Skip to content
দা এগ্রো নিউজদা এগ্রো নিউজকৃষি ও কৃষকের সংবাদ
সাবস্ক্রাইব

ছোট্ট নদীতে মাছ আর পানি যেন সমান!

নিউইয়র্কের ফার রকওয়ের আরভারনিউ আবাসিক এলাকা। পাশেই ছোট্ট একটি নদী, সংযুক্ত আটলান্টিক মহাসাগরের সঙ্গে।নদীর পাড় থেকে অদূরেই দেখা যায় জন এফ কেনেডি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর।

বাংলা নিউজ ২৪২৬ অক্টোবর ২০২১ · ১ মিনিটের পড়া

নিউইয়র্কের ফার রকওয়ের আরভারনিউ আবাসিক এলাকা। পাশেই ছোট্ট একটি নদী, সংযুক্ত আটলান্টিক মহাসাগরের সঙ্গে।নদীর পাড় থেকে অদূরেই দেখা যায় জন এফ কেনেডি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর।

আরভারনিউ আবাসিক এলাকায় কয়েক ডজন বাংলাদেশি পরিবার বসবাস করে। তাদের মধ্যে একজন জাকির হোসেন বাবুল। অবসর পেলে শখ করে মাছ ধরেন ছোট্ট নদীটিতে। কখনো বড়শি, কখনো ঝাঁকি জাল আবার কখনো টানা জাল দিয়ে। কখনো একা আবার কখনো প্রতিবেশী বাংলাদেশিদের নিয়ে।

জাকির হোসেন বলেন, কখনো কখনো শুধু একবার জাল ফেললে পুরো বালতি মাছে ভরে যায়। নদীতে যেন মাছ আর পানি সমান!

জাকির হোসেনের স্ত্রী শিল্পী জাহান বলেন, আমরা মাছে ভাতে বাঙালি। গল্প শুনেছি বাংলাদেশের প্রাকৃতিক জলাশয়গুলোতে একসময় প্রচুর মাছ পাওয়া যেত। আর এখন এখানে দেখছি প্রচুর মাছ পাওয়া যায়।

শিল্পী জাহান বলেন, বাংলাদেশি পরিবারগুলোর কেউ মাছ ধরতে গেলে ফিরে এসে নিকটতম প্রতিবেশীকে মাছ উপহার দেন। অনেক সময় জোর করে উপহার দেন।

জোর করে কেন—জানতে চাইলে তিনি বলেন, আসলে এত মাছ কেটেকুটে সংরক্ষণ করা অনেক কষ্টের ব্যাপার। আবার বেশির ভাগ ক্ষেত্রে ফ্রিজে জায়গাও তেমন থাকে না।

জাকির হোসেন বলেন, এখানে সমুদ্র থেকে প্রচুর মাছ আসে, দূষণ কম, মাছ ধরার লোকও বাংলাদেশের তুলনায় অনেক কম। এসব কারণে হয়তো এখানে এত বেশি মাছ ধরা পড়ে।

চাঁদপুরের হাজিগঞ্জ উপজেলার সন্তান জাকির বলেন, চাষের মাছ বাদ দিলে বাংলাদেশে প্রাকৃতিক জলাশয়গুলোতে এখন আর খুব বেশি মাছ পাওয়া যায় না। আমাদের গ্রামের এলাকায় আর আগের মতো আর মাছ নেই!

মাছের উৎপাদন বাড়াতে কৃষিজমিতে কীটনাশকের যাচ্ছেতাই ব্যবহার ও কারেন্ট জাল বন্ধ এবং প্রাকৃতিক জলাশয়ের সংখ্যা বাড়ানোসহ অন্যান্য উদ্যোগ নেওয়া যেতে পারে বাংলাদেশে, যোগ করেন নিউইয়র্ক প্রবাসী জাকির হোসেন।

বাংলা নিউজ ২৪দা এগ্রো নিউজ

সম্পর্কিত খবর

মন্তব্য

()
ছোট্ট নদীতে মাছ আর পানি যেন সমান! | দা এগ্রো নিউজ