সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮—আদা - আমদানিকৃত১৬৭—আদা - দেশী১৫৪—আমন চাল - মাঝারি৫৬—আমন চাল - মোটা৪৮—আমন চাল - সরু৭২—আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২—কাঁচা মরিচ২১৮—খামারের মুরগী১৬২—খাসী৯০০—চিনি (দেশী)১৩২—ছোলা - গোটা৮৫—ডিম ফার্ম - লাল৪৭—পেঁয়াজ - দেশী৬০—বোরো চাল - মাঝারি৫৫—বোরো চাল - মোটা৪৭—বোরো চাল - সরু৬৬—মাংসঃ– গরু৭২৯—মুগ ডাল১২২—রসুন - আমদানিকৃত১৯২—রসুন - দেশী১৭৩—সয়াবিন তেল১৬৩—
হালনাগাদ ১৬ অক্টোবর ২০২৬
ঢাকা২৮°পরিষ্কার আকাশআর্দ্রতা ৬২%বাতাস ৫ কিমি/ঘ

নামজারিতে নতুন নিয়ম: ওয়ারিশের জমিতে আগে যৌথ খতিয়ান

ভূমি মন্ত্রণালয়ের নতুন নিয়মে উত্তরাধিকারসূত্রে পাওয়া জমিতে ভাগ-বাটোয়ারা না হলে একই খতিয়ানে সবার নাম যৌথভাবে থাকবে।

বাংলাদেশে জমির নামজারি বা মিউটেশন প্রক্রিয়ায় কিছু পরিবর্তন এনেছে ভূমি মন্ত্রণালয়। নতুন নিয়ম অনুযায়ী, উত্তরাধিকারসূত্রে পাওয়া জমিতে ভাগ-বাটোয়ারা না হলে কোনো আলাদা খতিয়ান হবে না, বরং একই খতিয়ানে সব ওয়ারিশের নাম যৌথভাবে থাকবে।

যৌথ নামজারির জন্য আলাদা করে কোনো বণ্টননামা দলিলের প্রয়োজন নেই, ওয়ারিশ সনদই যথেষ্ট। তবে জমি ভাগ করে আলাদা খতিয়ান করতে চাইলে বা পৃথকভাবে ভূমি উন্নয়ন কর দিতে চাইলে নিবন্ধিত আপোষ-বণ্টননামা দলিল থাকতে হবে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এর মাধ্যমে উত্তরাধিকারসূত্রে পাওয়া জমির ক্ষেত্রে কার্যত 'আগে যৌথ, পরে আলাদা' নীতি চালু হলো।

নামজারি কেন জরুরি, তার ব্যাখ্যা সহজ। জমি কেনা বা উত্তরাধিকারসূত্রে পাওয়ার পর কেবল রেজিস্ট্রেশন করলেই কাজ শেষ হয় না; সরকারি রেকর্ড বা খতিয়ান থেকে আগের মালিকের নাম বাদ দিয়ে নতুন মালিকের নাম অন্তর্ভুক্ত করাকেই নামজারি বলে। নামজারি ছাড়া জমি কেনা-বেচা, দান এমনকি খাজনা দেওয়াও সম্ভব নয়।

নতুন আইনে নামজারি বা খতিয়ান ছাড়া কোনো জমি রেজিস্ট্রি, দান বা হেবা করা যাবে না। ভূমি উন্নয়ন কর দিতে গেলেও নিজের নামে রেকর্ড থাকা প্রয়োজন হয়।

প্রক্রিয়াটি এখন অনলাইনে সারা যায়। ভূমি মন্ত্রণালয়ের ডিজিটাল ভূমিসেবা পোর্টালের মাধ্যমে আবেদন করে নির্ধারিত ফি জমা দিলে ২৮ থেকে ৪৫ দিনের মধ্যে নিষ্পত্তি করা হয়।

নামজারি না করলে ঝুঁকি কী, সেটিও স্পষ্ট করেছেন বিশেষজ্ঞরা। রেকর্ডে নাম না থাকলে মালিকানার ঝুঁকি তৈরি হয় এবং অবৈধ দখলদার বা অন্য ওয়ারিশ জমির দাবি করতে পারেন।

কৃষি পরিবারের জন্য পরিবর্তনটি সরাসরি কাজে লাগার মতো। উত্তরাধিকারে ভাগ হওয়া খেতজমি নিয়ে বিরোধ গ্রামীণ বাংলাদেশে সাধারণ ঘটনা, আর সরকারি রেকর্ডে প্রকৃত মালিকের নাম নিশ্চিত হলে সেই বিরোধ কমবে বলে মনে করা হচ্ছে। যৌথ নামজারির বাধ্যবাধকতা ওয়ারিশদের মধ্যে স্বচ্ছতা আনবে এবং নামজারি ছাড়া জমি বিক্রি বন্ধ হওয়ায় অবৈধ দখলও কমবে বলেই বিশেষজ্ঞদের মত।

সূত্র: বিবিসি বাংলা

বিবিসি বাংলাসূত্র

বাংলাদেশ

সম্পর্কিত খবর

এগ্রোবিজ

জুলাইয়ে ভারতের খৈল রপ্তানি কমেছে ৬৫%, বাংলাদেশে সরিষার খৈল গেছে বেশি

সলভেন্ট এক্সট্র্যাক্টরস অ্যাসোসিয়েশনের তথ্যে জুলাইয়ে ভারত ১,৪৮,৬০৯ টন খৈল রপ্তানি করেছে, আগের বছর যা ছিল ৪,২২,৩৮৮ টন। দ্বিতীয় বৃহত্তম ক্রেতা বাংলাদেশ এপ্রিল-জুলাইয়ে নিয়েছে ১,৭২,৮৫২ টন, বেড়েছে ১৭.১৮%।

Rural Voice১৪ অক্টোবর ২০২৬১ মিনিটের পড়া
এগ্রোটেক

লবণাক্ত জমির গম নিয়ে ৫০ লাখ ইউরো পেল ওলসারো, ২০২৭ সালে বাংলাদেশে বাজারে আনার লক্ষ্য

লবণাক্ত মাটিতেও ফলন দেয় এমন গমের জাত উদ্ভাবনে সুইডিশ স্টার্টআপ ওলসারো ৫০ লাখ ইউরোর বীজ তহবিল পেয়েছে। বাংলাদেশের মাঠ পরীক্ষায় এই গম মাঝারি লবণসহিষ্ণু জাতের চেয়ে ৪১% পর্যন্ত বেশি ফলন দিয়েছে; লাল তীর সিডের সঙ্গে ২০২৭ সালে বাজারে আনার প্রস্তুতি চলছে।

এজিফান্ডনিউজ১৪ অক্টোবর ২০২৬২ মিনিটের পড়া
ফসল

আমনখেতে ডাল পুঁতে পাখি ডেকে পোকা দমন, দিনাজপুর সদরে ৬৫ শতাংশ কৃষকের ভরসা পার্চিং

দিনাজপুর সদরে আমনখেতে ডাল, কঞ্চি ও খুঁটি পুঁতে দেওয়ায় দোয়েল, ফিঙে, শালিক বসে পোকা খাচ্ছে; কৃষি বিভাগ বলছে প্রায় ৬৫ শতাংশ কৃষক এই খরচহীন পদ্ধতিতে সুফল পাচ্ছেন।

বাসস১৩ অক্টোবর ২০২৬২ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

(০)