত্রণালয় জানায়, আমদানিনির্ভর নিত্যপণ্যের দামের ওঠানামা সীমিত রয়েছে।

খেজুরে কী আছে


এফএও খেজুরকে অত্যন্ত পুষ্টিকর ও শক্তিদায়ী ফল বলেছে। সংস্থাটির নির্দেশিকা অনুযায়ী, প্রতি কেজি খেজুরে ৩,০০০ ক্যালরির বেশি শক্তি থাকে, যেখানে কলায় ৯৭০ আর কমলায় ৪৮০। ফলটির প্রায় ৭০ শতাংশ শর্করা, যার বেশির ভাগই চিনি; জাত ও পাকার পর্যায়ভেদে পানি থাকে ১৫ থেকে ৩০ শতাংশ। শাঁসে চিনি থাকে ৬০ থেকে ৬৫ শতাংশ, আঁশ প্রায় আড়াই শতাংশ, আমিষ ২ শতাংশ, আর চর্বি, খনিজ ও পেকটিন প্রতিটি ২ শতাংশের কম। বেশির ভাগ জাতে চিনির প্রায় পুরোটাই গ্লুকোজ ও ফ্রুক্টোজ; ব্যতিক্রম দেগলেত নুর, যার চিনির প্রায় অর্ধেক সুক্রোজ। এফএও-র মতে খেজুর আয়রন, পটাশিয়াম ও ক্যালসিয়ামের ভালো উৎস, সোডিয়াম খুব কম (প্রতি ১০০ গ্রামে প্রায় ১ মিলিগ্রাম), আর প্রতি ১০০ গ্রামে আয়রন থাকে প্রায় ৩ মিলিগ্রাম।

যুক্তরাষ্ট্রের কর্নেল বিশ্ববিদ্যালয়ের এম এ আল-ফারসি ও সি ওয়াই লি ৮০টির বেশি গবেষণা পর্যালোচনা করে ২০০৮ সালে ক্রিটিক্যাল রিভিউস ইন ফুড সায়েন্স অ্যান্ড নিউট্রিশন সাময়িকীতে যে প্রবন্ধ প্রকাশ করেন, তাতেও প্রায় একই সিদ্ধান্ত এসেছে, তবে জাত ও পদ্ধতির ভিন্নতায় সংখ্যাগুলো কিছুটা আলাদা। পর্যালোচনায় দেখা যায়, খেজুরের শাঁসে চর্বি ও আমিষ কম, চিনি বেশি, যা মূলত ফ্রুক্টোজ ও গ্লুকোজ; ১০০ গ্রাম শাঁস থেকে গড়ে ৩১৪ কিলোক্যালরি শক্তি মেলে। প্রতি ১০০ গ্রামে খাদ্য-আঁশ ৮ গ্রাম, যার বেশির ভাগ অদ্রবণীয়; প্রধান খনিজ সেলেনিয়াম, তামা, পটাশিয়াম ও ম্যাগনেশিয়াম; প্রধান ভিটামিন বি-কমপ্লেক্স ও ভিটামিন সি; আর প্রধান অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ক্যারোটিনয়েড ও ফেনোলিক যৌগ।

অন্য উপকরণগুলো পরিমাণে কম, এগুলো মূলত স্বাদ ও চর্বি যোগ করে। ঘি হলো মাখন থেকে তৈরি পরিশোধিত চর্বি; বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস বিষয়ক নির্দেশনায় মাখন, লার্ড, ক্রিম, পনির, পাম ও নারকেল তেলের সঙ্গে ঘিকেও সম্পৃক্ত চর্বির উৎস হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। কিশমিশ হলো শুকনো আঙুর; ইংল্যান্ডের জাতীয় স্বাস্থ্যসেবা (এনএইচএস) প্রায় ৩০ গ্রাম শুকনো ফল, অর্থাৎ মোটামুটি এক টেবিল চামচ উঁচু করে কিশমিশকে এক পোরশন ফল হিসেবে গণ্য করে।

চিনি, চর্বি ও ডায়াবেটিস: স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষের পরামর্শ


২০২৬ সালের ২৬ জানুয়ারি হালনাগাদ করা বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস বিষয়ক তথ্যপত্রে দিনের মোট শক্তির ১০ শতাংশের কম ‘ফ্রি সুগার’ খাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। দিনে প্রায় ২,০০০ ক্যালরি খাওয়া স্বাভাবিক ওজনের একজন মানুষের জন্য এর পরিমাণ ৫০ গ্রাম, বা প্রায় ১২ সমান চা-চামচ; ৫ শতাংশ বা তার নিচে নামালে বাড়তি উপকার মিলতে পারে। সংস্থার সংজ্ঞায় ফ্রি সুগার হলো প্রস্তুতকারক, রাঁধুনি বা ভোক্তার খাবার ও পানীয়ে যোগ করা চিনি, সঙ্গে মধু, সিরাপ, ফলের রস ও ঘন ফলের রসে প্রাকৃতিকভাবে থাকা চিনি। একই নির্দেশনায় সম্পৃক্ত চর্বি থেকে মোট শক্তির ১০ শতাংশের বেশি না নেওয়ার কথা বলা হয়েছে।

এনএইচএস জানায়, আস্ত ফলে প্রাকৃতিকভাবে থাকা চিনি ফ্রি সুগার নয়, কিন্তু ফলের রস বের করলে বা ফল পিষে মণ্ড (পিউরি) করলে সেই চিনি ফ্রি সুগার হিসেবে গণ্য হয়। সে হিসাবে খেজুরের হালুয়ার মূল উপাদান ব্লেন্ড করা খেজুরের পেস্ট এবং এক টেবিল চামচ যোগ করা চিনি, দুটোই ফ্রি সুগার। এনএইচএসের পরামর্শ, প্রাপ্তবয়স্করা দিনে ৩০ গ্রামের বেশি ফ্রি সুগার খাবেন না; ৭ থেকে ১০ বছরের শিশুরা ২৪ গ্রামের বেশি নয়, ৪ থেকে ৬ বছরের শিশুরা ১৯ গ্রামের বেশি নয়। সংস্থাটি আরও সতর্ক করেছে, শুকনো ফলে চিনি বেশি থাকতে পারে এবং তা দাঁতের ক্ষতি করতে পারে; তাই দুই বেলার খাবারের মাঝে নাশতা হিসেবে না খেয়ে খাবারের সঙ্গে, যেমন ডেজার্ট হিসেবে খাওয়াই ভালো।

গ্লাইসেমিক ইনডেক্স নিয়ে গবেষণার কারণে কখনো কখনো খেজুরকে ডায়াবেটিস রোগীর উপযোগী বলা হয়। সংযুক্ত আরব আমিরাত বিশ্ববিদ্যালয়ের সি জে মিলার, ই ভি ডান ও আই বি হাশিম ২০০৩ সালে ইউরোপিয়ান জার্নাল অব ক্লিনিক্যাল নিউট্রিশনে প্রকাশিত গবেষণায় সুস্থ স্বেচ্ছাসেবীদের ওপর খালাস জাতের খেজুরের গ্লাইসেমিক ইনডেক্স মাপেন: রুতাব খেজুরে ৪৭.২, প্রচলিত পদ্ধতিতে সংরক্ষিত খেজুরে ৪৫.৩ এবং বাণিজ্যিক তামার খেজুরে ৩৫.৫; গবেষকেরা এগুলোকে নিম্ন বলেছেন। তবে সেটি ছিল একটি জাতের ওপর ছোট পরিসরের গবেষণা, খেজুর খাওয়া হয়েছিল এমনি বা দইয়ের সঙ্গে; ঘি ও বাড়তি চিনি দিয়ে রান্না করা মিষ্টি সেখানে পরীক্ষা করা হয়নি।

ডায়াবেটিস এখন খুবই সাধারণ রোগ। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার ২০২৪ সালের ১৪ নভেম্বরের তথ্যপত্র অনুযায়ী, ডায়াবেটিসে আক্রান্ত মানুষের সংখ্যা ১৯৯০ সালের ২০ কোটি থেকে বেড়ে ২০২২ সালে ৮৩ কোটিতে দাঁড়ায়; ওই বছর ১৮ বছর ও তার বেশি বয়সী মানুষের ১৪ শতাংশ ডায়াবেটিসে আক্রান্ত ছিলেন। সংস্থাটি বলছে, খাদ্যাভ্যাস, শারীরিক পরিশ্রম, ওষুধ এবং নিয়মিত পরীক্ষার মাধ্যমে ডায়াবেটিসের চিকিৎসা করা যায় এবং এর জটিলতা এড়ানো বা পিছিয়ে দেওয়া যায়। ডায়াবেটিস আছে, কিংবা কোনো রোগের কারণে বিশেষ খাদ্যতালিকা মেনে চলেন, এমন কেউ উৎসবের পাতে খেজুরের হালুয়া রাখার আগে খাবেন কি না এবং কতটুকু খাবেন, তা নিজের চিকিৎসক বা পুষ্টিবিদের কাছ থেকে জেনে নিন।

ছবি: Miansari66 / উইকিমিডিয়া কমন্স (CC0)

সূত্র: জাগো নিউজ ২৪, প্রথম আলো, দ্য ডেইলি স্টার, দেশ রূপান্তর, বাংলাপিডিয়া, জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থা (ডেট পাম কাল্টিভেশন, ২০০২), বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা, এনএইচএস, ক্রিটিক্যাল রিভিউস ইন ফুড সায়েন্স অ্যান্ড নিউট্রিশন (আল-ফারসি ও লি, ২০০৮), ইউরোপিয়ান জার্নাল অব ক্লিনিক্যাল নিউট্রিশন (মিলার, ডান ও হাশিম, ২০০৩), উইকিপিডিয়া (হালভা, গোলাপজল, Phoenix sylvestris)

অনলাইন ডেস্কদা এগ্রো নিউজ

রান্নাবান্না

সম্পর্কিত খবর

রান্নাবান্না

ঘরেই ক্যাফে-স্টাইলের ক্রিমি প্রন পাস্তা: উপকরণ আর রান্নার ধাপ

২৫০ গ্রাম পাস্তা, এক কাপ চিংড়ি, ১০০ গ্রাম চিজ, মেয়োনিজ আর দুধে তৈরি ঘন ক্রিমি সসে প্রন পাস্তা; সেদ্ধ থেকে পরিবেশন পর্যন্ত সময় লাগে অল্পই।

সারাবাংলা১৪ অক্টোবর ২০২৬১ মিনিটের পড়া
স্বাস্থ্য

প্রোটিন শেক কি খাবারের বিকল্প? কার কতটা প্রোটিন লাগে

প্রাপ্তবয়স্কের দৈনিক প্রতি কেজি ওজনে ০.৮ গ্রাম প্রোটিন লাগে, ৭০ কেজির মানুষের ৫৬ গ্রাম, যা সুষম খাবার থেকেই মেলে; প্রোটিন শেক দরকার কেবল যাঁদের চাহিদা খাবারে পূরণ হয় না।

প্রথম আলো১৪ অক্টোবর ২০২৬২ মিনিটের পড়া
রান্নাবান্না

মৌসুমি তালের পিউরিতে নরম কেক, ঘরে বানানোর সহজ রেসিপি

আধা কাপ তালের পিউরি, এক কাপ ময়দা, দুটি ডিম আর এক-তৃতীয়াংশ কাপ গুঁড়া দুধ ও তেলে ওভেনে ১৩০ ডিগ্রি সেলসিয়াসে ৩৫-৪০ মিনিটে তৈরি হয় তুলতুলে তালের কেক।

এগ্রিকেয়ার২৪১৪ অক্টোবর ২০২৬১ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

(০)