একাকীত্ব দূর করার মূল জায়গা হয়ে উঠেছে ছাদকৃষি
নিজ ভবনে সবুজের সন্নিবেশ ঘটানোর পাশাপাশি নিরাপদ ফসলের প্রত্যাশায় রাজধানীর মিরপুরে ছাদকৃষি গড়েছেন লাকী রহমান। তার কাছে ছাদকৃষির আয়োজনটি একাকীত্ম দূরীকরণেরও মূল জায়গা হয়ে উঠেছে।
নিজ ভবনে সবুজের সন্নিবেশ ঘটানোর পাশাপাশি নিরাপদ ফসলের প্রত্যাশায় রাজধানীর মিরপুরে ছাদকৃষি গড়েছেন লাকী রহমান। তার কাছে ছাদকৃষির আয়োজনটি একাকীত্ম দূরীকরণেরও মূল জায়গা হয়ে উঠেছে।
ছাদকৃষি১০ তলার উপরে ১৬ হাজার ৫৭৯ বর্গফুটের ছাদে বিস্তৃত সবুজের সাম্রাজ্য। রংপুর চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মো. সুরুজ সরকারের উদ্যোগে ছাদকৃষি শুধুমাত্র একটি শখ নয়, এটি পরিবেশ এবং কর্মপরিবেশের জন্য এক অনন্য উদাহরণ। কীভাবে একজন প্রশাসনিক কর্মকর্তা তার ব্যস্ত সময়ের ভেতরেও কৃষির প্রতি ভালোবাসা দিয়ে ছাদে ফল-ফসল
সারাদেশেই নগরজীবনে সবুজের ঘাটতি দূরীকরণ, নিরাপদ খাদ্য আর মানসিক প্রশান্তি সৃষ্টির উৎস হয়ে উঠছে ছাদকৃষি। এই তালিকায় এবার যুক্ত হলো রংপুরের চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ভবন। ১০ তলা ভবনের বিশালাকার ছাদকে সাজানো হয়েছে মাঠের ফসলের আদলে।
ছাদকৃষিলেখাপড়ার পাশাপাশি আত্মনির্ভরশীর হওয়ার উপায় হিসাবে ছাদকৃষিকে বেছে নিয়েছেন শরীয়তপুরের এক তরুণ শিক্ষার্থী। দেশ-বিদেশের শত শত রকমের ফুলের চারা বিক্রি করে বছরে আয় করছেন লাখ টাকা। বিস্তারিত জানাচ্ছেন শাইখ সিরাজ।
ছাদকৃষিশহরের সবুজায়ন রক্ষায় ছাদকৃষির এক অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন ধানমন্ডির জিয়া মাহমুদ ও তার স্ত্রী ফিরোজা হোসেন এমি। ২৭০০ বর্গফুটের এই ছাদে তারা গড়ে তুলেছেন ফুল, ফল এবং ফসলের সমন্বয়ে একটি সবুজ বাগান। পরিবারের ঐতিহ্য ধরে রাখা এবং পরিবেশ সুরক্ষায় তাদের এই উদ্যোগ প্রতিটি শহুরে নাগরিকের জন্য অনুপ্রেরণা।
লেখাপড়ার পাশাপাশি আত্মনির্ভরশীল হওয়ার উপায় হিসাবে ছাদকৃষিকে বেছে নিয়েছেন শরীয়তপুরের এক তরুণ শিক্ষার্থী। দেশ-বিদেশের শত শত রকমের ফুলের চারা বিক্রি করে বছরে আয় করছেন লাখ টাকা।
ছাদকৃষিমুফতি ড. মুহাম্মদ মনযুরুল ইসলাম সিদ্দিকীর উদ্যোগে মানিকগঞ্জের জামিয়া আরাবিয়া সিদ্দিকীয়া দারুল উলুম মাদ্রাসার ২৪ হাজার বর্গফুটের ছাদে গড়ে উঠেছে এক বিশাল ছাদকৃষি। এখানে বিভিন্ন ধরনের ফলগাছ এবং সবুজ বনায়নের মাধ্যমে কোমলমতি শিক্ষার্থীরা ধর্মীয় চেতনার সঙ্গে প্রকৃতির সান্নিধ্যে থেকে বাস্তবমুখী কৃষি শিক্ষা
ছাদকৃষিছাদকৃষির মাধ্যমে নাগরিক জীবনে সবুজের ছোঁয়া
ছাদকৃষি এখন সবখানেই মিলছে। নগর, মহানগর থেকে গ্রাম যেখানে ভবন সেখানেই কমবেশি মিলছে ছাদকৃষির দেখা। গণমাধ্যমের অব্যাহত প্রচার আর কৃষির প্রতি ভালোবাসা থেকে অনেকেই সবুজের এই কার্যক্রমে অংশ নিচ্ছেন। এমনি দৃষ্টান্ত মিলল মানিকগঞ্জের এক মাদরাসার ছাদে।
ছাদকৃষিঢাকার নাখালপাড়ার স্কুল শিক্ষিকা নেক পারভীন শিমুল তিন দশক ধরে শহরের কোলাহলময় পরিবেশেও নিজের ছাদে গড়ে তুলেছেন একটি সবুজ কৃষিজ স্নিগ্ধতা। ফল-ফসলের সাথে তাঁর নিবিড় সম্পর্ক তাঁকে গ্রামীণ জীবনের কথা মনে করিয়ে দেয় এবং নগর জীবনের দুঃসহ কোলাহল ও দূষণ থেকে দূরে রাখে। সীম, বেগুন, পেঁপে, মরিচসহ নানা সবজি এবং ফল
নিরাপদ খাদ্য প্রাপ্তি এবং নিজ আবাসনের পরিবেশে সবুজকে ধরে রেখে সুস্থ থাকতে পারাটা এখন নগরবাসীর কাছে অনেক বড় চ্যালেঞ্জ। এই পরিস্থিতিতে ভবন মালিকদের পাশাপাশি ফ্ল্যাট মালিকদের ছাদকৃষিতে অংশ নেওয়ার প্রবণতা বাড়ছে। এক্ষেত্রে প্রতিবন্ধকতা কাটিয়ে উঠতে পারলে ছাদকৃষি আরো দ্রুত সম্প্রসারণ হওয়া সম্ভব।
শহরে বসবাস করেও বংশ পরম্পরায় পাওয়া কৃষির প্রতি আগ্রহকে ধরে রাখতে ছাদকৃষি অনুশীলন করছেন ঢাকার নাখালপাড়ার নেক পারভীন শিমুল। নিজে অনুশীলনের পাশাপাশি কাজ করছেন অন্যদের মাঝে উৎসাহ যোগাতেও।
ছাদকৃষিযাত্রাবাড়ির মনিমালা খান শহরের ব্যস্ত জীবনের মধ্যেও ছাদকৃষির মাধ্যমে প্রাকৃতিক সবুজ পরিবেশ গড়ে তুলেছেন। তিন স্তরের এই ছাদে তিনি জৈব সার ও বালাইনাশক ব্যবহার করে শতভাগ নিরাপদ ফল, সবজি এবং ঔষধি গাছ উৎপাদন করছেন। নিজের পরিবারের চাহিদা মেটানোর পাশাপাশি প্রতিবেশী ও আত্মীয়দের মাঝেও ফসল বিতরণ করেন তিনি। মনিম