সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮—আদা - আমদানিকৃত১৬৭—আদা - দেশী১৫৪—আমন চাল - মাঝারি৫৬—আমন চাল - মোটা৪৮—আমন চাল - সরু৭২—আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২—কাঁচা মরিচ২১৮—খামারের মুরগী১৬২—খাসী৯০০—চিনি (দেশী)১৩২—ছোলা - গোটা৮৫—ডিম ফার্ম - লাল৪৭—পেঁয়াজ - দেশী৬০—বোরো চাল - মাঝারি৫৫—বোরো চাল - মোটা৪৭—বোরো চাল - সরু৬৬—মাংসঃ– গরু৭২৯—মুগ ডাল১২২—রসুন - আমদানিকৃত১৯২—রসুন - দেশী১৭৩—সয়াবিন তেল১৬৩—
হালনাগাদ ১৬ অক্টোবর ২০২৬
ঢাকা২৮°পরিষ্কার আকাশআর্দ্রতা ৬২%বাতাস ৫ কিমি/ঘ

ঈদের দ্বিতীয় দিনে ঢাকায় তরমুজ ৫০ টাকা কেজি, বেদানা ৫০০ টাকার ওপরে

২০২৬ সালের ২২ মার্চ, ঈদুল ফিতরের দ্বিতীয় দিনে ঢাকার বাজারে প্রতিকেজি তরমুজের দাম নেমে আসে ৫০ থেকে ৬০ টাকায়, যা রোজার শুরুতে ছিল ৮০ থেকে ১০০ টাকা। তবে বিদেশি ফল তখনো চড়া দামে বিক্রি হচ্ছিল; প্রতিকেজি বেদানা ছিল ৫০০ থেকে ৫৩০ টাকা।

ঈদের দ্বিতীয় দিনে ঢাকায় তরমুজ ৫০ টাকা কেজি, বেদানা ৫০০ টাকার ওপরে
ফল

২০২৬ সালের ২২ মার্চ, রোববার, ঈদুল ফিতরের দ্বিতীয় দিনে রাজধানী ঢাকার বাজারে তরমুজের দাম কিছুটা কমে প্রতিকেজি ৫০ থেকে ৬০ টাকায় নামে। তবে বিদেশি ফলের দাম তখনো চড়া ছিল; প্রতিকেজি বেদানা বিক্রি হচ্ছিল ৫০০ থেকে ৫৩০ টাকায়। সেদিন মিরপুর-১১, তালতলা ও শেওড়াপাড়ার বাজার ঘুরে এই চিত্র তুলে ধরে জাগো নিউজ ২৪।

রমজানে ইফতারের অন্যতম অনুষঙ্গ ছিল ফল, আর পুরো মাসজুড়েই ফলের দাম ছিল চড়া। ঈদের ছুটিতে শহরের মানুষ আত্মীয়স্বজনের বাসায় বেড়াতে যাওয়ার সময় সঙ্গে ফল নিচ্ছিলেন। বাড়তি দামে অস্বস্তিতে পড়েন মধ্য ও নিম্নবিত্ত শ্রেণির ক্রেতারা।

রোজার শেষে নামল তরমুজের দাম


জাগো নিউজের প্রতিবেদন অনুযায়ী, রোজার শুরুতে প্রতিকেজি তরমুজ বিক্রি হয়েছিল ৮০ থেকে ১০০ টাকায়। রোজার শেষ দিকে দাম নামে ৭০ থেকে ৮০ টাকায়, আর ঈদের দ্বিতীয় দিনে ৫০ থেকে ৬০ টাকায়।

বিক্রেতারা জানান, তখন তরমুজের মৌসুম চলছিল এবং বাজারে সরবরাহ ছিল প্রচুর। রোজায় চাহিদা বেশি থাকায় দামও বেশি ছিল; ঈদের পর চাহিদা কমায় দাম কিছুটা পড়ে যায়। মিরপুর-১১ এর ফল ব্যবসায়ী তোফাজ্জেল আলম বলেন, তরমুজের সরবরাহ এখন বেশি, দামও ক্রেতার নাগালে।

ওই বাজারে তরমুজ কিনছিলেন শিমু নামের এক ক্রেতা। তিনি জানান, এক আত্মীয়ের বাসায় যাওয়ার জন্য তরমুজসহ কয়েক রকম ফল কিনেছেন। তাঁর কথায়, তরমুজের দাম কিছুটা কম হলেও অন্য ফল ৩০০ টাকার নিচে কেনা যাচ্ছে না।

ঢাকার লালবাগে এক তরমুজ বিক্রেতা। ছবি: Wasiul Bahar / উইকিমিডিয়া কমন্স (CC BY-SA 4.0)
ঢাকার লালবাগে এক তরমুজ বিক্রেতা। ছবি: Wasiul Bahar / উইকিমিডিয়া কমন্স (CC BY-SA 4.0)

মাঠে কম, ঢাকায় বেশি: রোজার শুরুতে দামের ব্যবধান


তরমুজের বড় জোগান আসে দক্ষিণের উপকূলীয় জেলা পটুয়াখালী থেকে। রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা বাসস ২০২৬ সালের ৩ মার্চ জানায়, জেলা কৃষি সম্প্রসারণ বিভাগের হিসাবে আগের বছর পটুয়াখালীতে ২৭ হাজার ৩৫০ হেক্টর জমিতে তরমুজ চাষ হয়েছিল; সে বছর তা বেড়ে হয় ৩৪ হাজার ৪৮০ হেক্টর। তেঁতুলিয়া নদীর তীরের নতুন জেগে ওঠা চরসহ বাউফল, রাঙ্গাবালী, গলাচিপা, দশমিনা ও কলাপাড়া উপজেলায় চাষ বেড়েছিল। মৌসুমে জেলায় তরমুজের ব্যবসা ৩০০ থেকে ৩৫০ কোটি টাকায় পৌঁছানোর আশা করা হচ্ছিল।

রোজার শুরুর দিকে মাঠ আর ঢাকার দামের ব্যবধান নিয়ে প্রশ্ন ওঠে। বণিক বার্তা ৭ মার্চ জানায়, পটুয়াখালীর গলাচিপায় তিন থেকে সাত কেজির তরমুজ কৃষক পর্যায়ে গড়ে প্রতিটি ১৮০ থেকে ২২০ টাকায় বিক্রি হচ্ছিল, অথচ ঢাকার কারওয়ান বাজার, নিউমার্কেট, বাড্ডা ও হাতিরপুলে সব বিক্রেতা প্রতিকেজি ৮০ টাকার বেশি দাম নিচ্ছিলেন। কারওয়ান বাজারের এক দোকানি তখন বলেছিলেন, মৌসুম পুরোপুরি শুরু হয়নি, আগাম লাগানো তরমুজ আসছে এবং চাহিদার তুলনায় সরবরাহ কম। ঈদের সময় বিক্রেতারা উল্টো প্রচুর সরবরাহের কথাই বলছিলেন।

বিদেশি ফল তখনো চড়া


জাগো নিউজের তথ্যে, ২২ মার্চ তালতলা ও শেওড়াপাড়া বাজারে প্রতিকেজি ফলের দাম ছিল এরকম:

  • বেদানা: ৫০০ থেকে ৫৩০ টাকা
  • নাশপাতি: ৩৮০ থেকে ৪০০ টাকা
  • গালা স্ট্রবেরি: ৩৬০ থেকে ৪০০ টাকা
  • আপেল: ৩৫০ থেকে ৩৮০ টাকা
  • সাদা আঙুর: ৩৫০ থেকে ৩৬০ টাকা
  • কমলা: ৩২০ থেকে ৩৫০ টাকা
  • মাল্টা: ৩০০ থেকে ৩২০ টাকা

সাজীদ আহমেদ নামে এক ক্রেতা বলেন, পুরো রমজানেই ফলের দাম অনেক বেশি ছিল এবং ফল এখন মধ্যবিত্তের নাগালের বাইরে চলে গেছে। পরিবারের বয়স্ক সদস্যদের জন্য তিনি অল্প কিছু আপেল কিনেছেন।

বেদানা বা ডালিম। ছবি: Rhododendrites / উইকিমিডিয়া কমন্স (CC BY-SA 4.0)
বেদানা বা ডালিম। ছবি: Rhododendrites / উইকিমিডিয়া কমন্স (CC BY-SA 4.0)

আমদানি বাড়লেও দাম কেন কমেনি, তা নিয়ে দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড ১৫ মার্চ একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করে। চট্টগ্রাম বন্দরের উদ্ভিদ সংগনিরোধ কেন্দ্রের তথ্যে, ২০২৫-২৬ অর্থবছরের প্রথম সাত মাসে ফল আমদানি হয় ৫ লাখ ৫৮ হাজার ২০ টন, আগের অর্থবছরের একই সময়ে যা ছিল ২ লাখ ২১ হাজার ৩২৭ টন। ব্যবসায়ীরা রমজানের বাড়তি চাহিদা, ডলারের বিনিময় হার ও শুল্ক-করের চাপকে দায়ী করেন; প্রতিবেদনে বলা হয়, গত তিন বছরে ফল আমদানিতে মোট করভার বেড়ে প্রায় ১১৬ শতাংশে দাঁড়িয়েছে। কনজ্যুমারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ক্যাব) সহসভাপতি এস এম নাজের হোসাইন পত্রিকাটিকে বলেন, বাজার প্রায় নজরদারি ছাড়াই চলায় আমদানি বাড়ানো বা শুল্ক কমানোর প্রভাব দামে সামান্যই পড়ে।

ঢাকার একটি ফলের দোকান। ছবি: Yahya / উইকিমিডিয়া কমন্স (CC BY-SA 4.0)
ঢাকার একটি ফলের দোকান। ছবি: Yahya / উইকিমিডিয়া কমন্স (CC BY-SA 4.0)

ছবি: Wasiul Bahar / উইকিমিডিয়া কমন্স (CC BY-SA 4.0)

সূত্র: জাগো নিউজ ২৪, বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা (বাসস), বণিক বার্তা, দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড

অনলাইন ডেস্কদা এগ্রো নিউজ

ফল

সম্পর্কিত খবর

ফল

যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি চারটি তাজা আপেলের একটি যায় বিদেশে, রপ্তানি আয় রেকর্ড

২০২৫/২৬ বিপণন বছরে যুক্তরাষ্ট্র ১৮৭ কোটি পাউন্ড তাজা আপেল রপ্তানি করেছে, যা মোট তাজা উৎপাদনের প্রায় ২৬ শতাংশ। রপ্তানি আয় রেকর্ড ১১৬ কোটি ডলারে পৌঁছেছে; বড় ক্রেতা মেক্সিকো ও কানাডা।

ers_usda১৬ অক্টোবর ২০২৬১ মিনিটের পড়া
ফল

রাজবাড়ীর বাজিতপুরে দুই একরে চার হাজার ড্রাগন গাছ, দিনে উঠছে ৫০ মণ ফল

রাজবাড়ী সদরের বসন্তপুর ইউনিয়নের বাজিতপুরে জেলার সবচেয়ে বড় ড্রাগন বাগানে গাছপ্রতি ১০-১২ কেজি ফল ধরেছে; ভরা মৌসুমে দিনে প্রায় দুই হাজার কেজি ফল উঠছে, পাইকারি দর কেজি ১৫০ টাকা।

ঢাকা মেইল১৫ অক্টোবর ২০২৬১ মিনিটের পড়া
ফল

আপেলগাছের গোড়ায় লালচে গুঁড়া? সতর্ক করছে বিরল কাণ্ড ছিদ্রকারী পোকা

কানাডার ম্যানিটোবার কৃষি বিভাগ ফলচাষিদের রাউন্ডহেডেড অ্যাপল ট্রি বোরার নিয়ে সতর্ক থাকতে বলছে। এই লম্বা-শুঙ্গ গুবরে পোকার কীড়া জীবন্ত আপেল ও সাস্কাটুন গাছের ভেতরে তিন বছর পর্যন্ত সুড়ঙ্গ কাটে; কাণ্ডের গোড়ায় লালচে গুঁড়াই সবচেয়ে স্পষ্ট লক্ষণ।

Manitoba Co-operator১৫ অক্টোবর ২০২৬২ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

(০)