ফলমাগুরায় ২৪০ গাছে কেনু কমলা, প্রথম বছরেই থোকায় থোকায় ফল
মাগুরা সদরের নার্সারি মালিক হারুনুর রশিদ কলমের চারায় ২৪০টি পাকিস্তানি কেনু জাতের কমলাগাছের বাগান করেছেন; এ বছর প্রথমবার বেশির ভাগ গাছে ফল এসেছে।
ফলমাগুরা সদরের নার্সারি মালিক হারুনুর রশিদ কলমের চারায় ২৪০টি পাকিস্তানি কেনু জাতের কমলাগাছের বাগান করেছেন; এ বছর প্রথমবার বেশির ভাগ গাছে ফল এসেছে।
আঙিনা কৃষিমাগুরার সরকারি কলেজের সামনে বাড়ির আঙিনার কুমড়ো গাছের পুরুষ ফুল তুলে বিক্রি করেন জাহেদা বেগম; বড়া আর চপের জন্য শহরের ক্রেতাদের আগ্রহ বাড়ায় অনেকে বাণিজ্যিকভাবেও চাষ করছেন।
ফলমাগুরার শালিখা উপজেলার সীমাখালি বাজার দেশের অন্যতম বড় কাঁঠালের পাইকারি বাজার, যেখান থেকে প্রতি মৌসুমে ৩০-৩৫টি জেলায় কাঁঠাল যায়। ২০২৬ সালে জেলায় ৭৫২ হেক্টরে কাঁঠাল চাষ হয় এবং ভালো ফলন ও দামে খুশি ছিলেন কৃষক ও ব্যবসায়ীরা।
পরিবেশমাগুরা সদরের জগদল ইউনিয়নে ২০২৬ সালের জুনে একটি বন্যপ্রাণীর ভিডিও ছড়িয়ে পড়লে গ্রামবাসীর মধ্যে বাঘ আতঙ্ক তৈরি হয়; জেলা বন বিভাগ ভিডিও দেখে প্রাণীটিকে বিপন্ন মেছো বিড়াল (মেছো বাঘ) হিসেবে শনাক্ত করে।
গ্রীষ্মের শেষভাগ ও বর্ষার শুরুতেই দেশের বিভিন্ন এলাকার বাজারে দেশি জামের দেখা মিলছে। রসালো এই ফল এখন বাজারে ছড়াছড়ি। স্বাদ, পুষ্টিগুণ এবং তুলনামূলক কম দামের কারণে অনেকেই ঝুঁকছেন দেশি জামের দিকে।
পবিত্র ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে মাগুরার কোরবানির পশুর হাটগুলোতে এখন উৎসবমুখর পরিবেশ বিরাজ করছে। জেলার বিভিন্ন এলাকা ছাড়াও আশপাশের জেলা থেকে গরু-ছাগল নিয়ে হাটে আসছেন খামারি ও ব্যবসায়ীরা। ক্রেতাদের উপস্থিতি বাড়লেও এখনও পুরোপুরি জমে ওঠেনি বেচাকেনা। তবে বড় আকৃতির গরুগুলো হাটে আসা মানুষের বিশেষ আকর্ষণের কে
আসন্ন ঈদুল আজহা উপলক্ষে জমে উঠতে শুরু করেছে মাগুরা সদর উপজেলা রামনগর পশুর হাট। এবার কৃত্রিম উপায়ে মোটাতাজা করা গরু ও ভারতীয় গরুর প্রভাব না থাকায় ছোট জাতের দেশি গরুর সরবরাহ বেশি বলছেন স্থানীয় খামারিরা। তবে হাটে এবার বড় গরুর থেকে চাহিদা বেশি মাঝারি ও ছোট গরুর।
মাগুরায় চলতি বোরো মৌসুমে ধান কাটায় পুরোদমে ব্যস্ত সময় পার করছেন কৃষকরা। বৈশাখের শুরুতেই জেলার মাঠজুড়ে শুরু হয়েছে ধান কাটার ধুম। কোথাও জমি থেকে ধান কাটা হচ্ছে, কোথাও কাটা ধান ঘরে তোলা হচ্ছে—পুরো জেলায় এখন কৃষকের ব্যস্ততা চোখে পড়ার মতো। তবে ধানের দাম কম পাওয়ায় হতাশ কৃষকরা।
মৎস্যমাগুরার শতখালী ইউনিয়নের মাছ চাষি ইন্দ্রজিৎ কুমার বিশ্বাস ২০২৬ সালের এপ্রিলে জাগো নিউজকে জানান, সাত একর পুকুর লিজ নিয়ে তিনি প্রায় ৮০ লাখ টাকার মাছ বিক্রির আশা করছেন; এডিআই ও পিকেএসএফের সহায়তায় তার পুকুরে পাবদা চাষে সাফল্য এসেছে।
মাগুরা জেলা সদরের শিক্ষিত যুবক জহিরুল ইসলাম পিয়া পারিবারিক অর্থনৈতিক অসচ্ছলতা কাটিয়ে স্বাবলম্বী হওয়ার স্বপ্ন দেখছেন মৌচাষের মাধ্যমে। কর্মসংস্থানের নতুন সম্ভাবনা খুঁজতে তিনি মৌচাষের ওপর প্রশিক্ষণ গ্রহণ করেন এবং বর্তমানে সফলভাবে মৌচাষ করে নিজের ভাগ্য বদলের পথে এগিয়ে চলেছেন।
চলতি মৌসুমে মাগুরা জেলার শ্রীপুরে লক্ষ্যমাত্রা থেকে বেশি জমিতে পেঁয়াজের আবাদ হয়েছে। শেষ সময়ে উপজেলার পেঁয়াজ চাষিরা পেঁয়াজের পরিচর্যায় ব্যস্ত সময় পার করছেন। আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় এ বছর পেঁয়াজের ফলন ভালো হয়েছে।
ফসলমাগুরার মহম্মদপুর উপজেলার নহাটা ইউনিয়নে কৃষক মো. তামজিদ হোসেন ১৫ শতক জমিতে ভিয়েতনামি সরিষা ও প্রায় ১৩ শতক জমিতে কিনোয়া চাষ করেছেন। জাগো নিউজের ২০২৬ সালের ৭ মার্চের প্রতিবেদন অনুযায়ী উপজেলায় এই দুই ফসলের চাষ এবারই প্রথম; ফলন দেখে স্থানীয় কৃষকেরা আগ্রহী হয়েছেন।
ফল২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারির শেষে মাগুরার মহম্মদপুর উপজেলার আম গাছগুলো মুকুলে ছেয়ে যায়। আবহাওয়া অনুকূল থাকলে এবং পোকামাকড় ঠেকানো গেলে ভালো ফলনের আশা করছিলেন কৃষকেরা।