সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮—আদা - আমদানিকৃত১৬৭—আদা - দেশী১৫৪—আমন চাল - মাঝারি৫৬—আমন চাল - মোটা৪৮—আমন চাল - সরু৭২—আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২—কাঁচা মরিচ২১৮—খামারের মুরগী১৬২—খাসী৯০০—চিনি (দেশী)১৩২—ছোলা - গোটা৮৫—ডিম ফার্ম - লাল৪৭—পেঁয়াজ - দেশী৬০—বোরো চাল - মাঝারি৫৫—বোরো চাল - মোটা৪৭—বোরো চাল - সরু৬৬—মাংসঃ– গরু৭২৯—মুগ ডাল১২২—রসুন - আমদানিকৃত১৯২—রসুন - দেশী১৭৩—সয়াবিন তেল১৬৩—
হালনাগাদ ১৬ অক্টোবর ২০২৬
ঢাকা২৬°পরিষ্কার আকাশআর্দ্রতা ৭৪%বাতাস ৩ কিমি/ঘ

মাংসের গাভি কমায় যুক্তরাষ্ট্রে গরু ও বাছুর নেমে ৮ কোটি ৬২ লাখে

ইউএসডিএর এনএএসএসের ৩০ জানুয়ারি ২০২৬-এর ক্যাটল প্রতিবেদন অনুযায়ী ১ জানুয়ারি মার্কিন খামারে গরু ও বাছুর ছিল ৮ কোটি ৬২ লাখ; মাংসের গাভি ১ শতাংশ ও ২০২৫ সালের বাছুর উৎপাদন ২ শতাংশ কমেছে, দুধেল গাভি বেড়েছে ২ শতাংশ।

মাংসের গাভি কমায় যুক্তরাষ্ট্রে গরু ও বাছুর নেমে ৮ কোটি ৬২ লাখে
লাইভস্টক

২০২৬ সালের ১ জানুয়ারি যুক্তরাষ্ট্রের খামার ও র‍্যাঞ্চগুলোতে গরু ও বাছুর ছিল ৮ কোটি ৬২ লাখ (৮৬.২ মিলিয়ন), যা এক বছর আগের ৮ কোটি ৬৫ লাখের চেয়ে সামান্য কম। মার্কিন কৃষি বিভাগের (ইউএসডিএ) ন্যাশনাল অ্যাগ্রিকালচারাল স্ট্যাটিস্টিকস সার্ভিস (এনএএসএস) ২০২৬ সালের ৩০ জানুয়ারি ওয়াশিংটন থেকে প্রকাশিত ক্যাটল প্রতিবেদনে এ হিসাব দেয়। কমার ভার পড়েছে মূলত মাংসের গরুর পালে: মাংসের গাভি ছিল ২ কোটি ৭৬ লাখ, আগের বছরের চেয়ে ১ শতাংশ কম, আর ২০২৫ সালে জন্মানো বাছুরের সংখ্যা ধরা হয়েছে ৩ কোটি ২৯ লাখ, ২ শতাংশ কম।

দুধের খাত গেছে উল্টো দিকে। ১ জানুয়ারি দুধেল গাভি ছিল ৯৫ লাখ ৭০ হাজার, আগের বছরের চেয়ে ২ শতাংশ বেশি। সব ফিডলট মিলিয়ে জবাইয়ের বাজারের জন্য মোটাতাজা করা গরু ও বাছুর ছিল ১ কোটি ৩৮ লাখ, যা ২০২৫ সালের ১ জানুয়ারির ১ কোটি ৪৩ লাখের চেয়ে ৩ শতাংশ কম। এনএএসএস প্রতিবেদনের শিরোনামে লিখেছে, ১ জানুয়ারির গবাদি পশুর মজুত সামান্য কম, আর বাছুর অংশের শিরোনামে, বাছুর উৎপাদন ২ শতাংশ কম।

এনএএসএস ক্যাটল প্রতিবেদন প্রকাশ করে জানুয়ারি ও জুলাইয়ে, যথাক্রমে ১ জানুয়ারি ও ১ জুলাইয়ের মজুত নিয়ে, আর তাতে মার্কিন গবাদি পালকে শ্রেণি ধরে ধরে গোনা হয়। জানুয়ারির সংস্করণে সদ্য শেষ হওয়া বছরের বাছুর উৎপাদনের হিসাবও থাকে। নিচের সব সংখ্যা ২০২৬ সালের ৩০ জানুয়ারির প্রতিবেদন থেকে সরাসরি নেওয়া, আর তুলনার জন্য ব্যবহার করা হয়েছে সেই তারিখের আগে এনএএসএস ও ইউএসডিএর ইকোনমিক রিসার্চ সার্ভিসের (ইআরএস) প্রকাশিত তথ্য।

শ্রেণি ধরে জানুয়ারি ২০২৬-এর হিসাব


এনএএসএস গবাদি পালকে ভাগ করে বাচ্চা দেওয়া গাভি, বকনা, খাসি করা এঁড়ে (স্টিয়ার), প্রজননের ষাঁড় আর ছোট বাছুরে, এবং প্রতিটি শ্রেণির সংখ্যা আলাদা দেয়। ২০২৬ সালের ১ জানুয়ারির জাতীয় হিসাব ছিল এমন:

  • সব গরু ও বাছুর: ৮ কোটি ৬২ লাখ (বিস্তারিত সারণিতে ৮,৬১,৫৫,৩০০), ২০২৫ সালের ১ জানুয়ারির ৮ কোটি ৬৫ লাখের চেয়ে সামান্য কম।
  • বাচ্চা দেওয়া সব গাভি ও বকনা: ৩ কোটি ৭২ লাখ, এক বছর আগের ৩ কোটি ৭৩ লাখের চেয়ে সামান্য কম।
  • মাংসের গাভি: ২ কোটি ৭৬ লাখ, এক বছর আগের চেয়ে ১ শতাংশ কম।
  • দুধেল গাভি: ৯৫ লাখ ৭০ হাজার, আগের বছরের চেয়ে ২ শতাংশ বেশি।
  • ৫০০ পাউন্ড ও তার বেশি ওজনের সব বকনা: ১ কোটি ৮০ লাখ, ২০২৫ সালের ১ জানুয়ারির ১ কোটি ৮১ লাখের চেয়ে ১ শতাংশ কম।
  • ৫০০ পাউন্ড ও তার বেশি ওজনের স্টিয়ার: ১ কোটি ৫৬ লাখ, ১ শতাংশ কম।
  • ৫০০ পাউন্ড ও তার বেশি ওজনের ষাঁড়: ২০ লাখ ১০ হাজার, সামান্য বেশি।
  • ৫০০ পাউন্ডের কম ওজনের বাছুর: ১ কোটি ৩৩ লাখ, সামান্য কম।

বকনার মোট সংখ্যাটিও তিন ভাগে ভাগ করা। মাংসের গাভির জায়গা নিতে রেখে দেওয়া বকনা ছিল ৪৭ লাখ ১০ হাজার, এক বছর আগের চেয়ে ১ শতাংশ বেশি; দুধেল গাভির জায়গা নিতে রাখা বকনা ৩৯ লাখ, সামান্য কম; আর অন্যান্য বকনা ৯৪ লাখ, এক বছর আগের চেয়ে ২ শতাংশ কম। মাংসের গাভির জায়গা নেওয়ার বকনাদের মধ্যে ২৯ লাখ ৬০ হাজার এবং দুধেল গাভির জায়গা নেওয়ার বকনাদের মধ্যে ২৫ লাখ ২০২৬ সালের মধ্যে বাচ্চা দেবে বলে এনএএসএস হিসাব করেছে।

প্রতিবেদনে ১ জানুয়ারি ফিডলটের বাইরে থাকা ৫০০ পাউন্ডের কম ওজনের বাছুর এবং ৫০০ পাউন্ডের বেশি ওজনের অন্যান্য বকনা ও স্টিয়ারের সম্মিলিত হিসাবও আছে। এই দলে ছিল ২ কোটি ৪৫ লাখ গরু, যা এক বছর আগের চেয়ে ১ শতাংশ বেশি।

মাংসের গাভি: গরুর মাংস উৎপাদনের প্রজনন ভিত্তি


২০২৬ সালের ১ জানুয়ারি গোনা ২ কোটি ৭৬ লাখ মাংসের গাভিই যুক্তরাষ্ট্রের গরুর মাংস উৎপাদনের ভিত্তি, কারণ পরে যে স্টিয়ার ও বকনা মোটাতাজা করে জবাই করা হয়, তাদের প্রত্যেকের জন্ম এই গাভিগুলোর কোনো একটির পেটে। বিস্তারিত সারণিতে সংখ্যাটি ২,৭৬,০৭,২০০, যেখানে ২০২৫ সালের ১ জানুয়ারি ছিল ২,৭৮,৯২,০০০; এনএএসএস একে আগের বছরের ৯৯ শতাংশ হিসেবে দেখিয়েছে।

ইউএসডিএর অর্থনৈতিক গবেষণা সংস্থা ইআরএস এই গাভি পালনকারী খামারগুলোকে বলে কাউ-কাফ (গাভি-বাছুর) খামার: এরা মূলত বাছুর তোলার জন্য মাংসের গাভির পাল রাখে, বেশির ভাগই চারণভূমিতে। ইআরএসের ভাষ্য অনুযায়ী বেশির ভাগ বাছুরের জন্ম বসন্তে, আর তিন থেকে সাত মাস বয়সে তাদের দুধ ছাড়ানো হয়। ২০২২ সালের কৃষিশুমারির বরাতে ইআরএস জানায়, দেশে একটি মাংসের গাভির পালের গড় আকার প্রায় ৪৭টি গাভি; ১০০ বা তার বেশি মাংসের গাভি আছে এমন খামার মোট মাংসের গরুর খামারের ১০.৫ শতাংশ, কিন্তু মোট মাংসের গাভির ৬০.৫ শতাংশ তাদের হাতে। অর্থাৎ মাংসের গাভির পাল ছড়িয়ে আছে বিপুলসংখ্যক ছোট ও মাঝারি খামারে, তবে বেশির ভাগ গাভি বড় খামারগুলোতে।

২০২৬ সালে কোনো অঙ্গরাজ্য মাংসের গাভির সংখ্যা ধরে রেখেছে, কোনোটি পারেনি। মাংসের গাভিতে সবচেয়ে বড় অঙ্গরাজ্য টেক্সাসে ২০২৬ সালের ১ জানুয়ারি মাংসের গাভি ছিল ৪০ লাখ ৪৫ হাজার, এক বছর আগে ছিল ৪০ লাখ ৭৫ হাজার, অর্থাৎ আগের মাত্রার ৯৯ শতাংশ। ওকলাহোমায় ছিল ১৯ লাখ ৬৬ হাজার, আগের বছর ১৯ লাখ ৫৯ হাজার; আর মিসৌরিতে ১৮ লাখ ৬ হাজার, আগের বছর ১৮ লাখ ৬৪ হাজার, যা ২০২৫ সালের মাত্রার ৯৭ শতাংশ।

মাংসের গাভির জায়গা নেওয়ার বকনা হলো সেই কমবয়সী মাদি গরু, যাদের খামারি মাংসের জন্য বিক্রি না করে প্রজনন পালে যোগ করতে রেখে দেন। ২০২৬ সালের ১ জানুয়ারি এনএএসএস এমন বকনা গুনেছে ৪৭ লাখ ১০ হাজার, যা এক বছর আগের ৪৬ লাখ ৭০ হাজারের ১০১ শতাংশ; এদের মধ্যে ২৯ লাখ ৬০ হাজার বছরের মধ্যে বাচ্চা দেবে বলে ধরা হয়েছে, এক বছর আগে এই সংখ্যা ছিল ২৯ লাখ ২০ হাজার।

যুক্তরাষ্ট্রের ওকলাহোমা অঙ্গরাজ্যের ওকফাস্কি কাউন্টিতে একটি পারিবারিক খামারে মাংসের গরু, ২০১৮ সালের নভেম্বরে তোলা। ছবি: ইউএসডিএ / উইকিমিডিয়া কমন্স (পাবলিক ডোমেইন)
যুক্তরাষ্ট্রের ওকলাহোমা অঙ্গরাজ্যের ওকফাস্কি কাউন্টিতে একটি পারিবারিক খামারে মাংসের গরু, ২০১৮ সালের নভেম্বরে তোলা। ছবি: ইউএসডিএ / উইকিমিডিয়া কমন্স (পাবলিক ডোমেইন)

২০২৫ সালে বাছুর উৎপাদন কমেছে ২ শতাংশ


বাছুর উৎপাদন (ক্যাফ ক্রপ) মানে এক পঞ্জিকাবর্ষে জন্মানো বাছুরের সংখ্যা। এনএএসএস ২০২৫ সালের বাছুর উৎপাদন ধরেছে ৩ কোটি ২৯ লাখ, যা ২০২৪ সালের চেয়ে ২ শতাংশ কম; সংশোধনের পর একই প্রতিবেদনে ২০২৪ সালের সংখ্যা দেওয়া হয়েছে ৩ কোটি ৩৪ লাখ। বিস্তারিত সারণিতে ২০২৫ সালের বাছুর ৩,২৮,৯৫,৬০০ এবং ২০২৪ সালের ৩,৩৪,১৬,৫০০।

যুক্তরাষ্ট্রে বেশির ভাগ বাছুর জন্মায় বছরের প্রথমার্ধে। এনএএসএসের হিসাবে ২০২৫ সালের ১ জানুয়ারি থেকে ৩০ জুনের মধ্যে জন্মেছে ২ কোটি ৪২ লাখ বাছুর, যা ২০২৪ সালের প্রথমার্ধের চেয়ে ২ শতাংশ কম; আর ১ জুলাই থেকে ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে ৮৭ লাখ, যা বছরের মোট বাছুরের ২৬ শতাংশ। সারণিতে ২০২৪ ও ২০২৫, দুই বছরেই প্রথমার্ধের অংশ ৭৩.৬ শতাংশ।

২০২৫ সালে জন্মানো এই বাছুরগুলোই পরে নিচে বর্ণিত স্টকার কর্মসূচি ও ফিডলটের ভেতর দিয়ে যায়। বাছুর উৎপাদনে সবচেয়ে বড় অঙ্গরাজ্য টেক্সাসে ২০২৫ সালে বাছুর জন্মেছে ৪২ লাখ ৫০ হাজার, যা ২০২৪ সালের ৪৩ লাখ ৫০ হাজারের ৯৮ শতাংশ; কানসাসে ১২ লাখ ৩০ হাজার, আগের বছরের ১৩ লাখের ৯৫ শতাংশ; আর নেব্রাস্কায় ১৫ লাখ, আগের বছরের ৯৯ শতাংশ।

ফিডলটে গরু কমেছে ৩ শতাংশ


এনএএসএসের সংজ্ঞায় ক্যাটল অন ফিড বা মোটাতাজাকরণে থাকা গরু হলো জবাইয়ের বাজারের জন্য দানাশস্য, সাইলেজ, খড় বা প্রোটিন সম্পূরক খাওয়ানো সেই স্টিয়ার ও বকনা, যাদের শব থেকে "সিলেক্ট" বা তার চেয়ে ভালো মানের মাংস পাওয়ার কথা। পরে ফিডার হিসেবে বিক্রি বা অন্য ফিডলটে পাঠানোর জন্য কেবল "ব্যাকগ্রাউন্ডিং" করা গরু এর বাইরে, আর ক্যাটল অন ফিডের সংখ্যা ওপরের শ্রেণিভিত্তিক মোট হিসাবের মধ্যেই ধরা আছে।

সব ফিডলট মিলিয়ে প্রতিবেদনে ২০২৬ সালের ১ জানুয়ারি মোটাতাজাকরণে থাকা গরু দেখানো হয়েছে ১ কোটি ৩৮ লাখ, এক বছর আগের ১ কোটি ৪৩ লাখের চেয়ে ৩ শতাংশ কম। ১,০০০ বা তার বেশি গরু ধারণক্ষমতার ফিডলটে ছিল মোটাতাজাকরণে থাকা সব গরুর ৮২.৭ শতাংশ, আগের বছরের চেয়ে সামান্য বেশি। অঙ্গরাজ্যগুলোর মধ্যে নেব্রাস্কায় ছিল ২৮ লাখ, এক বছর আগের ১০৪ শতাংশ; টেক্সাসে ২৫ লাখ ৪০ হাজার, ৯১ শতাংশ; কানসাসে ২৪ লাখ ৮০ হাজার, ৯৯ শতাংশ; আইওয়ায় ১১ লাখ ৮০ হাজার, ৯৮ শতাংশ; আর কলোরাডোয় ৯ লাখ ২০ হাজার, ২০২৫ সালের জানুয়ারির মাত্রার ৮৫ শতাংশ।

এক সপ্তাহ আগে, ২০২৬ সালের ২৩ জানুয়ারি, এনএএসএসের মাসিক ক্যাটল অন ফিড প্রতিবেদন বড় ফিডলটগুলোর ক্ষেত্রে একই চিত্র দেখিয়েছিল। তাতে ২০২৬ সালের ১ জানুয়ারি ১,০০০ বা তার বেশি ধারণক্ষমতার ফিডলটে গোনা হয় ১ কোটি ১৫ লাখ গরু, এক বছর আগের চেয়ে ৩ শতাংশ কম। এর মধ্যে স্টিয়ার ও স্টিয়ার বাছুর ৭০ লাখ ২০ হাজার, যা ওই মজুতের ৬১ শতাংশ, আর বকনা ও বকনা বাছুর ৪৪ লাখ ৪০ হাজার; দুটোই ৩ শতাংশ কম। ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে ওই ফিডলটগুলোতে নতুন তোলা হয় ১৫ লাখ ৫০ হাজার গরু, যা ২০২৪ সালের ডিসেম্বরের চেয়ে ৫ শতাংশ কম; অথচ ডিসেম্বরে বাজারে পাঠানো মোটাতাজা গরু ছিল ১৭ লাখ ৭০ হাজার, এক বছর আগের চেয়ে ২ শতাংশ বেশি। ডিসেম্বরে অন্যান্যভাবে কমেছে (আদার ডিসঅ্যাপিয়ারেন্স) ৫৮ হাজার, এক বছর আগের চেয়ে ২ শতাংশ কম।

গরু কীভাবে ফিডলটে পৌঁছায়, ইআরএস তা ব্যাখ্যা করেছে। দুধ ছাড়ানোর পর বাছুর স্টকার কর্মসূচিতে যেতে পারে, যেখানে তারা তিন থেকে চার মাস ঘাস খেয়ে চরে বেড়ায়; অথবা খোঁয়াড় বা লটে শুকনো ঘাস-খড়, সাইলেজ ও দানাশস্য খাইয়ে ৯০ থেকে ১২০ দিন ব্যাকগ্রাউন্ডিং করা হয়। ইআরএসের তথ্যে ফিডলটে খাওয়ানোর সময়কাল ৯০ থেকে ৩০০ দিন পর্যন্ত হতে পারে। মোটাতাজাকরণ অল্প কয়েকটি বড় ফিডলটে কেন্দ্রীভূত: ২০২২ সালের কৃষিশুমারির বরাতে ইআরএস জানায়, ১,০০০ বা তার বেশি গরুর ফিডলটগুলো মোটাতাজা গরুর প্রায় ৮৮ শতাংশ বাজারে পাঠায়।

এনএএসএস ছোট দানাশস্যের চারণভূমিতে চরা গরুও গুনেছে। ২০২৬ সালের ১ জানুয়ারি কানসাস, ওকলাহোমা ও টেক্সাস মিলিয়ে এমন চারণভূমিতে ছিল ১৭ লাখ ৩০ হাজার গরু, যা এক বছর আগের ১৫ লাখ ৫০ হাজারের ১১২ শতাংশ।

দুধেল গাভির পাল বেড়ে ৯৫ লাখ ৭০ হাজার


মাংসের গাভির সঙ্গে একই প্রতিবেদনে দুধেল গাভিও গোনা হয়। ২০২৬ সালের ১ জানুয়ারি এনএএসএস জাতীয় দুধেল গাভির পাল দেখিয়েছে ৯৫ লাখ ৭০ হাজার (সারণিতে ৯৫,৬৮,৩০০), যা ২০২৫ সালের ১ জানুয়ারির ৯৩ লাখ ৮০ হাজারের চেয়ে ২ শতাংশ বেশি। দুধেল গাভির জায়গা নিতে রাখা বকনা ছিল ৩৯ লাখ, সামান্য কম, আর তাদের ২৫ লাখ ২০২৬ সালের মধ্যে বাচ্চা দেবে বলে ধরা হয়েছে।

প্রতিবেদনে দুধেল গাভিতে বড় অঙ্গরাজ্য ছিল ক্যালিফোর্নিয়া, যেখানে দুই বছরেই ১ জানুয়ারি দুধেল গাভি ছিল ১৭ লাখ ১০ হাজার, আর উইসকনসিন, যেখানে ছিল ১২ লাখ ৮৫ হাজার, এক বছর আগে ১২ লাখ ৬৫ হাজার। টেক্সাসে দুধেল গাভি ছিল ৭ লাখ ৫ হাজার, আগের বছর ৬ লাখ ৭৫ হাজার, যা আগের মাত্রার ১০৪ শতাংশ। আইডাহোতে বাচ্চা দেওয়া সব গাভি ও বকনা ১১ লাখ ৩০ হাজার থেকে বেড়ে হয়েছে ১১ লাখ ৬০ হাজার।

গাভির মোট হিসাবে মাংসের ও দুধেল গাভি একসঙ্গে যোগ হয় বলে দুধেল গাভির বৃদ্ধি মাংসের গাভির কমতির কিছুটা পুষিয়ে দিয়েছে। সে কারণেই বিস্তারিত সারণিতে মাংসের গাভি ২,৭৮,৯২,০০০ থেকে ২,৭৬,০৭,২০০-তে নামলেও বাচ্চা দেওয়া সব গাভি ও বকনা ছিল ৩ কোটি ৭২ লাখ, এক বছর আগের ৩ কোটি ৭৩ লাখের চেয়ে সামান্যই কম।

যুক্তরাষ্ট্রে হলস্টেইন জাতের দুধেল গাভি, ইউএসডিএর এগ্রিকালচারাল রিসার্চ সার্ভিসের জন্য তোলা। ছবি: স্কট বাউয়ার / ইউএসডিএ এগ্রিকালচারাল রিসার্চ সার্ভিস / উইকিমিডিয়া কমন্স (পাবলিক ডোমেইন)
যুক্তরাষ্ট্রে হলস্টেইন জাতের দুধেল গাভি, ইউএসডিএর এগ্রিকালচারাল রিসার্চ সার্ভিসের জন্য তোলা। ছবি: স্কট বাউয়ার / ইউএসডিএ এগ্রিকালচারাল রিসার্চ সার্ভিস / উইকিমিডিয়া কমন্স (পাবলিক ডোমেইন)

যুক্তরাষ্ট্রের গরু কোথায়


প্রতিবেদনে প্রতিটি অঙ্গরাজ্যের মজুত দেওয়া আছে। ২০২৬ সালের ১ জানুয়ারি সব গরু ও বাছুর মিলিয়ে বড় অঙ্গরাজ্যগুলো ছিল:

  • টেক্সাস: ১ কোটি ২১ লাখ, এক বছর আগের সমান।
  • নেব্রাস্কা: ৬১ লাখ ৫০ হাজার, এক বছর আগের ১০২ শতাংশ।
  • কানসাস: ৫৮ লাখ ৫০ হাজার, ৯৮ শতাংশ।
  • ক্যালিফোর্নিয়া: ৫০ লাখ ৫০ হাজার, অপরিবর্তিত।
  • ওকলাহোমা: ৪৬ লাখ ৫০ হাজার, ১০১ শতাংশ।
  • মিসৌরি: ৩৮ লাখ ৫০ হাজার, ৯৭ শতাংশ।
  • সাউথ ডাকোটা: ৩৫ লাখ ৫০ হাজার, ১০১ শতাংশ।
  • আইওয়া: ৩৪ লাখ ৫০ হাজার, ৯৯ শতাংশ।
  • উইসকনসিন: ৩২ লাখ ৫০ হাজার, অপরিবর্তিত।

ইআরএস বলছে, গরু মোটাতাজাকরণের কারবার কেন্দ্রীভূত গ্রেট প্লেইনস অঞ্চলে, যার মধ্যে আছে টেক্সাস, ওকলাহোমা, কানসাস, নেব্রাস্কা ও সাউথ ডাকোটা। অন্যদিকে ক্যালিফোর্নিয়া ও উইসকনসিনে বেশির ভাগ গাভিই দুধেল: ২০২৬ সালের ১ জানুয়ারি ক্যালিফোর্নিয়ায় দুধেল গাভি ছিল ১৭ লাখ ১০ হাজার আর মাংসের গাভি ৬ লাখ ৪০ হাজার, উইসকনসিনে দুধেল গাভি ১২ লাখ ৮৫ হাজার আর মাংসের গাভি ২ লাখ ৭৫ হাজার।

সব অঙ্গরাজ্যের পূর্ণ হিসাব প্রকাশিত হয় না। ২০২৫ সালের জানুয়ারির ক্যাটল প্রতিবেদনে বলা হয়েছিল, ২০২২ সালের কৃষিশুমারির পর কর্মসূচিতে পরিবর্তনের ফলে ২০২৫ সালের জানুয়ারি থেকে ১৯টি অঙ্গরাজ্যের কম তথ্য প্রকাশ করা হবে: আলাস্কা, কানেটিকাট, ডেলাওয়্যার, হাওয়াই, ইন্ডিয়ানা, লুইজিয়ানা, মেইন, মেরিল্যান্ড, ম্যাসাচুসেটস, মিসিসিপি, নেভাডা, নিউ হ্যাম্পশায়ার, নিউ জার্সি, নর্থ ক্যারোলাইনা, রোড আইল্যান্ড, সাউথ ক্যারোলাইনা, ইউটা, ভারমন্ট ও ওয়েস্ট ভার্জিনিয়া। তবে সব গরু ও বাছুর, সব গাভি এবং বাছুর উৎপাদনের হিসাব এখনো প্রতিটি অঙ্গরাজ্যের জন্য প্রকাশিত হয়।

গবাদি চক্রের তলানির কাছেই মার্কিন পাল


যুক্তরাষ্ট্রে গরুর সংখ্যা ওঠানামা করে দীর্ঘ ঢেউয়ে। ইআরএস গবাদি চক্রকে (ক্যাটল সাইকেল) বর্ণনা করে ৮ থেকে ১২ বছরের এমন এক সময় হিসেবে, যখন জাতীয় পাল একবার বাড়ে, তারপর সংকুচিত হয়; এর চালিকাশক্তি গরুর দাম, খাদ্যসহ উপকরণের খরচ, প্রজনন ও লালন-পালনে লাগা সময় এবং আবহাওয়া।

ইআরএসের তথ্যে, জাতীয় পাল কমানোর সাত বছরের এক পর্ব ২০১৪ সালের ১ জানুয়ারি শেষ হয় ৮ কোটি ৮২ লাখ গরু ও বাছুরে; এরপর পাল বেড়ে ২০১৯ সালে পৌঁছায় ৯ কোটি ৪৭ লাখের সর্বোচ্চ চূড়ায়। ২০২৫ সালের ১ জানুয়ারি পাল দাঁড়ায় ৮ কোটি ৬৭ লাখে, যাকে ইআরএস ওই চূড়ার চেয়ে ৮ শতাংশ কম বলে উল্লেখ করেছে।

আগের দুটি জানুয়ারি প্রতিবেদনে ২০২৬ পর্যন্ত গড়ানো এই পতনের ধারা দেখা যায়। ২০২৪ সালের ৩১ জানুয়ারি প্রকাশিত প্রতিবেদনে ২০২৪ সালের ১ জানুয়ারির পাল ছিল ৮ কোটি ৭২ লাখ, আগের বছরের ৮ কোটি ৮৮ লাখের চেয়ে ২ শতাংশ কম; মাংসের গাভি ২ কোটি ৮২ লাখ, ২ শতাংশ কম; আর ২০২৩ সালের বাছুর উৎপাদন ৩ কোটি ৩৬ লাখ, সেটিও ২ শতাংশ কম। ২০২৫ সালের ৩১ জানুয়ারি প্রকাশিত প্রতিবেদনে ২০২৫ সালের ১ জানুয়ারির পাল ছিল ৮ কোটি ৬৭ লাখ, ৮ কোটি ৭২ লাখের চেয়ে ১ শতাংশ কম; মাংসের গাভি ২ কোটি ৭৯ লাখ, ১ শতাংশ কম; দুধেল গাভি ৯৩ লাখ ৫০ হাজার; আর ২০২৪ সালের বাছুর উৎপাদন ৩ কোটি ৩৫ লাখ, সামান্য কম।

২০২৬ সালের জানুয়ারির প্রতিবেদনে এনএএসএস জবাই, আমদানি-রপ্তানি ও নতুন জরিপের তথ্যের আলোকে ২০২৫ সালের ওই সংখ্যাগুলো সংশোধন করে: ২০২৫ সালের ১ জানুয়ারির সব গরু ও বাছুরের হিসাব ০.২ শতাংশ কমিয়ে ওপরে তুলনায় ব্যবহৃত ৮ কোটি ৬৫ লাখ করা হয়, আর ২০২৪ সালের বাছুর উৎপাদন কমানো হয় ০.৩ শতাংশ। একই প্রতিবেদনে ২০২৫ সালের ১ জুলাইয়ের পাল দেখানো হয়েছে ৯ কোটি ৩৯ লাখ, যার মধ্যে মাংসের গাভি ২ কোটি ৮৫ লাখ ৫০ হাজার এবং ৫০০ পাউন্ডের কম ওজনের বাছুর ২ কোটি ৫৬ লাখ। এনএএসএস আরও জানায়, অর্থ বরাদ্দ কমে যাওয়ায় ২০২৪ সালের জুলাইয়ের ক্যাটল প্রতিবেদন করা হয়নি।

পালের আকারের গুরুত্ব খামারের সীমানা ছাড়িয়ে যায়। ইআরএসের ভাষায় গবাদি পশু উৎপাদন যুক্তরাষ্ট্রের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কৃষি শিল্প: ২০২৪ সালে কৃষিপণ্য থেকে মোট ৫১৫ বিলিয়ন ডলার নগদ আয়ের প্রায় ২২ শতাংশ এসেছে এখান থেকে। গরুর মাংসের বাণিজ্যেও দেশটি বড় খেলোয়াড়। ইআরএস জানায়, ২০২৪ সালে মার্কিন গরুর মাংস রপ্তানি কমে দাঁড়ায় ৩.০০৩ বিলিয়ন পাউন্ডে, আর আমদানি রেকর্ড ৪.৬৩৫ বিলিয়ন পাউন্ডে পৌঁছায়। যুক্তরাষ্ট্রে জীবিত গরুর প্রধান জোগানদাতা মেক্সিকো ও কানাডা; ইআরএস উল্লেখ করেছে, পশুসম্পদের ক্ষতিকর পরজীবী নিউ ওয়ার্ল্ড স্ক্রুওয়ার্মের কারণে ২০২৫ সালে ইউএসডিএ মেক্সিকো থেকে গরু আমদানি স্থগিত করে।

এনএএসএস কীভাবে পাল গোনে, আর হিসাব কতটা নির্ভরযোগ্য


এনএএসএস ইউএসডিএর পরিসংখ্যান সংস্থা। এর ঘোষিত লক্ষ্য মার্কিন কৃষির সেবায় সময়োপযোগী, নির্ভুল ও কাজের পরিসংখ্যান দেওয়া, আর নিয়মিত জরিপ প্রতিবেদনের পাশাপাশি সংস্থাটি প্রতি পাঁচ বছর পর পর কৃষিশুমারি করে।

২০২৬ সালের জানুয়ারির ক্যাটল প্রতিবেদনের জন্য উৎপাদকদের একটি দৈবচয়িত নমুনায় জরিপ চালানো হয়, যাতে আকার নির্বিশেষে প্রত্যেক গবাদি পশু উৎপাদকের অন্তর্ভুক্ত হওয়ার সুযোগ থাকে; বড় উৎপাদকদের নমুনায় নেওয়া হয় ছোটদের চেয়ে বেশি হারে। ২০২৬ সালের জানুয়ারির প্রথমার্ধে ডাক, টেলিফোন, ইন্টারনেট ও সরাসরি সাক্ষাৎকারের মাধ্যমে প্রায় ৩৫ হাজার খামারির কাছ থেকে তথ্য নেওয়া হয়, যার ৫২ শতাংশ প্রতিবেদন ব্যবহারযোগ্য ছিল। যখনই উত্তর দিন না কেন, খামারিদের ১ জানুয়ারির মজুত এবং ২০২৫ সালের পুরো বছরের বাছুর উৎপাদন জানাতে বলা হয়।

হিসাব চূড়ান্ত করে এনএএসএসের এগ্রিকালচারাল স্ট্যাটিস্টিকস বোর্ড, সংস্থার আঞ্চলিক মাঠ কার্যালয়গুলোর সুপারিশ পর্যালোচনার পর। জাতীয় ও অঙ্গরাজ্য পর্যায়ের জরিপের তথ্য পরস্পরের সঙ্গে এবং আগের বছরের হিসাবের সঙ্গে মিলিয়ে দেখা হয় একটি ব্যালান্স শিট দিয়ে: আগের মজুত থেকে শুরু করে তাতে জন্ম ও আমদানি যোগ করা হয়, জবাই, রপ্তানি ও মৃত্যু বাদ দেওয়া হয়। প্রতিবেদনটি অনুমোদন পায় ২০২৬ সালের ৩০ জানুয়ারি, প্রকাশের দিনই।

প্রথম জানুয়ারি হিসাব অতীতে কতটা সরেছে, এনএএসএস পাঠককে তা-ও জানায়। আগের ১০ বছরে সব গরু ও বাছুরের হিসাবের রুট মিন স্কয়ার এরর ছিল ০.৩ শতাংশ। এনএএসএসের ব্যাখ্যায়, এর মানে চূড়ান্ত হিসাব বর্তমান ৮ কোটি ৬২ লাখের চেয়ে ০.৩ শতাংশের বেশি ওপরে বা নিচে না যাওয়ার সম্ভাবনা তিনে দুই, আর পার্থক্য ০.৫ শতাংশ না ছাড়ানোর সম্ভাবনা দশে নয়। ওই ১০ বছরে সব গরু ও বাছুরের প্রথম ও সর্বশেষ হিসাবের পার্থক্য গড়ে ছিল ১ লাখ ৯০ হাজার, শূন্য থেকে ৬ লাখ ২০ হাজার পর্যন্ত; প্রথম হিসাব সর্বশেষ হিসাবের চেয়ে বেশি ছিল পাঁচবার, কম ছিল চারবার। এনএএসএস বলছে, এতে বোঝায় না যে জানুয়ারির হিসাব চূড়ান্ত মজুতকে কম বা বেশি দেখানোর প্রবণতা রাখে।

প্রতিবার নতুন হিসাব তৈরির সময় আগের বছরের হিসাব সংশোধন হতে পারে, মূলত গবাদি পশু জবাই, বৈদেশিক বাণিজ্য ও বাড়তি জরিপের তথ্যের ভিত্তিতে; পাঁচ বছর পর পর কৃষিশুমারির তথ্য এলে সেগুলো আবার পর্যালোচনা করা হয়, আর এনএএসএস জানায়, তার পরে আর কোনো সংশোধন হয় না।

ছবি: প্রেস্টন কেরেস / ইউএসডিএ / উইকিমিডিয়া কমন্স (পাবলিক ডোমেইন)

সূত্র: ইউএসডিএ ন্যাশনাল অ্যাগ্রিকালচারাল স্ট্যাটিস্টিকস সার্ভিস (২০২৬ সালের ৩০ জানুয়ারির সংবাদ বিজ্ঞপ্তি; ২০২৬ সালের ৩০ জানুয়ারি, ২০২৫ সালের ৩১ জানুয়ারি ও ২০২৪ সালের ৩১ জানুয়ারির ক্যাটল প্রতিবেদন; ২০২৬ সালের ২৩ জানুয়ারির ক্যাটল অন ফিড প্রতিবেদন; এনএএসএসের লক্ষ্য বিবৃতি), ইউএসডিএ ইকোনমিক রিসার্চ সার্ভিস (ক্যাটল অ্যান্ড বিফ: সেক্টর অ্যাট আ গ্লান্স)

অনলাইন ডেস্কদা এগ্রো নিউজ

লাইভস্টক

সম্পর্কিত খবর

লাইভস্টক

সৌরপ্যানেলের নিচে ভেড়া চরালে বাড়ে মৌমাছি, তবে সংখ্যা রাখতে হবে কম

কর্নেল বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণায় দেখা গেছে, সৌরখামারে হেক্টরপ্রতি দুটি ভেড়া চরালে ঘাস কাটার তুলনায় উপকারী পোকা ৩৮ শতাংশ বাড়ে। খামারিদের জন্য ভেড়ার পাল পরিকল্পনার একটি সহায়ক টুলও তৈরি করেছেন গবেষকেরা।

Farms.com১৬ অক্টোবর ২০২৬২ মিনিটের পড়া
লাইভস্টক

প্রোটিনের চাহিদায় বদলে গেল কানাডার দুধের বাজার, মাখনের উদ্বৃত্ত শেষ

দুগ্ধজাত প্রোটিনের চাহিদা বাড়ায় পাঁচ বছরের মধ্যে কানাডার দুধের বাজারে মাখনচর্বির কাঠামোগত উদ্বৃত্ত মিটে গেছে, দুধের দাম নির্ধারণেও এসেছে পরিবর্তন।

Manitoba Co-operator১৬ অক্টোবর ২০২৬১ মিনিটের পড়া
লাইভস্টক

সিকি হেক্টরে ওটের বীজ চাষ, ইথিওপিয়ার এক কৃষকের পারিবারিক ব্যবসা

ইথিওপিয়ার এক ক্ষুদ্র কৃষক মাত্র শূন্য দশমিক ২৫ হেক্টর জমিতে বীজের জন্য ওট চাষ করে প্রথম ফসল ৪৫ হাজার বির্রে বিক্রি করেন এবং পরের বছর চাষ বাড়ান। আইএলআরআইয়ের পশুখাদ্যের বীজকে ব্যবসায় রূপ দেওয়ার উদ্যোগের অংশ এটি।

ILRI১৬ অক্টোবর ২০২৬২ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

(০)