সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮—আদা - আমদানিকৃত১৬৭—আদা - দেশী১৫৪—আমন চাল - মাঝারি৫৬—আমন চাল - মোটা৪৮—আমন চাল - সরু৭২—আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২—কাঁচা মরিচ২১৮—খামারের মুরগী১৬২—খাসী৯০০—চিনি (দেশী)১৩২—ছোলা - গোটা৮৫—ডিম ফার্ম - লাল৪৭—পেঁয়াজ - দেশী৬০—বোরো চাল - মাঝারি৫৫—বোরো চাল - মোটা৪৭—বোরো চাল - সরু৬৬—মাংসঃ– গরু৭২৯—মুগ ডাল১২২—রসুন - আমদানিকৃত১৯২—রসুন - দেশী১৭৩—সয়াবিন তেল১৬৩—
হালনাগাদ ১৬ অক্টোবর ২০২৬
ঢাকা২৮°আংশিক মেঘলাআর্দ্রতা ৬৪%বাতাস ৪ কিমি/ঘ

মাগুরায় ২৪০ গাছে কেনু কমলা, প্রথম বছরেই থোকায় থোকায় ফল

মাগুরা সদরের নার্সারি মালিক হারুনুর রশিদ কলমের চারায় ২৪০টি পাকিস্তানি কেনু জাতের কমলাগাছের বাগান করেছেন; এ বছর প্রথমবার বেশির ভাগ গাছে ফল এসেছে।

মাগুরায় ২৪০ গাছে কেনু কমলা, প্রথম বছরেই থোকায় থোকায় ফল
ফল

মাগুরা সদর উপজেলার রামনগর ফার্নিচার মোড় এলাকার ‘আল্লাহর দান নার্সারি’র মালিক হারুনুর রশিদ পাকিস্তানি কেনু জাতের কমলা চাষে সাফল্য পেয়েছেন। বাড়ির পাশে প্রায় ২৪০টি গাছের বাগানে এ বছর প্রথমবার বেশির ভাগ গাছে ফল এসেছে, থোকায় থোকায় ঝুলছে কমলা।

প্রায় পাঁচ বছর আগে এক ব্যক্তি ভারত থেকে কেনু কমলার একটি চারা এনে নিজের বাড়িতে লাগান। সেই গাছে ফল ধরলে হারুনুর রশিদ কলম করে চারা সংগ্রহ করেন, নার্সারিতে চারা তৈরি করে নিজের বাগানে লাগান এবং কয়েকজনের কাছে বিক্রিও করেছেন। এখন প্রতিটি চারা ২০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

তাঁর হিসাবে, গাছ লাগানোর প্রায় তিন বছরের মধ্যে ফল আসে, ফল পাকতে লাগে আট থেকে দশ মাস। সাধারণত ফেব্রুয়ারির দিকে ফুল আসে, ডিসেম্বর-জানুয়ারিতে ফল পরিপক্ব হয়। তিন-চারটি কমলায় ওজন হয় প্রায় এক কেজি, আর পূর্ণ ফলনে একটি বড় গাছ থেকে তিন থেকে চার মণ কমলা পাওয়া সম্ভব বলে তিনি জানান।

২৭ বছর ধরে গাছের পরিচর্যা করা এই নার্সারি মালিকের কাছে তিন জাতের কমলা আছে। তাঁর পর্যবেক্ষণে কেনু জাতের ফলন ও মান তুলনামূলক ভালো। মাগুরার কয়েকজন কৃষক এরই মধ্যে এ জাতের চারা নিয়ে বাগান শুরু করেছেন, তাঁদের সার, বালাইনাশক ও পরিচর্যার পরামর্শও দিচ্ছেন তিনি।

জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের ভারপ্রাপ্ত পরিচালক মো. আজম উদ্দিন জানান, মাগুরায় এরই মধ্যে কয়েকটি চায়না কমলার বাগান হয়েছে, প্রায় এক হেক্টরে কমলার চাষ হচ্ছে এবং চাষিদের পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। নতুন এই জাতের ফলন ভালো দেখা যাচ্ছে, বিষয়টি তাঁরা নজরে রাখছেন।

তবে তাঁর পরামর্শ, নতুন কোনো ফলের বাণিজ্যিক চাষ শুরুর আগে স্থানীয় মাটি, আবহাওয়া, জাত নির্বাচন, রোগবালাই, উৎপাদন খরচ ও বাজারজাতকরণের দিকগুলো বিবেচনা করা জরুরি।

প্রতিবেদন: কৃষি সময়ের মাগুরা সংবাদদাতা।

ছবি: Kinnow / উইকিমিডিয়া কমন্স (CC BY-SA 3.0)

সূত্র: কৃষি সময়

কৃষি সময়সূত্র

ফল

সম্পর্কিত খবর

ফল

রাঙ্গামাটির পাহাড়ি মাল্টা কেজি ৮০ টাকা, সম্ভাব্য বাজারমূল্য ১২ কোটি

রাঙ্গামাটিতে প্রায় ৩৫০ হেক্টরে মাল্টার আবাদ, চলতি মৌসুমে সম্ভাব্য উৎপাদন ২ হাজার ৫০০ মেট্রিক টন; স্থানীয় বাজারে দেশি মাল্টা মিলছে কেজি ৭০ থেকে ৮০ টাকায়।

জাগো নিউজ ২৪১৭ অক্টোবর ২০২৬১ মিনিটের পড়া
ফল

পাঁচ বিঘা থেকে ৭০ বিঘা: ভেড়ামারায় পিতা-পুত্রের মিশ্র ফলের বাগান

কুষ্টিয়ার ভেড়ামারায় হযরত আলী ও রাসেল হোসেন ২০১৪ সালে পাঁচ বিঘার পেয়ারা বাগান দিয়ে শুরু করে এখন ৭০ বিঘায় পেয়ারা, মাল্টা, ড্রাগনসহ নানা ফল চাষ করছেন।

কৃষি সময়১৭ অক্টোবর ২০২৬১ মিনিটের পড়া
ফল

যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি চারটি তাজা আপেলের একটি যায় বিদেশে, রপ্তানি আয় রেকর্ড

২০২৫/২৬ বিপণন বছরে যুক্তরাষ্ট্র ১৮৭ কোটি পাউন্ড তাজা আপেল রপ্তানি করেছে, যা মোট তাজা উৎপাদনের প্রায় ২৬ শতাংশ। রপ্তানি আয় রেকর্ড ১১৬ কোটি ডলারে পৌঁছেছে; বড় ক্রেতা মেক্সিকো ও কানাডা।

ers_usda১৬ অক্টোবর ২০২৬১ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

(০)