এবার ভৈরবে আসছে শুকনো ধান, মণে দাম বাড়লো ৩৫০ টাকা
কিশোরগঞ্জের ভৈরবে টনে টনে আসছে হাওরের বোরো ধান। শুরুতে ভেজা এলেও এখন আসছে শুকনো ধান। তাই শুরুতে দাম কম ছিল। দু সপ্তাহের ব্যবধানে প্রতি মণ ধানে দাম বেড়েছে ২০০-৩৫০ টাকা। ফলে কৃষকের মুখে হাসি ফুটেছে।
কিশোরগঞ্জের ভৈরবে টনে টনে আসছে হাওরের বোরো ধান। শুরুতে ভেজা এলেও এখন আসছে শুকনো ধান। তাই শুরুতে দাম কম ছিল। দু সপ্তাহের ব্যবধানে প্রতি মণ ধানে দাম বেড়েছে ২০০-৩৫০ টাকা। ফলে কৃষকের মুখে হাসি ফুটেছে।
চলতি বোরো মৌসুমে হাওরাঞ্চলসহ পুরো জেলায় বোরোর বাম্পার ফলন হলেও ফসলের ন্যায্যমূল্য পাচ্ছেন না চাষিরা। তাদের অভিযোগ উৎপাদিত ফসলের বিক্রয়মূল্যের সঙ্গে উৎপাদন খরচ মেলাতে পারছেন না তারা। সার, ডিজেল, বিদ্যুতের দাম বেড়ে যাওয়ায় ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছেন তারা। সরকার ধানের কেজি ৩০ টাকা নির্ধারণ করলেও তাতে তাদের
ঠাকুরগাঁও জেলায় এবার বোরো মৌসুমে ৬০ হাজার ১৫০ হেক্টর জমিতে ২ লাখ ৬৭ হাজার ৯৪০ মেট্রিক টন ধান উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়। এর বিপরীতে ৬১ হাজার ৬৫০ হেক্টর জমিতে ধান আবাদ হয়েছে।
সিরাজগঞ্জে বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউটের (ব্রি) উচ্চ ফলনশীল জাতের ধান চাষ করে প্রতি শতকে এক মণ ফলন পেয়েছেন কৃষক। ব্রি ধানের জাত ভেদে কোনো কোনো কৃষক এক মণের বেশিও ধান ফলাতে সক্ষম হয়েছেন।
টাঙ্গাইলের বাসাইল পৌরসভার পশ্চিমপাড়ায় ওষুধি ও পুষ্টিগুণসমৃদ্ধ 'ব্ল্যাক রাইস' চাষ করে তরুণ কৃষি উদ্যোক্তা নাহিদ মিয়া (২৪) সফল হয়েছেন। তিনি সরকারি সা'দত কলেজের ডিগ্রি প্রথম বর্ষের ছাত্র ও বাসাইল পশ্চিমপাড়ার নাছির উদ্দিনের ছেলে। পড়ালেখার পাশাপাশি তিনি শখের বশে ৫০ শতাংশ জমিতে এ ধানের চাষ করেছেন। এতে বাম
প্রথমে দেখে মনে হতে পারে, ধানগুলো বুঝি পুড়ে ছাই হয়ে গেছে! ধানের এমন বর্ণ স্থানীয় কৃষকদের মাঝে তৈরি করেছে নানা কৌতূহল। বস্তুত এটি উচ্চ ফলনশীল ধানের জাত।
নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে চলতি মৌসুমে আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় বোরো ধানের বাম্পার ফলন হয়েছে। নতুন ধান ঘরে তুলতে কৃষকরা ব্যস্ত সময় পার করছেন। তবে ফলন ভালো হলেও শ্রমিক সংকট এবং অধিক মজুরির কারণে ধান তোলা নিয়ে বিপাকে পড়েছেন চাষিরা। অতিরিক্ত অর্থ দিয়েও মিলছে না শ্রমিক। এতে কৃষকের হাসি অনেকটাই ম্লান হয়ে গেছে।
এবছরের বোরো মৌসুম ছিল কৃষকদের জন্য সর্বোচ্চ খরচের বছর। সেচযন্ত্রের জ্বালানি ডিজেল ও বিদ্যুতের দাম রেকর্ড পর্যায়ে। খরার কারণে সেচও লেগেছে অনেক বেশি। একই সঙ্গে বেড়েছে সার, কীটনাশক ও শ্রমিকের মজুরি। অথচ সীমাহীন খরচের এই মৌসুম শেষে ধানের কাঙ্ক্ষিত দাম পাচ্ছেন না কৃষক। উৎপাদন খরচই উঠছে না বলে দাবি তাদের।
দিনাজপুরে তাপপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে। গরমে অতিষ্ঠ হলেও রোদে বোরো ধান শুকাতে ব্যস্ত সময় পার করছেন কৃষকরা। ভালো দামের আসায় ধান বিক্রি না করে শুকিয়ে মজুত করছেন তারা।
দিনাজপুরের বিভিন্ন এলাকার চুক্তিবদ্ধ কৃষকদের কাছ থেকে বোরো ধান ও ভুট্টা সংগ্রহ শুরু করেছে প্রাণ-এর সহযোগী প্রতিষ্ঠান বঙ্গ মিলারস লিমিটেড।
ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গায় প্রায় ৩০ শতাংশ জমির পাকা ধান কেটে দিয়ে বর্গাচাষির পাশে দাঁড়ালেন এক কৃষকলীগ নেতা। সংগঠনটির কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির সহ-স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ বিষয়ক সম্পাদক অ্যাডভোকেট শেখ জামাল হোসেন মুন্না এ উদ্যোগ নেন।
নাটোরের সিংড়ায় বোরো ধানের ফলন বাড়ানোর জন্য সমলয় পদ্ধতিতে চাষাবাদ করছেন কৃষকরা। আধুনিক প্রযুক্তির প্রসারে ট্রেতে চারা উৎপাদনের ফলে খরচও কম হয়। এদিকে শ্রমিক সংকট নিরসন ও সময় সাশ্রয় হওয়ায় এ পদ্ধতিতে চাষাবাদে আগ্রহ বাড়ছে কৃষকদের। শুধু তাই নয়, এ পদ্ধতিতে বিঘায় প্রায় ৩৩ মণ ধান উৎপাদন হয়। উপজেলা কৃষি অধিদপ
উত্তরের জেলা জয়পুরহাটে শুরু হয়েছে আগাম ইরি-বোরো মৌসুমের ধান কাটা। অতিরিক্ত গরমে কৃষকদের কষ্ট হলেও কাটা, মাড়াই আর পরিবহনে ব্যস্ত কৃষকেরা। বসে নেই নারীরাও। মনের আনন্দে ধান শুকিয়ে ঘরে তোলার কাজে সহযোগিতা করছেন। ঝড়-বৃষ্টি না হওয়ায় ভালো ফলনের আশা তাদের। দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে শ্রমিক এসেছে ধান কাটতে। এখ