সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮—আদা - আমদানিকৃত১৬৭—আদা - দেশী১৫৪—আমন চাল - মাঝারি৫৬—আমন চাল - মোটা৪৮—আমন চাল - সরু৭২—আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২—কাঁচা মরিচ২১৮—খামারের মুরগী১৬২—খাসী৯০০—চিনি (দেশী)১৩২—ছোলা - গোটা৮৫—ডিম ফার্ম - লাল৪৭—পেঁয়াজ - দেশী৬০—বোরো চাল - মাঝারি৫৫—বোরো চাল - মোটা৪৭—বোরো চাল - সরু৬৬—মাংসঃ– গরু৭২৯—মুগ ডাল১২২—রসুন - আমদানিকৃত১৯২—রসুন - দেশী১৭৩—সয়াবিন তেল১৬৩—
হালনাগাদ ১৬ অক্টোবর ২০২৬
ঢাকা২৮°আংশিক মেঘলাআর্দ্রতা ৬৪%বাতাস ৪ কিমি/ঘ

বৃক্ষমেলায় ‘বিলুপ্তপ্রায়’ যত গাছ

এক সময় গ্রামবাংলার প্রকৃতিতে যেসব গাছ ছিল অত্যন্ত পরিচিত ও উপকারি, আজ তার অনেকগুলোই 'বিলুপ্তপ্রায়'। বন অধিদপ্তরের আয়োজনে বৃক্ষমেলায় হারিয়ে যাওয়া, দুর্লভ এবং 'বিলুপ্তপ্রায়' গাছগুলো স্থান পেয়েছে এবার।

এক সময় গ্রামবাংলার প্রকৃতিতে যেসব গাছ ছিল অত্যন্ত পরিচিত ও উপকারি, আজ তার অনেকগুলোই 'বিলুপ্তপ্রায়'। বন অধিদপ্তরের আয়োজনে বৃক্ষমেলায় হারিয়ে যাওয়া, দুর্লভ এবং 'বিলুপ্তপ্রায়' গাছগুলো স্থান পেয়েছে এবার।

মঙ্গলবার (১ জুলাই) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে বৃক্ষমেলা ঘুরে দেখা গেছে, দর্শনার্থীরা খুঁজে খুঁজে এসব গাছ কিনছেন। কেউবা আবার ছবি তুলে নিচ্ছেন। অনেক গাছের নাম কেউ কেউ শোনেননি কখনও। অনেক বৃক্ষপ্রেমী আবার অনেকে নিজের শৈশবের স্মৃতির সঙ্গে মেলাতে পেরে আবেগাপ্লুত হচ্ছেন।

নার্সারির মালিক ও বিক্রয়কর্মীদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, ঔষধি, ফল, ফুল, বনজ, শোভাবর্ধনকারী ও মশলা জাতীয় বিলুপ্তপ্রায় ও দুর্লভ গাছের মধ্যে রয়েছে বাঁশপাতা, দোলনচাঁপা, চিত্তাগাছ, পারুল, রুদ্রপালাশ, গুটিজাম, জৈষ্ঠমধু, বনসাই, শতমূল, কাউ, রক্ত চন্দন, পানবিলাসী, বিলাতী গাব, অশ্বোক, স্বর্পগন্ধা, বনখেজুর, বালবোরক্স, লম্বা ট্রায়াস অর্কিড ও বলগাছসহ বহু প্রজাতির বিলুপ্তপ্রায় গাছ। এসব গাছের সঙ্গে গাছের পরিচয় ছোট সাইনবোর্ড দিয়ে ঝুলিয়ে দেওয়া রয়েছে।

এছাড়া নার্সারির বিক্রয়কর্মীরা জানিয়েছেন, শোভাবর্ধনকারী গাছ পাকুড়, কুর্চি, ঝিনুক, মোচা, মহুয়া গাছ। কাঠ গাছের মধ্যে রয়েছে, গর্জন, লোহাকাঠ, ছাতিম, ওয়াটার ব্যাম্বো। ফুলের মধ্যে, সোনালু, ককসিয়া, গার্ডেনিয়া, টিপু সুলতান, শিমুল, অঞ্জনা, মহুয়া উল্লেখযোগ্য।

পরিবেশ বিজ্ঞানীরা বলছেন, জলবায়ু পরিবর্তন, নগরায়ন, নির্বিচারে বন উজাড়, কাঠের ব্যবসা এবং বনায়নের অভাবে এসব গাছ হারিয়ে যাচ্ছে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, এসব গাছ সংরক্ষণ করা না গেলে শুধু প্রকৃতির ভারসাম্যই ক্ষতিগ্রস্ত হবে না, হারিয়ে যাবে বাংলাদেশের জীববৈচিত্র্যের একটি বড় অংশ। এজন্য মেলা থেকে শুধু গাছ কেনা নয়, প্রজন্ম থেকে প্রজন্মে দেশীয় প্রজাতির গাছ বাঁচিয়ে রাখার অঙ্গীকার করাও জরুরি।

বৃক্ষমেলায় অংশ নেওয়া খান নার্সারির ম্যানেজার জাহাঙ্গীর বলেন, আমরা চেষ্টা করি বিলুপ্তপ্রায় গাছের চারা তৈরি করার। মানুষও আবার আগ্রহ দেখাচ্ছে এসব গাছ রোপণে। তবে সরকারের উচিত এসব গাছ রক্ষায় ভূমিকা রাখা।

কিংশুক ও গ্রীন হাউজ নার্সারির বিক্রয়কর্মী রবিউল ইসলাম জাগো নিউজকে বলেন, আমরা যেহুতু নার্সারি করি সব ধরনের গাছই রাখতে হয়। মানুষ বইখাতা দেখে অনেক গাছ কিনতে চায়। সে কারণে আমরা সব ধরনের গাছ বহু কষ্টে সংগ্রহে রাখি। নার্সারিগুলো বন-জঙ্গল ঘুরে ঘুরে বিলুপ্তপ্রায় গাছ সংগ্রহ করেন।

বৃক্ষমেলায় কথা হয় রাজধানীর সূত্রাপুর থেকে আসা নীলা আলমগীরের সঙ্গে। জাগো নিউজকে তিনি বলেন, আমি ঢাকার অনেক নার্সারিত ঘুরেছি। মন মত গাছ পাইনা। কিন্ত মেলায় এসে এমন অনেক গাছ পেয়েছি, যেগুলো জীবনেও দেখিনি। মহুয়া গাছ, আর পারুল গাছ কিনেছি। পান বিলাসী গাছও নিয়েছি।

মেলায় আসা বৃক্ষপ্রেমীরা বলছেন, বৃক্ষমেলা শুধু গাছ বিক্রির জায়গা নয়, বরং দেশীয় প্রাকৃতিক ঐতিহ্যকে পুনরুজ্জীবন করার একটা জায়গা। সময় এসেছে নিজ নিজ এলাকায় এসব বিলুপ্তপ্রায় গাছ রোপণ ও সংরক্ষণে সক্রিয় হওয়ার।

আরএএস/এসএনআর/জিকেএস

জাগো নিউজ ২৪সূত্র

পরিবেশ

সম্পর্কিত খবর

পরিবেশ

৩৪ বছরে ৬০ হাজার চারা: চরফ্যাশনের ইমাম বাবুলের সবুজ গ্রাম

ভোলার চরফ্যাশনের মসজিদের ইমাম রেজাউল কিবরিয়া বাবুল পৈতৃক জমি বিক্রি করে নার্সারি গড়ে ৩৪ বছরে ৫০ থেকে ৬০ হাজার চারা ও ২৫ থেকে ৩০ হাজার তালবীজ রোপণ করেছেন।

এগ্রিকেয়ার২৪১৭ অক্টোবর ২০২৬১ মিনিটের পড়া
মতামত

বায়ুদূষণ শুধু ঢাকার নয়: পোলট্রি খামার আর পাটকাঠির চুল্লির ধোঁয়া

লেখক ও গবেষক গওহার নঈম ওয়ারা লিখেছেন, ঝিনাইদহের মাদ্রাসার পাশে মুরগির খামারের দুর্গন্ধ থেকে পাটকাঠি পোড়ানো চারকোল কারখানা পর্যন্ত, ঢাকার বাইরেও বায়ুদূষণ বাড়ছে।

প্রথম আলো১৭ অক্টোবর ২০২৬১ মিনিটের পড়া
পরিবেশ

ঠাকুরগাঁওয়ে নদীর ধারের জঙ্গলে দেখা মিলল দুর্লভ বনবিড়ালের

ঠাকুরগাঁওয়ে খ্যাঁকশিয়াল দেখতে গিয়ে নদীর ধারের জঙ্গল ও আখখেতের পাশে বনবিড়ালের দেখা পান অধ্যাপক তুহিন ওয়াদুদ; আলোকচিত্রী রেজাউল হাফিজ রাহী প্রথমবার এর ছবি তোলেন।

প্রথম আলো১৭ অক্টোবর ২০২৬১ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

(০)