লাইভস্টকআয়ারল্যান্ডে ২ কোটি ৮০ লাখ ইউরোর গরু কল্যাণ প্রকল্পে আবেদন প্রায় ২৫ হাজার
আবেদন ২০২৫ সালের চেয়ে ১.৪ শতাংশ বেশি; প্রকল্পে বাছুরপ্রতি অর্থ মেলে দুধ ছাড়ানোর সময় দানাদার খাদ্য, টিকা এবং কৃমি বা ঘাস পরীক্ষার জন্য।
লাইভস্টকআবেদন ২০২৫ সালের চেয়ে ১.৪ শতাংশ বেশি; প্রকল্পে বাছুরপ্রতি অর্থ মেলে দুধ ছাড়ানোর সময় দানাদার খাদ্য, টিকা এবং কৃমি বা ঘাস পরীক্ষার জন্য।
প্রথম ধাপে প্রায় ১,২৫০ কোটি রুপি ব্যয়ে ৪৫-৫০ লাখ কৃষক উপকৃত হবেন; খরার ক্ষতি ৪০ হাজার কোটি রুপি ছাড়াতে পারে বলে কেন্দ্রের সহায়তা চাইছে রাজ্য।
এগ্রোবিজসার বছরের প্রথম নয় মাসে বিক্রি ১১ লাখ ৪০ হাজার টনের কিছু বেশি; সার, পশুখাদ্য ও জ্বালানিতে সহায়তার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন উপপ্রধানমন্ত্রী।
পরিবেশটেকসই চাষ প্রণোদনায় কৃষকদের অর্থ দিয়ে করানো মাটি মূল্যায়ন, ব্যবস্থাপনা পরিকল্পনা ও জৈব পদার্থ পরীক্ষার ফল নিয়মিত সংগ্রহ করা হয়নি; তথ্য অধিকার আইনে পাওয়া উত্তরে এ কথা জানা গেছে।
এগ্রোবিজউপপ্রধানমন্ত্রী সাইমন হ্যারিস সংসদে সহায়তা বাড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন, পশুখাদ্য ও সারেও সহায়তার আশ্বাস দিয়েছেন; আগস্টে কৃষি ডিজেলের দাম বছরের সর্বোচ্চে ওঠার পর ঠিকাদারদের সংগঠন এফসিআই সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছে।
পরিবেশআগের চুক্তির সঙ্গে কারিগরি সংঘাতে জিডব্লিউসিটির অ্যালারটন প্রজেক্ট বছরে ৮৫ হাজার পাউন্ডের আবেদন জমা দিতে পারেনি; ২৫ কোটি ৩০ লাখ পাউন্ডের তহবিল ছয় ঘণ্টার কম সময়ে শেষ হয়ে যায়।
এগ্রোবিজপরামর্শক প্রতিষ্ঠান অ্যান্ডারসনসের মডেল শস্য খামার ২০২৬ সালে হেক্টরপ্রতি ১২২ পাউন্ড এসএফআই অর্থ ছাড়া ৮৩ পাউন্ড লোকসান করত; খরায় যুক্তরাজ্যের কৃষি আয় কমে প্রায় ৬১০ কোটি পাউন্ডে নামবে বলে পূর্বাভাস।
পরিবেশওয়েলস সরকার সব ধরনের মাটিতে ২০২৬ সালের ১৫ নভেম্বর পর্যন্ত সীমা মেনে তরল গোবর সার ছড়ানোর অনুমতি দেবে এবং এসএফএস ও বিপিএসের অগ্রিম অর্থ দাবির ৭০ থেকে বাড়িয়ে ৮০ শতাংশ করবে।
পরিবেশখোলার দিন বিকেলেই সাসটেইনেবল ফার্মিং ইনসেনটিভের দ্বিতীয় আবেদন পর্ব বন্ধ করেছে ডেফরা, কারণ পুরো ২৩ কোটি ৩০ লাখ পাউন্ড বরাদ্দ হয়ে গেছে; বহু কৃষক চুক্তি পাননি।
এগ্রোবিজযোগ্য জমি জাতীয় সীমা ছাড়িয়ে যাওয়ায় এফএসএ প্রতিটি নতুন বরাদ্দ ৩.৬৯ শতাংশ কমাচ্ছে; উৎপাদকেরা কর্মসূচি বদলাতে, ২০৩১ পর্যন্ত বহুবর্ষী চুক্তি করতে এবং যে কর্মসূচিই বাছুন এসসিও বিমা যোগ করতে পারবেন।
নির্বাচনী প্রতিশ্রুতির কৃষক কার্ড কর্মসূচিতে বাগেরহাটে প্রথম দফার লক্ষ্য ৩১,৩৭৪ জন, ৩১ আগস্ট পর্যন্ত ২৬,৩৩৮ জনের নাম চূড়ান্ত করে ব্যাংকে পাঠানো হয়েছে; ডেবিট কার্ডে জনতা, সোনালী ও কৃষি ব্যাংক থেকে অনুদান; ১৭ সেপ্টেম্বর প্রধানমন্ত্রীর উদ্বোধনে অনলাইনে যুক্ত হচ্ছে রামপাল।
প্রতিকূল এলাকার ৮৫ হাজারের বেশি কৃষক এএনসি প্রকল্পের অগ্রিম হিসেবে পেয়েছেন ১৭ কোটি ৯০ লাখ ইউরো; সঙ্গে গেছে টিএএমএস, জ্বালানি সহায়তা ও জৈব চাষ প্রকল্পের অর্থ।
কৃষকরা যেন একই সৌরবিদ্যুৎ স্থাপনায় কৃষি বিভাগ ও টেকসই জ্বালানি কর্তৃপক্ষ, দুই জায়গা থেকেই অনুদান না পান, সে জন্য তথ্য ভাগাভাগির খসড়া চুক্তি নিয়ে ১৪ অক্টোবর পর্যন্ত জনমত নিচ্ছে ডিএএফএম।