ফলবাড়িতে চারটি চারা থেকে প্যাশন ফলের বাগান, কেজি বিকোচ্ছে ৬০০-৮০০ টাকায়
কুমিল্লার দাউদকান্দির ইছাপুরা গ্রামের দন্তচিকিৎসক আবুল হাসান ফারুক ২০২৪ সালে শখ করে বাড়িতে চারটি প্যাশন ফলের চারা লাগান; এখন মাচাভরা বাগান থেকে দুই দফায় ফল পেয়েছেন।
ফলকুমিল্লার দাউদকান্দির ইছাপুরা গ্রামের দন্তচিকিৎসক আবুল হাসান ফারুক ২০২৪ সালে শখ করে বাড়িতে চারটি প্যাশন ফলের চারা লাগান; এখন মাচাভরা বাগান থেকে দুই দফায় ফল পেয়েছেন।
ফলমেহেরপুর সদরের গোভীপুরের কৃষক মো. মিঠু ঝিনাইদহ থেকে ২৩০টি চারা এনে মাচায় আনারকলি বা প্যাশন ফল চাষ করেছেন; খরচ প্রায় দুই লাখ টাকা, এ মৌসুমে ৮ থেকে ১০ লাখ টাকার ফল বিক্রির আশা।
টাঙ্গাইলের ভূঞাপুরে বাড়ির আঙিনার অল্প জায়গায় পরীক্ষামূলকভাবে প্যাশন ফ্রুট বা আনারকলি চাষ করে ফলন পেয়েছেন তরুণ উদ্যোক্তা মোহাম্মদ সোহেল; এখন বাণিজ্যিক বাগানের পরিকল্পনা।
ফল২০২৫ সালের জুনে জাগো নিউজ জানায়, শরীয়তপুরের জাজিরা উপজেলার ২৬ বছরের এক তরুণ বাড়ির ছাদে ৬০ জাতের ড্রাগন ফল লাগিয়েছেন, যার অন্তত ৩০টিতে ফল এসেছে; সঙ্গে আছে প্যাশন ফল, আর এই বাগান থেকে তাঁর মাসে আয় ৩০ হাজার টাকা।