গাছপাকা নাকি কৃত্রিমভাবে পাকানো আম চিনবেন যেভাবে
বাজারে এখন পাকা আম উঠতে শুরু করেছে। তবে সেগুলো আদৌ গাছপাকা নাকি কৃত্রিমভাবে পাকানো তার কোনো নিশ্চয়তা নেই। গাছপাকা হলে ভালো তবে কৃত্রিমভাবে পাকানো আম খেলে ক্যানসার পর্যন্তও হতে পারে।
বাজারে এখন পাকা আম উঠতে শুরু করেছে। তবে সেগুলো আদৌ গাছপাকা নাকি কৃত্রিমভাবে পাকানো তার কোনো নিশ্চয়তা নেই। গাছপাকা হলে ভালো তবে কৃত্রিমভাবে পাকানো আম খেলে ক্যানসার পর্যন্তও হতে পারে।
কৃষিমন্ত্রী ড. আব্দুস শহীদ বলেছেন, রাজশাহীতে আমের ফলন কম হয়েছে, সেকারণে দাম বাড়বে। ফলে সিন্ডিকেট ব্যবসায়ীদের ব্যাপারে সজাগ থাকতে হবে। আমের চাহিদা ও সরবরাহের মধ্যে যেন খুব বেশি পার্থক্য না হয় সে ব্যাপারে খেয়াল রাখতে হবে।
আঁটি, গুটি ও বোম্বাই আম সংগ্রহের মধ্যদিয়ে চুয়াডাঙ্গায় শুরু হয়েছে আম বাজারজাতকরণ। বৃহস্পতিবার (১৬ মে) সকাল ১০টায় জেলা শহরের মহিলা কলেজপাড়ার মহলদার আম্রকাননের বাদল মিয়ার আমবাগান থেকে এ কার্যক্রম শুরু হয়।
দেশের বিভিন্ন জেলায় আম পাড়ার সময়সীমা বেঁধে দিলেও চাঁপাইনবাবগঞ্জে কোনো সময়সীমা নির্ধারণ করেনি স্থানীয় প্রশাসন। ফলে আম পাকলেই তা বিক্রি করতে পারবেন চাষিরা।
জ্যৈষ্ঠের শুরুতে গুটি আম পাড়ার মধ্য দিয়ে শুরু হচ্ছে রাজশাহী জেলার আম সংগ্রহ ও বাজারজাতকরণ। বুধবার (১৫ মে) থেকে জেলা প্রশাসন ঘোষিত ম্যাংগো ক্যালেন্ডার অনুযায়ী আম বাজারজাত করণ চলবে। সকাল থেকে রাজশাহীর বিভিন্ন এলাকার কৃষকরা আম নামানো শুরু করেছেন। তবে আমেরে প্রধান বাজার বানেশ্বর এখনও ফাঁকা। এ বাজার জমতে
চলতি মৌসুমে নওগাঁয় ২২ মে থেকে আম সংগ্রহ শুরু হবে। ওইদিন থেকে গুটি জাতের আম সংগ্রহ করা যাবে। তবে সুস্বাদু আম খেতে অপেক্ষা করতে হবে আরও কিছুদিন। জেলায় এবার আড়াই হাজার কোটি টাকার আম বাণিজ্যের সম্ভাবনা দেখছে কৃষি বিভাগ।
আম দিয়ে বিভিন্ন পদ তৈরি করা যায়। কাঁচা আমের বাহারি আচার-মোরব্বা থেকে শুরু করে পাকা আমের পানীয় ও ডেজার্ট কমবেশি সবাই খেয়েছেন।
চুয়াডাঙ্গায় গাছ থেকে আম সংগ্রহের সময়কাল নির্ধারণ করে দিয়েছে জেলা প্রশাসন। সোমবার (১৩ মে) বিকেলে চুয়াডাঙ্গা জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে ত্রি-পাক্ষিক মতবিনিময় সভায় এ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়।
মেহেরপুরে আম সংগ্রহের নির্ধারিত দিন ঘোষণা করেছে জেলা প্রশাসন। রোববার (১২ মে) বিকেলে জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে আম ব্যবসায়ীদের সঙ্গে সভা করে এ তারিখ ঘোষণা করা হয়।
লোকসানের বোঝা মাথায় নিয়ে আবারও ১০ জুন থেকে চালু হচ্ছে ম্যাংগো স্পেশাল ট্রেন। তবে গত চার বছরে ট্রেনটি আয়ের চেয়ে ব্যয় করেছে দ্বিগুণেরও বেশি। পরিসংখ্যান বলছে, লোকসানের পরিমাণ প্রায় দুই কোটি টাকা।
চলতি মৌসুমে আম পাড়ার সময় নির্ধারণ করে দিয়েছে রাজশাহী জেলা প্রশাসন। ভোক্তা পর্যায়ে মানসম্মত ও পরিপক্ব আম নিশ্চিত করতে প্রতিবারই এ সময় বেঁধে দেয় প্রশাসন। সিদ্ধান্ত অনুযায়ী চলতি বছরের ১৫ মে থেকেই আম নামাতে পারবেন চাষি ও ব্যবসায়ীরা।
অসুস্থ রেলকে সুস্থ করতে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে কাজ করে যাচ্ছেন বলে জানিয়েছেন রেলমন্ত্রী জিল্লুল হাকিম। শনিবার (১১ মে) দুপুরে রাজশাহী বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয়ে রাজশাহী বিভাগ থেকে দেশের বিভিন্ন জেলায় রেলযোগে আম পরিবহন বিষয়ক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
নিরাপদে স্বল্প সময়ে ও স্বল্প খরচে আম পরিবহনের লক্ষ্যে আগামী ১০ জুন চালু হচ্ছে ম্যাংগো স্পেশাল ট্রেন। শনিবার (১১ মে) দুপুরে রাজশাহী বিভাগীয় কমিশনার কার্যালয়ে এক সেমিনারে মূখ্য আলোচকের বক্তব্যে রেলপথ মন্ত্রণালয়ের সচিব ড. হুমায়ুন কবির এসব জানান।