সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮—আদা - আমদানিকৃত১৬৭—আদা - দেশী১৫৪—আমন চাল - মাঝারি৫৬—আমন চাল - মোটা৪৮—আমন চাল - সরু৭২—আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২—কাঁচা মরিচ২১৮—খামারের মুরগী১৬২—খাসী৯০০—চিনি (দেশী)১৩২—ছোলা - গোটা৮৫—ডিম ফার্ম - লাল৪৭—পেঁয়াজ - দেশী৬০—বোরো চাল - মাঝারি৫৫—বোরো চাল - মোটা৪৭—বোরো চাল - সরু৬৬—মাংসঃ– গরু৭২৯—মুগ ডাল১২২—রসুন - আমদানিকৃত১৯২—রসুন - দেশী১৭৩—সয়াবিন তেল১৬৩—
হালনাগাদ ১৬ অক্টোবর ২০২৬
ঢাকা২৬°পরিষ্কার আকাশআর্দ্রতা ৭৩%বাতাস ৩ কিমি/ঘ

গাছ লাগানোর উৎসব হয়, বাঁচানোর হিসাব হয় না: এক শিক্ষার্থীর কলাম

চট্টগ্রাম সরকারি সিটি কলেজের শিক্ষার্থী মুহিবুল হাসান রাফি লিখেছেন, বৃক্ষরোপণের সাফল্য মাপা উচিত রোপিত চারার সংখ্যায় নয়, এক, তিন ও পাঁচ বছর পর কতটি গাছ বেঁচে আছে তাতে, এবং সেই হিসাব প্রকাশ করা উচিত।

গাছ লাগানোর উৎসব হয়, বাঁচানোর হিসাব হয় না: এক শিক্ষার্থীর কলাম
মতামত

বর্ষা এলেই দেশে বৃক্ষরোপণের উৎসব শুরু হয়: শিক্ষার্থীদের হাতে চারা তুলে দেওয়া, জনপ্রতিনিধি ও কর্মকর্তাদের গাছ লাগিয়ে ছবি তোলা, হাজার হাজার চারা রোপণের ঘোষণা। কিন্তু উৎসব শেষে কতটি চারা বাঁচে, কতটি পরিচর্যার অভাবে শুকিয়ে যায়, তার হিসাব খুব কমই প্রকাশ হয়। জাগো নিউজে প্রকাশিত কলামে এই প্রশ্ন তুলেছেন চট্টগ্রাম সরকারি সিটি কলেজের শিক্ষার্থী মুহিবুল হাসান রাফি। মতামত লেখকের নিজস্ব।

লেখকের যুক্তি, উন্নয়নের নামে সড়ক সম্প্রসারণ, ভবন ও অবকাঠামো নির্মাণে বহু পরিণত গাছ কাটা হয়, আবার পাশে কয়েকটি চারা লাগিয়ে ক্ষতিপূরণ দেখানো হয়। একটি পরিণত গাছের ছায়া, শেকড় আর পাখির আশ্রয় কয়েক মাসে তৈরি হয় না, নতুন চারা সবগুলো টিকেও থাকে না। তাই গাছ কাটার অনুমোদনের আগে বিকল্প নকশা ও পরিবেশগত প্রভাব বিবেচনা জরুরি বলে মনে করেন তিনি।

তাঁর মতে, বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির বড় দুর্বলতা সংখ্যার মোহ। কতটি চারা বিতরণ বা রোপণ হলো, তা সহজে প্রচার করা যায়; এক বছর পর কতটি বেঁচে আছে, সেই যাচাই দুর্বল। দশ হাজার চারা লাগিয়ে অধিকাংশ হারানোর চেয়ে উপযুক্ত জায়গায় এক হাজার চারা লাগিয়ে বড় করে তোলা বেশি কার্যকর।

লেখকের প্রস্তাব, কোনো প্রতিষ্ঠান বৃক্ষরোপণ করলে আগেই ঠিক করতে হবে কোন জায়গায় কোন প্রজাতি উপযোগী, কে পরিচর্যা করবে, পানির ব্যবস্থা কী, আর চারা নষ্ট হলে আবার কে লাগাবে। প্রতিটি রোপণস্থলের জন্য দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান থাকবে, নির্দিষ্ট সময় পর গাছের অবস্থা যাচাই হবে এবং ফল জনসমক্ষে প্রকাশ হবে।

শহরে বিদ্যুতের তার, ভূগর্ভস্থ পাইপলাইন, সড়কের নিরাপত্তা আর ভবিষ্যৎ অবকাঠামো না ভেবে চারা লাগালে পরে তা সরাতে হয়; স্থানীয় মাটি ও পরিবেশের সঙ্গে মানানসই প্রজাতি বেছে নেওয়ার কথাও বলেছেন তিনি। শিক্ষার্থী ও পাড়ার সংগঠন রোপিত চারার খোঁজ রাখতে পারে, তবে সড়কের পাশের গাছ ও নগর উদ্যান রক্ষার দায় কর্তৃপক্ষেরই।

অনুমোদন ছাড়া গাছ কাটা, সবুজ এলাকা দখল বা বৃক্ষরোপণ প্রকল্পের অর্থ অপচয়ের অভিযোগে নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানিয়ে লেখক লিখেছেন, প্রতি বছর কতটি গাছ লাগানো হলো তার পাশাপাশি এক, তিন ও পাঁচ বছর পর কতটি বেঁচে আছে, সেই হিসাবও প্রকাশ করতে হবে।

ছবি: Robbieross123 / উইকিমিডিয়া কমন্স (CC BY-SA 4.0); চারা রোপণের প্রতীকী ছবি

সূত্র: জাগো নিউজ ২৪

জাগো নিউজ ২৪সূত্র

মতামত

সম্পর্কিত খবর

মতামত

মতামত: চীনা বালাইনাশক কোম্পানি মার্কিন কৃষকের দোরগোড়ায়, বিক্রেতারা কী করবেন

ক্রপলাইফে লেখা এক কলামে হুয়া চেং ও ডেভিড লি বলছেন, চীনা ফসল সুরক্ষা কোম্পানিগুলো মার্কিন কৃষকের কাছে পৌঁছানোর নতুন পথ পাচ্ছে, তবে স্থানীয় বিক্রেতাদের এমন কিছু শক্তি আছে যা কনটেইনারে করে পাঠানো যায় না।

ক্রপলাইফ১৫ অক্টোবর ২০২৬২ মিনিটের পড়া
মতামত

শীতে শিশুর রোটাভাইরাস ঝুঁকি, টিকা আছে, তবু সরকারি কর্মসূচিতে নেই: ফারিয়া এজাজের কলাম

আজকের পত্রিকায় ফারিয়া এজাজ লিখেছেন, আইসিডিডিআরবির হিসাবে দেশে বছরে আড়াই থেকে ৩ হাজার শিশু রোটাভাইরাসে মারা যায়; ১৩২টি দেশ টিকাটি জাতীয় কর্মসূচিতে নিলেও বাংলাদেশে এক ডোজের দাম ২,৯৯৩ টাকা, সরকারিভাবে দেওয়া হয় না।

আজকের পত্রিকা১৪ অক্টোবর ২০২৬২ মিনিটের পড়া
মতামত

নিঃসরণ ০.০৫ শতাংশ, ক্ষতি পাহাড়সম: নেপালের শিক্ষায় অনুদানভিত্তিক জলবায়ু অর্থায়ন চান রাকিব হোসেন

খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতির পিএইচডি গবেষক রাকিব হোসেন লিখেছেন, বিশ্বের কার্বন নিঃসরণে মাত্র ০.০৫ শতাংশ অবদানের নেপাল যেমন বারবার দুর্যোগের দাম দিচ্ছে, বাংলাদেশও তেমনি; তাই ঋণ নয়, অনুদানভিত্তিক জলবায়ু অর্থায়ন দরকার।

ঢাকা পোস্ট১৪ অক্টোবর ২০২৬২ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

(০)