পাটনায় আইসিএআর-পূর্বাঞ্চলীয় গবেষণা কমপ্লেক্স (আরসিইআর) তাদের সবজপুরা গবেষণা খামারে 'পানিসাশ্রয়ী ও পুনরুৎপাদনশীল চাষ' বিষয়ে মাঠ দিবসের আয়োজন করে। পানির দক্ষ ব্যবহার, মাটির স্বাস্থ্য উন্নয়ন, চাষের খরচ কমানো ও জলবায়ু সহনশীলতা বাড়ানোর প্রযুক্তি সেখানে দেখানো হয়। শতাধিক কৃষক ও অংশীজন এতে অংশ নেন।
বিহারের কৃষি বিভাগের মুখ্য সচিব নর্মদেশ্বর লাল প্রদর্শনীগুলো ঘুরে দেখেন: পানিসাশ্রয়ী চাষ, উঁচু-নিচু বেড পদ্ধতি, ফসল ও মাছের সমন্বিত চাষ, ক্ষুদ্র সেচ, সরাসরি বপনের ধান, জলবায়ু-সহিষ্ণু ধানের জাত, ধান কাটার পর পতিত জমির ব্যবহার, সমন্বিত খামার মডেল, ফল ও সবজি দিয়ে ফসল বৈচিত্র্য, কৃষি-বনায়ন ও সম্পদ সংরক্ষণ প্রযুক্তি। খামারের বীজ প্রক্রিয়াকরণ ইউনিটও দেখেন তিনি।
লাল বলেন, এসব প্রযুক্তি আরও বেশি কৃষকের কাছে পৌঁছানো দরকার, আর তা গ্রহণে রাজ্যের কৃষি বিভাগ সম্ভাব্য সব সহায়তা দেবে। কৃষকেরা তাঁকে ইনস্টিটিউট থেকে পাওয়া উন্নত বীজ, চারা, উপকরণ ও প্রশিক্ষণের অভিজ্ঞতা জানান।
আরসিইআরের পরিচালক ড. অনুপ দাস বলেন, জলবায়ু পরিবর্তন, অনিশ্চিত পানি, মাটির ক্ষয় ও বাড়তি চাষ খরচের জবাব পানিসাশ্রয়ী ও পুনরুৎপাদনশীল চাষ; দক্ষ সেচ, জলবায়ু-সহিষ্ণু জাত, বৈচিত্র্যময় চাষ ও সম্পদ সংরক্ষণ পদ্ধতি প্রাকৃতিক সম্পদ রক্ষার পাশাপাশি লাভও বাড়াতে পারে।
অনুষ্ঠানে কৃষকদের মধ্যে ফলের চারা ও মানসম্মত সবজির বীজ বিতরণ করা হয়।
ছবি: Jagadeesh. S / উইকিমিডিয়া কমন্স (CC BY-SA 3.0)
সূত্র: আইসিএআর




মন্তব্য
(০)