আগাম মুকুলে ছেয়ে গেছে আমগাছ
ফাল্গুন এখনো আসেনি। চলছে শীতের ভরা মৌসুম। অথচ এরমধ্যেই দিনাজপুরের কিছু আমগাছে আসতে শুরু করেছে মুকুল। বেশকিছু এলাকায় গাছে উঁকি দিচ্ছে আমের মুকুল। মুকুলের পরিমাণ কম হলেও এর সৌরভ ছড়িয়ে পড়ছে বাতাসে।
ফাল্গুন এখনো আসেনি। চলছে শীতের ভরা মৌসুম। অথচ এরমধ্যেই দিনাজপুরের কিছু আমগাছে আসতে শুরু করেছে মুকুল। বেশকিছু এলাকায় গাছে উঁকি দিচ্ছে আমের মুকুল। মুকুলের পরিমাণ কম হলেও এর সৌরভ ছড়িয়ে পড়ছে বাতাসে।
নওগাঁর সীমান্তবর্তী উপজেলাগুলোর মধ্যে একটি সাপাহার। তিন বছর আগেও এ উপজেলার পরিচিতি কেবল নওগাঁ ও আশপাশের দুই-একটি জেলার মানুষের মাঝেই সীমাবদ্ধ ছিল। তবে আমের বাণিজ্যিক রাজধানী হিসেবে সুখ্যাতি ছড়ানোয় এখন সেই পরিচিতির গন্ডি ছড়িয়েছে দেশজুড়ে। সেটিকে আরও সম্প্রসারিত করতে সাপাহার উপজেলা পরিষদ চত্বরের সামনে
আমের জন্য সেরা চাঁপাইনবাবগঞ্জ। এ জেলার আম দেশের গণ্ডি পেরিয়ে বিশ্ববাজারে সুনাম কুড়িয়েছে বহুবার। তবে এসব কার্যক্রম শুধু আমের সিজনে দেখা যায়। কিন্তু এবার ঘটল ভিন্ন ঘটনা। মুকুল আসার আগেই নিরাপদ, রাসায়নিকমুক্ত ও রপ্তানিযোগ্য আম উৎপাদনের লক্ষ্যে চাষিদের সঙ্গে চুক্তি করে বাগান লিজ নিচ্ছে মেসার্স ফার্মইমা
# এফবিসিসিআই সভাপতি-চীনা রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ
দেশের বাজারে দাম ক্রমেই বাড়তে থাকায় আলু আমদানির অনুমতি দিয়েছে সরকার। প্রথম দিনে ১৯ হাজার ৪০০ টন আলু আমদানির অনুমতি দেওয়া হয়েছে।
কয়েক বছর আগে চাঁপাইনবাবগঞ্জে চোরাই পথে আসতো প্যাকলোবিউট্রাজল (কালটার)। প্যাকলোবিউট্রাজল উদ্ভিদের এক ধরনের বৃদ্ধি নিয়ন্ত্রক রাসায়নিক। তবে বর্তমানে এটি ব্যবহারের অনুমতি দিয়েছে সরকার। এতে দেশের বিভিন্ন কীটনাশক কোম্পানিগুলো এটি উৎপাদন করে বিক্রি করছেন বাজারে। আর এতেই বেঁধেছে বিপত্তি।
এখন আর আমের জন্য মৌসুম পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে না। অসময়ের কাটিমন আমে ছেয়ে গেছে দিনাজপুরের বাজার। যা এক সময় কল্পনাও করা যেত না। আর এ আম উৎপাদন হচ্ছে এ জেলাতেই।
আব্দুল জব্বার পেশায় একজন কলেজশিক্ষক। তবে আমের ব্যবসার সঙ্গে জড়িত কয়েক যুগ ধরে। গত ৫-৬ বছর থেকে আম ব্যবসায় লোকশান গুনছিলেন তিনি। তাই জিআই স্বীকৃতিপ্রাপ্ত ফজলি আমের বাগান কেটে আনারসের চাষ শুরু করেছেন তিনি।
চলতি বছর চাঁপাইনবাবগঞ্জ থেকে ৩৭৬ মেট্রিক টনের বেশি আম রপ্তানি হয়েছে। এতে করে লোকসান কাটিয়ে লাভের মুখ দেখবে চাষিরা।
গৌড়মতি, বারি-৪ প্রভৃতি নাবি জাতের আম চাষ করে সাফল্য পাচ্ছেন পাবনার ফলচাষিরা। এমনই একজন আমচাষি মৃদুল বিশ্বাস। তিনি ফ্রুটব্যাগ ব্যবহার করে নাবি জাতের আম চাষে এখন রীতিমতো লাখপতি। তার দেখাদেখি বহু তরুণ আগ্রহী হচ্ছেন নাবি জাতের আম চাষে।
সম্প্রতি জিআই সনদ (ভৌগোলিক নির্দেশক পণ্যের স্বীকৃতি) প্রাপ্ত আশ্বিনা আম বিক্রি হচ্ছে ১২-১৫ হাজার টাকা মণ। এতেও উৎপাদন খরচ উঠছে না বলে দাবি চাষিদের।
>> চাঁপাইনবাবগঞ্জের আমে জিআই ট্যাগ নেই>> একই দামে বিক্রি হচ্ছে এ জেলার আম
জার্মানির অত্যাধুনিক পদ্ধতির হিমাগার স্থাপন করা হয়েছে চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জে। এতে কাঁচা আম সংরক্ষণ করা যাবে ২০-২৫ দিন পর্যন্ত। এরইমধ্যে এখানে আম রেখে লাভবান হয়েছেন হিমাগার কর্তৃপক্ষ। সাধারণ আম চাষিদের জন্যও এই সুবিধা রাখা হয়েছে।