সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮—আদা - আমদানিকৃত১৬৭—আদা - দেশী১৫৪—আমন চাল - মাঝারি৫৬—আমন চাল - মোটা৪৮—আমন চাল - সরু৭২—আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২—কাঁচা মরিচ২১৮—খামারের মুরগী১৬২—খাসী৯০০—চিনি (দেশী)১৩২—ছোলা - গোটা৮৫—ডিম ফার্ম - লাল৪৭—পেঁয়াজ - দেশী৬০—বোরো চাল - মাঝারি৫৫—বোরো চাল - মোটা৪৭—বোরো চাল - সরু৬৬—মাংসঃ– গরু৭২৯—মুগ ডাল১২২—রসুন - আমদানিকৃত১৯২—রসুন - দেশী১৭৩—সয়াবিন তেল১৬৩—
হালনাগাদ ১৬ অক্টোবর ২০২৬
ঢাকা২৬°পরিষ্কার আকাশআর্দ্রতা ৭৪%বাতাস ৩ কিমি/ঘ

কৃষক কার্ড কৃষিতে নতুন দিগন্ত খুলতে পারে, লিখেছেন কৃষি বিশেষজ্ঞ সমীরণ বিশ্বাস

২০২৬ সালের ১৮ মার্চ জাগো নিউজে প্রকাশিত কলামে কৃষি ও পরিবেশ বিশেষজ্ঞ সমীরণ বিশ্বাস লিখেছেন, সরকারের পরিকল্পিত কৃষক কার্ড মধ্যস্বত্বভোগী ছাড়াই প্রকৃত কৃষকের কাছে সার, বীজ, কীটনাশক ও সহায়তা পৌঁছাতে পারে, যদি এর পেছনের তথ্য নির্ভুল রাখা যায়।

কৃষক কার্ড কৃষিতে নতুন দিগন্ত খুলতে পারে, লিখেছেন কৃষি বিশেষজ্ঞ সমীরণ বিশ্বাস
এগ্রোবিজ

২০২৬ সালের ১৮ মার্চ জাগো নিউজ ২৪ কৃষি ও পরিবেশ বিশেষজ্ঞ সমীরণ বিশ্বাসের একটি কলাম প্রকাশ করে, শিরোনাম ছিল ‘কৃষক কার্ড কৃষির নতুন দিগন্ত’। তিনি যুক্তি দেন, সরকার যে কৃষক কার্ড চালুর প্রস্তুতি নিচ্ছিল, তা এমন একটি একক প্ল্যাটফর্ম হয়ে উঠতে পারে, যার মাধ্যমে প্রকৃত কৃষক সার, বীজ, কীটনাশক, আর্থিক সহায়তা ও তথ্য পাবেন; সঠিকভাবে বাস্তবায়ন করা গেলে এটি বাংলাদেশের কৃষিকে বদলে দিতে পারে। কলামটি প্রকাশিত হয় কার্ড বিতরণের আনুষ্ঠানিক সূচনার জন্য সরকারের ঠিক করা দিন পহেলা বৈশাখের (১৪ এপ্রিল ২০২৬) চার সপ্তাহেরও কম আগে, যখন প্রাক-পাইলটের জন্য বাছাই করা প্রথম উপজেলাগুলোতে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর (ডিএই) কৃষকের তথ্য সংগ্রহ করছিল।

লেখক শুরু করেন জাতীয় জীবনে কৃষির জায়গা থেকে। তাঁর ভাষায়, বাংলাদেশ একটি কৃষিনির্ভর দেশ; এ দেশের অর্থনীতি, সংস্কৃতি ও গ্রামীণ জীবনের মূল ভিত্তি কৃষি। মোট জনসংখ্যার একটি বড় অংশ সরাসরি বা পরোক্ষভাবে কৃষির সঙ্গে জড়িত, আর খাদ্য নিরাপত্তা থেকে কর্মসংস্থান পর্যন্ত সব ক্ষেত্রে কৃষির অবদান অপরিসীম। এই কৃষিকে টিকিয়ে রাখেন কৃষক, এবং লেখকের মতে কৃষকের মুখে হাসি না ফুটলে দেশের সার্বিক উন্নয়ন সম্ভব নয়। কৃষকের সমস্যা দূর করতে সরকারের নেওয়া উদ্যোগগুলোর মধ্যে তিনি কৃষক কার্ডকে অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বলে উল্লেখ করেন: দেখতে পরিচয়পত্রের মতো হলেও এটি কেবল পরিচয়ের প্রমাণ নয়, বরং নানা সুবিধা ও সেবার একটি প্ল্যাটফর্ম।

লেখকের মতে কেন কৃষক কার্ড দরকার


সমীরণ বিশ্বাস লেখেন, বাংলাদেশের কৃষক দীর্ঘদিন ধরে একই ধরনের সমস্যার মুখে: কে প্রকৃত কৃষক তা শনাক্ত করা, সারের সঠিক বণ্টন, মানসম্মত বীজ পাওয়া এবং ন্যায্যমূল্যে কীটনাশক কেনা। তিনি উল্লেখ করেন, এসব ক্ষেত্রে অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ রয়েছে, আর অনেক সময় প্রকৃত কৃষক বঞ্চিত হন, সুবিধা পান মধ্যস্বত্বভোগীরা। তাঁর বিশ্লেষণে কৃষক কার্ড এর জবাব, কারণ এটি কৃষকের একটি ডাটাবেজ তৈরি করে, যার মাধ্যমে সরকার সরাসরি সেবা পৌঁছাতে পারে; এতে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি বাড়বে বলে তিনি আশা করেন।

কর্মকর্তারাও একই লক্ষ্যের কথা বলেছিলেন। দ্য ডেইলি স্টার ২০২৬ সালের ৭ মার্চ জানায়, ডিএইর মাঠ পরিচর্যা উইংয়ের পরিচালক ওবায়দুর রহমান মণ্ডল বলেছেন, কৃষকের একটি কেন্দ্রীয় ডিজিটাল নিবন্ধন দরকার বলে সরকার চিহ্নিত করেছে, কারণ দেশে কোনো পূর্ণাঙ্গ ডাটাবেজ নেই এবং এতে তথ্যভিত্তিক নীতি নেওয়া কঠিন হয়। তাঁর মতে, ডিজিটাল ব্যবস্থা ফসল উৎপাদন ও ভর্তুকির চাহিদার তাৎক্ষণিক তথ্য দেবে এবং অযোগ্য ব্যক্তিদের সুবিধা নেওয়া ঠেকাবে।

এমন নিবন্ধনের আওতা অনেক বড়। দ্য ডেইলি স্টারের উদ্ধৃত বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) কৃষি শুমারি ২০১৯ অনুযায়ী, দেশে কৃষিনির্ভর খানার সংখ্যা বেড়ে ১৬.৮৮ মিলিয়ন ছাড়িয়েছে। পত্রিকাটি বিবিএসের তথ্য উদ্ধৃত করে আরও জানায়, ২০২৪-২৫ অর্থবছরে মোট দেশজ উৎপাদনে (জিডিপি) কৃষির অবদান ছিল প্রায় ১১.০৩ শতাংশ, আর কর্মসংস্থানে কৃষির অংশ ২০১৬-১৭ সালের ৪০.৬ শতাংশ থেকে বেড়ে ২০২২ সালে ৪৫.৩৩ শতাংশ হয়; অর্থাৎ কৃষিই তখনো কাজের প্রধান উৎস।

রাজশাহীর একজন কৃষক। ছবি: Nasir4501 / উইকিমিডিয়া কমন্স (CC BY-SA 4.0)
রাজশাহীর একজন কৃষক। ছবি: Nasir4501 / উইকিমিডিয়া কমন্স (CC BY-SA 4.0)

সঠিক সময়ে ন্যায্যমূল্যে সার, বীজ ও কীটনাশক


লেখকের মতে, সার কৃষি উৎপাদনের অন্যতম প্রধান উপকরণ, অথচ সারের সংকট, কালোবাজারি ও অতিরিক্ত দামের কারণে কৃষক প্রায়ই ক্ষতিগ্রস্ত হন; অনেক মৌসুমে গুরুত্বপূর্ণ সময়ে সার না পাওয়ায় ফলন কমে যায়। কৃষক কার্ড থাকলে সরকার সহজেই জানতে পারবে কোন কৃষকের কতটুকু জমি আছে এবং তাঁর কতটুকু সার দরকার, ফলে সঠিক সময়ে সঠিক পরিমাণ সার ন্যায্যমূল্যে কৃষকের কাছে পৌঁছাবে এবং উৎপাদন খরচ কমবে, এমন যুক্তি দেন তিনি।

বাংলাদেশের কৃষিতে সারের গুরুত্ব বোঝায় কেন এর বণ্টন এত জরুরি। জাতীয় জ্ঞানকোষ বাংলাপিডিয়া অনুযায়ী, দেশে রাসায়নিক সার আসে পঞ্চাশের দশকের শুরুতে, ষাটের দশকের মাঝামাঝি থেকে আধুনিক জাত ও সেচের প্রসারের সঙ্গে এর ব্যবহার ক্রমাগত বাড়ে, এবং মোট ফসল উৎপাদনের প্রায় অর্ধেকের জন্য অজৈব সার দায়ী; ফসলের প্রায় সব নাইট্রোজেনের চাহিদা মেটায় ইউরিয়া। দ্য ডেইলি স্টার জানায়, সরকার ২০২৪-২৫ ও ২০২৫-২৬ অর্থবছরের প্রতিটি বাজেটে সার, বীজ, যন্ত্রপাতি ও অন্যান্য উপকরণে ভর্তুকির জন্য ১৭ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ রাখে, আর ২০২৫-২৬ অর্থবছরে কৃষি খাতের জন্য ২৭ হাজার ২২৪ কোটি টাকা বরাদ্দের প্রস্তাব করা হয়।

বীজ প্রসঙ্গে লেখক বলেন, ভালো ফলনের জন্য মানসম্মত বীজ অপরিহার্য; নিম্নমানের বীজে ফলন কমে এবং কৃষক লোকসানে পড়েন। তাঁর ভাষায়, অনেক কৃষক প্রতারিত হয়ে নিম্নমানের বা ভেজাল বীজ কিনতে বাধ্য হন। কার্ডের মাধ্যমে নিবন্ধিত কৃষকদের কাছে সরকার বা অনুমোদিত প্রতিষ্ঠান সরাসরি উন্নত বীজ সরবরাহ করতে পারলে কৃষক প্রতারণা থেকে রক্ষা পাবেন, উৎপাদন বাড়বে এবং খাদ্য নিরাপত্তাও জোরদার হবে।

এরপর কীটনাশক। ফসল রক্ষায় কীটনাশক গুরুত্বপূর্ণ, কিন্তু বাজারে প্রায়ই ভেজাল বা নিম্নমানের কীটনাশক পাওয়া যায়, যা ফসলের ক্ষতি করে এবং পরিবেশের জন্যও ঝুঁকিপূর্ণ, লেখেন সমীরণ বিশ্বাস; বেশি দামে কিনতে গিয়েও কৃষক আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়েন। তাঁর মতে, কার্ডের মাধ্যমে সরকার অনুমোদিত বিক্রেতার মাধ্যমে ন্যায্যমূল্যে মানসম্মত কীটনাশক সরবরাহ করতে পারবে, ফলে কৃষক সঠিক পণ্য পাবেন এবং ফসল নিরাপদ থাকবে।

ভর্তুকি, ঋণ ও মধ্যস্বত্বভোগী


লেখক উল্লেখ করেন, সরকার কৃষকদের ভর্তুকি, শস্যবিমা, প্রণোদনা ও ঋণ দেয়, কিন্তু এসব পেতে অনেক সময় জটিলতা, দালালি ও দুর্নীতির মুখে পড়তে হয় এবং প্রকৃত কৃষক প্রায়ই বঞ্চিত হন। কার্ডধারী কৃষকের একটি নির্ভরযোগ্য ডাটাবেজ তৈরি হলে সরাসরি তাঁদের কাছে আর্থিক সহায়তা পাঠানো যাবে; মোবাইল ব্যাংকিং বা ব্যাংক হিসাবে সরাসরি টাকা দিলে মধ্যস্বত্বভোগীর সুযোগ কমবে এবং স্বচ্ছতা নিশ্চিত হবে, এমন যুক্তি দেন তিনি।

তিনি আরও লেখেন, কৃষিব্যবস্থার একটি বড় সমস্যা মধ্যস্বত্বভোগীদের আধিপত্য: তাঁরা অনেক সময় কৃষকের কাছ থেকে কম দামে ফসল কিনে বেশি দামে বিক্রি করেন, আর সার, বীজ ও কীটনাশক সরবরাহেও অতিরিক্ত মুনাফা করেন। কৃষক সরকারি বা অনুমোদিত উৎস থেকে সরাসরি উপকরণ পেলে মধ্যস্বত্বভোগীর প্রভাব কমবে, কৃষক ন্যায্যমূল্য পাবেন এবং তাঁদের আয় বাড়বে, এই ছিল তাঁর যুক্তি।

কলাম প্রকাশের সময় কৃষিঋণ নতুন সরকারের আলোচ্যসূচিতে ছিল। বাংলা ট্রিবিউন ও দৈনিক ইনকিলাব জানায়, ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারির শেষ দিকে নতুন মন্ত্রিসভার প্রথম আনুষ্ঠানিক বৈঠকে আনুমানিক ১২ লাখ কৃষককে সুবিধা দিতে সুদসহ সর্বোচ্চ ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত কৃষিঋণ মওকুফের সিদ্ধান্ত হয়। মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনি বলেন, এ সুবিধা ফসল, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ খাতের কৃষকদের জন্য প্রযোজ্য হবে। বাংলা ট্রিবিউনের উদ্ধৃত বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, রাষ্ট্রায়ত্ত, বিশেষায়িত ও বেসরকারি ব্যাংক মিলিয়ে এমন ঋণের সুদসহ বকেয়া ছিল প্রায় ১ হাজার ৫৫০ কোটি টাকা; সবচেয়ে বেশি বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে, ৬ লাখ ৬১ হাজার ৭৬৩ জন গ্রাহকের ৬২৫.৪০ কোটি টাকা, এরপর সোনালী ব্যাংকে ২ লাখ ১৫ হাজার ৯৩২ জনের ৪১৩ কোটি টাকা এবং রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংকে ১ লাখ ৪৯ হাজার ৫৬৪ জনের ১৪৮.৭৯ কোটি টাকা।

প্রাতিষ্ঠানিক কৃষিঋণও বাড়ছিল। দ্য ফিন্যান্সিয়াল এক্সপ্রেস ২০২৬ সালের ১ ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য উদ্ধৃত করে জানায়, ২০২৫-২৬ অর্থবছরের জুলাই-ডিসেম্বরে কৃষিঋণ বিতরণ দাঁড়ায় ২১০.০৮ বিলিয়ন টাকায়, যা আগের বছরের একই সময়ের চেয়ে ২৯.২ শতাংশ বেশি; পুরো বছরের লক্ষ্য ছিল ৩৯০ বিলিয়ন টাকা, আর বকেয়া কৃষিঋণ ছিল ৬২৭.২৩ বিলিয়ন টাকা। ওই প্রতিবেদনে সংশ্লিষ্টরা বলেন, ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষক তখনো অনানুষ্ঠানিক ঋণের ওপর অনেকটা নির্ভরশীল।

১৮ মার্চের আগে সরকার যা ঘোষণা করেছিল


কৃষক কার্ড ছিল ১২ ফেব্রুয়ারির জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে ২০২৬ সালের ৬ ফেব্রুয়ারি ঘোষিত বিএনপির নির্বাচনী ইশতেহারের একটি প্রতিশ্রুতি। প্রথম আলোর প্রতিবেদন অনুযায়ী, ইশতেহারে বলা হয়, কৃষকের উৎপাদিত ফসলের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করতে কৃষক কার্ডের মাধ্যমে ভর্তুকি, সহজ ঋণ, কৃষিবিমা ও রাষ্ট্রীয় ব্যবস্থাপনায় বাজারজাতকরণ জোরদার করা হবে, এবং মৎস্যচাষি, পশুপালনকারী খামারি ও কৃষি খাতের ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরাও এ সুবিধা পাবেন। দ্য ডেইলি স্টারের হিসাবে ওই ইশতেহারে কৃষিসংক্রান্ত ১৫টি প্রতিশ্রুতি ছিল, যার মধ্যে কৃষক কার্ড, ঋণ মওকুফ ও প্রিসিশন ফার্মিং বা নির্ভুল চাষ রয়েছে।

২০২৬ সালের ২৩ ফেব্রুয়ারি সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সম্মেলনকক্ষে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে কৃষক কার্ড চালু নিয়ে প্রথম সভা হয়। তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন সাংবাদিকদের বলেন, নীতিগতভাবে সিদ্ধান্তটি বহু আগেই নেওয়া; ফ্যামিলি কার্ডের মতো কৃষক কার্ডের পাইলট প্রকল্প যত দ্রুত সম্ভব শুরু হবে, তবে তারিখ তখনো বলা যাচ্ছিল না। নিউ এজের প্রতিবেদন অনুযায়ী, তিনি বলেন, কার্ডের মাধ্যমে কৃষক সরাসরি কৃষি পরামর্শ পাবেন, সহজে যন্ত্রপাতি পাবেন, সার, কীটনাশক ও বীজ পাবেন, আর কর্তৃপক্ষ বাজারের প্রবণতা, উৎপাদন ও আবহাওয়ার তথ্য বিশ্লেষণ করতে পারবে। স্থানীয় প্রভাবশালী বা মধ্যস্বত্বভোগীরা সুযোগ নিতে পারে কি না, এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, এ ধরনের অপচয় ঠেকাতেই ব্যবস্থাটি নকশা করা হয়েছে এবং এতে কোনো মধ্যস্বত্বভোগী থাকবে না। চূড়ান্ত লক্ষ্য, তাঁর ভাষায়, সরকারি পরিসংখ্যানে থাকা সব কৃষককে পর্যায়ক্রমে কার্ড দেওয়া।

৪ মার্চ প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে এক পর্যালোচনা সভায় বিস্তারিত ঠিক হয়, দ্য ডেইলি স্টার ও এর বাংলা সংস্করণকে জানান প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব সালেহ শিবলী। বাংলা ১৪৩৩ সনের পহেলা বৈশাখ, ১৪ এপ্রিল পরীক্ষামূলকভাবে কার্ড বিতরণের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন হবে, এবং কর্মসূচি তদারকিতে অর্থসচিবের নেতৃত্বে চার সদস্যের একটি সচিব কমিটি গঠন করা হয়। কর্মসূচি বাস্তবায়ন করবে কৃষি মন্ত্রণালয়ের অধীন ডিএই। প্রাক-পাইলট পর্যায়ে ৪৫ দিনের মধ্যে সব শ্রেণির কৃষকের তথ্য সংগ্রহ করে আট বিভাগের নয়টি উপজেলার নয়টি ব্লকে কার্ড বিতরণ করা হবে: টাঙ্গাইল সদর, বগুড়ার শিবগঞ্জ, পঞ্চগড় সদর, জামালপুরের ইসলামপুর, ঝিনাইদহের শৈলকুপা, পিরোজপুরের নেছারাবাদ, মৌলভীবাজারের জুড়ী, কুমিল্লা সদর ও কক্সবাজারের টেকনাফ। প্রাক-পাইলট ও পাইলট শেষে চার বছরের মধ্যে দেশের সব উপজেলায় কর্মসূচি বাস্তবায়নের পরিকল্পনা জানানো হয়।

প্রেস সচিব কার্ডের মাধ্যমে ধাপে ধাপে দেওয়া হবে এমন ১০টি সেবার কথা বলেন:

  • ন্যায্যমূল্যে কৃষি উপকরণ
  • সরকারি ভর্তুকি ও প্রণোদনা
  • সাশ্রয়ী মূল্যে কৃষিযন্ত্র ব্যবহারের সুযোগ
  • ন্যায্যমূল্যে সেচ সুবিধা
  • সহজ শর্তে কৃষিঋণ
  • কৃষিবিমার সুবিধা
  • ন্যায্যমূল্যে কৃষিপণ্য বিক্রির সুযোগ
  • কৃষি প্রশিক্ষণ
  • ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে আবহাওয়া ও বাজারের তথ্য
  • ফসলের রোগবালাই ও পোকামাকড় দমনে পরামর্শ

তিনি জানান, শস্য উৎপাদনকারীর পাশাপাশি মৎস্যচাষি, প্রাণিসম্পদ খামারি ও দুগ্ধ খামারিরাও কার্ডের আওতায় আসবেন; ভূমিহীন, প্রান্তিক ও ক্ষুদ্র কৃষক গড়ে ২ হাজার ৫০০ টাকা করে ভর্তুকি বা কৃষি উপকরণ সহায়তা পাবেন, আর খরিফ-১ ও খরিফ-২ মৌসুমে নির্দিষ্ট শ্রেণির কৃষককে সরকার নির্ধারিত হারে অনুদান দেওয়া হবে। ৭ মার্চ দ্য ডেইলি স্টার জানায়, প্রাক-পাইলটে প্রায় ২৫ হাজার কৃষক থাকবেন। ডিএইর পরিচালক বলেন, ‘কৃষক কার্ড বাস্তবায়ন নীতিমালা ২০২৬’-এর খসড়া তৈরি হচ্ছে; তথ্য আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা মান মেনে জাতীয় ডেটা সেন্টারে রাখা হবে এবং প্রতি মৌসুমে, বছরে তিনবার হালনাগাদ হবে; কার্ড হারালে বা তথ্যে ভুল থাকলে অনলাইনে আবেদন করে বা স্থানীয় কৃষি কর্মকর্তার মাধ্যমে সংশোধন করা যাবে। কৃষিমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশীদ পত্রিকাটিকে বলেন, সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ প্রান্তিক কৃষকেরা ফ্যামিলি কার্ডের মতো কিছু সুবিধা পাবেন।

কলামের আগের দিনগুলোতে আরও পদক্ষেপ আসে। বাংলা ট্রিবিউন জানায়, কর্মকর্তাদের প্রত্যাশা অনুযায়ী কার্ডে জমির আয়তন ও ফসলের ধরনসহ একটি ডিজিটাল প্রোফাইল থাকবে, যা কৃষকের জাতীয় পরিচয়পত্রের নম্বর ও মোবাইল ফোনের সঙ্গে যুক্ত হবে; কর্তৃপক্ষ সতর্ক করেছে, কার্ড বিনা মূল্যে পাওয়া যাবে এবং এর জন্য কারও সঙ্গে টাকা লেনদেন করা যাবে না। দৈনিক ইনকিলাব জানায়, নিবন্ধন হবে প্রতিটি ব্লকের উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তার মাধ্যমে, যিনি প্রাথমিক তালিকা তৈরি করেন। ১৫ মার্চ সংসদ সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে এক বৈঠকে পহেলা বৈশাখে আনুষ্ঠানিক উদ্বোধনের সিদ্ধান্ত নিশ্চিত হয় বলে জানায় রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা বাসস, আর ১৬ মার্চ কুমিল্লার লালমাইয়ে কৃষিমন্ত্রী সাংবাদিকদের বলেন, প্রস্তুতি প্রায় শেষ।

বাংলাদেশে যন্ত্রে ধান মাড়াই। ছবি: Balaram Mahalder / উইকিমিডিয়া কমন্স (CC BY-SA 3.0)
বাংলাদেশে যন্ত্রে ধান মাড়াই। ছবি: Balaram Mahalder / উইকিমিডিয়া কমন্স (CC BY-SA 3.0)

আগের কার্ড ও কৃষকের ব্যাংক হিসাব


কৃষক নিবন্ধনের ধারণা নতুন নয়। প্রথম আলো জানায়, ২০২৩ সালের জুলাইয়ে তৎকালীন কৃষিমন্ত্রী মুহাম্মদ আব্দুর রাজ্জাক সংসদে বলেন, প্রণোদনা, পুনর্বাসন, আর্থিক সুবিধা ও কৃষিঋণ পাওয়ার জন্য কৃষকদের নিবন্ধন করে ‘কৃষি উপকরণ সহায়তা কার্ড’ দেওয়া হয় এবং সারা দেশে এ কার্ডধারী কৃষকের সংখ্যা ২ কোটি ৫ লাখ ৯৯ হাজার ৮৬৯। দ্য ডেইলি স্টার ২০১৭ সালে জানায়, ২০১০ সালের সেপ্টেম্বরে বাংলাদেশ ব্যাংক রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকগুলোকে অতিদরিদ্রদের ১০ টাকায় হিসাব খুলতে সহায়তার নির্দেশ দেয়, যাতে তাঁরা সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির সুবিধা পান; পরে বেসরকারি ব্যাংকগুলোও তা অনুসরণ করে, এবং ২০১৭ সালের ৩০ জুন পর্যন্ত এমন ১ কোটি ৭১ লাখ হিসাব খোলা হয়।

ডিজিটাল কার্ডের পরিকল্পনাও আগে হয়েছিল। ২০২২ সালের ফেব্রুয়ারিতে প্রথম আলো ইংরেজি সংস্করণ ইউএনবির বরাতে ডিএইর একটি প্রকল্পের খবর দেয়, যাতে কৃষকের ডিজিটাল পরিচয় ও স্মার্ট কৃষি কার্ডের পরিকল্পনা ছিল: ১৬.২ মিলিয়ন কৃষকের ডিজিটাল প্রোফাইল, ১.৭ বিলিয়ন টাকার বেশি ব্যয় এবং ২০২৪ সালের সেপ্টেম্বরের মধ্যে বাস্তবায়ন, শুরু নয়টি জেলায়। ডিএইর এক কর্মকর্তা তখন বলেন, অনেক কৃষক তাঁদের ১০ টাকার কৃষি কার্ড হারিয়ে ফেলেছেন এবং প্রণোদনা বিতরণে ব্যাংকগুলো নানা সমস্যায় পড়ে। ২০২৫ সালের জানুয়ারিতে দ্য ডেইলি স্টার জানায়, ডিএই ‘কৃষক স্মার্ট কার্ড নীতিমালা ২০২৫’-এর খসড়া প্রকাশ করেছে, যাতে ২০৩০ সালের মধ্যে প্রোফাইল ও নিবন্ধন নম্বরসহ কৃষকের জাতীয় ডাটাবেজ তৈরির প্রস্তাব ছিল। এটি ছিল ২০২৩ সালের জুলাইয়ে শুরু হওয়া পাঁচ বছরের ‘প্রোগ্রাম অন অ্যাগ্রিকালচারাল অ্যান্ড রুরাল ট্রান্সফরমেশন ফর নিউট্রিশন, এন্টারপ্রেনারশিপ অ্যান্ড রেজিলিয়েন্স’ (পার্টনার) কর্মসূচির অংশ, যার ব্যয় প্রায় ৭ হাজার কোটি টাকা এবং অর্থায়নে সরকার, বিশ্বব্যাংক ও আন্তর্জাতিক কৃষি উন্নয়ন তহবিল (ইফাদ)।

ডিজিটাল কৃষি ও চতুর্থ শিল্প বিপ্লব


সমীরণ বিশ্বাসের মতে, কৃষক কার্ড কেবল একটি প্লাস্টিক কার্ড নয়, একটি ডিজিটাল ব্যবস্থার অংশ। এর মাধ্যমে কৃষকের তথ্য সংরক্ষণ, হালনাগাদ ও বিশ্লেষণ করা যাবে, ফলে পরিকল্পনা ও বাস্তবায়ন সহজ হবে: কোন অঞ্চলে কোন ফসল বেশি হয়, কোথায় কী সমস্যা, তা সহজে জানা যাবে এবং সরকার দ্রুত ও কার্যকর পদক্ষেপ নিতে পারবে। ভবিষ্যতে স্মার্ট কৃষিব্যবস্থার সঙ্গে কার্ডটি যুক্ত করা গেলে কৃষিতে বিপ্লব ঘটানো সম্ভব, লেখেন তিনি।

তিনি বিষয়টিকে চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের প্রেক্ষাপটে দেখেন, যার প্রভাবে কৃষিতে প্রযুক্তির ব্যবহার দ্রুত বাড়ছে এবং উৎপাদনশীলতা ও দক্ষতায় নতুন সম্ভাবনা তৈরি হচ্ছে। বিশেষ করে তিনটি প্রযুক্তির কথা বলেন: কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই), ইন্টারনেট অব থিংস (আইওটি) ও বিগ ডেটা। তাঁর ভাষায়, এআইভিত্তিক মোবাইল অ্যাপ কৃষককে ফসলের রোগ শনাক্ত, সার ব্যবস্থাপনা ও সঠিক সময়ে চাষে সাহায্য করে, আর আধুনিক আবহাওয়া পূর্বাভাস আগাম তথ্য দিয়ে ঝুঁকি কমায়। আইওটিভিত্তিক ডিজিটাল মাটি সেন্সর মাটির আর্দ্রতা, পুষ্টি উপাদান ও তাপমাত্রা তাৎক্ষণিকভাবে মাপে, ফলে সঠিক মাত্রায় সার ও সেচ দেওয়া যায়। স্প্রে ড্রোন সময় ও শ্রম বাঁচিয়ে দ্রুত ও সমানভাবে কীটনাশক ছিটায়, আর বিগ ডেটা বিশ্লেষণ উৎপাদন, বাজারের চাহিদা ও দামের প্রবণতা সম্পর্কে আগাম ধারণা দিয়ে কৃষকের সিদ্ধান্তে সাহায্য করে। এসব প্রযুক্তি কার্ডের সঙ্গে যুক্ত হলে কৃষি আরও টেকসই, লাভজনক ও আধুনিক হবে, এমন যুক্তি দেন তিনি।

দ্য ডেইলি স্টার ২০২৬ সালের ১০ ফেব্রুয়ারি উল্লেখ করে, প্রিসিশন ফার্মিং বিএনপির ইশতেহারের প্রতিশ্রুতিগুলোর একটি; পত্রিকাটির সঙ্গে কথা বলা বিশেষজ্ঞরা বলেন, এসব সুবিধা মাঠে কীভাবে কৃষকের কাছে পৌঁছাবে, সে বিষয়ে বেশির ভাগ ইশতেহার অস্পষ্ট। বাংলাদেশ উন্নয়ন গবেষণা প্রতিষ্ঠানের (বিআইডিএস) সাবেক গবেষণা পরিচালক এম আসাদুজ্জামান বলেন, উন্নত প্রযুক্তি থেকে ভূমিহীন বা প্রান্তিক কৃষক কীভাবে উপকৃত হবেন, তার ব্যাখ্যা প্রায় নেই।

কৃষিতে স্প্রে করার একটি ড্রোন, লেখক যে ধরনের যন্ত্রের কথা বলেছেন; কমন্সে স্থানের উল্লেখ নেই। ছবি: Vis M / উইকিমিডিয়া কমন্স (CC BY-SA 4.0)
কৃষিতে স্প্রে করার একটি ড্রোন, লেখক যে ধরনের যন্ত্রের কথা বলেছেন; কমন্সে স্থানের উল্লেখ নেই। ছবি: Vis M / উইকিমিডিয়া কমন্স (CC BY-SA 4.0)

কৃষকের মর্যাদা এবং সামনের চ্যালেঞ্জ


লেখক একটি সামাজিক লাভও দেখেন। কার্ড এর ধারককে নিবন্ধিত কৃষক হিসেবে স্বীকৃতি দেয়, যিনি দেশের অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন; এতে কৃষকের সামাজিক মর্যাদা বাড়ে এবং তাঁরা নিজেদের কাজ নিয়ে গর্ব বোধ করেন, লেখেন তিনি। ৪ মার্চ প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিবও প্রায় একই কথা বলেন: কৃষক কার্ড কেবল একটি পরিচয়পত্র নয়, এটি প্রতিটি কৃষকের ন্যায্য অধিকার, মর্যাদা ও নিরাপত্তার প্রতীক হবে।

সমীরণ বিশ্বাস সাফল্যকে নিশ্চিত ধরে নেননি। তিনি চ্যালেঞ্জগুলো তুলে ধরেন: প্রকৃত কৃষক শনাক্তে ভুল, তথ্য হালনাগাদ না থাকা, প্রযুক্তিগত সীমাবদ্ধতা ও সচেতনতার অভাব। এগুলো মোকাবিলায় তিনি নিয়মিত তথ্য হালনাগাদ, প্রশিক্ষণ, প্রযুক্তিগত অবকাঠামোর উন্নয়ন এবং কৃষকের মধ্যে সচেতনতা বাড়ানোর আহ্বান জানান, যাতে তাঁরা কার্ডের সুবিধা জানেন এবং সঠিকভাবে ব্যবহার করতে পারেন।

অন্যরাও একই প্রশ্ন তুলেছিলেন। কৃষি অর্থনীতিবিদ অধ্যাপক গোলাম হাফিজ কেনেডি ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে দ্য ফিন্যান্সিয়াল এক্সপ্রেসকে বলেন, পাইলট দিয়ে শুরু করা বুদ্ধিমানের কাজ, তবে এর জন্য ডিএই, কৃষি বিপণন অধিদপ্তর, বিবিএস ও খাদ্য অধিদপ্তরের সমন্বয় দরকার। তাঁর হিসাবে দেশে কৃষক পরিবার প্রায় ১৫ মিলিয়ন, যার ৪ মিলিয়নের বেশি ভূমিহীন, এবং কার্ডকে অন্তর্ভুক্তিমূলক করতে জমির মালিক নন এমন বর্গাচাষিদেরও ডাটাবেজে আনতে হবে। এম আসাদুজ্জামান দ্য ডেইলি স্টারকে বলেন, দেশের প্রায় অর্ধেক কৃষকের জমি এক একরের কম। ২০২৫ সালে স্মার্ট কার্ড নীতিমালার খসড়া প্রকাশের সময় বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের কৃষি ব্যবসা ও বিপণন বিভাগের অধ্যাপক মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম দ্য ডেইলি স্টারকে বলেন, এমন ডাটাবেজ নিরবচ্ছিন্নভাবে রক্ষণাবেক্ষণ করতে হবে, জমি কেনাবেচা হলেই জমির তথ্য হালনাগাদ করতে হবে।

সমীরণ বিশ্বাসের কাছে সাফল্যের মাপকাঠি বাস্তবায়ন। কৃষিখাতকে শক্তিশালী ও টেকসই করতে কৃষকের কল্যাণ নিশ্চিত করা অপরিহার্য, আর কৃষক কার্ড সেই পথে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ, লেখেন তিনি: এটি ন্যায্যমূল্যে সার, বীজ ও কীটনাশক নিশ্চিত করতে পারে, সরকারি সহায়তা সহজলভ্য করতে পারে এবং মধ্যস্বত্বভোগীর প্রভাব কমাতে পারে। সঠিকভাবে বাস্তবায়ন করা গেলে কৃষক কার্ড বাংলাদেশের কৃষিতে নতুন দিগন্ত খুলবে, উৎপাদন বাড়বে এবং সামগ্রিক অর্থনীতি সমৃদ্ধ হবে; তাঁর ভাষায়, এর কার্যকর বাস্তবায়ন আজ সময়ের দাবি।

ছবি: Balaram Mahalder / উইকিমিডিয়া কমন্স (CC BY-SA 3.0)

সূত্র: জাগো নিউজ ২৪ (সমীরণ বিশ্বাসের কলাম), দ্য ডেইলি স্টার, দ্য ডেইলি স্টার বাংলা, প্রথম আলো, প্রথম আলো ইংরেজি, বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা (বাসস), বাংলা ট্রিবিউন, যুগান্তর, দৈনিক ইনকিলাব, নিউ এজ, দ্য ফিন্যান্সিয়াল এক্সপ্রেস, বাংলাপিডিয়া

অনলাইন ডেস্কদা এগ্রো নিউজ

এগ্রোবিজ

সম্পর্কিত খবর

ফসল

ইংল্যান্ডে যবের ফলন ১৪ বছরে সর্বনিম্ন, গম সামান্য বেশি

যুক্তরাজ্যের কৃষি মন্ত্রণালয় ডেফরার প্রাথমিক হিসাবে ইংল্যান্ডে যব উৎপাদন ১১ শতাংশ কমে ৩৭ লাখ টন হয়েছে, গম ০ দশমিক ৮ শতাংশ বেড়ে ১ কোটি ৮ লাখ টন; গমের তুলনায় পশুখাদ্যের যব বিক্রি হচ্ছে অনেক কম দামে।

Farmers Weekly১৬ অক্টোবর ২০২৬২ মিনিটের পড়া
এগ্রোটেক

নিজস্ব কারখানা ছেড়ে চুক্তিভিত্তিক ও যৌথ কারখানায় ঝুঁকছে উদ্ভিজ্জ মাংস

চাহিদা অনিশ্চিত থাকায় উদ্ভিজ্জ মাংসের ব্র্যান্ডগুলো নিজস্ব কারখানার বদলে চুক্তিভিত্তিক উৎপাদন, যৌথ অবকাঠামো ও মাংস প্রক্রিয়াকরণের পুরোনো যন্ত্রপাতির দিকে ঝুঁকছে বলে জানিয়েছেন শিল্পসংশ্লিষ্টরা।

FoodNavigator১৬ অক্টোবর ২০২৬২ মিনিটের পড়া
এগ্রোবিজ

সারের দাম দেখার প্ল্যাটফর্ম ক্লিয়ারকস্টে বিনিয়োগ, সালফার সংকটে কমছে ফসফরাস

কৃষকদের সারের দাম ও চালান দেখার এবং সরবরাহ চুক্তির সুযোগ দেওয়া কানাডার স্টার্টআপ ক্লিয়ারকস্ট সিরিজ এ তহবিল পেয়েছে; ২০২৭ সালের শুরুতে উত্তর আমেরিকাজুড়ে নতুন প্ল্যাটফর্ম চালু করবে তারা।

AgNavigator১৬ অক্টোবর ২০২৬১ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

(০)