Skip to content
দা এগ্রো নিউজদা এগ্রো নিউজকৃষি ও কৃষকের সংবাদ
সাবস্ক্রাইব

পেঁয়াজ সংকট: বাংলাদেশ চাহিদামতো উৎপাদন করতে পারছে না কেন

বাংলাদেশের ঢাকায় বিভিন্ন বাজারে শনিবার পেঁয়াজ কেজি প্রতি ২৪০-২৫০ টাকায় বিক্রি হতে দেখা গেছে। অথচ আগস্ট মাসে একই পেঁয়াজ বাজারে পাওয়া গেছে কেজি প্রতি ৭০-৮০ টাকায়।

বিবিসি বাংলা১৬ নভেম্বর ২০১৯ · ১ মিনিটের পড়া
এগ্রোবিজ

বাংলাদেশের ঢাকায় বিভিন্ন বাজারে শনিবার পেঁয়াজ কেজি প্রতি ২৪০-২৫০ টাকায় বিক্রি হতে দেখা গেছে। অথচ আগস্ট মাসে একই পেঁয়াজ বাজারে পাওয়া গেছে কেজি প্রতি ৭০-৮০ টাকায়।

উনত্রিশে সেপ্টেম্বর ভারত পেঁয়াজ রপ্তানি বন্ধের পর পণ্যটির দাম এক ধাক্কায় বেড়ে ১২০-১৫০ টাকায় ঠেকে। এরপর দাম বাড়তেই থাকে।

গত দেড় মাসে পেঁয়াজের দাম ক্রমশ বাড়তে থাকায় পেঁয়াজ খাওয়া সীমিত করে এনেছেন ঢাকার বাসিন্দা সালমা আক্তার।

"আমার পাঁচ জনের ফ্যামিলিতে সপ্তাহে তিন কেজি পেঁয়াজ লাগতো। এখন যে দাম, এতো দাম দিয়ে পেঁয়াজ কেনা তো সম্ভব না। তাই খাওয়া কমিয়ে দিয়েছি, এখন সপ্তাহে এক-দেড় কেজি কিনি।"

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বাংলাদেশে অভ্যন্তরিণভাবে পর্যাপ্ত পেঁয়াজ উৎপাদন করতে না পারলে যে কোন সময় এমন সংকট আবার দেখা দিতে পারে।

এমন অবস্থায় প্রশ্ন উঠেছে, চাইলেই কি পেঁয়াজের ওপর আমদানি নির্ভরতা কমিয়ে উৎপাদন বাড়ানো সম্ভব?

এ ব্যাপারে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ জহিরুদ্দিন বলেছেন, দেশে পেঁয়াজের উৎপাদন বাড়ানো প্রয়োজন হলেও এই ফসল উৎপাদনে কৃষকদের বেশকিছু চ্যালেঞ্জের মুখে পড়তে হয়।

চাল উৎপাদনের ক্ষেত্রে কৃষক যতোটা আগ্রহী, পেঁয়াজের ক্ষেত্রে তেমনটা নয়। কারণ চাল উৎপাদন অপেক্ষাকৃত লাভজনক।

যে জমিতে পেঁয়াজ চাষ হয়, সেই জমিতে অন্যান্য ফসলও ফলানো হয়, তাই বলা যায় যে জমিতে পেঁয়াজ উৎপাদন একটি প্রতিযোগিতার মধ্য থাকে।

বাংলাদেশের বাস্তবতায় চাইলেই ফসল ফলানোর জন্য জমি বাড়ানো যাবেনা।

ট্যাগ#বাংলাদেশ#পেঁয়াজ#কৃষক
বিবিসি বাংলাদা এগ্রো নিউজ

সম্পর্কিত খবর

মন্তব্য

()
পেঁয়াজ সংকট: বাংলাদেশ চাহিদামতো উৎপাদন করতে পারছে না কেন | দা এগ্রো নিউজ