সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮—আদা - আমদানিকৃত১৬৭—আদা - দেশী১৫৪—আমন চাল - মাঝারি৫৬—আমন চাল - মোটা৪৮—আমন চাল - সরু৭২—আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২—কাঁচা মরিচ২১৮—খামারের মুরগী১৬২—খাসী৯০০—চিনি (দেশী)১৩২—ছোলা - গোটা৮৫—ডিম ফার্ম - লাল৪৭—পেঁয়াজ - দেশী৬০—বোরো চাল - মাঝারি৫৫—বোরো চাল - মোটা৪৭—বোরো চাল - সরু৬৬—মাংসঃ– গরু৭২৯—মুগ ডাল১২২—রসুন - আমদানিকৃত১৯২—রসুন - দেশী১৭৩—সয়াবিন তেল১৬৩—
হালনাগাদ ১৬ অক্টোবর ২০২৬
ঢাকা২৬°পরিষ্কার আকাশআর্দ্রতা ৭৫%বাতাস ৪ কিমি/ঘ

ফেনীতে ছোট ও মাঝারি গরুর চাহিদা বেশি

ঈদ যত ঘনিয়ে আসছে ততই জমে উঠছে কোরবানির পশুর হাট। ফেনীতে এবার হাটগুলোতে বড় গরুর সরবরাহ থাকলেও ক্রেতাদের চোখ আটকে যাচ্ছে ছোট ও মাঝারিগুলোর দিকে।

ঈদ যত ঘনিয়ে আসছে ততই জমে উঠছে কোরবানির পশুর হাট। ফেনীতে এবার হাটগুলোতে বড় গরুর সরবরাহ থাকলেও ক্রেতাদের চোখ আটকে যাচ্ছে ছোট ও মাঝারিগুলোর দিকে।

জেলার ৬ উপজেলা ও ৫ পৌরসভায় স্থায়ী-অস্থায়ী মিলে ১২৮টি পশুর হাট বসেছে এবার। এদিকে, হাটে ক্রেতা-বিক্রেতাদের নিরাপত্তায় নানা পদক্ষেপ নিয়েছে প্রশাসন।

জেলা প্রাণী সম্পদ বিভাগের তথ্য বলছে, এবার কোরবানির ঈদে ফেনীতে চাহিদা রয়েছে ৯০ হাজার পশুর। এর বিপরীতে জেলার বিভিন্ন খামারি ও প্রান্তিক পশু পালনকারীদের কাছে ১ লাখের বেশি পশুর যোগান আছে। এ ছাড়াও অনেকে নিজেরা লালন পালন করে কোরবানি করে থাকেন। সে হিসাবে ১ লাখ ২ হাজার পশু প্রস্তুত রয়েছে।

এদিকে, হাটগুলোর মধ্যে স্থায়ী ১৫টি এবং অস্থায়ী ১১৩টি হাটে ক্রেতা-বিক্রেতার উপস্থিতিতে বাজার সরগরম হয়ে উঠেছে। খামারগুলো গরুতে ভরা। বেচাকেনাও কমবেশি চলছে।

ফেনীর সবচেয়ে বড় কয়েকটি হাটের মধ্যে বকতারমুন্সি পশুর হাট একটি। এ হাটে ফেনীর বিভিন্ন অঞ্চল থেকে ব্যাপারীরা গরু বিক্রির জন্য নিয়ে আসেন। কোরবানির ঈদের ৮ থেকে ১০ দিন আগে গরু, ছাগলসহ বিভিন্ন পশু কেনাবেচায় সরগরম হয়ে উঠে এই হাট।

পশু বিক্রেতা মোমিন বলেন, গ্রামে হাট বসাতে বাড়িতে পালন করা একটি ছাগল নিয়ে এসেছি। লোকজন দেখছে কিন্ত দাম একেবারেই কম বলছে। ১৭ থেকে ১৮ কেজির ছাগলের দাম বলছে ১২ হাজার, ১৪ হাজার। কিন্ত ১৫ হাজার দাম হলে বিক্রি করে দেবো।

এই পশুর হাটের আধিপত্য রয়েছে দেশি গরুর। তবে বড় গরুর চেয়ে ছোট এবং মাঝারি আকারের গরুর কাছেই ক্রেতাদের ভিড় বেশি।

হাটে আগত ক্রেতা আলী হোসেন বলেন, হাটে প্রচুর পরিমাণে গরু ও ছাগল উঠেছে। তুলনামূলকভাবে ছাগলের দাম অন্যান্য বছরের মতো। অন্যদিকে, গরুর দাম একটু বেশি মনে হচ্ছে।

গরু বিক্রেতা মোরশেদ আলম বলেন, এ বছর পশুর খাদ্যের দাম অনেক বেশি তাই পশু পালনে গরুর খাদ্য ও পরিচর্যায় খরচ বেড়েছে দ্বিগুণ। তিনি বলেন, হাটে ছয়টি গরু নিয়ে এসেছিলাম। আমার একটি গরু দেড় লাখ টাকায় বিক্রি করেছি। অপর গরুগুলো দাম পছন্দমত না হওয়ায় বিক্রি না করে ফিরিয়ে নিয়ে যাচ্ছি।

ফেনী জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. আনিসুর রহমান জানান, খাবার ও রক্ষণাবেক্ষণের ব্যয় বাড়তি থাকায় বাজারে পশুর দর কিছুটা চড়া থাকবে। তবে সেটি অতিরিক্ত না। এবার বাজারের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে অনলাইন ও সরাসরি খামারেই পশু বিক্রি হচ্ছে।

ফেনীর পুলিশ সুপার জাকির হাসান বলেন, ফুলগাজী দিয়ে গরু চালান বেশি হয়। গরু পাচার পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আছে। কোরবানি ঈদকে কেন্দ্র করে কোনো গরু যাতে ভারত থেকে না আসে সে বিষয়ে পুলিশ, বিজিবি, র্যাবসহ সব আইনশৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনী সতর্ক আছে। সড়ক ও মহাসড়কের পাশে কোনো গরুর হাট থাকবে না। সে বিষয়ে ইজারাদারদের আলোচনা হয়েছে। এসময় জাল টাকা প্রতিরোধ ও গরু ব্যবসায়ীদের হয়রানি বন্ধে পুলিশ সচেতন থাকবে।

ফেনী জেলা প্রশাসক আবু সেলিম মাহমুদ-উল হাসান জানান, পশুর হাট ঘিরে কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা করা হয়েছে। নিরাপত্তা নিশ্চিতে ব্যাংকিং সেবাকে বাজারভিত্তিক করার জন্য ব্যাংকগুলোর সঙ্গে আলোচনা হয়েছে। কোরবানির পশুরহাটে দালাল চক্র অস্বাভাবিক দাম বৃদ্ধি ঠেকাতে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করা হবে।

এদিকে, ফেনীতে কোরবানির পশু বেচাকেনায় জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে 'লাইভ ওয়েট' পদ্ধতি। এখন থেকেই খামারে শুরু হয়েছে পশু বেচাকেনা। ঝামেলাহীন হওয়ায় এ পদ্ধতিতে খুশি ক্রেতা-বিক্রেতা উভয়পক্ষ। প্রাণী সম্পদ বিভাগও উৎসাহ যোগাচ্ছে এ পদ্ধতিতে।

এসএনআর/জিকেএস

জাগো নিউজ ২৪সূত্র

লাইভস্টক

সম্পর্কিত খবর

মতামত

মতামত: বর্তমান রূপে ইইউ বাণিজ্য চুক্তি মেনে নেওয়া উচিত নয় অস্ট্রেলিয়ার কৃষকদের

অস্ট্রেলিয়ার ন্যাশনাল ফার্মার্স ফেডারেশনের সভাপতি হ্যামিশ ম্যাকইনটায়ার সব দলকে অস্ট্রেলিয়া-ইইউ চুক্তির বিপক্ষে ভোট দিতে বলেছেন। ক্যাটল অস্ট্রেলিয়ার হিসাবে চুক্তিতে পাওয়া গরুর মাংসের বাজার বছরে মাত্র এক সপ্তাহের রপ্তানির সমান।

Beef Central১৭ অক্টোবর ২০২৬১ মিনিটের পড়া
লাইভস্টক

৫০টি মুরগি থেকে ১,০০০ লেয়ারের খামার, রুয়ান্ডার এক শিক্ষকের উদ্যোক্তা হওয়ার গল্প

ইয়েফা কর্মসূচির উদ্যোক্তা প্রশিক্ষণের পর মাসে দেড় লাখ রুয়ান্ডান ফ্রাঁ বেতনের শিক্ষকতা ছেড়ে ২৬ বছরের ফাদেলা মোদেস্ত এখন গাতসিবো জেলায় দিনে প্রায় ৮০০ ডিম উৎপাদন করেন।

এজিআরএ১৭ অক্টোবর ২০২৬১ মিনিটের পড়া
লাইভস্টক

খবরে নেই, তবু দক্ষিণ আফ্রিকায় ক্ষুরারোগের ১,৫০১টি প্রাদুর্ভাব এখনও নিষ্পত্তিহীন

দক্ষিণ আফ্রিকার কৃষি বিভাগের ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত প্রতিবেদনে ক্ষুরারোগের মোট ২,৮৭১টি প্রাদুর্ভাবের তথ্য আছে। নয়টি প্রদেশেই এসএটি১ ও এসএটি২ ধরন সক্রিয়, নিষ্পত্তিহীন ঘটনার অর্ধেক ইস্টার্ন কেপ ও কোয়াজুলু-নাটালে।

ফার্মার্স উইকলি সাউথ আফ্রিকা১৭ অক্টোবর ২০২৬১ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

(০)