ইসলামমুসলিম সভ্যতায় অতিথি আপ্যায়ন: মেজবান ও মেহমানের শিষ্টাচার
ইসলাম অতিথি সেবাকে ইমানের অংশ ধরেছে; কোরআন-হাদিসের নির্দেশনা থেকে দারুল জিয়াফাত, লঙ্গরখানা পর্যন্ত মুসলিম সভ্যতায় আতিথেয়তার ঐতিহ্য ও মেজবান-মেহমানের আদব নিয়ে লিখেছেন মনযূরুল হক।
ইসলামইসলাম অতিথি সেবাকে ইমানের অংশ ধরেছে; কোরআন-হাদিসের নির্দেশনা থেকে দারুল জিয়াফাত, লঙ্গরখানা পর্যন্ত মুসলিম সভ্যতায় আতিথেয়তার ঐতিহ্য ও মেজবান-মেহমানের আদব নিয়ে লিখেছেন মনযূরুল হক।
শুধু স্বাগতিকের নয়, অতিথিরও আদব আছে: সালাম, আগে অনুমতি, স্বাগতিককে কষ্ট না দেওয়া, খাবারের সমালোচনা না করা, বেশি দিন না থাকা আর বিদায়ের সময় কৃতজ্ঞতা, কোরআন ও হাদিসের আলোকে।
ইবনে মাজাহ, তিরমিজি, মুসলিম, নাসাঈ ও বুখারির হাদিসে বৈধ কাজেও পরিমিতিবোধের নির্দেশনা; লেখায় এমন অন্তত দশটি কাজের কথা এসেছে।
ইসলামফিকহের বিধানে অজুর পর গালি বা অশালীন কথা অজু ভঙ্গের কারণ নয়, নতুন করে অজু ফরজও হয় না; তবে গালিগালাজ নিজেই গুরুতর গুনাহ, তাই তওবা ও সংযমের তাগিদ।
সহিহ বুখারির হাদিসে ভালো কথা বলা অথবা নীরব থাকার নির্দেশ; উচ্চারিত ও লিখিত প্রতিটি কথার দায় বক্তার, সামাজিক মাধ্যমেও একই নীতি।