সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮—আদা - আমদানিকৃত১৬৭—আদা - দেশী১৫৪—আমন চাল - মাঝারি৫৬—আমন চাল - মোটা৪৮—আমন চাল - সরু৭২—আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২—কাঁচা মরিচ২১৮—খামারের মুরগী১৬২—খাসী৯০০—চিনি (দেশী)১৩২—ছোলা - গোটা৮৫—ডিম ফার্ম - লাল৪৭—পেঁয়াজ - দেশী৬০—বোরো চাল - মাঝারি৫৫—বোরো চাল - মোটা৪৭—বোরো চাল - সরু৬৬—মাংসঃ– গরু৭২৯—মুগ ডাল১২২—রসুন - আমদানিকৃত১৯২—রসুন - দেশী১৭৩—সয়াবিন তেল১৬৩—
হালনাগাদ ১৬ অক্টোবর ২০২৬
ঢাকা২৬°পরিষ্কার আকাশআর্দ্রতা ৭৪%বাতাস ৩ কিমি/ঘ

মাগুরায় ৩টি মিশ্র বাগানে ঝুলছে মিজানের পরিশ্রমের ফল

জীবিকার তাগিদে একসময় গাড়ির স্টিয়ারিং হাতে ছুটে বেড়াতেন মিজানুর রহমান। তবে নিজের ভাগ্যবদলের পাশাপাশি এলাকার মানুষের কর্মসংস্থান তৈরির স্বপ্ন দেখতেন। সেই স্বপ্ন থেকেই ২০২১ সালে শুরু করেন মিশ্র ফলের বাগান। এ ছাড়া বিভিন্ন উন্নত জাতের ফলের চারা বিক্রি করেন।

জীবিকার তাগিদে একসময় গাড়ির স্টিয়ারিং হাতে ছুটে বেড়াতেন মিজানুর রহমান। তবে নিজের ভাগ্যবদলের পাশাপাশি এলাকার মানুষের কর্মসংস্থান তৈরির স্বপ্ন দেখতেন। সেই স্বপ্ন থেকেই ২০২১ সালে শুরু করেন মিশ্র ফলের বাগান। এ ছাড়া বিভিন্ন উন্নত জাতের ফলের চারা বিক্রি করেন।

মাগুরার মহম্মদপুর উপজেলার বালিদিয়া ইউনিয়নের ছোট কলধারী গ্রামের মো. মিজানুর রহমান এখন পরিচিত সফল ফলচাষি হিসেবে। পেশায় তিনি ড্রাইভার। পেশার পাশাপাশি নিজের উদ্যোগ আর পরিশ্রমে গড়ে তুলেছেন তিনটি মিশ্র ফলের বাগান। আড়াই বিঘা জমির ওপর গড়ে ওঠা তিনটি বাগানে একসঙ্গে চাষ হচ্ছে নানা জাতের উন্নত ফল।

সময়ের পরিক্রমায় সেই উদ্যোগ এখন রূপ নিয়েছে সফলতায়। তার বাগানে আছে ভিয়েতনামি মাল্টা, বারোমাসি মাল্টা, মাল্টা পয়সা বারি-১, বাউ-৩ ভিয়েতনামি জাত, চায়না ও দার্জিলিং কমলা, বেদানা বারি-৪ ও বারি-৭, পেঁপে এবং বিভিন্ন জাতের লেবু। এরই মধ্যে বেশ কিছু গাছে ধরেছে প্রচুর ফল। সবুজ পাতার ফাঁকে ফাঁকে ঝুলে থাকা ফলগুলো যেন মিজানুর রহমানের পরিশ্রম আর স্বপ্নেরই প্রতিচ্ছবি।

স্থানীয়দের মতে, মিজানুর রহমানের উদ্যোগটি অন্যদের জন্যও অনুপ্রেরণার। তার পেশার বাইরে নিজস্ব উদ্যোগে কৃষিকাজের মাধ্যমে যে সফল হওয়া সম্ভব, তার একটি বাস্তব উদাহরণ তৈরি করেছেন তিনি। কৃষির প্রতি আগ্রহী তরুণদের জন্য মিজানের এই উদ্যোগ হতে পারে নতুন সম্ভাবনার দুয়ার। পরিকল্পনা, পরিশ্রম ও ধৈর্য থাকলে পতিত বা অনাবাদি জমিকেও যে আয়ের উৎসে পরিণত করা যায়, তারই জীবন্ত প্রমাণ ছোট কলধারীর এই মিশ্র ফলের বাগান।

মিজানুর রহমান বলেন, 'ফলের চাহিদা পূরণের পাশাপাশি স্থানীয়ভাবে কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং নিজের জীবিকা নিশ্চিত করার জন্যই ফলের বাগান করার উদ্যোগ নিই। শুরুতে নানা প্রতিবন্ধকতা থাকলেও ধীরে ধীরে অভিজ্ঞতা ও পরিশ্রমের মাধ্যমে বাগানকে বড় করেছি।'

তিনি বলেন, 'নিজের উদ্যোগে কিছু করার ইচ্ছা থেকেই ফলের বাগান শুরু করি। এখন বাগানে বিভিন্ন জাতের ফল হচ্ছে। ভবিষ্যতে আরও বড় পরিসরে বাগান করার ইচ্ছা আছে।'

মহম্মদপুর উপজেলা কৃষি অফিসার ইশরাত জাহান শিলু বলেন, 'মিজানুর রহমানের এমন উদ্যোগ সত্যিই প্রশংসনীয়। তিনি গাড়ির ড্রাইভার হয়ে মিশ্র ফলের বাগান করে এলাকায় সাড়া ফেলেছেন। কিছু মানুষের কর্মসংস্থানের সুযোগ করে দিয়েছেন। এমন চিন্তা সবাই করলে ফলের চাহিদা পূরণ হবে। প্রকৃতির ভারসাম্য রক্ষা পাবে।'

এমএমআইজে/এসইউ

জাগো নিউজ ২৪সূত্র

ফল

সম্পর্কিত খবর

ফল

যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি চারটি তাজা আপেলের একটি যায় বিদেশে, রপ্তানি আয় রেকর্ড

২০২৫/২৬ বিপণন বছরে যুক্তরাষ্ট্র ১৮৭ কোটি পাউন্ড তাজা আপেল রপ্তানি করেছে, যা মোট তাজা উৎপাদনের প্রায় ২৬ শতাংশ। রপ্তানি আয় রেকর্ড ১১৬ কোটি ডলারে পৌঁছেছে; বড় ক্রেতা মেক্সিকো ও কানাডা।

ers_usda১৬ অক্টোবর ২০২৬১ মিনিটের পড়া
ফল

রাজবাড়ীর বাজিতপুরে দুই একরে চার হাজার ড্রাগন গাছ, দিনে উঠছে ৫০ মণ ফল

রাজবাড়ী সদরের বসন্তপুর ইউনিয়নের বাজিতপুরে জেলার সবচেয়ে বড় ড্রাগন বাগানে গাছপ্রতি ১০-১২ কেজি ফল ধরেছে; ভরা মৌসুমে দিনে প্রায় দুই হাজার কেজি ফল উঠছে, পাইকারি দর কেজি ১৫০ টাকা।

ঢাকা মেইল১৫ অক্টোবর ২০২৬১ মিনিটের পড়া
ফল

আপেলগাছের গোড়ায় লালচে গুঁড়া? সতর্ক করছে বিরল কাণ্ড ছিদ্রকারী পোকা

কানাডার ম্যানিটোবার কৃষি বিভাগ ফলচাষিদের রাউন্ডহেডেড অ্যাপল ট্রি বোরার নিয়ে সতর্ক থাকতে বলছে। এই লম্বা-শুঙ্গ গুবরে পোকার কীড়া জীবন্ত আপেল ও সাস্কাটুন গাছের ভেতরে তিন বছর পর্যন্ত সুড়ঙ্গ কাটে; কাণ্ডের গোড়ায় লালচে গুঁড়াই সবচেয়ে স্পষ্ট লক্ষণ।

Manitoba Co-operator১৫ অক্টোবর ২০২৬২ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

(০)