যুক্তরাষ্ট্রের কৃষি বিভাগ (ইউএসডিএ) জবাই উপযোগী গরুর নগদ দাম নিয়ে নতুন একটি আঞ্চলিক প্রতিবেদন প্রকাশ করবে। এতে কলোরাডো, টেক্সাস, নিউ মেক্সিকো, ওকলাহোমা ও কানসাস, এই পাঁচ অঙ্গরাজ্যের বিক্রির তথ্য একসঙ্গে দেখানো হবে। ২০ অক্টোবর কৃষিমন্ত্রী ব্রুক এল. রলিন্স কৃষি বিপণন সার্ভিসের (এএমএস) বাধ্যতামূলক পশুসম্পদ প্রতিবেদন ব্যবস্থার এই পরিবর্তনের ঘোষণা দেন।
নতুন প্রতিবেদন শুরু হবে ২০২৬ সালের ২৬ অক্টোবর সোমবার বিকেলের প্রতিবেদন থেকে। ব্যবস্থাটি আগে থেকেই যে তথ্য সংগ্রহ করে, তা দিয়েই এটি তৈরি হবে; ফলে মাংস প্রক্রিয়াকারী প্রতিষ্ঠানগুলোকে নতুন করে কিছু জানাতে হবে না।
কারণ হিসেবে বিভাগ জানিয়েছে, দর-কষাকষি করে নগদে গরু কেনা ক্রমেই কমছে। ২০০৫ সালে মোট লেনদেনের ৫০ শতাংশের বেশি ছিল নগদ কেনা, ২০২৫ সালে তা নেমে এসেছে ১৮ শতাংশের নিচে। প্রক্রিয়াকারীরা এখন বেশি কিনছে পূর্বনির্ধারিত সূত্র ধরে, অথচ সেই সূত্রের দামও অনেক ক্ষেত্রে নগদ দামের ওপর নির্ভর করে। নগদ লেনদেন কম হলে প্রতিবেদনে দেখানোর মতো তথ্যও কমে, আর গোপনীয়তার নিয়মে কিছু সংখ্যা প্রকাশ করা যায় না; এতে প্রচলিত প্রতিবেদনের কার্যকারিতা কমে গেছে।
পাঁচ অঙ্গরাজ্যের তথ্য এক জায়গায় মিলিয়ে এএমএস খামারি, পশু বিক্রেতা, প্রক্রিয়াকারী ও বাজারের অন্য পক্ষগুলোকে নগদ দামের আরও অর্থবহ চিত্র দিতে চায়।
রলিন্স বলেন, গরুর বাজার ঠিকভাবে চলতে হলে নির্ভরযোগ্য ও স্বচ্ছ দামের তথ্য অপরিহার্য। এএমএস যে বাজার-তথ্য সংগ্রহ করে, তার সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিত করতেই এই পরিবর্তন।
বিভাগ এটিকে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের দুটি নির্বাহী আদেশ বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে উপস্থাপন করেছে: একটি খামারিদের সহায়তা নিয়ে, অন্যটি পশুসম্পদ বাজারে ন্যায্য প্রতিযোগিতা নিয়ে। প্রক্রিয়াকারী প্রতিষ্ঠান বাজারদরের সঙ্গে মিল রেখে দাম দিচ্ছে কি না, তা যাচাইয়ে খামারি ও ফিডলট মালিকেরা এ ধরনের প্রতিবেদনের ওপরই নির্ভর করেন। প্রতিবেদনগুলো এএমএসের পশুসম্পদ বাজার-সংবাদ পাতায় এবং ইউএসডিএ মার্কেট নিউজ অ্যাপে পাওয়া যায়।
সূত্র: ইউএসডিএ





মন্তব্য
(০)