সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮—আদা - আমদানিকৃত১৬৭—আদা - দেশী১৫৪—আমন চাল - মাঝারি৫৬—আমন চাল - মোটা৪৮—আমন চাল - সরু৭২—আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২—কাঁচা মরিচ২১৮—খামারের মুরগী১৬২—খাসী৯০০—চিনি (দেশী)১৩২—ছোলা - গোটা৮৫—ডিম ফার্ম - লাল৪৭—পেঁয়াজ - দেশী৬০—বোরো চাল - মাঝারি৫৫—বোরো চাল - মোটা৪৭—বোরো চাল - সরু৬৬—মাংসঃ– গরু৭২৯—মুগ ডাল১২২—রসুন - আমদানিকৃত১৯২—রসুন - দেশী১৭৩—সয়াবিন তেল১৬৩—
হালনাগাদ ১৬ অক্টোবর ২০২৬
ঢাকা২৬°পরিষ্কার আকাশআর্দ্রতা ৭৫%বাতাস ৪ কিমি/ঘ

রাস্তায় ফল বিক্রি করে লেখাপড়ার খরচ চালাচ্ছেন রিপন

জীবন পাল

জীবন পাল

মৌলভীবাজার জেলার শ্রীমঙ্গল উপজেলার কালীঘাট রোডের পাশে রাস্তায় দাঁড়িয়ে ভ্যানগাড়িতে ফল বিক্রি করেন মো. রিপন মিয়া। মা মারা যাওয়ার কিছুদিন পরই তার বাবা আরেকটি বিয়ে করে আলাদা সংসার শুরু করেন। এরপর থেকেই জীবনযুদ্ধে নেমে পড়তে হয় রিপনকে।

পড়াশোনার প্রতি আগ্রহ থাকায় নিজ খরচে লেখাপড়ার খরচ চালিয়ে নিতে শুরু করেন ফল বিক্রি। ক্লাস সিক্স থেকে এসএসসি পর্যন্ত ফল বিক্রি করে নিজের পড়ালেখা চালিয়েছেন রিপন। এরপর উচ্চ মাধ্যমিকের গণ্ডিও তিনি পেড়িয়েছেন নিজের ফল বিক্রির টাকা দিয়েই। ভবিষ্যতে উচ্চ শিক্ষাগ্রহণ করার ইচ্ছে তার।

৬ বছর বয়স থেকেই ব্যবসায় নামেন রিপন। ফাঁকে ফাঁকে বাড়তি আয়ের আশায় টাইলসের কাজও করেন। তবে ফল বিক্রির ব্যবসা তাকে বেশি আকৃষ্ট করে। ২ বছর বয়স থেকেই রিপন বাবা-মা হারা। বড় হয়েছেন দাদা বাড়িতে। দাদা-দাদির মৃত্যুর পর চাচার সংসারে বড় হয়েছেন।

আরও পড়ুন

৩ ভাই ও এক বোনের মধ্যে রিপন দ্বিতীয়। বড় ভাই সবজি দোকানে সহযোগী হিসেবে কাজ করেন। আর ছোট বোন পড়াশোনা করছেন একটি মাদ্রাসায়। রিপন বলেন, 'ছোটবেলায় অতিরিক্ত দুষ্টুমি করায় আমাকে দাদাবাড়ি পাঠিয়ে দেওয়া হয়। এর মধ্যেই মা মারা যান। তারপর বাবা নতুন বিয়ে করেন।'

শহরের সিন্দুরখান রোডে ২ রুমের বাসা নিয়ে একাই থাকেন তিনি। ফলবিক্রি করেই নিজের পড়ালেখার খরচ চালিয়ে যাচ্ছেন। ফলের ব্যবসা করে নিজ খরচে পড়াশোনা চালিয়ে যাওয়ার পাশাপাশি রিপনকে প্রতিমাসে ঘর ভাড়া হিসেবে গুনতে হয় সাড়ে ৩ হাজার টাকা।

বিদ্যুৎ বিলসহ যা দাঁড়ায় ৪ হাজার টাকায়। ফল বিক্রি করে দৈনিক ২-৮ হাজার টাকা আয় হয়। তার খাওয়া ও নিত্য প্রয়োজনীয় খরচ বাবদ প্রতিদিন খরচ হয় ৪০০ টাকা।

মৌসুমভেদে দেশি-বিদেশি ফল ভ্যানগাড়িতে সাজিয়ে রাস্তায় বসেন রিপন। কমলা, মালটা, আপেল, আঙুর ও কলা হলো রিপনের দোকানের নিয়মিত বিক্রির ফলের তালিকা। এর বাইরে লিচু, আম, কাঁঠাল মৌসুমে এসব ফল সংগ্রহ করে বিক্রি করে থাকে।

সকাল ১০টা থেকে রাত ১২টা পর্যন্ত তার ফল বিক্রি চলে। রাতে দোকানপাট বন্ধ করে বাসায় ফেরা মানুষ ফল কিনতে ঢুঁ মারেন তার দোকানে। কালীঘাট রোড, সিন্দুরখান রোড, জালালিয়া রোড, মুসলিম বাগ, রামনগরসহ আশপাশের মানুষের কাছে রিপন খুবই পরিচিত।

আশপাশের সবাই রিপনকে খুব ভালবাসেন। পড়াশোনার প্রতি তার আগ্রহ দেখে সবাই গর্ব করেন। আশপাশের ব্যবসায়ীদের ভাষ্যমতে, রিপন খুব ভালো ছেলে। তার কয়েকটি গুণের মধ্যে একটি হলো, পারিবারিক এতো সমস্যার সম্মুখীণ হয়েও তিনি লেখাপড়া বাদ দেননি।

নিজের চেষ্টায় পড়ালেখা চালিয়ে যাচ্ছেন। সবাই তাকে এ বিষয়ে খুব উৎসাহ দেন। যেহেতু নিজ চেষ্টায় এতটা পথ পাড়ি দিয়েছেন রিপন, বাকিটা পথও যেন তিনি ভালোভাবে পাড়ি দিতে পারেন এমনই প্রত্যাশা সবার।

জাগো নিউজ ২৪সূত্র

ফল

সম্পর্কিত খবর

ফল

মাগুরায় ২৪০ গাছে কেনু কমলা, প্রথম বছরেই থোকায় থোকায় ফল

মাগুরা সদরের নার্সারি মালিক হারুনুর রশিদ কলমের চারায় ২৪০টি পাকিস্তানি কেনু জাতের কমলাগাছের বাগান করেছেন; এ বছর প্রথমবার বেশির ভাগ গাছে ফল এসেছে।

কৃষি সময়১৭ অক্টোবর ২০২৬১ মিনিটের পড়া
ফল

পাঁচ বিঘা থেকে ৭০ বিঘা: ভেড়ামারায় পিতা-পুত্রের মিশ্র ফলের বাগান

কুষ্টিয়ার ভেড়ামারায় হযরত আলী ও রাসেল হোসেন ২০১৪ সালে পাঁচ বিঘার পেয়ারা বাগান দিয়ে শুরু করে এখন ৭০ বিঘায় পেয়ারা, মাল্টা, ড্রাগনসহ নানা ফল চাষ করছেন।

কৃষি সময়১৭ অক্টোবর ২০২৬১ মিনিটের পড়া
ফল

যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি চারটি তাজা আপেলের একটি যায় বিদেশে, রপ্তানি আয় রেকর্ড

২০২৫/২৬ বিপণন বছরে যুক্তরাষ্ট্র ১৮৭ কোটি পাউন্ড তাজা আপেল রপ্তানি করেছে, যা মোট তাজা উৎপাদনের প্রায় ২৬ শতাংশ। রপ্তানি আয় রেকর্ড ১১৬ কোটি ডলারে পৌঁছেছে; বড় ক্রেতা মেক্সিকো ও কানাডা।

ers_usda১৬ অক্টোবর ২০২৬১ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

(০)