সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮—আদা - আমদানিকৃত১৬৭—আদা - দেশী১৫৪—আমন চাল - মাঝারি৫৬—আমন চাল - মোটা৪৮—আমন চাল - সরু৭২—আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২—কাঁচা মরিচ২১৮—খামারের মুরগী১৬২—খাসী৯০০—চিনি (দেশী)১৩২—ছোলা - গোটা৮৫—ডিম ফার্ম - লাল৪৭—পেঁয়াজ - দেশী৬০—বোরো চাল - মাঝারি৫৫—বোরো চাল - মোটা৪৭—বোরো চাল - সরু৬৬—মাংসঃ– গরু৭২৯—মুগ ডাল১২২—রসুন - আমদানিকৃত১৯২—রসুন - দেশী১৭৩—সয়াবিন তেল১৬৩—
হালনাগাদ ১৬ অক্টোবর ২০২৬
ঢাকা২৮°আংশিক মেঘলাআর্দ্রতা ৬৪%বাতাস ৪ কিমি/ঘ

নার্সারি শ্রমিক নূর ইসলাম এখন সফল আম চাষি

যশোরের শার্শা উপজেলার বাগআঁচড়া ইউনিয়নের পিঁপড়াগাঁছী গ্রামে বারি-১১ জাতের আম চাষে অবিশ্বাস্য সাফল্য পেয়েছেন উত্তর পাড়ার মরহুম নৈমুদ্দীন সদ্দারের ছেলে নূর ইসলাম সদ্দার। তিনি ২৩ বছর ধরে নার্সারি কাজের সঙ্গে যুক্ত।

যশোরের শার্শা উপজেলার বাগআঁচড়া ইউনিয়নের পিঁপড়াগাঁছী গ্রামে বারি-১১ জাতের আম চাষে অবিশ্বাস্য সাফল্য পেয়েছেন উত্তর পাড়ার মরহুম নৈমুদ্দীন সদ্দারের ছেলে নূর ইসলাম সদ্দার। তিনি ২৩ বছর ধরে নার্সারি কাজের সঙ্গে যুক্ত।

জানা যায়, প্রথমে বিভিন্ন নার্সারিতে শ্রমিক হিসেবে কাজ করতেন নূর ইসলাম। পরে নিজের বাড়ির এক খণ্ড জমিতে ফলদ নার্সারি গড়ে তোলেন। ২০১৮ সালে বাংলাদেশ আম গবেষণা কেন্দ্র চাপাইনবাবগঞ্জ থেকে নতুন উদ্ভাবিত বারি-১১ জাতের আমের চারা সংগ্রহ করেন। সেই চারা থেকে প্রথম বছরেই সাইন (ডাল) দিয়ে ২ হাজার ২০০ চারা উৎপাদন করেন।

২০১৯ সালে ১০ বছরের জন্য ৬ বিঘা জমি লিজ নেন। নিজের ৩ বিঘা ও লিজ নেওয়া ৬ বিঘা জমিতে আমের চারাগুলো রোপণ করেন। এর মধ্যে ৬ বিঘা জমিতে বারি-১১ ও ৩ বিঘা জমিতে কাটিমন আমের চারা রোপণ করেন। চারা রোপণের ২ বছর পরই ফল আসতে শুরু করে।

আরও পড়ুন

নূর ইসলাম জানান, চলতি বছরের এপ্রিল মাস থেকে আম পারতে শুরু করেছেন তিনি। প্রতি বিঘা জমিতে প্রায় ৩৫ মণ আম হয়েছে। প্রতি কেজি আম বাগান থেকে বিক্রি হচ্ছে ৪০০ টাকা দরে। বর্তমানে ১ বিঘা জমি থেকে তার এক মৌসুমে আয় ৫৬ হাজার টাকা। ৩ মৌসুমে আয় হবে প্রায় ১ লাখ ৬৮ হাজার টাকা।

দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে এসে তার আম সংগ্রহ করছেন ব্যবসায়ীরা। কুরিয়ারের মাধ্যমে আম ও আমের চারা পাঠাচ্ছেন বাগান মালিক নূর ইসলাম। অসময়ে মিষ্টি আমের সংবাদ শুনে দূর-দূরান্ত থেকে আম বাগান পরিদর্শনে আসছেন অনেকেই।

উপজেলা কৃষি অফিসার দিপক কুমার বলেন, 'অসময়ে আম উৎপাদন একটি ঝুঁকিপূর্ণ কাজ। তাই আমি নিয়মিত নূর ইসলামের বাগানের খোঁজ রাখি ও পরামর্শ দিচ্ছি। নূর ইসলামের মতো কৃষক আমাদের গর্ব। যদি কেউ নতুন ফল ও ফসল উৎপাদন করতে চান, আমরা সব সময় তাদের পাশে আছি।'

মো. জামাল হোসেন/এসইউ/এএসএম

জাগো নিউজ ২৪সূত্র

ফল

সম্পর্কিত খবর

ফল

রাঙ্গামাটির পাহাড়ি মাল্টা কেজি ৮০ টাকা, সম্ভাব্য বাজারমূল্য ১২ কোটি

রাঙ্গামাটিতে প্রায় ৩৫০ হেক্টরে মাল্টার আবাদ, চলতি মৌসুমে সম্ভাব্য উৎপাদন ২ হাজার ৫০০ মেট্রিক টন; স্থানীয় বাজারে দেশি মাল্টা মিলছে কেজি ৭০ থেকে ৮০ টাকায়।

জাগো নিউজ ২৪১৭ অক্টোবর ২০২৬১ মিনিটের পড়া
ফল

মাগুরায় ২৪০ গাছে কেনু কমলা, প্রথম বছরেই থোকায় থোকায় ফল

মাগুরা সদরের নার্সারি মালিক হারুনুর রশিদ কলমের চারায় ২৪০টি পাকিস্তানি কেনু জাতের কমলাগাছের বাগান করেছেন; এ বছর প্রথমবার বেশির ভাগ গাছে ফল এসেছে।

কৃষি সময়১৭ অক্টোবর ২০২৬১ মিনিটের পড়া
ফল

পাঁচ বিঘা থেকে ৭০ বিঘা: ভেড়ামারায় পিতা-পুত্রের মিশ্র ফলের বাগান

কুষ্টিয়ার ভেড়ামারায় হযরত আলী ও রাসেল হোসেন ২০১৪ সালে পাঁচ বিঘার পেয়ারা বাগান দিয়ে শুরু করে এখন ৭০ বিঘায় পেয়ারা, মাল্টা, ড্রাগনসহ নানা ফল চাষ করছেন।

কৃষি সময়১৭ অক্টোবর ২০২৬১ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

(০)